Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদে - রাকিব হোসেইন সোহেল রানা আল মাকসুদ আতিক আরাফাত আরমান আল মাহমুদ
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
যেদিন আমার জন্ম হয়,
ছাগলগুলো পাগলের মতো চিৎকার করছিল।
আর ঐ দিন,
আমার সাথে একটা ডাইনী জন্ম নেয়।
"১৯৯৯, ইয়ুনগুল, গাংউন-ডু"
দশ মাস আমার মায়ের গর্ভে লুকিয়ে থাকার পর,
জিনিসটা পৃথিবীতে আসে আমার আসার দশ মিনিট আগে।
ঐ জিনিসটা আমার পায়ের মাংস খেয়ে বেচেঁ ছিল।
হ্যাঁ! বাচ্চাটা বের হয়ে আসছে!
জোর দাও! তোমাকে জোর লাগাতে হবে!
ওর পাগুলো ধরে রাখো। জোর লাগাও!
- শান্ত থাকার চেষ্টা করো। - এইতো এসেছে!
নাও, একটা লম্বা শ্বাস নাও। আরও একবার।
এই বাচ্চাটা তো ঠিকই আছে।
কেবল পায়ে সমস্যা।
ঐ বাচ্চা...
টিকবে না।
বেশিদিন বাঁচতে পারবে না।
লোকজন বলত
ওকে তখন মেরে ফেলা উচিত ছিল।
আমাদের জন্ম হওয়ার এক সপ্তাহ পর মা মারা যায়।
আর আমাকে বলা হয়েছিল যে এই ঘটনার এক মাস পর বাবা গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যায়।
আমার দাদু আমাকে এসব বলেছিল যখন আমি মাধ্যমিক স্কুলে উঠি।
আর...
ঐ ডাক্তার ভুল ছিল।
"২০১৪, ইয়ুনগুল, গাংউন-ডু"
জিনিসটা অত জলদি মরেনি।
সেটা এখনো জীবিত আছে।
বাল।
পরিবারটা এখানে কয়েকদিন আগেই এসেছে।
শুনেছি ওরা কুকুর বিক্রি করে।
ওদের খুব কমই দেখতে পাই।
আর পরিবারটা বেশ অদ্ভুতও বটে।
কখন এসেছে?
প্রায় একমাস আগে, বোধহয়?
আর কখন থেকে তোমার গুরু বাছুর অদ্ভুত আচরন শুরু করেছে?
প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে।
প্রায় পৌঁছে গেছি। ঐখানের বাড়িটা।
খোদা, এই হতচ্ছাড়া কুকুরগুলো দিনভর ঘেউ ঘেউ করতে থাকে।
ব্যাপারটা এত উদ্ভট...
এখানে একটু ঠান্ডা লাগছে। বাতাসের শব্দ...
আমি ঠিক বলেছি না?
উফ!
ওরা নিশ্চয়ই বের হতে চায় না।
এটা ফাজলামি না। এই শক্তি...
দেখো এটা।
এখানে অপ্রীতিকর কিছু আছে।
চলো যাই!
লোকজন আমাকে বলেছে...
- কিছু তো ঘাপলা আছে। - তা না হলে...
বুঝতে পারছো না? কেন ওরা বের হচ্ছে না?
ম্যাডাম চলুন কালকে আবার আসবো।
আমরা
সেই ডাইনীর সাথে এভাবে বাস করছি।
ওহ, খোদা!
দয়া করুন...
দয়া করে আমার পাপের জন্য আমাকে ক্ষমা করুন।
আপনার কাছে আমার হৃদয় ও মন দিয়ে ক্ষমা চাইছি।
দয়া করে আমাকে ক্ষমা করুন!
এখানে একটু আসো।
কেন?
এখানে আসো।
স্কুলে পড়াশুনা ভালো যাচ্ছে তো?
কোনো বন্ধু বানিয়েছ?
এইবার কষ্ট হলেও এখানে থেকে যাওয়ার চেষ্টা করব যাতে আবার আরেক জায়গায় চলে যাওয়া না লাগে।
হলফ করে বলতে পারি তুমি এসব ঘেন্না করো।
কী?
তোমার পা।
আর ঐ জিনিসটা!
- তোমার জমজ বোন... - কী হয়েছে?
আমি ওর জন্ম নিবন্ধন করাইনি।
ওকে কথা বলা শিখাইনি, কিন্তু আমার চেষ্টা করা উচিত ছিল।
বাদ দাও, আমি বুঝতে পেরেছি।
গেউম-হুয়া, তুমি দেখেছ...
কখনো চিন্তা করিনি ও এতদিন বাঁচবে।
আমি ওকে ভয় পাই।
এখনো আতকে উঠি।
প্রতি রাতে,
ওর কান্নার আওয়াজ...
খুবই আশ্চর্যজনকভাবে পাপ থেকে রক্ষা পেয়েছি।
ঈশ্বর বেশ ভালোভাবেই এসব বরদাস্ত করছেন।
সেই ক্রুশের কাছে যেখানে তিনি আমাকে গ্রহণ করেছেন।
- তার নামের মহিমায়। - এটা শুনেছ, তাই না?
হ্যাঁ।
শ্লোক নম্বর ২৫০।
"ক্রুসের নিচে"।
ধুর!
ভালোকরে শোনো।
এটা কোনো মানুষের কান্না হতে পারে না, তাই না?
এখানে, এই দিকে।
শুনে তো মনে হচ্ছে কোনো বাচ্চা কাদঁছে।
গাছের ডালটা দাও।
আকাশ পাতালের সকল আত্মারা।
রাজকুমারী।
আমি তোমার সাথে কথা বলতে এসেছি।
রাজকুমারী?
"SVAHA: THE SIXTH FINGER"
অশুভ শক্তিরা বিশেষ কিছু না
এখানে যেসব মূর্খ বৈদ্যদের তোমরা দেখতে পাচ্ছ এরাই আসল শয়তান।
যেসব ভন্ড ধর্ম প্রবক্তাদের কর্মকান্ড তোমরা এখানে দেখছ
সেসব পূজা অর্চনা নামে পরিচিত। এটা নির্দেশ করে যে
অর্চনা সংশ্লিষ্ট মোট ঘটনার সংখ্যা বছরে প্রায় ১,২০০ তে গিয়ে পৌঁছেছে
আর এর ভুক্তভোগীর সংখ্যা ৫০,০০০ ছাড়িয়ে গেছে।
এই দেশে, যেখানে ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়টি খুব কঠোরভাবে রক্ষা করা হয়
এই মূহুর্তে আমাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি একমাত্র সংঘঠন
যারা এই আধ্যাত্মিক যুদ্ধে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছে
অনুগ্রহ করে আপনারা আমাদের সমর্থন দিবেন।
এই ভালো কাজের সমর্থন করবেন।
- কেমন? - ঠিক আছে।
আজকে আমাকে এখানে ডাকার জন্য আমি সিউল আধ্যাত্মিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ধর্ম উপদেষ্টা
কিম টায়-সিককে ধন্যবাদ দিতে চাই।
আর সর্বশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা।
বিশ্বাস।
"যেখানে অর্থসাহায্য পাঠাবেন"
আমাদের গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির আপনাদের সহযোগিতা ও সমর্থন খুব প্রয়োজন।
একবার ভেবে দেখুন গোরস্থানে আরোহন করার সময় ঈশ্বর কেমন অনুভব করেন।
খুবই একা।
অনুগ্রহ করে আমাদের সমর্থন দিবেন এবং আমাদের জন্য প্রার্থনা করবেন।
আমরাই পৃথিবীর বুকে আলো ফিরিয়ে দিব।
পার্ক উং-জায় একজন জালিয়াৎ!
- ভন্ড! - ভন্ড!
ধর্মযাজক থেকে পদত্যাগ করো!
- পদত্যাগ করো! - পদত্যাগ করো!
তোমার ডাইনী খোঁজা বন্ধ করো।
- বন্ধ করো! - বন্ধ করো!
পার্ক উং-জায়কে দখল মুক্ত থাকতে হবে!
তার গবেষনা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করো!
- বন্ধ করো! - বন্ধ করো!
জনগনের মানবাধিকার লঙ্ঘন করা বন্ধ করো!
- বন্ধ করো! - বন্ধ করো!
- সহকর্মীরা সকলের হাত উত্তোলন করুন... - সহকর্মীরা সকলের হাত উত্তোলন করুন...
- ঈশ্বরের কাছে প্রতিজ্ঞা করুন। - ঈশ্বরের কাছে প্রতিজ্ঞা করুন।
ঐতো ওখানে! এটাতো পার্ক উং-জায়।
- কোথায়? - কোথায় সে?
- সেখানে! - ধরো ওকে!
- দূর হও! - দূর হও!
- দূর হও! - দূর হও!
হায়! ডিমের দাম তো এত কম না। মহিলাগুলোর সমস্যা কী?
তারা আমার দিকে খাবার ছুঁড়ে মারলো কেন?
- আপনাকে সাবধান থাকতে বলেছিলাম। - খোদা!
সন্ন্যাসীদের সংগঠনের সাথে আপনার জড়ানো উচিত হয়নি।
হায়, আমার খাই কোট...
আপনি তো দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন।
কথাটা মিথ্যে নয়। ঈশ্বরের কৃপায় এই মূহুর্তে আমার প্রিয় সকল ভক্তরা নারী।
- আবার নতুন একটা কোট কিনেছে। - হায় ঈশ্বর!
দূরপ্রাচ্যের ধর্মীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান
এগাপ ওয়েলফেয়ার সেন্টার কার্যনির্বাহী প্রযোজক জিয়ং জি-ইয়ুন
"ক্যাথলিজমের বহির্ভাগের পিছনে অশুভ নান"
"আধ্যাত্মিকতা মা গেউম জির অমর জীবনের প্রার্থনা"
"মোশি এই পৃথিবীর বিচার করবেন"
হায় ঈশ্বর!
আমাদের হিটিং বিল আসে ৫০০,০০০ উয়ন কিন্তু আমি এই জানালাগুলো বন্ধ রাখতে পারি না।
আজকাল কার অফিসে এয়ার ফ্রেশনার নেই?
- বলছিলাম কি... - যাজিকা সীম,
মেথডিস্ট গির্জা টাকা দিয়েছে?
টাকাগুলো পেতে হলে আপনাকে আগে আর্টিকেলটা শেষ করতে হবে।
একবার কিছু শুরু করলে তা কখনো শেষ করে না। শুধু কথা বলতে জানে।
- যাজিকা সীম, আমার এখানে দম বন্ধ হয়ে আসছে। - কোন ধরনের যাজক সারাদিন সিগারেট খায়?
- নিশ্বাস নিতে পারছি না। - একদম কুঁড়ে লোক।
- শুধু নিত্যনতুন ডিজাইনারের জামা-কাপড় পরে। - আমি গাংওন-ডু থেকে যাচ্ছি।
সেখানে "ডিয়ার হিল" এর জন্য যাচ্ছেন?
অবশ্যই। আপনি কি ভাবছেন আমি ছুটি কাটাতে যাচ্ছি?
- একটু বেশিই জাহির করছে। - ঈশ্বর!
মোশি এডভেন্টিসের আর্টিকেলটা আগে শেষ করুন।
হায় ঈশ্বর, যাজিকা সীম।
ধাপে ধাপে, বুঝেছেন?
যদি আমরা তাদের মুখোশ খুলেও দিই, গির্জা তাদেরকে অভিযুক্ত করবে না।
তাহলে এগাপ সংঘের কী হবে?
ইতিমধ্যেই আপলোড করে দিয়েছি সেটা। সেটা ক্যাথলিক ডাইজেস্টে কালকে পাঠিয়ে দিয়েন।
যার শিরোনাম হবে...
"রহস্যময় নান
যে কিনা ক্যান্সার নিরাময় করতে পারে।"
একটা আশ্চর্যবোধক চিহ্নের পরিবর্তে একটা প্রশ্নবোধক চিহ্ন দিয়ে শেষ হবে।
ইস, কি সস্তা!
আরে, এর একটা বানিজ্যিক রূপ দরকার।
জলদি ফিরে এসে আর্টিকেলটা শেষ করুন আর বাকি থাকা কলামগুলো...
যাজিকা সীম।
দেখুন, বৌদ্ধ সংঘঠনের সাথে
টাকার পরিমানটা একধাপ বেড়ে যায়।
চলেন, এই শীতে ফুকেতে ছুটি কাটাতে যাই।
ঠিক আছে? নিজ নিজভাবে।
আর,
আপনার একটা এয়ার ফ্রেশনার দরকার, তাই না?
- আমেন। - একটা এয়ার ফ্রেশনার!
- আমেন। - আমরা একটা এয়ার ফ্রেশনার কিনতে যাচ্ছি!
আমেন!
ঠিক আছে। সবাই মনযোগ দিন।
এটা কী ফুল?
- পদ্ম ফুল - পদ্ম ফুল।
ঠিক।
অনেক পবিত্র ফুল।
যদিও এটি কাদায় ও ঘোলা জলে জন্মায়।
এই সুন্দর ফুলটি সবসময়ই নোংরা জলে জন্মে, কিন্তু সম্পূর্ণরূপে অমলিন।
সকলে শুনুন।
এই পৃথিবী হচ্ছে একটি নোংরা কাদার জঞ্জাল।
যা দিন দিন আরো বিপজ্জনক ও কলুষিত হচ্ছে।
যাইহোক, আমাদের প্রার্থনা এবং আন্তরিকতাই এই পৃথিবীকে পাল্টে দেবে।
No comments yet. Be the first to leave one.