Le prime 131 righe.
একটু পোজটা বদলান, স্যার।
-হুম। -ওকে।
সুন্দর। শেষ একটা তুলে নিই, স্যার।
হ্যাঁ। একটু বাঁয়ে।
ছবি তোলা শেষ।
এবার আপনাদের সাক্ষাৎকারটা নিয়ে নিই?
আপাতত রেজওয়ানারটা নিন।
একটু আসছি।
তাহলে আপনারটা নিয়ে নিই, ম্যাডাম?
নিশ্চয়ই।
ভোটে তো দাঁড়াচ্ছি।
তোমার বক্তব্য তো জানা হল না।
কী বলব বলো?
সিদ্ধান্ত তো তুমি নিয়েই ফেলেছ।
বেশ।
তবু তোমার মতামতটা জানতে চাই।
তাতে তো তোমার সিদ্ধান্ত পাল্টাবে না, তাই না?
তবু শুনতে চাইলে বলছি।
আমার মনে হয় না তোমার রাজনীতিতে থাকার দরকার আছে।
রাজনীতিতে যোগ দিলে
তোমার বিপদের সম্ভবনা বেড়ে যাবে।
স্ত্রী হিসেবে আমি তোমার ক্ষতি চাই না।
কাজেই, আমি অনুমতি দিচ্ছি না।
কিন্তু আমি এও জানি...
তাতে তোমার কিছুই যাবে আসবে না।
তোমার যা মনে হবে তুমি তাই করবে।
সবসময় যেমনটা করো।
সরি। জরুরি ফোন আসছে।
আসছি।
আমাদের ব্যবসাকে আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যেতে হবে, আনিস।
আমাদের প্রতিপক্ষ কাজ শুরু করে দিয়েছে।
আমাদের দেরি করাটা ঠিক হবে না।
এ জন্য আমাদের প্রচুর বিদেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।
-আনিস, প্লিজ। -হুম?
কারুর সঙ্গে জরুরি কথা থাকলে সেরে এসো।
-আমরা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে কথা বলছি। -হুম।
একটু মনোযোগ দিতে হবে।
তোমরা কথা বলো। আমি আসছি।
আসতে দাও।
হ্যালো, আনিস।
আমরা তো অনেকদিন কথা বলছি।
এবার বোধহয় দেখা করা উচিত।
আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই।
চলো, দেখা করি। প্লিজ।
তুমি কোনদিকে যাচ্ছ?
হুম?
আমার মিটিং হোটেল কর্পোরেট-এ।
কিন্তু তোমায় নামিয়ে যাব।
-তাই? -হুম।
আমাদের মহিলা ব্যবসায়ীদের কনফারেন্সও ওখানেই হবে।
ভালই হল।
কোন ফ্লোরে?
লবির পাশের সেমিনার রুমে।
কেন?
তুমি আসতে চাও?
না, তোমাদের ঝামেলায় ফেলতে চাই না।
কনফারেন্সে আসতে হবে না। লাঞ্চটা অন্তত আমাদের সঙ্গে করো।
সবাই খুব খুশি হবে।
-হুম? -আমাদের সঙ্গে লাঞ্চটা করো।
মিটিং শেষ না হওয়া পর্যন্ত বলতে পারছি না।
তবু দেখছি।
ওকে।
-তোমার ওদিকে। আমার এদিকে। -হুম।
-আনিস! -হ্যাঁ?
আমি প্রেজেন্টেশনটা ফেলে এসেছি।
বাড়িতে যেতে হবে। আমি তাহলে যাচ্ছি।
গাড়ি নিয়ে যাবে?
-তোমারটা নিয়ে গেলাম। -ঠিক আছে।
-আমি আসব? -না, তুমি থাকো।
লাঞ্চে আসছ কিনা জানিও।
-ওকে? দেখা হচ্ছে। -দেখা হচ্ছে।
হাই।
সরি।
চমৎকার জুটি।
ভেবেছিলাম আসতেই পারব না।
তোমার ফোন ধরতে পারছিলাম না।
অনেকক্ষণ অপেক্ষা করছ, না?
আমি খুব লজ্জিত।
আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
ঠিক আছে।
আমি আপনার কত বড় ভক্ত সেটা বলে বোঝাতে পারব না।
কীরকম?
"পুষে রেখেছি অনেক অনেক বিষণ্ণ কালো প্রহর।
ভুলে গিয়েছি কখন যেন এঁকেছি মিথ্যের দালানঘর।
আলো এসে বলে, ভাসব সাথে। সব মিথ্যে সত্য নয়।
আলো এসে বলে, জাগব সাথে। সব মিথ্যে সত্য নয়।"
প্রকাশ পায় ২০২২ এর, ১৩ এপ্রিল।
আবৃত্তি করেছিলেন আপন কথা টক শোতে।
"আলোর সাথে চলমান ছায়া হয়ে অজস্র শব্দ ভেসে আসে।
তবু কেন সকাল সন্ধ্যা এত রঙিন লাগে?
তবু কেন দৃশ্যপট রংহীন লাগে?
প্রথম প্রকাশ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২২।
সংবাদ নিবেদন-এর বিশেষ সংখ্যায়।
"মিছিল" প্রকাশিত হয় ২৯ নভেম্বর, ২০২২ এ।
সব মনে আছে?
আরও প্রমাণ দেব?
তোমার মতো পাঠক পেয়ে আমি গর্বিত।
আমি বিশ্বাস করতে পারছি না আপনি আমার সামনে বসে।
কোনওদিন ভাবতে পারিনি আপনার সঙ্গে আমার দেখা হবে।
আপনার কবিতা পড়ে শোনানোর ভাগ্য হবে।
কী যে আনন্দ হচ্ছে।
এই ধরনের পরিস্থিতিতে...
কী বলতে হয় জানি না।
আমি সত্যিই জানি না।
মনে হচ্ছে যেন স্বপ্ন দেখছি।
-এটা কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে গেল। -একেবারেই না।
নতুন একটা ইনভেস্টমেন্ট আছে।
আগাম দিতে হবে, ১০০ কোটি।
কিন্তু কোম্পানির অ্যাকাউন্টে বিশেষ টাকা নেই।
কাজেই তোমায় বেশ কিছুটা দিতে হবে।
কত দিতে পারবে বলো।
কত লাগবে?
প্রথমে পাঁচ কোটি।
তারপর আমি ইন্সটলমেন্টের ব্যবস্থা করব।
এমন ব্যবস্থা করব যাতে একটাও ইন্সটলমেন্ট মিস না হয়।
ঠিক আছে।
মানেটা কী, আনিস?
এত বড় একটা প্রোজেক্ট।
এত বড় ইনভেস্টমেন্টের ব্যাপার।
একটু মনোযোগ দিতে হবে তো।
এত বড় একটা পাওয়ার প্লান্টের প্রোজেক্ট।
তুমি পাত্তাই দিচ্ছ না।
তুমি বলো না।
আমি দেখছি।
হ্যালো।
স্লামআলেইকুম। ইন্সপেক্টর সলিম বলছি।
বলুন।
একটা খবর আছে।
আপনার কাছে মুক্তিপণের ফোন এসেছিল তো?
সেটা জাল ছিল। আমরা তদন্ত করে দেখেছি।
ও। আচ্ছা।
No comments yet. Be the first to leave one.