Informazioni sulla release

Ponmagal Vandhal (2020) Tamil Proper 720p WEBRip - BSub by DanielVai
Ponmagal Vandhal (2020) Tamil Proper 1080p WEBRip - BSub by DanielVai
Ponmagal Vandhal (2020) Tamil Proper 720p HDRip - BSub by DanielVai
Ponmagal Vandhal (2020) Tamil Proper 1080p HDRip - BSub by DanielVai
Un commento di DanielVai
কিছুসংখ্যক ভুল সংশোধনের পর আবার নতুন করে আপলোড করা হলো। এটাই আমার নির্মিত প্রথম সাবটাইটেল। অবশ্যই সাবসিনে ভালো/মন্দ রেট করবেন। 💝

Tag

hdrip
HDRip
720p
720
HD
webrip
web
BRip
1080
Pubblicato il: 2020-07-30
Download: 51
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 189 righe.

t

tr

tra

tran

trans

transl

transla

translat

translate

translated

translated by

translated by Danie

translated by Daniel

translated by Daniel V

translated by Daniel Va

translated by Daniel Vai

কিছুসংখ্যক ভুল সংশোধনের জন্য নতুন করে আপলোড করা হলো। এটাই আমার প্রথম নির্মিত সাবটাইটেল। অবশ্যই সাবসিনে ভালো/মন্দ রেট করবেন।

মাচান...?

কী হলো,

আয়..!

আজকের আলোচিত খবর!

উটিতে আজ সকালে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ঘাতক লাভডাল বনের কাছে

দুই যুবককে গুলি করে হত্যা করে।

এই ঘটনার ভিডিও অনলাইনে পোস্ট করার পর থেকে সাধারণ জনগণের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ঐ সময় স্পটে থাকা এক বিদেশী পর্যটক এই ভিডিও রেকর্ড করেছিলেন।

এই হত্যার পিছনে কোন উদ্দেশ্য রয়েছে, আর এই ভিডিওয়ের সাহায্যে হত্যাকারীকে গ্রেফতারের আশার আলো দেখা যাচ্ছে।

হত্যাকারী গানপয়েন্টে একটা ১০ বছরের মেয়েকে কিডনাপের চেষ্টা করছিলো।

তারা যখন বাচ্চাটিকে বাঁচানোর চেষ্টা করে তখন এই গোলাগুলি হয়।

'রামার' নামের একজন চায়ের দোকানদার, ঘটনাস্থলের প্রত্যক্ষ সাক্ষী।

ঐ অঞ্চলে বন্য হাতির চলাচল পর্যবেক্ষণের জন্য,

বনবিভাগ সিসিটিভি ক্যামেরা লাগায়।

আপনারা সেই ক্যামেরায় রেকর্ড করা ফুটেজও দেখতে পারেন।

তামিলনাড়ুতে অপহরণকারীদের অনুপ্রবেশ?

পুলিশ খুনির অনুমিত ছবি প্রকাশ করেছে।

জিম্মি করে রাখা একটি শিশুকে বাঁচানোর সময় নিরীহ যুবকরা গুলিতে নিহত হয়।

অপহরণ অব্যাহত রয়েছে।

অপরাধীকে গ্রেপ্তারের জন্য,

তামিলনাড়ু-কেরালা সীমান্তে সবধরনের চেকিং চলছে।

উটিতে শিশু নিখোঁজ।

জনগণ বিভিন্ন এরিয়ায় তাদের বিক্ষোভ জানাচ্ছে।

নিখোঁজ সন্তানের বাবা-মা এবং সাধারণ জনগণ বিক্ষোভে একত্রিত হয়েছে।

আমার মেয়ে স্কুলে গিয়েছিল, আর এখন সে নিখোঁজ।

স্যার আমরা আপনার আপডেটের অপেক্ষায় আছি।

- সে আমার সন্তানকে কোথায় নিয়ে গেছে? - শান্ত হোন!

প্লিজ অপেক্ষা করুন! শান্ত হোন।

আমরা আপনাদের অবস্থাটা বুঝতে পারছি। দয়া করে ধৈর্য ধরুন।

আপনি কি বলতে চাইছেন? 'ধৈর্য্য ধরুন' মানে?

সে দু'টো যুবককে হত্যা করে আরামসে একটা শিশুকে অপহরণ করেছে।

আপনি কি 'ধৈর্যশীল' হতেন যদি সেটা আপনার সন্তান হতো?

আমরা সেটাও জানি না শিশুটা এখনো বেঁচে আছে কিনা!

উটিতে হারিয়ে যাওয়া বাচ্চার সংখ্যা গত মাস থেকে ব্যাপকভাবে বেড়ে চলছে।

পুলিশ হয়ে আপনারা কী করছেন?

যতক্ষণ না প্রত্যেকটা শিশুর সন্ধান করা হয় আমরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবো।

চালিয়ে যাবো! চালিয়ে যাবো!

আমৃত্যু প্রতিবাদ চালিয়ে যাবো!

চালিয়ে যাবো! চালিয়ে যাবো! আমৃত্যু প্রতিবাদ চালিয়ে যাবো!

এখনই এই জায়গা খালি করুন।

শিরোনাম!

আজ সকালে একটি এনকাউন্টারে পুলিশ অপহরণকারীকে গুলি করে হত্যা করে।

ওই অপহরণকারী মহিলার নাম জোথি।

তিরুপ্পুর থেকে রাজস্থানগামী জয়পুর এক্সপ্রেসে করে পালিয়ে যাচ্ছিলো সে।

আমরা তিরুপ্পুর রেল স্টেশনেই জোথিকে গ্রেপ্তার করি।

তবে যে শিশুটিকে কিডনাপ করা হয়েছিল, সে তার সাথে ছিল না।

আমরা যখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি, সে বাচ্চাটাকে লাভডালে লুকিয়ে রেখেছে বলে জানায়।

আমরা যখন তার সাথে নির্দিষ্ট স্থানে গেলাম,

দেখলাম শিশুটির মুখ এবং অঙ্গাকৃতি বিভৎস করে ফেলা হয়েছে।

আমাদের দল যখন লাশ উদ্ধার করছিল,

তখন সে আমাদেরকে একটি দেশীয় বন্দুক দিয়ে গুলি করে যেটা সেখানে লুকিয়ে রাখা ছিল।

আমরা তাকে পাল্টা গুলি করতে বাধ্য হয়েছিলাম।

সে তার 'শিশু অপহরণের অপরাধ' এবং

শিশুটিকে উদ্ধার করতে আসা 'দুই যুবককে হত্যার অপরাধ' স্বীকার করেছে।

অপহরণকারী জোথি কয়েক মাস ধরে এঙ্গার বোর্ডের এই বাড়িতেই ছিলো।

এটিই সর্বশেষ তথ্য যা সামনে এসেছে।

স্যার কে এই জোথি? কী তার উদ্দেশ্য?

কেনই বা সে বাচ্চাদের অপহরণ করে হত্যা করবে?

জোথি একজন উত্তর ভারতীয়।

সে জয়পুরের বাসিন্দা,

একজন সাইকো কিলার।

জয়পুরেও তাকে অপহরণের মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

আমরা এই তথ্য পেয়েছি আমাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ থেকে।

সে এখানে রয়েছে গত কয়েক মাস ধরে,

যেখানে সে অপহরণ, নির্যাতন এবং বহু বাচ্চাকে হত্যা করেছে।

তার সাথে থাকা শিশুটিকেও সে অপহরণ করেছিল বলে আমাদের সন্দেহ।

সন্দেহের কী আছে স্যার?

সেই বাচ্চাও উত্তর ভারতের, স্যার।

বাচ্চাটা যখন বাইরে খেলছিল, আমি বারান্দা পরিষ্কার করছিলাম।

আমার ছেলে তাকে একটা চকলেট দিতে চাইলো,

তখন ঐ অপহরণকারী দৌড়ে এসে সেই বাচ্চাকে নির্দয়ভাবে মারতে থাকলো।

আমি তাকে জিজ্ঞাসাও করেছিলাম, কেন সে এতটা হিংস্র ছিল?

সে কিছু অদ্ভুত ভাষায় কথা বলছিল, আমি বুঝতে না পেরে চলে গেলাম।

হ্যাঁ স্যার আমি দেখেছি, শিশুটাকে মারতে মারতে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশ এই বাড়ি থেকে অনেক অস্ত্র আর রক্তের দাগযুক্ত পোশাক উদ্ধার করেছে।

জোথির বাড়ির উঠোন খনন করতে স্নাইফার কুকুর ব্যবহৃত হচ্ছে।

এই! এখানে দেখো তো।

একপাশে সরে যান স্যার।

আমাকে 'বাই' বলে স্কুলে গিয়েছিলি, এটাই এখন আজীবনের বিদায় হয়ে গেল।

এখন তোকে পাওয়া গেছে প্রাণহীন অবস্থায়।

ও ভগবান! তোকে ছাড়া আমি বাঁচব কীভাবে?

আমার মেয়েকে দেখতে দিন আমাকে।

সরে যান।

আমার সোনা মেয়ে, উঠে আমাকে জড়িয়ে ধর।

আমি এখন কী করবো?

ওরে! কাভিথা।

তারা আমার সন্তানকে আমার চোখের সামনে থেকে নিয়ে যাচ্ছে।

ভগবান!

আমি কত বছর প্রার্থনা করেছি এই সন্তান পেতে!

তোকে ছাড়া আমি বাঁচবো কীভাবে?

◑ Ponmagal Vandhal ◑

পন্মাগল ভান্ধাল এসেছে সোনার কন্যা...

- স্যার আর কতক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে? - আমি ফোনে কথা বলছি দেখতেই পাচ্ছো।

- তারা কেস ফাইল চাচ্ছে, স্যার। - এটি কোন মেয়ের কণ্ঠ না, সোনা।

- মনের সুখে ফ্লার্ট করো! - আমার খিদে পেয়েছে, স্যার।

একটানা কাজ করে যাচ্ছো! দেখো ভুল হয় না যেন।

- যেভাবেই হোক আমার শাশুড়িকে কারাগারে পাঠান, স্যার। - মনে করেন হয়ে গেছে।

টাকা-পয়সা খরচা করতে পারবেন?

- হ্যাঁ স্যার, পারবো। - তাহলে চিন্তার কিছু নেই।

প্রভু গণেশ, প্লিজ আমার কাছে কোন সন্ত্রাসী মামলা অর্পণ করবেন না।

পরিচ্ছন্ন ভারত!

আহ, পরিচ্ছন্ন ভারত!

নাম টা সুন্দর আছে, ভাই।

আমাদের জন্য দুই কাপ চা দেন।

আমি আপনাকে কতক্ষণ ধরে খুঁজছি!

দু'টো থেকে তিনকাপ বানিয়ে দেন!

- আসুন ভেতরে যাই। - হ্যালো, উকিল স্যার!

মনে হচ্ছে আপনি আমাদের ভাইকে এখান থেকেই জেলে পাঠাবেন!

কেসটা 'একফালি কেক' ছিলো সময় থেকেই আপনি তাকে টেনে চলছেন।

আর নিজের সাথে সে আমাকেও টেনে যাচ্ছে। টানটান খেলা আর ভাল্লাগে না।

কি ভাই, এটা কি পিটিশন পেথুরাজ মামলা?

হ্যাঁ ভাই, আপনি কীভাবে জানেন?

আপনারা আমার দোকান আর আমাকে দেখে অবাক হয়েছেন। ঠিক?

হ্যাঁ, ভাই।

আপনারা জানেন সে'ই এর জন্য দায়ী!

আপনার চা।

সে মাত্র ১০ টাকার চা খেতে আসছিলো।

আর আমার ওপর দশ হাজারের ভেজাল লাগায় দিলো।

একটা মাছিকে কখনো হাত দিয়ে মারা উচিত নয়, আন্টি!

- উনি আপনার আন্টি হয় না! - দুঃখিত, মহামান্য আদালত।

মাছি এবং মশার প্রজননের কারণেই

নতুন সব রোগ সারাদেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে!

- আপনি বলুন। - জ্বী, আন্টি!

ওও... দুঃখিত!

হ্যাঁ, মহামান্য আদালত।

উনার চায়ে মাছি পড়ে যাওয়া এই শতাব্দীর বড় একটা অপরাধ!

- অন্তত এভাবে প্যাকেট করা থেকে আমাকে রক্ষা করুন। - দাঁড়াও মিয়া।

মহামান্য আদালত, যদি উনার চায়ের মধ্যে একটি মাছি পড়ে যায় তাহলে এটা মাছির দোষ।

দোকানদারকে কীভাবে এর জন্য দায়ী করা হবে?

ন্যায়সঙ্গত যুক্তি বিচারে, মামলা দায়ের হওয়া উচিত মাছির বিরুদ্ধে।

অযথা এধরনের সাধারণ কেসে আমাদের পুরো জাতির সময় নষ্ট হচ্ছে।

আবার তা তুলে ধরা হচ্ছে, ছিদ্রযুক্ত সস্তা আন্ডারওয়্যারের মতো।

- বলে কী! ছিঃ - দেখুন, মহামান্য আদালত।

আইনি ফাঁক-ফোঁকর খোঁজার বদলে, তিনি একটা আন্ডারওয়্যারের মধ্যে গর্ত খুঁজছেন!

তার দোকানের স্বাস্থ্যবিধি প্রশ্নবিদ্ধ, আর উনি একটি মাছির দোষ খুঁজে বেড়াচ্ছেন!

মাছির কথা বাদ দেন! আপনি তো সম্ভ্রান্ত পরিবারের।

ধরুন উনিই আপনাকে চা এনে দিবেন।

একটু সিরিয়াস হয়ে ভাবুন।

কল্পনা করুন মাছির পরিবর্তে একটা টিকটিকি আপনার চায়ে সাঁতার কাটছে

আর আপনি ভুল করে এটি গিলে ফেলেছেন।

শেষে পরিণতি কী হবে? আন্টি!

তিনি শুধু বিচারকের মনে 'প্যানিক বাটন' চেপেই থামেন নি,

এই ব্যানারটাও বানিয়ে দিয়েছে আর আমাকেও 'স্বচ্ছ ভারত' পার্টিতে যোগদান করিয়েছে।

আমরা তো আরো ভালো কিছু ভাবতেছিলাম।

- লোকটার কোন কাজ-কাম নাই? - এটাই তার একমাত্র কাজ!

তিনি আর তার মেয়ে পুরো শহরে নতুন রঙ ফলাতে ব্যস্ত।

জিজ্ঞাসা করবেন না।

এই যে মা, এই নতুন অবতারটা আবার কী?

কি হলো মা? প্রতিবারের মত এবারও পেট্রোল ভরতে ভুলে গেছিস?

আচ্ছা ঠিক আছে, চেতিস না।

তুই ছবিগুলো তুলতে ভুলে যাসনি তো?

সবসময় শুধু নিজের কাজের চিন্তায় থাকো!

ধন্যবাদ মা!

এই শক্তিশালী পিটিশন পেথুরাজ থাকতে

তারা মুদি দোকানে রেশনের খাবার বিক্রি করে কীভাবে?

আমি তোদেরকে এত সহজে ছেড়ে দেব না।

- কী? - তারা এখনো আমাদের ফলো করছে।

চলো যাই, বাবা!

ওয়াও, বিস্কিট!

ভেনবা...

এরকম ওভার রিয়েক্ট করছো কেন?

হেই ভেনবা, তুমি আমার ছেলেকে কি শিখিয়েছো?

আমার শাশুড়ী যখন তাকে গোসল করায়, সে শুধু চিল্লায় আর বলে 'দাদী এটা ব্যাড-টাচ'!

উনি যদি আমাকে তোমার সাথে কথা বলতে দেখে...

সাব ইন্সপেক্টর সুরেশ পান্ডিয়ানের হাতে ছিনতাইকারী গ্রেফতার, মার্চ ২০০৪

শুনতে পাচ্ছি না!

এস আই সুরেশ!

- নমস্কার, স্যার! - রাখো তোমার নমস্কার।

- তোমার বস কোথায়? - উনি তো একটা দলীয় সভায় গেছেন।

ঠিক আছে, ভালো করে এক কাপ চা বানাও।

চেন্নাই পৌঁছে তোকে ফোন করব, মা।

সাব ইন্সপেক্টর সুরেশ পান্ডিয়ানের হাতে ছিনতাইকারী গ্রেফতার, মার্চ ২০০৪

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left