Le prime 200 righe.
Korean Literature Films Co., Ltd
দেখো।
গিমছনের এক লোক কাজের মহিলার সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়েছিল।
পুরুষ-মানুষরা সত্যিই বোকা, কাজের মহিলার সাথে কিনা জড়ায়?
আমি তা মনে করি না।
ভেবে দেখো। আমরা পুরোপুরিভাবে কাজের মহিলার উপর নির্ভর করি।
সে রান্নাবান্না করে, ধোয়া-মোছা করে। আর আমরা কাজ থেকে ফিরলে,
সে-ই প্রথম স্বাগত জানায়।
সর্বদা আমাদের সেবায় নিয়োজিত থাকে।
আমাদের পবিত্র বাড়িতে ওরকম ধ্যান-ধারণা বলা কিংবা চর্চা করা উচিত না।
Original screenplay by Kim Ki-young The Housemaid A Kim Ki-young Production
চলো।
শোনো সবাই!
আমরা সবাই একেবারে ক্লান্ত।
কীসের জন্য বাঁচছি আমরা?
তার একমাত্র উত্তর আমাদের মিউজিক ক্লাব।
সবাই আমাদের স্পোর্টস ক্লাবে যোগ দাও, ফ্রিতে নুডলস খেতে পারবে।
আমাদের মিউজিক ক্লাবের টিচার বেশ হ্যান্ডসাম।
ওনাকে শুধু দেখার মাঝেও রোমাঞ্চ কাজ করে।
নুডলসের মাঝে সেটা নেই!
চিঠিটা দাও।
না করে দিলে?
মিউজিক টিচাররা রোমান্টিক হয়। তারা বারুদের পিপার মতো।
এতেই কাজ হয়ে যাবে। এখন পিছু হটা যাবে না।
আপনারা সবাই নিশ্চয়ই বেশ ক্লান্ত।
তবে গান গাইলে ক্লান্তি দূর হয়।
আজকে আমরা একটা বোহেমিয়ান গান গাইবো।
আপনাদের কারো পিয়ানো শেখায় আগ্রহ থাকলে
আমার কাছ থেকে শিখতে পারেন।
একটা পিয়ানো কিনেছি, কিছু বাড়তি টাকা আয় করা দরকার।
সবাই আমন্ত্রিত।
- সত্যের মুহূর্ত! - আমার হার্টবিট বন্ধ হয়ে গেছে!
“শরতের আকাশ ছাড়িয়ে...”
এক্সকিউজ মি। আমাকে একটু ওয়াশরুমে যেতে হবে।
উনি নিশ্চয়ই তাড়ায় আছেন।
এতে তার কী হতে পারে বুঝতে পারছেন?
এরকম অশোভন আচরণ এড়িয়ে যাবেন?
- পিয়ন! - জি।
- খোয়াক সন-ইউংকে ডাকো। - জি।
মিস. খোয়াক, ডরমিটরি সুপারভাইজার আপনাকে ডাকছেন।
- কিছু হয়েছে! - ভেবো না।
এটা আপনি লিখেছেন?
কোম্পানির নিয়মে তিন দিনের জন্য সাসপেন্ড হচ্ছেন।
জি?
সবাই ভালো থেকো।
আমি চলে যাচ্ছি, স্যারের কারণে!
একেবারে চলে যাচ্ছো?
খুব লজ্জা পেয়েছি।
ভালোবাসা লজ্জার কিছু না।
ভুল৷ ডরমিটরি সুপারভাইজার বলেছে আমার লজ্জা হওয়া উচিত।
- বিবাহিত পুরুষকে ভালোবাসা... - উনি পাগল!
- পাগল? - হ্যাঁ।
তুমি খুব ভালো ছিলে।
- বিশ্রাম নিয়ে শীঘ্রই ফিরে এসো। - আচ্ছা।
স্যার।
বাবা, কেউ এসেছে...
- ছাং-সুন, দেখো তো কে। - পারবো না।
ছিঁড়ে ফেলবো এটা?
বাচ্চাদের এসব বলবে না।
ওদের উৎসাহ দিবে। ওদের উদ্দীপনা নষ্ট করবে না।
বাবা, তোমার কাছে অতিথি এসেছে।
সোনা!
এখানে কী মনে করে?
আপনার কাছে পিয়ানো শিখতে চাই।
বাবা, আন্টি এগুলো দিয়েছে।
ভেতরে আসুন।
উনি নাকি পিয়ানো শিখতে চান।
দেখা হয়ে ভালো লাগলো, ম্যাডাম।
কিছু মনে করবেন না। বাসা অগোছালো।
আমার দ্বিতীয় কাজের জন্য গৃহস্থালির কাজ করা হয়ে ওঠে না।
কোনো সমস্যা নেই। আমি বুঝতে পারছি।
আমরা পেছন দিকে সুন্দর একটা দুইতলা বাড়ি বানিয়েছি।
- আপনি নিশ্চয়ই অনেক খেটেছেন। - সেটা যদি ও বুঝতো।
ছাং-সুন কোথায়?
এ-সুন, ওকে খুঁজে আনো।
আগে কখনো পিয়ানো বাজিয়েছেন?
- না। এটাই প্রথম। - আচ্ছা।
এখানে আপনাকে শেখাতে পারবো কি-না জানি না।
নতুন বাসায় শেখাতে বলেছিলাম তোমাকে।
কয়েকদিনের মধ্যে আবার আসবো।
তাহলে আপনাকে নতুন বাসাটা দেখিয়ে দিই।
আচ্ছা।
- লাইট জ্বালিয়েছিস কেন? - তোমাকে দেবো না।
- শূকর! - নিতে চাইলে উপরে আসো।
- না, না! - আহারে বেচারি।
ওকে শক্ত হতে হাঁটাচলা করতে হবে।
- দে। - গলে গেছে!
- গাধী! ল্যাংড়া! - শূকর!
- ল্যাংড়া! - এই।
কী বললে?
ওটা বলতে না করেছিলাম না? হাত উপরে তোলো।
এটা হবে লিভিং রুম। ফ্লোরে লিনোলিয়াম দিয়ে লাইন টানা হবে।
সুন্দর হবে।
আপনি কোথায় থাকেন?
ডরমিটরিতে, খোয়াক সন-ইয়ং এর সাথে।
খোয়াকের সাথে?
- মা, হাতে ব্যথা করছে। - বাবা তোকে শাস্তি দিচ্ছে।
বাবা যা বলেছে করো।
কোনো সমস্যা?
এক ছাত্রী আমাকে প্রেমপত্র দিয়েছে।
- তুমি নিশ্চয়ই তার প্রথম ভালোবাসা। - যত বাজে কথা।
ফ্যাক্টরিতে ওসব নিষিদ্ধ।
- আপু, ইঁদুর। - কোথায়?
তোমার প্রেম করা উচিত। যা বাস্তববাদী তুমি।
এ-সুন! এ-সুন!
ছাং-সুন বললো ওখানে একটা ইঁদুর।
হাত তোলো!
খোয়াকের চিঠি।
কী লিখেছে বলা যায়? আমার চিন্তা হচ্ছে।
বললো কয়েকদিনের মধ্যে ফিরবে। পড়বেন?
চিন্তা করার প্রয়োজন ছিল না।
“আমি দুর্বল হয়ে পড়ছি।”
“কিম সাহেবকে বলতে চাইনি তুমি অসুস্থ।”
“উনি সহানুভূতি দেখানোর মতো লোক না।”
“আমরা বোকা ছিলাম।”
“একটি আশাব্যঞ্জক স্বপ্ন শেষ শরতে তুষারকণা জমার সময়
মুকুলিত হতে পারে না।”
স্যার!
পিয়ানো শিখতে এসেছি।
আপনার হাত দেখি।
ফ্যাক্টরির কাজের কারণে শক্ত হয়ে গেছে।
তবুও বাজাতে পারবো?
রোজ হাতের বিশেষ যত্ন নিবেন।
এটা এক সপ্তাহ ব্যবহার করুন।
আপনার আঙুলের চমৎকার নড়াচড়া দেখে অবাক হবেন।
প্রথমে, এভাবে আঙুল রাখুন।
এবার এভাবে চাপ দিন।
- দে! - না, না!
এত হইচই কীসের? আমার মাথা ঘুরছে।
ধরে ফেলেছি।
- কী হলো? - মা, মা!
- কী হয়েছে? - মা।
বেশি অন্যমনস্ক ছিলাম বোধহয়। একটা ইঁদুর ভয় পাইয়ে দিয়েছে।
একটু বিশ্রাম নাও।
বাড়িটা বেশি বড়ো।
আমার একজন কাজের লোক লাগবে।
উঠতে পারবে?
- সোনা? - আমার পেট।
- মিস. ছো! ডাক্তার ডাকুন। - আচ্ছা।
সোনা।
মাথা ঘুরছে।
সেলাই মেশিনে...
১০ বছর ধরে অনেক পরিশ্রম করছো।
না। আমি খুশি আছি।
ইঁদুর দেখে ভয় পেয়েছি শুধু।
মিস. ছো।
একটা কাজের লোক খুঁজে দিতে পারবেন? ঘরের কাজ আর করতে পারছি না।
দেখি।
আপনার উপর ভরসা করছি।
আচ্ছা।
কী বললেন?
- একটা কাজের লোক খুঁজে দিতে। - ভুল মানুষকে বলেছে।
দো, রে...
বেরিয়ে আসো।
- সিগারেট খাওয়া পছন্দ না? - মেয়েদের সিগারেট খেতে নেই।
আমার সহকর্মীরা খাওয়া শিখিয়েছে।
- খারাপ অভ্যাস, নিয়ন্ত্রণ হারাবে। - নিয়ন্ত্রণ হারাবো?
খোদা।
এটাই জগতের নিয়ম।
কিম সাহেবের বাসায় কাজ করতে চাও?
মাষ্টারের বাসায় কাজ করা নিয়ে ধারণা নেই।
- কিন্তু টাকা তো পাবে... - কত?
মাসে ৫,০০০ হোয়ান, সাথে আমার কাছ থেকে ১,০০০।
গোছগাছ শুরু করছি।
বাবা, আমিও।
আমিও।
- তুমি মা'র চেয়ে ভালো। - তুমি সেরা, বাবা।
আর তোমরা কী? বিচারক?
প্লেট আনো।
এই বোতল থেকে সাবধান। এটা ইঁদুরের বিষ।
খেলে মারা যেতে পারো।
- এটা খেলে মারা যায়? - হ্যাঁ, বিষ না।
মা'র কাছে নিয়ে যাও।
- এটায় ইঁদুরের বিষ নেই তো? - চুপ করো!
দাও এদিকে।
মা, ইয়েলো রাইস।
ওহ, কারি রাইস।
বাবা দারুণ।
আমার তর সইছে না।
মজা হয়েছে?
“Two men eat, one man die. I don't know, you don't know.”
এটার মানে?
মানে মজা হয়েছে।
Come on, my boy!
আহ। পাথর।
দুঃখিত।
আহ।
- দুঃখিত। - আহ।
দুঃখিত।
- মিথ্যা বলেছি। - দুষ্টু ছেলে!
- পড়ে যাচ্ছে... - আমি ফেলিনি।
কেউ এসেছে।
আসুন।
কীসের ঘ্রাণ?
আজকে আমি রান্না করছি।
- কারি রাইস না? - হ্যাঁ।
স্যার, আপনার রান্না চেখে দেখি।
কে?
- কাজের মহিলার কথা বলেছিলেন। - ওহ, হ্যাঁ।
- হ্যালো। - আসুন।
No comments yet. Be the first to leave one.