Le prime 200 righe.
শান্ত থাকো, মা।
প্রায় ৮ সপ্তাহের মতো বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।
তো, তোমার শেষ পিরিয়ড হওয়ার দুই মাস পেরিয়ে গেছে নিশ্চয়ই, তাই না?
এসব মনে রাখা উচিত না, মা?
চিকিৎসা চলছে, তাই না?
এসবের হিসাব রাখা উচিত না?
আর এসময় অকারণে চিন্তা করো কেন?
হাসি-খুশি থাকার চেষ্টা করতে পারো না?
পারো না?
দেখো এদিকে।
ডাক্তার কী বলল?
সেটা আরও আগে জানার চিন্তা করা উচিত ছিল।
কিছু বলতে চাইলে সোজাসুজি বলো।
জিনিসপত্র ভাঙচুর করো না!
এত দিন ধরে তোমার সাথে আছি,
আর তুমি কি না এরকম প্রতারণা করলে!
আর কী বলার থাকতে পারে?
আমি কীভাবে প্রতারণা করলাম?
Love (2021) "ভালোবাসা"
অনুবাদে: সাইফুল ইসলাম সাকিব
সম্পাদনায়: নূরুল্লাহ মাশহুর
- হ্যাঁ, বাবা। - হ্যালো, বাবা।
তুমি কি ব্যস্ত?
হ্যালো, বাবা? শুনতে পাচ্ছো? তুমি কি ব্যস্ত?
না। বলুন।
তুমি এখন কোথায়? অফিসে না-কি বাড়িতে?
আমি বাড়িতে।
ও আমাকে কয়েকবার ফোন করেছিল।
তখন ফোন ধরতে পারিনি।
যখন কল ব্যাক করলাম, ওকে ফোনে পেলাম না।
ও ওখানে থাকলে, ফোনটা ওকে দিতে পারবে?
বাবা? হ্যালো?
হ্যালো?
ও ঘুমাচ্ছে।
বলল শরীরটা ভালো না।
তাই না-কি?
কী হয়েছে?
আমি ওখানে আসব ভাবছিলাম।
আচ্ছা, তুমি ফ্রী হবে কখন?
তোমার সাথে কথা বলতে চাচ্ছিলাম।
কী ব্যাপারে?
তেমন কিছু না।
অনেকদিন হয়ে গেল কথা হয় না, তাই না?
আমি এখন কিছুটা ব্যস্ত আছি। আপনাকে পরে ফোন করি?
ঠিক আছে। কখন ফ্রী হবে জানিয়ো।
এবার খুশি তো, আমার জীবনটা নষ্ট করে?
অনেকক্ষণ ধরে কড়া নাড়ছিলাম!
কোথায় ছিলি তুই?
চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলাম।
সকাল সকাল শুরু করে দিয়েছিস?
শেষও করিসনি?
হে ত্রাণকর্তা, সমস্ত পাপ আমার করো ক্ষমা।
হে ত্রাণকর্তা, সমস্ত পাপ আমার করো ক্ষমা।
হে যিশু, দেখাও আমায় পথ ধর্মের।
কী ব্যাপার?
কিছু না।
ভাবলাম যাওয়ার আগে তোর সাথে দেখা করে যাই।
রাখ এটা।
আমাদের জন্য, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ভালোবাসার মানুষের সুখ, তাই না?
সিঙ্গাপুর বেড়াতে গিয়ে আমরা এই পুলিশ ওয়াচটা কিনেছিলাম।
তুই এটা রাখতে পারিস।
সিঙ্গাপুর ভ্রমণটা দারুণ মজার ছিল, তাই না?
আরে!
জীবনে ভুল করে না কে?
আমাদের কেবল সেগুলো অনুধাবন করে শোধরাতে হবে।
খাওয়ার কিছু আছে?
অনেক ক্ষুধা পেয়েছে।
এখানে ভাপা পিঠা আছে?
প্লেটটা ভেঙে গেছে।
প্লেটই তো।
ভাঙতেই পারে।
আজ একটা সিদ্ধান্ত নিলাম।
এখন আমি জানি কী করতে হবে।
কতদিন ধরে ঘুমাই না জানিস?
মানসিক চাপের কারণে!
আর আমার সবসময়ই ক্ষুধা পায়।
তুই খেয়েছিস?
হুম।
ডিম ভেজে আনতে পারবি?
কী ভাবছিস?
কী?
আরেকটা ড্রিঙ্ক বানিয়ে দিবো?
আমি মরে যাবো।
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি।
এভাবে বাঁচা যায় না।
আমি পুরোপুরি অতিষ্ঠ!
শেলবিকে চিনিস?
এভাবে বাঁচা যায় না।
সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি।
আমি মরেই যাবো।
অনেক হয়েছে!
এসব বলার জন্য ওটা নিয়ে এসেছিস?
এমনিতেই মাথাটা খারাপ হয়ে যাচ্ছে আমার।
দয়া করে চলে যা।
কী করছিস তুই?
অন্তত একটু পরিপক্কতা দেখা!
কেউ তার আবেগ শেয়ার করলে তার সাথে এমন আচরণ করিস?
আর কাকে এসব বলবো?
তোকে পছন্দ করি বলেই তো বলছি।
তোর অন্তত আমায় সম্মান করা উচিত!
সবাই আমার সাথে একইরকম আচরণ করিস না।
প্লিজ।
আমায় তাড়িয়ে দিস না।
সমস্যাটা কী তোর?
যথাযথ সম্মানের সাথে জিজ্ঞাসা করছি...
তোর সমস্যাটা কী?
ডিমটা পুড়ে গিয়েছে।
আমার মনে হয় না আত্মহত্যা করাটা কোনো অপরাধ।
তাতে করে যদি লোকে আমাদেরকে বোঝে, তবে তাই হোক!
ঠিক বললাম না?
তাছাড়া একবার মরে গেলে...
অন্যরাও আমাদের কাছে মৃত।
কী বিশৃঙ্খল অবস্থা!
আরও একটা ব্যাপার আছে।
মানুষ মরতে চায় বলে আত্মহত্যা করে না।
এটা এক ধরণের নিরাময়।
ঠিক বললাম না? ভেবে দেখ।
ব্যাপারটা এরকমই।
আমার একমাত্র ভুল আমি চারপাশের সবাইকে বিশ্বাস করেছিলাম।
এটা কি আসলেই ভুল?
তুই কী বলিস?
শেলবিকে চিনিস?
আমার সাথে যোগ দেয়ার আগে লোকাল মার্কেটে কাপড় বেচত।
আর এখন মার্সিডিজ এ-ক্লাস চালায়।
সবকিছুতে ব্যর্থ হওয়ার পর ওর সাথে ক্যাফেটা শুরু করেছিলাম।
আইডিয়াটা অসাধারণ ছিল।
দারুণ আইডিয়া।
কিন্তু বিশাল লস খেলাম!
আর বদমাশটা...
এখনো আমার সাথে ঝামেলা করছে।
জানিস সেটা?
যখন আমার বউকে এটা বললাম...
সে বললো...
আমি না-কি মানসিকভাবে অসুস্থ।
ওকে আর কী বলব?
"আমি মানসিকভাবে অসুস্থ!"
বিয়ে করার সময় এটা কেন ভাবেনি?
এখন কেন ভাবা শুরু করেছে?
তোর জীবন তো ভালোই চলছে।
কীভাবে সব সামলাতে পারিস?
সুখী জীবন!
সুখী স্ত্রী!
এখন কী করবি তুই?
আমাকে বাইরে যেতে হবে।
তুই যেতে পারিস।
আমি আর কী করবো?
কোথায় যাবো আমি?
আমি এখানেই থাকব।
হেই!
আমি দোষারোপ ছাড়া সবই সহ্য করতে পারি।
যা-ই বলি না কেন, সে আমার দোষ ধরতে থাকে।
কোনো কিছুতেই সাপোর্ট করে না।
সাপোর্ট করার দরকার নেই...
অন্তত দোষারোপ করা তো বন্ধ করতে পারে?
এখন তোর বাড়িতে কী সমস্যা?
মেয়েদের দেখে যেমন মনে হয়, ওরা আসলে তেমন না।
সমস্যা আর কী হবে?
সবকিছু ঢুকছে...
কিন্তু কিছুই বেরিয়ে আসছে না!
কত বছর হয়ে গেল!
তোরা তো চিকিৎসা নিচ্ছিস, তাই না?
চিকিৎসা, মনে তো হয়।
তার মতে, সে নিখুঁত।
তাহলে কি সমস্যা আমার?
বহুদিন আগে, তোর জন্য একটা মেয়ের গর্ভপাত করাতে হয়েছিল না?
তাহলে, সমস্যা তোর কীভাবে হতে পারে?
ঝগড়ার সময় কি এটা ওকে বলতে পারি?
এমন তো না যে কোনো মেডেল জিতেছি।
কেবল তাদেরকেই এটা বলতে পারি যারা আমার দিকটা বুঝবে, তাই না?
এটা কর্মফল...
আমার অতীতের পাপকর্মের।
সেটাই আমি বলছিলাম।
আমি আমার সাধ্যমতো সব করেছি...
ওর জন্য, আমার পরিবারের জন্য, আমার বন্ধুদের জন্য, সবার জন্য!
সেকারণে সিদ্ধান্ত নিলাম...
মরে যাবো!
কোথায় যাচ্ছিস?
ওয়াশরুমে।
এটা অপরিষ্কার। অন্যটা ব্যবহার কর।
ছবিটায় রক্ত লেগে আছে।
মুছে ফেল।
হাই। আমি প্রদীপ চন্দ্রন।
লাশ কীভাবে গায়েব করতে হয়।
আপনি কাউকে ইচ্ছাকৃতভাবে খুন করে থাকলে,
অথবা খুনের অংশ হয়ে থাকলে,
কীভাবে লাশটা গায়েব করবেন?
আজকের এপিসোডে সেটা নিয়ে আমরা কথা বলব।
কোনো লাশ গায়েব করার সময় কয়েকটা বিষয় মনে রাখতে হবে।
প্রথমে, লাশটাকে তিন ভাগে কল্পনা করুন।
মাথা, ধড় এবং নীচের অঙ্গগুলো।
এবার আসি নির্দিষ্ট পয়েন্টগুলোতে।
উপরের অঙ্গগুলোর জন্য, এটা হবে কাঁধ।
আর নীচের অঙ্গগুলোর জন্য উরুর হাড়, যা নিতম্বের ঠিক নীচে।
এখন আসি সবচেয়ে জটিল অংশে
যাকে বলে টুর্নিকেট।
অস্থিসন্ধিগুলোকে ঠিক নির্দিষ্ট জায়গায় বাঁধার জন্য টুর্নিকেট ব্যবহার করা হয়।
আর টুর্নিকেট দিয়ে বাঁধার পর,
ব্যবচ্ছেদ এর যন্ত্রপাতি নিন।
স্ক্যালপেল আর ফরসেপ।
পণ নবরাসু মার্ডার কেস নামে পরিচিত খুনের কেসে
No comments yet. Be the first to leave one.