Le prime 200 righe.
নমস্কার ভাই ও বোনেরা,
আজ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে এলএইচএফ লকডাউনের সপ্তম দিন।
মনে রাখবেন, এলএইচএফ- ২৭ পানির মাধ্যমে...
অথবা সংক্রমিত লোকজনের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে ছড়ায়।
আপনাদের সুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য,
কেবল প্রশাসন কর্তৃক সরবরাহকৃত পানযোগ্য পানিই পান করবেন।
কারফিউ লঙ্ঘন করলে অথবা অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি পানি রাখলে,
আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।
গুজব থেকে আপনাদের সুরক্ষিত রাখতে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট...
এবং সকল প্রকার টেলিকমিউনিকেশন স্থগিত করা হয়েছে।
মনে রাখবেন,
ঢেউয়ের ভয়ে ভীতদের নৌকা কখনো কূল পায় না।
যারা চেষ্টা করে তাদের কখনো হার হয় না।
ধন্যবাদ।
স্যার, জেংকিনস লেকে তদন্তের সময়,
আমরা কিছু নতুন তথ্য পেয়েছি।
দেখে মনে হচ্ছে, এটমের লোকজন জেংকিন দ্বীপে শুধু পাইপলাইনের কাজই করছিল না।
অন্য একটা প্রজেক্টের কাজও করছিল। ATTAVUS প্রজেক্ট।
এই প্রজেক্টের কোনো ডিটেইল তো আমাদের কাছে নেই।
কিন্তু টাইমিংটা সন্দেহজনক লাগছে।
শিবা, আমি তোমাকে তোমার টিমের সাথে সশরীরে জেংকিনে যাওয়ার উপদেশ দিবো।
দেখো এই প্রজেক্টটা কী নিয়ে?
মোহন্তি বাবুকে দেখা যাচ্ছে না।
পৌরসভার চেয়ারম্যান কীভাবে এতো দেরি করতে পারে?
স্যার, আসলে, কাল রাতে...
উনার এলএইচএফ ধরা পড়েছে, স্যার।
তো, এটা আমাদের দোরগোড়াতেও এসে গেছে।
এই কেসের বৃদ্ধি থামানো ধীরে ধীরে অসম্ভব হয়ে যাচ্ছে।
স্যার, আমরা আমাদের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছি।
রেকর্ড সময়ের মধ্যে সংক্রমিত ব্যক্তিদের জন্য বেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
আর যারা সংক্রমিত হয়নি তাদের জন্য?
ভৌমিক বাবু, আমরা এক অনিরাময়যোগ্য রোগের মুখোমুখী হয়েছি।
আক্রান্তদের খেয়াল রাখার পাশাপাশি,
অনাক্রান্তদেরও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে আমাদের।
আমাদের প্রয়োজন শুধু বেডের নয়,
একটা নিরাপদ আশ্রয় লাগবে যেখানে আমরা তাদের আলাদা করে রাখতে হবে।
কিন্তু স্যার, সমস্যা তো সেটাই।
এমন কোনো নিরাপদ আশ্রয়স্থল নেই।
বাসযোগ্য সকল দ্বীপে এই ইনফেকশন ছড়িয়ে পড়েছে।
লোকজনকে কোথায় সরিয়ে নিবো?
দূরে কোথাও।
জীবন বাঁচাতে অসম্ভবকে সম্ভব করার চেষ্টা করতে হবে আমাদেরকে।
কালা পানি থেকে পালানোর একটা উপায় বের করতে হবে আমাদের।
Subtitle By: Habib Siam
: . : . : K A A L A P A A N I : . : . : Episode 03
~~~ Garjen ~~~
ঠিক আছে স্যার। আপনি যেতে পারেন।
কী হলো? কিছু জানতে পারলে?
সব দিক দিয়ে চেষ্টা করেছি, গার্গি।
হোটেল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পাল বাবুরও কোনো খবর নেই।
বাচ্চারা কেমন আছে কে জানে।
যাকগে, এই যে তোমার ঔষধ।
ডোজ বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।
এখানকার সব ডাক্তার পাগল।
আমার শরীর দেখো। দেখে মনে হচ্ছে আমি অসুস্থ?
কিন্তু সবাই বলছে রোগটাই এমন।
কিছুদিনের জন্য সুস্থ হয়ে যায় আবার কয়েকদিন পর অসুস্থ হয়।
আরে, অসুস্থ হলে আবার সুস্থও হয়ে যাবো।
দুইদিনের মধ্যে ডিসচার্জ হয়ে দেখিয়ে দিবো। কথা দিলাম।
তুমি শুধু পোর্ট ব্লেয়ারে যাওয়ার কোনো উপায় বের করো।
বাচ্চাদেরকে অনেক মনে পড়ছে।
এটা দেখেছেন?
এখানে আসার আগের রাতে ও এই জুসটা খুব করে খেতে চেয়েছিল।
কিন্তু আমি না বললাম।
"এখন যদি ভালো মেয়ের মতো শুয়ে পড়ো,
সকালে পুরষ্কারস্বরূপ এটা তোমাকে দিবো।"
এক লাফে বিছানায় উঠলো আর দিরিম।
ঘুমিয়ে গেলো।
কিন্তু পরদিন সকালে ওকে এটা দিতে ভুলে যাই আমি।
কেমন মা আমি?
আমার ভালো মেয়েকে তার পুরষ্কারই দিলাম না।
দেখো, তুমি প্লিজ আমাকে ওর কাছে নিয়ে চলো,
আর তুমি তো জানোই,
ওখানে যাওয়ার কেবল একটাই উপায় আছে।
নৌকা।
নৌকা। লকডাউনে নৌকা কেমনে নিয়ে আসবো?
নৌকা আনলেও। কোস্টগার্ড কি আমার বাপের?
আমাদের মাছ ধরার অনুমতি নেই, আর উনি পোর্ট ব্লেয়ার যেতে চান।
এমনভাবে বিরক্ত করে যেন আমার কারণে ওর বাচ্চারা ওখানে আটকে গেছে।
কী?
আমি কেবল সাজেশন দিয়েছি, সিদ্ধান্ত উনি নিয়েছেন।
এখন একটু হাত লাগাবি না কি আজও রোগের বাহানা দিবি?
নিশ্চয়ই, আরামসে।
সময় নিন স্যার। এটাকেই তো আমরা পার্টনারশীপ বলি।
মাল লুকানোর জন্য পর্যটকদের ব্যবহারও করব আমি, পুলিশের থেকে মাল লুকাবোও আমি।
তারপর সেই মাল বেরও করব আমি।
আপনি শুধু সুখটান দেন।
আর বসে বসে তিনপাত্তিতে পয়সা জিতুন।
আর কীইবা করতে পারি আমি?
অকৃতজ্ঞদের সেবা করা তো আমার রক্তেই আছে।
আমার আব্বা ওরাকাদের বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ দিলো।
আর আমার মা আর ভাইয়েরা তবুও নিমকহারামদের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
কীইবা করতে পারি আমি?
কোথায় গেলো?
পুন্ডি, তোর ভালোমতো মনে আছে তো? এই গাছের কাছেই মাল লুকিয়েছিলাম?
শালা, তোর সামনে আধাঘন্টা থেকে খুঁড়ে চলেছি।
এই গাছের দিকে ইশারা করেছিলি কেন?
আন্দাজে বলেছিস? আন্দাজে বলেছিস?
পুন্ডি, তুই দাগী চোরাকারবারী ছিলি।
একটা কাজ তুই...
এটা তোর তিনপাত্তি না, যে ব্লাইন্ড চাল মেরেও জিতে যাবি।
দূরে থাক!
একজনের নৌকা চাই আরেকজনের বিড়ি।
খুঁড়তে খুঁড়তে আমার হাতের বারো বেজে গেছে।
কাউকে বিশ্বাস করবো না। সবকটা হারামি।
পুন্ডি!
পুন্ডি! বীচের পাশে একটা বোট এসেছে...
শালা!
পরপর জ্যাকপট।
এক্সকিউজ মি, স্যার!
ভেরি গুড মর্নিং স্যার।
আমরা পোর্ট ব্লেয়ারের ট্রাভেল কোম্পানির মালিক।
দূরে থাক!
- কাছে আসবি না। - বুঝেছি, সমস্যা নেই। হ্যাঁ।
কে রে তুই?
আমার পরিচয় দিচ্ছি স্যার। যখনই আন্দামানের কথা ভাববেন...
হেই! শুধু নাম বল!
চিরঞ্জীবী।
আর ও কে? নাগার্জুন?
আসলে স্যার, আপনার বোট ভাড়া নেয়ার ব্যাপারে কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
আমাদের কিছু পর্যটককে জরুরিভাবে পোর্ট ব্লেয়ারে যেতে হবে।
- ৫০ হাজার? - কী?
৫০ এর পিছনে তিনটা শূন্য।
শুনেছি স্যার, কিন্তু ওয়ান ওয়ে ট্রিপের তো মাত্র ২ হাজার টাকা ভাড়া, না?
স্পেশাল টাইমে স্পেশাল সার্ভিসে চার্জও স্পেশাল।
আর কোস্ট গার্ড যদি আটকায়?
কথা বলতে পারে তাহলে?
কম।
এখানকার একমাত্র বোট তোর।
কোস্টগার্ডের চোখে ধুলো দিয়ে এসেছিস না কি টাকা খাইয়ে এসেছিস?
এই সমুদ্রকে দাবার বোর্ড ধরে নে, আর আমার রানি যেখানে ইচ্ছা সেখানে যেতে পারবে।
- বেস্ট... - বিশ
৬০ হাজার দিতে রাজি থাকা কাস্টমারও আছে।
তাহলে ওদেরকেই নে।
- ৩০ ঠিক করি নে। - বিশ।
- পঁচিশ ফাইনাল - ডান।
ক্যাশ লাগবে। আর বোট পরেরদিন পাবি।
ডান।
- আপনার ভালো নাম, স্যার? - থমাস।
গড ব্লেস ইউ, থমাস স্যার।
বলে দিও ওদেরকে।
স্যার!
- স্যার। - আপনারা যান।
- ঠিক আছে স্যার। - ঠিক আছে স্যার।
হ্যাঁ?
স্যার, সৌদামিনী ম্যামের রিসার্চের ফাইলগুলো সংগ্রহের চেষ্টা করছিলাম।
কিন্তু উনার কিছু ফাইল পাওয়া যাচ্ছে না।
আমার মনে হয় না ও কারও সাথে এই তথ্য শেয়ার করেছে।
- আর কিছু? - জি স্যার।
আমাকে কোনো কাজ দেয়া হচ্ছে না।
শুনলাম আপনি এলএইচএফ টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যদি আমাকে কোনো কাজ দিতেন...
আমাদের টিম নীতিমালাকে দাম দেয়, রিতু। আর সেসকল লোকেদের দাম দেয় যারা সেটা মানে।
জি, স্যার।
স্যার, আরেকটু পানি দিতে পারবেন?
এই ট্যাংকারে পানির চেয়ে বেশি ডিজেল আছে। সেটা গিলতে চাও?
যাও, নেক্সট!
স্যার, আরেকবার ভাবুন। আপনার পকেট গরম করে দিতে পারি আমি।
একশো টাকা দিয়ে?
না, স্যার। ২০০ আরও আছে। লাগলে বলুন।
আরে, না, না।
আপনার অর্ধেক সম্পত্তি কীভাবে নিই বলেন?
এক কাজ করুন। একটা ভালো উকিল দেখে সম্পত্তির ওয়াসিয়ত বানিয়ে নিন।
আপনার এই সম্পত্তি নিয়ে যেন সন্তানদের মাঝে মারামারি না হয়।
আর যদি কোনো সাহয্যের প্রয়োজন হয়। তাহলে আমাকে জানাবেন।
আমি সর্বদা আপনার সেবায় নিয়োজিত।
দেখুন সিনিয়র সিটিজেনদের সহায়তা করা পুলিশি দ্বায়িত্বের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আপনাকে আমার ব্যক্তিগত নম্বর দিচ্ছি। যেকোনো সময় কল করতে পারেন।
- আপনার ছেলের মতো আমি। - কেতন।
আরে, স্যার।
পারভেজ, উনাকে বাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিয়ে আসো।
নিজের খেয়াল রাখবেন, চাচা। কেমন?
জয় হিন্দ স্যার।
দেখে মনে হচ্ছে ব্যাম্বুফ্ল্যাট বস্তিতে তুমি ভালোভাবেই মানিয়ে নিয়েছো।
জি, স্যার।
এখান থেকে গেলে এনাদের কথা খুব মনে পড়বে।
কিন্তু, স্যার,
এখন আমার মনে আমি ফেরার জন্য তৈরি।
ফিরবে? কোথায়?
হেডকোয়ার্টার, স্যার।
ভেবেছিলাম এখানে আমার কাজ শেষ।
কেতন, তুমি পাবলিক প্লেসে গুলি চালিয়ে আতংকের সৃষ্টি করেছো।
তদন্ত শেষ না হওয়া অবধি তুমি কোথাও যাবে না।
আমি আমার টিম নিয়ে জেংকিনে যাচ্ছি। কিন্তু যাওয়ার আগে তোমার কাছ থেকে একটা জিনিস নিতে এসেছি।
- নাগরাজ! - জি স্যার।
লাঞ্চ হওয়ার আগে সব ভর্তি চাই।
ভিক্টর।
আমি সিন্ধু, সিন্ধু। শুনতে পাচ্ছিস?
ভিক্টর, সিন্ধু বলছি।
শুনতে পাচ্ছিস?
হ্যাঁ, সিন্ধু। ভিক্টর বলছি। সেটিং এডজাস্ট করে নে...
এডজাস্ট করে নে। হ্যালো। শুনতে পাচ্ছিস?
- সিন্ধু হ্যালো? - হ্যাঁ, অনেক কষ্টে শুনতে পাচ্ছি তোকে।
এটা চালানো এতো কঠিন সেটা জানতাম না।
জেলেগুলোর কাছ থেকে যে এগুলো কেন নিলাম কে জানে।
তুই ওখানে ঠিক আছিস, বিনু?
তোর থেকে এতো দূরে থেকে ততটা ঠিক নেই, কিন্তু তোর কাছে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
- ঐ বাচ্চাটার ঔষধ পেয়েছিস? - না
শেষ একটা আশা আছে। কিন্তু ফার্মেসীটা এখান থেকে অনেক দূরে।
তবে একটা জায়গা আছে যেখানে খাবার, ঔষধ, পানি সবই পাওয়া যাবে।
বাংকার বসুর কথা মনে আছে?
No comments yet. Be the first to leave one.