Sin City

Sin City

Scarica il sottotitolo Bengali

Informazioni sulla release

Sin City EXTENDED UNRATED 2005 720p BrRip x264 YIFY
সিন সিটি ১ (২০০৫) এক্সটেন্ডেড এবং আনরেটেড ব্লু রে।
Un commento di Uzzal
কামরুল ভাইয়ের সাথে দ্বিতীয় কাজ। দৃষ্টি কেড়ে নেবার মত ভয়াবহ কিছু ডায়লগের ফাকে কামরুল ভাইয়ের মজার মজার কিছু ডায়লগ প্লাস আমি চেষ্টা করেছি আমার কমেডিনেস থেকে বের হতে, আশা করি ভাল লাগবে। রেটিং ও ডাউনলোড এর পরিমানের উপর নির্ভর করছে পরের পার্টের সাব করব কি না!

Tag

brrip
x264
720p
720
Pubblicato il: 2015-12-02
Download: 101
Sottotitoli per non udenti: No

Anteprima dei sottotitoli in Bengali

Le prime 200 righe.

সিন সিটি ( ২০০৫) রিপ : ব্লু-রে সাব-টাইটেল : বাংলা

------দৃশ্য- ০১------ "ঐ হলুদ পশুটা"

আর মাত্র এক ঘণ্টা । এই পেশায় আমার শেষ দিন ।

খুব জলদি অবসর নেয়া । যদিও ইচ্ছে করে নয় ।

ডাক্তারের আদেশ । হৃৎপিণ্ডে সমস্যার কারণে ।

"এনজাইনা" ডাক্তারের ভাষায় রোগটির নাম ।

আমার ব্যাড্জকে গুডবাই বলতে হবে বলে ঘোষে ঘোষে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিচ্ছি ।

এটা ,এমন একটি জিনিস, যা থাকায় আমাকে কাউকে রক্ষা করতে হয়েছে বা কাউকে সেবা করতে হয়েছে ।

বা কারো চোখের পানি মুছতে অন্য কারো রক্ত ঝরাতে হয়েছে । এটিই হচ্ছে সন্ত্রাস নির্মূলের চাবি কাঠি ।

আমি "আইলিনের" ঐ মুচকি হাসির কথা ভাবছি ।

সকালে স্টেক কেনার সময়কার দেখা, পাতলা ঠোটের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া মিষ্টি হাসিটা,

আমি আমার শেষ কেসটিতে হেরে যাব কিনা সে ব্যাপারে ভাবছি, সঠিক ফলাফলটা বলতে পারছি না ।

একজন যুবতি মেয়ে , এদিকে সেদিকে কোথাও ই আছে, তবে এক মেয়ে খেকো বজ্জাতের হাতে ।

বাদ দাও তো , হার্টিগেন, আমি তোমাকে এটা করতে দিব না । তুমি নিজেকে খুন করতে চলেছ ।

আমরা দুজনেই কিন্তু মারা পরব । আমি তোমাকে করতে দিচ্ছি না । এই সাবধান করে দিলাম ।

বব, আমার কোর্ট ছাড় !

তুমি কিন্তু আমাকে আসতে বাধ্য করছ ।

আমি তোমার পার্টনার রে, ভাই । তারা তো আমাকেও মেরে ফেলতে পারে ।

আর আমি সেই "মেরে ফেলায়" যেতে চাচ্ছি না । আমি বরং হর্ন চালু করে ব্যাক আপ লোক ডাকি ।

অবশ্যই , বব । বসে বসে অপেক্ষা করি ।

এখানে বসে লজেন্স চুষি , আর ঐ রোয়ার্ক ছোকরাটা তার ৪ নাম্বার শিকারের সাথে মজা লুটুক ।

৪ নাম্বার শিকার !

১১ বছর বয়সী নেন্সি ক্যালাহ্যেন ।

যাকে সে ধর্ষণ করেও তীব্র যন্ত্রণা দিবে ।

আর যেই ব্যাক আপ'র জন্য আমরা বসে আছি । তারা ঠিক তখনই আসবে,

যখন সে তার শারীরিক খেলা শেষ করে তার সিনেটর বাবার কাছে চলে যাবে ।

একটু মাথাটা ঠাণ্ডা কর, হার্টিগেন ।

একটু মনযোগী হয়ে ভেবে দেখ ।

তুমি ৬০ এর কোঠায় পা দিচ্ছ । আর এর মধ্যেই এক পা কবরে চলে গেছে ।

তুমি কাউকেই বাঁচাতে পারছ না ।

তোমার চিন্তা ধারা খুবই প্রসন্ন , বব ।

প্রশংসার দাবিদার অবশ্য আমাদের বাকি সসস্ত্রবাহিনিরাও ।

আইলিন ঘরে তোমার জন্য অপেক্ষা করছে । আইলিনের ব্যাপারটাও ভেবে দেখ ।

বাহ ! বব ।

হয়ত তুমি ঠিকই বলছ ।

যাক, ভাল লাগছে যে তোমার মাথায় জ্ঞান ঢুকাতে পেরেছি ।

পার্টনারশিপ শেষ করার বেশ সুন্দর একটি পথ ।

অবসর শুরু করারও বেশ সুন্দর একটি পথ ।

১১ বছর বয়সী নেন্সি ক্যালাহ্যেন ।

যতটুকও বুঝতে পারছি , এতক্ষণে হয়ত তুমি মৃত ।

তুমি খুবই ভাল একটি মেয়ে, নেন্সি ।

তুমি খুবই নম্র ভদ্রভাবে ছিলে এতক্ষণ ।

ভয়ের কিছু নেই ।

আমরা খুব শীঘ্রই তোমাকে বাড়িতে ফিরিয়ে দিয়ে আসব ।

কিন্তু তার আগে, তোমাকে কারো সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি ।

সে একজন ভাল মানুষ ।

উইভিলের বলে দেয়া ঐ কশাইখানায় যাওয়ার সময়কার অর্ধেক পথে এটা আবার বুকের মধ্যে চাপ দিয়ে দিল ।

বদহজমের অপকারিতা ।

যাক যেটা না উঠার প্রার্থনা করেছিলাম সেটা তো উঠে নি ।

গাড়িটির প্রতি তোমার আকাঙ্ক্ষা আমার মধ্যে কৃতজ্ঞতার জন্ম দিচ্ছে ।

সাধারণ একটু রোমাঞ্চর জন্য মানুষ কত টাকা খরচ করে এসব স্বল্পমেয়াদী বস্তু কিনে ।

তুমি কিন্তু আমাদের জীবিকার বাহক অর্থাৎ আমাদের মালিককে ধিক্কার দিচ্ছ ।

বার্ট শ্লাব এবং ডগ্লেস ক্লাম্প -

দুজন নোংরা পেশাদার , নিজেদের শখ আল্লাদের বস্তু নিয়ে খোশ গল্পে মেতে আছে ।

এই জাগুয়ার গাড়িটি, যার ভালোবাসায় তুই ডুবে আছিস -

যাকে আমরা কল্পনায় আমাদের নিজেদের করে নিয়েছি -

এটি কিন্তু আসলে সিনেটর রোয়ার্কের ছেলের ।

সব কিছু চুপ চাপ ভাবে করতে হবে । তাই প্রথমে এদেরকেই থামাই ।

একটি সাধরন আচর বা আঘাত লাগিয়ে দেখ

কিভাবে লেগেছে তা বলার আগেই, তোমার জীবিকার বাহক

অর্থাৎ তোমার প্রিয় মালিক তোমার ১২টা বাজিয়ে দিবে ।

একটু শ্বাস নিয়ে নাও , হৃদপিণ্ডটাকে একটু ধীর হতে দাও ।

কিন্তু ব্যথাটা যেন ধীর হচ্ছেই না ।

এটাকে নিয়েই চল ।

মেয়েটির তোমাকে প্রয়োজন ।

আমাদের কাজ এখানে শেষ , বেনি ।

তাদের একটু মজ মাস্তি করতে দাও ।

আসছি, লেনি ।

শুধু নিশ্চিত হয়ে নিচ্ছি যে , তারা যেন ঠিক ভাবে একে অপরের কাছাকাছি গেছে ।

তোমার মত এরকম সুন্দরির কাছা কাছি কোন পশুটা না যাবে ?

তুমি নিশ্চই খুব ভয় পাচ্ছ ।

কিন্তু ভয়ের কিছু নেই ।

আমরা শুধু একটু কথা বলব ।

কথা বলা ছাড়া অন্য কিছু নয় । শুধু তুমি আর আমি ।

আর কিন্তু কাঁদবি না ।

ডাক্তার অবশ্য বলেছিল, ব্যথাটা এভাবেই উঠবে ।

তার দেয়া পিলগুলো নাও ।

আর চুপ চাপ থাকা যাবে না ।

আর নয় ধীরে সুস্থে ।

ধীরে সুস্থে শ্বাস নাও । এবং প্রমাণ কর যে তুমি এখনও কাজের ।

এ কি ? শব্দ সৃষ্টিকারকই সাথে করে নিয়ে যাচ্ছ ?

ছোকরাটা মেয়েদের আর্তনাদ শুনতে খুব পছন্দ করে ।

আমি ওর শিকারগুলোর অমানবিক যন্ত্রনাবহুল চেহারা দেখেছি ,

নাকে মুখে কামড়ের দাগ এবং চোখ উপড়ে নেয়া অবস্থায়।সবাই যে শরীর দিয়েও জীবন ভিক্ষা পায় নি তা তাদের অবস্থাই বলে দিচ্ছিল ।

এখনও কোন চিল্লা পাল্লা নেই । হয়ত সময়মত এসেছি নাহলে অনেক দেরি করে এসেছি ।

এটা তেমন কিছুই না । সাধারণ একটি ক্ষত মাত্র । নিজের পায়ে দাড়িয়ে যাও, বৃদ্ধ ।

রোয়ার্ক ? বাদ দাও এবার ।

মেয়েটিকে ছেড়ে দাও ।

তুমি আমার বালটাও ছিঁড়তে পারবে না হার্টিগেন ।

তুমি ভাল করেই জান আমি কার সন্তান ।

আমার বাবাকে তুমি ভাল করেই চিন !

তুই আমাকে ছুতে পর্যন্ত পারবি না,শালা বুইড়া খাটাশ ।

তাকা নিজের দিকে । যে হাতে তুই বন্দুকটা ধরেছিস, তা উঁচু পর্যন্ত করতে পারছিস না ।

অবশ্যই, আমি তা পারি ।

চোখে হাত দাও , নেন্সি । আমি চাই না তুমি এসব দেখ ।

চোখ বন্ধ কর, এখনি ।

আমি তার অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে নিলাম ।

দুটোই ।

পার্টনারশিপ শেষ করার বেশ সুন্দর একটি পথ ।

ঈশ্বরের দোহায় লাগে, পরিস্থিতিকে আরও জটিল কর না ।

- তোমাকে মারতে আমাকে বাধ্য কর না । - যা করলে ভালই করলে , বব ।

কিছুই মনে করি নি ।

তোমার পাছায় লাথি দেবার জন্য আমি আবার প্রস্তুত ।

তার সাথে কথা বলে বলে , সময় পার কর ।

ব্যাক আপ আসতে আর মাত্র কয়েকটা মিনিট ।

বসে পর এবং একটু মাথা ঠাণ্ডা কর । প্রয়োজন পরলে তোমাকেও মেরে দিব ।

মেয়েটির কাছ থেকে তার ধ্যান সরিয়ে রাখ - আদুরে ছোট নেন্সি ।

ব্যাক-আপ চলে আসলে সে আর তাকে মারতে পারবে না ।

পালাও নেন্সি । জীবন বাঁচানোর জন্য বাড়ির দিকে ছুট ।

হে , তার কথায় কান দিও না । সে একটা উন্মাদ ।

- তুমি কিন্তু খুবই সাহসী একটি মেয়ে, তাই না ? - যেখানে আছ সেখানেই থাক ।

একে তো পার্টনারকে পিছন থেকে গুলি করিস...

তারুপর আবার মেয়েটিকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছিস ।

হয়ত উচিত ছিল গাড়ির পিছনে রডটা তর পিঠ দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়া, কয়েকবার ঢুকাব তো কয়েকবার বের করব, তখন বুঝতি ঠেলা ।

আমরা ভেবে চিন্তে কোন সমাধানে আসতে পারতাম, কিন্তু তুই তো তার আগেই দিলি আমাকে .........

বসে পর নাহলে গুলি মেরে খুলি উড়িয়ে দেব ।

- তর দম শেষ, তুই আমাকে থামাতে পারবি না । - বস বলছি !

তুই আমাকে থামাতে পারবি না ।

অবশেষে বসেই পরলাম, যেভাবে তুমি আমাকে বসতে বলেছিলে ।

সাইরেনের শব্দ কানে আসছে ।

মেয়েটি এখন নিরাপদেই থাকবে ।

সবকিছু কেমন অন্ধকার হয়ে আসছে । তেমন কিছু মনে রাখতে পারছি না ।

ঘুম আসাটা , অস্বাভাবিক কিছু নয় ।

মেয়েটির তাহলে বিপদ কাটল ।

একজন বুড়োর জীবনের বিনিময়ে,

একজন কিশোরীর জীবন রক্ষা পেল ।

বেশ সুন্দর হিসাব ।

একবার শুধু বল সব মিথ্যে , জন ।

তোমার এবং ঐ বাচ্চা মেয়েটির সম্পর্কে যা তারা বলেছে ।

এ হতে পারে না ।

যদি আবার আমার এই মুখ তুমি দেখতে চাও ...

তাহলে এখনি কিছু বল ।

আমরা তোমার পার্টনারের শরীরের আঘাতে তোমার ডি এন এ খুঁজছি,

সে বাধা দেয়ায় যখন তুমি তাকে আঘাত করেছিলে ,

সাথে ৬ জন প্রত্যক্ষ সাক্ষী তো আছেই - এবং তোমার এই -

চুপ থাকা তো সব কিছুকে আরও সহজ.........

আমার পক্ষে যা সম্ভব আমি তা করব, কিন্তু তোমাকে কিছু না কিছু বলতে হবে,তুমি মিয়া পুরাই বাঁশের উপড়ে আছ ।

আরে ভাই ,হার্টিগেন । কেন তোমার এই নীরবতা ?

কি কারণে তোমার মুখ বন্ধ ? এই পুরো কেস আমাদের ১২ টা বাজিয়ে দিচ্ছে ।

আর এই ১২ টা বাজার ঠেলা শুধু আমাকেই সহ্য করতে হচ্ছে না ।

অবশ্যই , আমি তোমার পিছনদিকটা পরিষ্কার করে দিব । আমার কাজই তো এটা ।

কিন্তু তাই বলে আমার কাছ থেকে বন্ধু-সুলভ আচরণ প্রত্যাশা কর না ,মিস্টার ।

আমি শুনেছি তুমি ঐ মেয়েটার সাথে কি করেছ । আশা করি তারা তোমার পাইপটা(!) কেটে দিয়েছে ।

শুভ সন্ধ্যা, অফিসার ।

আমার মনে হয় না , নিজেকে আমার তোমার কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে ।

ভোটাভোটির বছর গেল তো , সংবাদপত্রে তো আমার ছবি দেখেছোই ।

আমি এবং আমার পাওয়ার সম্পর্কে তো তুই ভাল করেই জানিস ।

আর তা আমি তোর উপর খাটাচ্ছি, হার্টিগেন ।

ঠাণ্ডা মাথায় কিন্তু কঠিন-ভাবে ।

তুই আমার ছেলের কান উড়িয়ে দিয়েছিস ।

তার হাত কেটে ফেলেছিস । তার ধন আর বিচি দুটোও আস্ত রাখিস নি ।

এখন সে কোমায় আছে । তারা বলল হয়ত সে আর নাও জাগতে পারে ।

আমার ছেলে ।

হয়ত রোয়ার্ক বংশের সেই প্রথম কেউ হত যে অ্যামেরিকার প্রধান মন্ত্রী হতে পারত,

কিন্তু তুই তার মস্তিষ্কের ক্ষমতা কেড়ে নিয়ে তাকে অসাড় পাথর বানিয়ে দিয়েছিস ।

পিস্তল হাতে নিলেই পাওয়ার চলে আসে ?

পাওয়ার পিস্তল বা বেড্জ হাতে নিলে আসে না রে ।

পাওয়ার আসে মিথ্যে বলার মাধ্যমে ।

মিথ্যে বলে, টাকার খেলা দেখিয়ে লোকজনদের পকেটে ভরে রাখার মাধ্যমে । সত্য যত বড়ই হোক না কেন,

টাকা দিয়ে মিথ্যে বলিয়ে তা তুই নিজের মত করে সাজিয়ে নিতে পারবি ।

কারণ তাদের বিচিগুলো যে তর কাছে জমা ।

কত হবে ? ৫০০ লোক আছে এই হাসপাতালে ?

চাইলে সবগুলো গুলি তর ভিতর ভরে দিতে পারি, আর এর জন্য আমাকে গ্রেফতার পর্যন্ত করা হবে না ।

কারণ সবাই আমার হয়ে মিথ্যে বলবে -

তা-নাহলে, তাদের বলা মিথ্যেগুলো যে ---- সিন সিটিতে সব সম্ভব ।

এখানে সব কিছু তাসের মতই মাথা খাটিয়ে চালা যায় ।

কিন্তু আমি চাই তুই সুস্থ হয়ে উঠ , শারীরিক এবং মানসিকভাবে ।

এমনকি আমার নিজের টাকা খরচ করছি তোর সার্জারির জন্য ।

তোর ঐ হৃদপিণ্ডের সমস্যাও ঠিক করে দিচ্ছি ।

তুই যাতে আরও অনেক দিন নির্ভয়ে বেঁচে থাকতে পারিস আমি সে ব্যবস্থা করছি ।

তোকে সারা জীবন একটি বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ আর আমার ছেলেকে গুলি করার সাজা মাথায় নিয়ে বাচতে হবে ।

আর তা বাঁচবি জেল খানার ১৪ শিকে ,

মানবিক অশান্তি , ভিতর থেকে ভঙ্গুর ...

এবং একা একা ।

তর স্ত্রী ?

তাকে যদি সত্যিটা বলিস , তাকে মেরে দিব ।

যাকেই সত্য কথা বলবি তাকেই শেষ করে দিব ।

তারা আমাকে পরীক্ষা করতে দেয় নি ।

পুলিশদের আমি বলেছিলাম যে, তুমি আমাকে বাঁচিয়েছ, কিন্তু তারা আমার কথা কানেই নেই নি ।

তারা আমার বাবা মাকে বলেছ, আমাকে চোখে চোখে রাখতে ।

তারা বলেছ, তুমি আমাকে পেলে এমন কিছু করবে যা তুমি আগে কখনও কর নি ।

আমি তাদের বলেছি যে তুমি আমাকে ঐ রোয়ার্ক পশুটার হাত থেকে বাঁচিয়েছ ,

কিন্তু তারপরও তারা আমাকে ধরেও দেখি নি যে, আমি কি এখনও কুমারী কি না ?

আমার কুমারীত্ত্ব এখনও আছে, এবং জীবন নিয়ে বেঁচে আছি - ধন্যবাদ তোমাকে ।

কিন্তু তারা পরিস্থিতি উল্টো করে দিচ্ছে ।

সত্যের আলো সব সময় জ্বলে উঠে না ।

কিন্তু সত্যিটা তো তুমি ঠিকই মনে রাখবে ।

আর এতেই আমার সার্থকতা ।

কিন্তু দূরে থাক তুমি আমার কাছ থেকে । তুমি আমার কাছা কাছি আসলে তারা তোমাকে মেরে ফেলবে ।

আমাকে আর দেখতে এস না ।

চিঠিও লিখ না ।

আমার নামটা পর্যন্ত মুখে নিও না ।

হয়ত তুমি আমাকে তোমার সাথে দেখা করতে দিবে না , কিন্তু চিঠি আমি ঠিকই তোমাকে পাঠাব, হার্টিগেন ।

সেখানে আমার নাম থাকবে কর্ডেলিয়া ।

নামটি একটি সুন্দর গোয়েন্দা উপন্যাসে পেয়েছিলাম ।

আমি তোমাকে প্রতি সপ্তাহে লিখে পাঠাব... সারা জীবন ।

ঠিক আছে ।

এখন , বাড়ি চলে যাও ।

এই যায়গাটা তোমার জন্য নিরাপদ নয় ।

বাই, নেন্সি ।

Commenti

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left