Le prime 200 righe.
জেনিফার ওয়াল্টারস, আইনজীবী, মিলেনিয়াল,
নিজের ক্যারিয়ার আর ব্যক্তিগত জীবন ব্যালেন্স করার উপায় খুঁজছে।
তারপর, দুর্ঘটনাবশত গামা-রেডিয়েটেড রক্তের ডোজ
তার শারীরিক গড়ন বদলে দেয়।
আর এখন, জেনিফার ওয়াল্টারস রেগে গেলে বা ক্ষুব্ধ হলে,
একটা মেটামরফোসিস ঘটে।
জন্তুটা ক্রোধ দ্বারা চালিত হয়
আর অনলাইন ট্রলের শিকার হয়।
আমাকে রাগিয়ো না। আমি রেগে গেলে আমায় পছন্দ করবে না।
তাদের উস্কানিতে ক্রোধে ফেটে পড়ে
সে এখন জেলখানায় বন্দি।
আর এখন, তার ভেতরের ক্রোধান্মত্ত স্বত্বাটাকেই
লোকে দেখে।
অনুবাদে: নূরুল্লাহ মাশহুর
হেই, গাইজ।
হেই, বন্ধু।
কেমন আছো?
আমি ঠিক আছি। ব্রুসের কোনো খোঁজ পেয়েছ?
অনেকগুলো মেসেজ দিয়েছি।
আমি যথাসম্ভব শান্ত থাকার চেষ্টা করছি,
স্বয়ং হাল্ককে কল করছি সেই বিবেচনায়।
- কাজের কথায় আসা যাক। - হ্যাঁ।
আমার ব্যক্তিগত তথ্য হ্যাককারী প্রতিটা ব্যক্তিকে আমাদের সনাক্ত করতে হবে।
ওদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে...
দাঁড়াও, এসব ভুলে যাও। তোমার কেস নিয়ে আমাদের আলোচনা করতে হবে।
এটা একটা টার্গেটেড আক্রমণ ছিল। ওদেরকে এর জন্য বিচারের আওতায় আনতে হবে।
তুমি ওদের টোপ গিলেছ।
আমি রাগান্বিত ছিলাম!
এমন পরিস্থিতিতে যে কেউ এমন আচরণ করত।
তুমি যে কেউ না। তুমি নিয়ন্ত্রণহীন হাল্ক।
সমস্ত প্রতক্ষদর্শী এটাই দেখেছে।
আমাদের কাছে একটা কৈফিয়তের চুক্তি রয়েছে।
ডিএ এই ঘটনার জন্য কোনো অভিযোগ দায়ের করবে না।
শর্তগুলো কী?
হেই।
ওহ, নো, সোনা। সমস্যা নেই।
- লোকজন প্রতিদিনই জেলখানায় যায়। - প্রতিদিন।
আমি সব খাবার আর ড্রিংকস চুরি করে
তোমার গাড়িতে রেখে দিয়েছি কারণ এই জায়গার গুষ্টি মারি।
ধন্যবাদ।
তবে আমি এখানে চাকরি চালিয়ে যাবো কারণ ওরা আমায় ভালো বেতন দেয়।
আমার ব্যাপারে ভেবো না তোমরা।
সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
আমরা সবসময় তোমার পাশে আছি, জেন।
হাল্কের মেয়ে কাজিন, যে শি-হাল্ক নামে জনপ্রিয়,
আজ হেফাজত থেকে মুক্তি পেয়েছে।
জামিনের শর্ত
জেনিফার ওয়াল্টারসের স্থায়ীভাবে শি-হাল্কে রূপান্তরে নিষেধাজ্ঞা...
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রতিবেশী জানিয়েছেন তিনি অস্বস্তি বোধ করেন
- এরকম একজন অস্থিতিশীল সুপারহিউম্যান... - অস্থিতিশীল?
-...তার পাশের বাড়িতে থাকেন। - শি-হাল্ক!
ওরা কি আমার বাড়ির বাইরে?
এক্সকিউজ মি, জেন ওয়াল্টারস।
আপনার সুপারপাওয়ার হারিয়ে ফেলার ব্যাপারে কোনো মন্তব্য করতে চান?
জেন, কেউ যদি তোমাকে আর চাকরি না দেয়,
তুমি যেকোনো সময় আমাদের এখানে ফিরে আসতে পারো।
- ধন্যবাদ, বাবা। - অবশ্যই।
কিন্তু আমার জিমের জিনিসপত্র তোমার রুমে এখন, আর আমি প্রতিদিন সকাল ৭টায় ব্যায়াম করি।
তোমার আমার সাথে যোগ দেওয়া উচিত। ব্যায়ামের বন্ধু।
ওহ, এটা দারুণ মজার হবে।
ওইতো সে!
- জেনিফার, রিহ্যাবে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা রয়েছে? - হেই!
হেই! আমার লন থেকে সরো!
খরা চলছে কি না তা নিয়ে আমার মাথাব্যথা নেই। যথেষ্ট পানি সরবরাহ আছে আমার।
না!
হ্যাঁ, আমি ওই ছোটোবেলার ছবিগুলো দেখতে চাই, এলেইন।
ধন্যবাদ। ওহ, মাই গড। আমি এলেইনকে ভালোবাসি।
ওকে, কী খবর আছে আমার জন্য?
ওই লোকগুলোর পরিচয় খুঁজে পাওয়া যায়নি।
আমরা জানি হাল্ক কিং ইন্টেলিজেন্সিয়ার এডমিন,
তবে সাইটের নিরাপত্তা প্রচণ্ড কড়া।
আমি প্লাটফর্মটা দেখেছি, আর এটা অনেকগুলো শেল কোম্পানির মালিকানাধীন
যারা যুক্তরাষ্ট্রের এখতিয়ারের বাইরে।
যেটা... যদি ওদের নাই চিনি তবে ওদের বিরুদ্ধে মামলা কীভাবে করব?
ওকে, দেখো ইন্টেলিজেন্সিয়া বানিয়েছে কিছু গর্দভ লোক।
ওদের মাঝে একজন মুখ ফসকে
ওদেরকে ট্র্যাক করার মতো তথ্য দিয়ে দিবে।
তারপর আমরা ওদের খুঁজে বের করব, আর আমরা ওদের যেকোনো উপায়ে ধ্বংস করে দেবো।
আইনসঙ্গত উপায়ে।
আমি বলেছি, "যেকোনো উপায়ে।"
না, আমি ওদের বিরুদ্ধে মানহানি আর প্রাইভেসি লঙ্ঘনের মামলা করব
আর একটা সুরক্ষিত কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশের
- অভিযোগ আনব। - আহ। বোরিং।
জেন ওয়াল্টারসের মতো করেই যদি এটা সামলাতে চাও, সমস্যা নেই।
ওকে। আমি আসলে এই লোকটাকে খুঁজে পেয়েছি...
- সুইটি! - এক সেকেন্ড। খাবার। হ্যালো।
আমি তোমার বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য নাস্তা প্যাক করে দিচ্ছি।
- সাদা-কালো কুকি সহ? - হুম।
ধন্যবাদ।
জেন আর ওর বন্ধুরা ল' স্কুলে এই ভিডিওটা বানিয়েছিল
- দেখলে মজা পাবে। - না, মা!
- আমার জীবনের মিশন এটা দেখা! - না! না! না!
ছাড়ো! আমাদের কাজ করতে হবে। এটা দেখো না।
এই কাজ আমার ঘর ছেড়ে কখন বের হবে?
ঘটনার জন্য আমি প্রকৃত বিচার পেলে। তুমি এভাবে বিরক্ত করলে তো সেটা করতে পারব না।
ওকে!
- ওটা আমাকে পাঠিয়ে দিয়েন, প্লিজ? - পাঠিয়ে দিয়েছি।
গুডবাই, মা। তোমাদের দুজনের বিরুদ্ধেই মানসিক নির্যাতনের মামলা করব আমি।
- ওহ, বয়। - ঘনিষ্ঠভাবে।
- জেন। - ঠিক তাই।
আমরা ডিএ'র অফিসে একসাথে কাজ করেছি,
আর আমরা বেশি ভালো সময় ধরে ডেট করেছি।
আর আপনাকে বলছি, সুপারপাওয়ার পাওয়ার আগে থেকেই সে সাইকো ছিল।
- ওর দাদীকে আমি দোষ দেই। - হাহ?
জেনিফার! বড় বুকশেলফটা সরিয়ে দিবে?
- আমি এটা জানালার কাছে চাই। - না!
ওহ, ঠিক। তুমি আর গার্ল-হাল্ক হতে পারবে না।
এটা শি-হাল্ক, মা। অথবা, ছিল।
কিন্তু আর কখনও না।
যেটা আমি জানি আমি চেয়েছিলাম, কিন্তু এটা ঠিক মনে হচ্ছে না।
এটা কোনো অনাগ্রহী সুপারহিরোর গল্পও না।
আমি স্রেফ মারা খেয়ে যাচ্ছি।
তোমরা এটাই চাও?
জেনিফার ওয়াল্টারস এখন নতুন এক নীচ মহিলা।
- তার মাঝে লড়াই করার আর মনোবল বাকি নেই। - না, ধারাবর্ণনার দরকার নেই।
এতটাও নিচে নেমে যাইনি।
হেই, কী খবর?
ও নেটওয়ার্কের বাইরে।
এমিল বুঝবে।
উম্ম।
বেশ, ও বলেছিল যেকোনো সময় যেতে। এখন সে সময়।
আমি আমার সমস্যা থেকে পালাচ্ছি না। এটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটু বিরতি।
শি-হাল্কের কলেজের সময়কার এই ভিডিয়োটা পেয়েছি।
এই অপরাধের জন্য আমায় ক্ষমা করো, জেন।
ওহ, হেই, হাল্ককিং।
ওকে, বেশ, এটা সহজ ছিল। নাকি আমিই জিনিয়াস?
"অবশ্যই, আমি চলে আসব।"
পাগ, তুমি আছো এখনও?
আমার একটা সাহায্য দরকার।
জেন।
- কী দারুণ চমক! - হুম। আশা করি কোনো সমস্যা নেই।
আমার কয়েক দিন থাকার জন্য একটা জায়গা দরকার।
অবশ্যই।
- তোমার জন্য একটা গেস্ট রুমের ব্যবস্থা করছি। - ওকে।
- আর একটা আলিঙ্গন। - ওকে।
"আমাদের হৃদয় একই ছন্দে স্পন্দিত হয়।"
"যদি বলো আমি দানব, তবে তুমি কী?"
ফালতু বই।
ওকে, আমরা চলে এসেছি।
পাগ, তোমায় ভেতরে গিয়ে মিশে যেতে হবে, ওকে?
ওদের ব্যাপারে সব জানার চেষ্টা করবে। চিন্তা করো না। আমি ফোনে থাকব তোমার সাথে।
কানে এয়ারবাড নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি এটা সন্দেহজনক দেখাবে না?
বিশ্বাস করো, এরকম তুমি একলা নও। ওকে?
প্লিজ, আমায় এটা করতে বাধ্য করো না।
তোমায় করতে হবে, ওকে? এই ট্রলদের সাথে তোমায় মিশে যেতে হবে।
আর মনে রেখো সবসময় নারীদের "বেডি মানুষ" বলে সম্বোধন করবে।
জেনের জীবন হুমকির মুখে, ওকে?
তাই, তোমার মাথা কাজে লাগাতে হবে, ভায়া!
যাও এবার। ধন্যবাদ।
তুমি বোঝোনি এটা একটা ভালো মুভি ছিল।
- বসো ভায়া। আমি ব্যাখ্যা করছি। - ঘোরাঘুরি বন্ধ করো, ওকে?
- লোকজনের সাথে কথা বলো। - কথা ভেঙ্গে ভেঙ্গে আসছে।
- ভান করো না যে আমার কথা শুনতে পাচ্ছ না। - না। এখানকার নেটওয়ার্ক বাজে।
ওকে, চারপাশে হাঁটো।
শি-হাল্কের দরকারটা কী?
এমন না যে হি-হাল্ক বলতে কিছু আছে।
আর লেডি থর?
- হেই, বন্ধুরা, ও পুরো ভুয়া, ওকে? - হ্যাঁ।
একটা মহিলা ক্যারেক্টার বলে বলছি না।
যদি এটা পুরুষ চরিত্রও হতো একই সমালোচনা করতাম।
হুম, খুব বেশি আবেগ।
চলো, পাগ, কথা বলো ওদের সাথে।
...কাউকে আর মজা করতে দেওয়া হয় না এখন।
- না। করতে পারব না, নিক্কি। - হ্যাঁ, তুমি পারবে।
চলো, পাগ।
ওকে। চলো, পাগ। অশ্লীল হও।
- বেডি, তাই না? - হ্যাঁ, ভায়া।
- হ্যাঁ, হ্যাঁ, তুমি। - হুম।
মাদার পাগার।
টড ফেল্পস?
টড? ওহ, দাঁড়াও, এখন বোঝা যাচ্ছে।
ভায়া, অবশ্যই তুমি আমাদের একজন।
এদিকে আসো, ভায়া।
হাহ?
হুম?
স্বাগত, ব্রো। তোমায় এখানে দেখে খুব খুশি হয়েছি।
হুম। আমিও। খুব খুশি।
এই লোকটা সেরা, ঠিক আছে?
আমার থেকে প্রথম শুনেছ।
ও সেরা আর ও হট।
- আমি তোমায় খেলে দিবো। - কী?
- আর সত্যিটা বলি, ওকে? - কাম অন।
সে জানে আমি কী বলতে চাইছি।
- শি-হাল্ক কি হাল্কের চেয়ে বেটার? - না।
সে কি তার মতো শক্তিশালী? তার মতো বুদ্ধিমান?
- না। - না!
তাকে ছাড়া ও পাওয়ারই পেত না, তাই না?
তো, আমরা কেন ভান করব যে সে সবকিছু অর্জন করেছে?
আমার যুক্তি এটাই।
সুপারপাওয়ার তাদেরই পাওয়া উচিত যারা তাদের কাজে সেরা।
- ঠিক? - একদম তাই।
- ঠিক? - হ্যাঁ, পুরোপুরি।
বলো ও সবকিছু স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে পেয়েছে।
ও সবকিছু পেয়েছে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে।
হুম, ঠিক তাই।
আমিও তাই বলছি, ভায়া।
তোমার মনে হয় সে হলিওয়ের সাথে শুয়েছে?
- সে ওদের বস। - ওহ।
- শুয়েছে? - বলো হ্যাঁ!
হ্যাঁ।
No comments yet. Be the first to leave one.