Le prime 190 righe.
থেওগ, হিমাচল প্রদেশের নিকটবর্তী কোথাও।
ছাড়ো আমাকে।
ছাড়ো!
কনফার্মড ভাই। সে-ই আমাদের টার্গেট।
হেই!
টাকা পাঠানোর পরে আমাকে ম্যাসেজ পাঠাতে বলিস।
গেলো কোথায়? ভেতরে কী করছে ও?
আমাদের চিপায় ফেলবে হালায়।
কী, ভাই?
- চদে তোরে, ভাই! - ঠিক আছে ভাই।
থেওক, হিমাচল প্রদেশ
আমাদের দর্শকদের জন্য ব্রেকিং নিউজ।
আপনাদের জানাতে চাই...
এমন একটি ঘটনার ব্যাপারে, যা আগে কখনো ঘটেনি।
চারিদিকে হুলস্থুল বেঁধে গেছে।
একটা হায়েনাকে দেখা গিয়েছে এখানে।
স্যাফ্রন টিভি আপনাদের প্রতি মিনিটের খবর জানিয়ে পাশে থাকবে।
আশেপাশের গ্রামের মানুষেরাও এখানে একত্র হচ্ছে।
সেই হায়েনা কার সাথে কী করবে খোদা মালুম।
এটিকে ধরে এর আবাসস্থলে ফেরত পাঠানোর চেষ্টা করা হচ্ছে--
বলো জোশি।
সাথিয়া, আমি পার্থিবানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছি।
কিন্তু ওর ফোন বন্ধ দেখাচ্ছে। কোথায় ও?
আমি যতদূর জানি, ও সিদ্ধুকে স্কুলে রাখতে গেছে।
সিদ্ধুর ফোনে কল দিয়ে দেখো। ওর ফোন হয়তো গাড়িতে আছে।
ওর সাথে কথা হলে আমাকে কল করতে বলবে।
ভালোমতো হ্যান্ডেল করো!
ব্যারিকেড লাগাও ওখানে। জলদি করো।
- কুমার? - স্যার?
কী শাউয়া চলছে এখানে?
কোনো কিছুই ঠিক নেই এখানে।
স্যার, এখানে কোনো কিছুই ঠিক নেই।
- এভাবে চলতে থাকলে, অনেকে জখম হবে। - কাকে পাঠানো হয়েছে?
ওয়াইল্ড লাইফ এসওএস টিম থেকে দুজন এক্সপার্ট এসেছেন।
ওরা এর আগে শুধু চিতাকেই বশ করেছে।
এটাকে কীভাবে বশ করতে হয় সেটা কেউই জানে না স্যার।
পার্থিবা, একটা জরুরি পরিস্থিতি এসে পড়েছে।
এখানে আসতে পারবে?
বেশ, আগে আমার পাঠানো ছবিগুলো দেখো।
ফুটপ্রিন্ট অনেক বড়। আহত হায়েনা হতে পারে। যদি তাই হয়, তাহলে সেটা বেশ হিংস্র হবে।
ঠিক আছে, তোমার এখানে আসতে সর্বোচ্চ কতক্ষণ লাগতে পারে?
কথা দাও মাকে বলবে না যে আজ স্কুলে যেতে দেরি হয়েছে।
কথা দাও মাকে বলবে না যে আজ আমি স্কুলে ফোন নিয়ে গিয়েছি।
প্লিজ, পা!
পরিস্থিতি মোটেও নিয়ন্ত্রণে নাই, পার্থিবান।
হায়েনা দলবদ্ধভাবে থাকা প্রাণী, জোশি।
দল বেঁধে থাকে এরা।
যদি একটা হায়েনা একাই এসে থাকে
এর মানে এটি হয় হারিয়ে গেছে...
নয়তো দলের বাকি সবাই মারা গেছে।
ভয়ে এটাকে মানুষ মারতে চাইবে। কিন্তু এটাকে জীবিত ধরতে হবে।
তা না করে যদি তোমার লোকেদের মতো ভাবি তাহলে ওটা আরামসে আমাদের খেয়ে নিবে।
কী করতে হবে এখন? কী করতে বলছো?
ওয়াকি টকি।
- হেই চ্যানেল থ্রি! আমরা চ্যানেল থ্রিতে আছি। - আচ্ছা।
বাবা, আমিও যাই তোমার সাথে। আমিও কাজে আসতে পারি।
গাড়ি থেকে বের হোস না বাপ আমার।
এটাই তোর করা সবচেয়ে বড় উপকার হবে।
তোর মায়ের বকুনি খাওয়ার রিস্ক নিতে চাই না আমি। ওকে?
লাগাও লাগাও! ব্যারিকেড লাগাও!
এদিকে টেনে আনো, জলদি!
জলদি করো।
- ব্যারিকেড কেন লাগাচ্ছে? - ডিএফও-র আদেশ স্যার।
কী দেখছো? জলদি করো।
স্যার, এখানে ব্যারিকেড কেন লাগিয়েছেন?
হায়েনাটা স্কুলের ভেতর চলে যাবে।
অনেক বিপজ্জনক হয়ে যাবে ব্যাপারটা। সরিয়ে নিন স্যার। প্লিজ।
রেঞ্জার স্যার। আমার কথা শুনুন।
আমার পোশাক আপনাকে দিয়ে দিচ্ছি। আমার কাজটাও আপনিই করুন।
- এই কী দেখছিস সবাই? - মাঙ্গের নাতি।
ভালো করে ব্যারিকেড লাগাও।
- কাম ইন, পার্থিবান! - হ্যাঁ জোশি।
এরা ব্যাপারটাকে তাচ্ছিল্য করছে। কীভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনবো জানি না।
স্যাঙ্কচুয়ারী(অভয়ারণ্য) থেকে ট্রাঙ্কুইলাজার গান নিয়ে আসো।
কোথায় থেকে আর কখন শ্যুট করতে হবে সেটা আমি জানিয়ে দিবো।
হ্যাঁ, ঠিক আছে।
এটা লুকানোর জন্য জায়গা খুঁজছে।
ওরা না বুঝেই ওটাকে মারার জন্য লেগে পড়েছে।
হায়েনাটা নিশ্চিত স্কুলে ঢুকবে।
জোশি, স্কুলের পশ্চিম প্রান্তে ট্রাঙ্কুইলাইজার গানটা নিয়ে আসো।
আমি বাচ্চাদেরকে সাবধান করছি।
বাচ্চারা সবাই ভেতরে যাও।
বাচ্চারা, সবাই ভেতরে যাও।
স্কুল বিল্ডিংয়ের ভেতরে যাও সবাই।
সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে, সবাই এক্ষুনি ক্লাসরুমে যাও। জরুরি।
শিক্ষক এবং কর্মচারীবৃন্দ!
সকল বাচ্চাকে ক্লাসরুমে নিয়ে যান নিরাপদে।
বেশি সময় নেই। জলদি।
যাও, ভেতরে যাও।
আসো...আসো। ভেতরে যাও।
ট্রাঙ্কুইলাইজার গানের অনুমতি পেয়েছি আমি।
- নিয়ে যাচ্ছি সেটা। ঠিক আছে? - জি, স্যার।
পার্থিবান!
আমি পজিশনে আছি।
জোশি থামো।
আর দশটা কাজের মতো কাঁধে তাক করবে না।
এর আঘাত করার শক্তি হবে অট্টহাসির তীক্ষ্ণতার মত ভারী
ফুসফুসে তাক করো।
শ্যুট।
- থামো! - এটাই সঠিক সময়। শ্যুট করো।
বালের বন্দুকটা জ্যাম হয়ে গেছে, পার্থিবান।
বন্দুক কোনো মানুষ না যে পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজেকে সামলে কাজ করবে। এটা মেশিন।
প্রতি মাসে এটার সার্ভিস করানো উচিত।
- সিদ্ধু? - বাবা?
তোমার বর্শাটা নাও।
- তোমার জুতার ফিতা জোশিকে দাও। - ঠিক আছে বাবা।
বাবার কথা শুনেছো না?
জুতার ফিতা দাও।
- আংকেল, বর্শাটা আমাকে দিন। - কী?
ভেতরে যাও।
পার্থিবান, যে বর্শাটা চেয়েছো সেটা পথেই আছে।
বাবাকে বলুন আমি ছুড়ে মারছি।
পার্থিবান, এই যে যাচ্ছে।
এই! সরুন...সরুন!
কে সে?
উনার নাম পার্থিবান, স্যার।
তামিলনাড়ু থেকে এসেছে।
প্রাণী উদ্ধারকারী
কাছেই একটা কফি শপ চালায়।
হেই!
ভেতরে যাও!
যান...যান। ভীড় কমান!
এক এক করে প্রশ্ন করুন।
থামুন...থামুন এক মিনিট।
এক মিনিট থামুন!
এক এক করে প্রশ্ন করুন ডিএফও স্যার জবাব দিবেন।
দেখুন...এটা অস্বাভাবিক কিছু না।
আমাদের দৈনন্দিন কাজ এটা।
যেসব প্রাণীরা খাবার কিংবা পানি পায় না তারা এখানে চলে আসে।
একটা তাজা খবর পেয়েছি আর তুমি সেটা কভার করছো না?
এখানে কভার করার মতো কিছুই নেই।
ফরেস্ট অফিসারেরা তো চুলটাও করেনি।
সাদা শার্ট, ইন করা, মধ্যবয়স্ক একজন।
উনাকে খুঁজে আসল তথ্য বের করো।
সেটা হলো তাজা খবর।
সাদা শার্ট, মধ্যবয়স্ক লোক?
- হ্যাঁ। - এই ভীড়ে তাকে কোথায় খুঁজে পাবো?
Thalapathy
A subtitle by Habib Un Nobi Siam
Thalapathy Vijay
তড়িঘড়ি করে শার্ট চাইলেন। কী হয়েছে ভাই?
- সেলাই করে নিয়ে আসো। - এটা তো রক্তে ভরে গেছে।
সেলাই করো ওটা। সেলাই।
হাই চীফ।
তাপমাত্রা বাড়ছে না কেন?
থার্মোস্ট্যাটে কোনো সমস্যা হয়েছে স্যার।
সার্ভিস করে দেয়ার জন্য কল করেছি। আজ আসবে।
- কেক ডেলিভারির জন্য রেডি। - ঠিক আছে।
ওগুলো পাঠিয়ে দিবো?
- গুড মর্নিং ভাই। - গুড মর্নিং।
শার্টটা এতোটাই ছিঁড়ে গেছে যে, মনে হয় না আর সেলাই করা যাবে।
এই শার্ট আমার বউ কোথায় কিনেছে জানো?
- জানি না। - তাহলে আমার বারো বাজবে আজকে।
কী হচ্ছে এখানে?
পুলিশ কী করে আমাদের ছবি পেলো?
সব বর্ডার আর চেকপোস্টে আমাদের ছবি নিয়ে খোঁজ চালানো হচ্ছে।
যে বাঞ্চোতটা কালেক্টরকে মারতে বলেছিল, আমাদেরকে চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেছে।
শুধু তাই না, সে আমাদের ছবিও লিক করে দিয়েছে।
এক সপ্তাহ আর থোবড়া দেখাস না। যত উঁচুতে পারিস গিয়ে লুকা।
নিচে নেমে ধরা খাস না।
ততক্ষণে আমি কোনো উপায় করবো।
যদি উপরে ওঠ উপরে ওঠ বলতেই থাকিস যাবোটা কোথায় আমরা?
কোথায় আছি কী হচ্ছে কিছুই জানি না আমরা।
তোকে ভরসা করেছিলাম আমরা আর তুই আমাদের টাকায় ফুর্তি করছিস?
আমাকে গান্ডু ভেবেছিস?
খালি পকেটে কোথাও যাচ্ছি না আমরা।
কোথাও লুকাতেও পারবো না। আমাদের যাওয়ার ব্যবস্থা কর।
বালছাল বকিস না।
কালেক্টরের বিরুদ্ধে থাকা সবাইকেই টার্গেট করা হয়েছে।
সেন্টার থেকে সাপোর্ট পেতে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় লাগবে।
আমি কল না করা পর্যন্ত কল করবি না।
হেই!
এই! আমার দিকে তাকিয়ে আছিস কেন? সামনে চোখ দে।
কী ভাই?
গতকাল খুব সকালে
কিছু অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি কালেক্টরের গেস্ট হাউসে প্রবেশ করে।
উনার গলা কেটে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তারা।
এখনও রেডি হওনি জান?
ওহ! শার্ট?! চকলেট লেগে গিয়েছিল।
তাই ধুতে দিয়েছি।
আর এটা পরে নিয়েছি।
রাজনৈতিক কারণে এই হত্যাকান্ড হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ একজন সন্দেহভাজনকে জামিন দিয়েছে।
আমাদের বিবাহবার্ষিকীর জন্য এতো ভালোবেসে একটা শার্ট কিনে দিয়েছিলাম তোমাকে।
আর তুমি সেটা নষ্ট করেই ছেড়েছো।
আর কিছু বলার নেই আমার, বাদ দাও।
আমার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য যাই করো না কেন কোনো কাজই হবে না তাতে।
তোমার যা মন চায় করো।
প্ল্যানে কোনো পরিবর্তন হবে না।
রেগে চলে যাচ্ছি আমি।
No comments yet. Be the first to leave one.