Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
অনুবাদে : আসাদুজ্জামান
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
আ... আমরা এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম।
এতো পুলিশের গাড়ি দেখে, দেখতে এসেছিলাম কী হয়েছে।
ওহ, আচ্ছা।
উনি কি কিছু দেখেছেন? উনাকে দৌড়ে আগে যেতে দেখেছিলাম।
এই প্রথমবার কোনো ক্রাইম সিন দেখলো, তাই হকচকিয়ে গেছে।
বিনোদন সাংবাদিক তো।
ছে ইয়ং সিন?
ছে ইয়ং সিন?
চলো, যাই।
মাটিতে পড়ে থাকা লোকটা... ঘটনাস্থলেই মারা গেছে।
ওখানে নিশ্চয়ই আরো কেউ ছিলো।
চলো। এখানে বেশিক্ষণ থাকা ঠিক হবে না।
ওখানে আরো কেউ ছিলো...
শুধু আমার চোখে পড়েনি।
কী বিড়বিড় করছো?
ওঠো।
ছে ইয়ং সিন।
ঠিক আছো?
ঠিক আছো?
ঠিক আছো? হাহ?
ফিরেছিস?
মারা গেছে? নিশ্চিত?
ঘটনাস্থলেই পটল তুলেছে।
তো...
পার্ক দং ছুল মরার আগে, কিছুই বের করতে পারিসনি?
তোর বাবার আসলেই কি জবানবন্দির কোনো রেকর্ড আছে?
তাই তো বললো।
আহাম্মক।
মরবি'ই যখন সব বলে মরলে কী হতো!
তবে...
মরার আগে অদ্ভুত কিছু একটা বলেছে।
কী?
তিন... নয়... এক...
কী?
তিন... নয়... এক...
- কী? - ৩ ৯ ১।
নম্বর? ৩৯১?
জানি না।
- শুধু এটুকুই? - হ্যাঁ, এটুকুই।
আর...
ও সেখানে ছিলো।
ও... আমাকে দেখেছে।
আবার আসবেন!
শোন, আমি পোলাপান নিয়ে ঐ বদমাইশটাকে ধরে আনবো।
আর ওর সাথে কথা বলবো।
তুইও ইয়ং সিনের সাথে কথা বলিস।
আরে, ও বলেছে সময় হলেই আমাকে সব খুলে বলবে।
পরে কখন? কাহিনী শেষে পুলিশ আসার পর?
ধুর গাধা, বেশি প্রশ্ন করলে বাচ্চারা আরো গুটিয়ে যায়। তোর কোনো ধারণাই নেই...
হ্যালো।
এই ব্যাটা তো ইয়ং সিনের ক্রাশ টিভির ঐ লোকটার মতো...
জ্বি। স্বাগতম। হঠাৎ এই গরীবখানায় কেন?
উনি আমার বাবা।
ইনি আমার বস, একদিন পত্রিকার প্রেসিডেন্ট।
আমি কিম মুন হো।
ও আচ্ছা। আমি ইয়ং সিনের বাবা।
- উনাকে এখনও বলোনি? - এখনো না।
এখন বলা যাবে? আমি ঠিকমতো পরিচিত হতে চাই।
অ্যাঁ?
ঠিকমতো পরিচিত... ঠিকমতো পরিচত হতে চান মানে?
- বাবা? - এক মিনিট।
দাঁড়া একটু ভাবতে দে।
- একবার বং সুর সাথে আবার এই লোক... - আমি...
আমার আসল মাকে খুঁজে পেয়েছি।
উনি জীবিত।
আর ভীষণ অসুস্থ।
তাই, তাকে গিয়ে বলতে পারিনি যে আমি তার মেয়ে।
বসই খুঁজে বের করেছেন আমাকে।
আমি ইয়ং সিনের বাবা-মার খুব কাছের লোক।
আমি ওর জন্মের সময়ও উপস্থিত ছিলাম।
আমার বাবা অনেক আগেই মারা গেছেন।
আর আমার আসল নাম...
ওহ জিয়ান, বাবা।
এসব জেনেছি বেশিদিন হয়নি।
তোমাকে আরো আগেই বলা উচিৎ ছিলো।
আমি... বুঝতে পারিনি তোমাকে কীভাবে বলবো। তাই...
স্যরি, বাবা, দেরি করার জন্য।
তিন-নয়-এক। ৩৯১।
পার্ক দং ছুল যেখানে থাকতো... সেখানে এই নম্বরের কোনো রুম নেই।
সম্ভবতো কোনো লকার বা মেইলবক্স নম্বর।
তো এখন কি সারাদেশের সব লকার আর মেইলবক্স খুঁজে দেখবি?
- ঐ, হ্যালো? - হাহ?
তোকে জানি কেমন কেমন লাগছে। কী হয়েছে?
তাই নাকি?
ছে ইয়ং সিনের কথা ভাবছিস?
কী? তোর ধারণা ও তোকে সন্দেহ করবে?
তাহলে, ওকে বলছিস না কেন?
ওখানে আসলে এই এই ঘটেছে।
ফোন দে! কথা বল দু'জনে।
আর আমি, ভাগি...
ওহ, কী খবর?
ঐ, পার্ক বং সু!
জং হো।
সেও জং হো নামটা লুকিয়ে ফেলাই ভালো হবে, তাই না?
তো... আর কী কী লুকাবো?
কী করছো?
তোমার ফোনের অপেক্ষা।
ছে ইয়ং সিন?
আবার ফোন দিচ্ছো না কেন?
জিজ্ঞেস করো... যা জানতে চাও।
জং হো...
আমি সব বলে দেবো।
তুমি... ঠিক আছো তো?
তুমি এ কাজ করোনি।
করোনি, তাই না?
যদি জিজ্ঞেস না করো...
কীভাবে উত্তর দেবো?
শালা মাদার...
ওহ ত্যে ওন সকালে ছাড়া পেয়ে গেছে।
কিছু করার ছিলো না।
পালিয়ে যেতে পারে এই কারণ দেখিয়ে গ্রেপ্তার করেছিলাম।
কিন্তু, ওকে যারা রক্ষা করছে তারা বেশ উঁচু পর্যায়ের।
সাক্ষ্য প্রমাণ অপ্রতুল হওয়ায় অভিযোগ খারিজ হয়ে গেছে।
আর যে ডিটেকটিভ গ্রেপ্তার হয়েছিলো?
পার্ক কি জাংয়ের মুখ বন্ধ রাখার অধিকার আছে।
কাজটা সহজ হবে না।
সে সিস্টেম সম্পর্কে ভালোই জানে।
তাছাড়া...
এ ব্যাপারে...
আরেকটু সাহায্য করছেন না কেন?
যে পার্ক কি জাংয়ের বাসায় ঢুকে
সমস্ত প্রমাণ একাট্টা করে রাখলো।
যে এতো সুন্দরভাবে পার্ক কি জাংকে হাতেনাতে ধরিয়ে দিলো।
তার সাথে কি পরিচিত হওয়ার সময় হয়নি?
জিজ্ঞেস করতে অনেক সংকোচ হয়েছে, তাই না?
যাইহোক, ঠিক কার কথা বলছেন বুঝতে পারলাম না।
গতকাল একটা খুন হয়েছে।
সনমো গীর্জার ওখানে।
মাত্রই কেস রিপোর্টটা হাতে এলো।
প্রতক্ষ্যদর্শীর তালিকায়, কিম মুন হো নামটা চোখে পড়লো।
প্রতক্ষ্যদর্শী না। ওদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম।
আসলে কিছুই দেখিনি।
কিন্তু, এই কেসটা...বড্ড অদ্ভুত।
প্রতক্ষ্যদর্শী অনেক বেশি।
হামলার শিকার হওয়া লোকটার নাম পার্ক দং ছুল।
ঘটনা ঘটার আগে, একটা ছেলে তাকে খুঁজছিলো।
২৮ বছর বয়সী, চশমা আর হ্যাট পরিহিত।
মার্শাল আর্টেও পারদর্শিতা নাকি সেইরকম।
জিজ্ঞাসাবাদও করতে হয়নি, সবাই নিজ থেকেই এগিয়ে এসেছে।
তো...
এবার কি কিছু মনে পড়লো?
ওরে!
শালারা অলরেডি সব তছনছ করে গেছে।
তার মানে...
ওরাও ঐ টেপের পেছনে উঠেপড়ে লেগেছে।
পেয়ে যে যায়নি তুই নিশ্চিত?
আজুম্মা।
২০ বছর অনেক লম্বা সময় না?
ঠিক।
তোমার কী ধারণা, সে এতোদিন টেপটা পকেটে নিয়ে ঘুরছিলো?
দেখে মনে হচ্ছে লোকটা যাযাবর টাইপের ছিলো।
আমি বলি টেপটা এই রুমে নেই।
পাঁচশোর বাজি।
বেকুবটা প্রথম থেকেই মিথ্যা বলেছে, পাঁচ হাজারের বাজি।
টেপটা আসলেই আছে... লাখ টাকার বাজি।
কোন সূত্র পেয়েছিস?
ব্যাপারটা অদ্ভুত। টেপটাতে শুধু বাবার জবানবন্দি ছিলো।
কিইবা বলেছিলো?
'আমি অমুককে মেরেছি।'
বা, 'না, আমি কাউকে মারিনি।'
- মানে? - মানে, ঘটনা আসলে কী?
২০ বছর আগে একজন কী বলেছে তা এতো গুরুত্ব পাচ্ছে কেন?
দেখো। জায়গাটার অবস্থা দেখো।
তারা মানুষ পর্যন্ত মেরে ফেলেছে, কেন?
সজুর কথা বলেছিলে না?
কেন?
মৃতব্যক্তির জন্য।
তুই...
ওখানে টেপ খুঁজতে যাসনি... তাই না?
এই লোকটা...
মরেছে আমার জন্য।
বোতলটা খোল।
- খুলেছি। - খানিকটা ছড়িয়ে দে।
- ছড়িয়েছি। - কিছুটা খা।
খেয়েছি।
কিছু বলতে চাইলে, বলে ফেল।
বলেছি।
তোর জিজ্ঞেস করা উচিৎ ছিলো ৩৯১ কী।
বেকুবটা মরে গিয়ে, সব রাস্তা বন্ধ করে গেলো।
- যদি রাস্তা বন্ধ পাও... - করিস না!
তো সেটা টপকে যাও।
হোক সেটা দেয়াল বা বেড়া।
- এভাবেই, নিরাপদ স্থানে পৌঁছাবো। - বললাম না, করিস না!
ঐ শোন! শোন!
দুটো লোক আমাকে অনুসরণ করছে।
একটা গাড়িও আছে। কী করবো?
ঘাড় ধরে কী জিজ্ঞেস করবো "কে রে তুই?" নাকি...
অনুসরণ করতে দেবো? হাহ?
আজুম্মা?
আজুম্মা, খাবার খাচ্ছো?
- কিছু বলছো না কেন? - জং হো...
- একটা কাজ করবি? - কী?
বড় করে একটা দম নে।
- দম নে আর ছাড়। - কী বলছো?
ওহ ত্যে ওন ছাড়া পেয়ে গেছে।
সব অভিযোগ খারিজ হয়ে গেছে।
আর...
No comments yet. Be the first to leave one.