Le prime 200 righe.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
অনুবাদে : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
সম্পাদনায় : সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
যাও, গিয়ে স্যারকে ফিরিয়ে আনো।
তুই কি নিশ্চিত কিম মুন হোকে অপহরণ করা হয়েছে?
আবার ওখানে ফিরে গেলি কেন?
লোকেশন ট্র্যাক করতে তিন মিনিট লাগবে।
পার্ক বং সুয়ের ছদ্মবেশে কাজ করছ।
কোড নাম হিলাম, তাই না?
আর তুমি কে?
আমাদের কাছে তোমার জন্য একটা কাজ আছে।
যত টাকা চাও পাবে।
করব না।
কী চাও?
একদিন পত্রিকায় যত তথ্য পেয়েছে, তার মধ্যে একটা রাশিয়া থেকে এসেছে, সেটা খুঁজে নিয়ে আসো।
মনে হচ্ছে কোথাও ভুল করছ।
যে লোককে তোমরা ধরে রেখেছ সে আমার চেয়ে ভালো বলতে পারবে।
আমি এসবের ব্যাপারে জানি না।
তোমার সময় শুরু এখন।
২০ সেকেন্ড পার হয়ে গেছে।
শুনছেন?
আমরা কীসের জন্য অপেক্ষা করছি?
আপনার বিয়ে হয়েছে? ছেলে মেয়ে কয়টা...
নেই।
আচ্ছা, তো আপনার বিয়ে হয়নি।
উফ, খুব গরম। ঠান্ডা গরম কিছু খাবেন? আপনারা দু'জন...
এইটা কী?
আজুম্মা, এটার ভেতর ঢুকতে পারবে?
এই মালটা সব তথ্য সংগ্রহ করে সেগুলোকে সাজায়।
আমার মনে হয় না এসব কম্পিউটারে তথ্য থাকবে।
কীভাবে জানলে?
বলেছিলি না, কোম্পানির উপর ট্যাক্স ইনভেস্টিগেশন চলছে? - হ্যাঁ।
বলেছিলি, ওরা সবকটা হার্ডড্রাইভ কপি করে নিয়ে গেছে।
তারমানে ওরা আগেই এগুলোতে দেখে ফেলেছে।
পায়নি বলেই, তোকে ফোন করেছে।
ছে ইয়ং সিনের লকেটটা এইমাত্র চালু হয়েছে।
- কোথায়? - কিম মুন হো'র বাসায়।
ওকে ওখানেই অপেক্ষা করতে বলেছিলাম।
হয়তো ভুলকরে চালু করে ফেলেছে।
এক মিনিট।
জ্বি। রং নম্বরে ফোন করেছেন।
একদিন পত্রিকা। আপনার কাছে তথ্য আছে?
ছে ইয়ং সিন, আর রাশিয়া।
আজুম্মা, রুশ ভাষা কেমন শুনতে?
- আরও বলব? - দাঁড়াও।
আমরা সকল তথ্য রেকর্ড করি। কোনো সমস্যা নেই তো?
আমি কি একদিন পত্রিকায় ফোন দিয়েছি?
জ্বি। রং নম্বরে ফোন করেছেন।
আমি কি একদিন পত্রিকায় ফোন দিয়েছি?
- তো শুরু করি? - অবশ্যই।
রেকর্ড হচ্ছে। আমি একদিন পত্রিকা থেকে ছে ইয়ং সিন।
তথ্য প্রদানকারীর নাম জানতে পারি?
আমি রাশিয়া থেকে ফোন করেছি...
এটাই তো চাও?
দারুণ। ৫ মিনিটে কাজ শেষ।
পাস করে গেছ।
কী হচ্ছে, তুমি কি আমাকে নিয়ে খেলছ?
এবার তোমার দ্বিতীয় কাজ।
একেবারে সহজ।
তোমাকে শুধু ক্যামেরার দিকে মুখ করে মেসেজটা পড়তে হবে।
শালার...
বালটার সাথে কী করছি আমি?
স্যার, আমি আর পারছি না। নিজের ব্যবস্থা এবার নিজেই করুন।
আগানো যাক?
জানতে পারি এগুলো কী?
তো তৈরি?
আমি দ্যে ইয়ং আর বাকিদের পাঠিয়েছি। ওরা জলদিই পৌঁছে যাবে।
ওদের আরও কিছুক্ষণ ব্যস্ত রাখ।
তোমাকে দশ সেকেন্ড দিচ্ছি।
টিকটক। টিকটক। টিকটক।
ঠিক আছে, করব। কিন্তু ঐসব জিনিস ছে ইয়ং সিনের থেকে দূরে রাখো। ওগুলো আমার মেজাজটা গরম করে দিচ্ছে।
আমার নাম সেও জং হো।
এক মিনিট। ফোনটা নিচে রাখো।
যাতে স্ক্রিনে না দেখা যায়।
সুন্দর।
আবার বলো।
আমার নাম সেও জং হো।
২৭ জানুয়ারি, চার্চের পিছনে
পার্ক দং ছুলের খুনটা
আমি করেছি।
পার্ক দং ছুল জুয়ার দেনা শোধ করতে পারেনি,
তাই একটা লোহার পাইপ নিয়ে ওর মাথায় মারি।
আমি, সেও জং হো, খুন করেছি।
স্বীকার করছি।
দারুণ।
এবার ওখান থেকে ওদের সরাও।
আমি যেন দেখতে পাই আর শেষ পর্যন্ত যেন সব ঠিক থাকে।
বিরক্ত করার জন্য ক্ষমা চাচ্ছি।
এবার খুশি?
তো, এসবের মানে কী?
বলছ না কেন?
চ্যানেলটা বদলে দিচ্ছি।
সাবাস। তুমি এখন আমার, বাছা।
আর এখন থেকে আমার কথা শুনবে।
এর বদলে, আমি নিশ্চিত করব
তোমার প্রিয় লোকের সুখ আর নিরাপত্তা।
তাহলে, যে ফুটেজটা রেকর্ড করা হয়েছে
তা আর কখনোই আলোর মুখ দেখবে না।
তোমাকে ব্যস চোখগুলো একবার বন্ধ করে খুলতে হবে এই যা।
একদম সহজ।
উঠেছেন? আপনার জন্য সবাই অপেক্ষা করছে।
বসো, বসো।
ওহ্, রিপোর্টার কিম, অবশেষে আসলে!
রিপোর্টার কিম!
কয়েকদিন ধরে তোমার উপর খুব ধকল যাচ্ছে।
আজকের পত্রিকা না কি যেন নাম! - একদিন পত্রিকা! আজকের আর একদিনের মধ্যে অনেক তফাত।
আজকের পত্রিকা একটু সেকেলে!
আমরা রাতের নাস্তাপানির জন্য অপেক্ষা করছি।
আজ মাছের পাখনার সুপ খাব।
দারুণ খেতে।
এর মনমাতানো সুভাসে বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা দেওয়াল টপকিয়ে খেতে আসতো।
তো তুমি এসব করেছ?
তোমরা ব্যাপারটা একদম ঘেঁটে দিয়েছিলে।
তাই তোমাকে বাঁচাতে আমার বুদ্ধি খাটাতে হয়েছে।
তো বেশ, আমরা বোধহয় প্রেসিডেন্ট কিম মুন সিকের মেয়র হবার...
এবং রিপোর্টার কিম মুন হোর জ্যাইল নিউজ কোম্পানির...
প্রেসিডেন্ট হবার খুশিতে একত্রিত হয়েছি।
ভাইসব, আমার তো ভয় হচ্ছে।
একদিন পত্রিকায় যে দক্ষতা দেখিয়েছে সেটা দিয়ে যদি জ্যাইলে নেতৃত্ব দেয়...
মিডিয়াতে গরম রক্ত দরকার।
এখানে তো সব ঠান্ডা।
ঠিক কিনা?
চলো সবাই সিউলের নতুন মেয়র ও নতুন প্রেসিডেন্টের নামে মদ খাই!
চিয়ার্স!
হাসো। জং হোর খাতিরে।
এখানে আসার পর দেখি, কেউ ছিল না। ও একাই ছিল।
ভয় পেয়েছিলে?
ভয় না, অনেক ভয় পেয়েছি।
তোমার কিছু হলে, জানি না কী করে বসতাম...
তুমি তো আমার চেয়েও বেশি ভয় পেয়েছ মনে হচ্ছে।
মুখটা একদম ফ্যাকাসে হয়ে গেছে।
কিছু হয়নি তো, তাই না?
আমি ঠিক আছি।
গায়ে কেউ হাত দিয়েছে?
ধাক্কা বা ইঞ্জেকশন দিয়েছে বা তেমন কিছু...
না। - না? আচ্ছা।
দ্যে ইয়ং, আসার জন্য ধন্যবাদ। বাকিদেরও আমার পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানিয়ে দিস।
ছে ইয়ং সিন,
কী?
মনে হয় কিছুদিনের জন্য সাধারণ মানুষের মতো থাকতে পারব না।
কেন?
আমাকে আজ হুমকি দিয়েছে।
কীসের হুমকি?
আমি স্বীকার করেছি যে পার্ক দং ছুলের খুনটা আমার করা।
ঐ বুড়ো, বড় ভাই, সেটার ভিডিও রেকর্ড করেছে।
ওর জন্য কাজ করলে ভিডিওটা আর পুলিশের কাছে দিবে না।
হারামজাদাটাকে...!
ব্যাপার না, ঠিক আছে।
কী দেখিয়ে হুমকি দিলো যে ঐসব বললে?
আমার জন্য, তাই না?
তখন, যখন হারামজাদাটা আমার রেকর্ড করছিল...
সেটাই কারণ, তাই না?
না, তারপরও, তোমার কি মাথাটাথা খারাপ হয়ে গেছে?
তোমার এমন কিছু স্বীকার করা ঠিক হয়নি!
খুন... কীভাবে পারলে বলতে?
সত্যিই তোমার মাথাটা গেছে।
আমি ঐ বুড়োর জন্য কাজ করব না। এমন কিছুই করব না।
যদি চেষ্টাও করেছ তোমাকে আমি বের করে আনব। - ঠিক আছে।
এই ভ্যাজালটা শেষ না করা পর্যন্ত, তোমার পাশে থাকতে পারব না। আমাকে দৌড়ের উপর থাকতে হবে।
চলো একসাথে করি।
সাহায্য লাগলে, তোমাকে বলবো।
- সাথে থেকে দুজনে মিলে করব। - আমার সাথে থাকলে তুমিও জেলে যেতে পারো।
তাহলে... তোমায় দেখব কীভাবে?
আমার ফোন বন্ধ থাকবে, তাই ফোন কোরো না। আর আমার বাড়ি আশেপাশেও এসো না।
আর যদি ভাগ্যক্রমে,
কেউ আমার ব্যাপারে জিজ্ঞাস করে...
তোমায় দেখব কীভাবে?
মিউং হি ঘুমাচ্ছে।
পরে দেখা করিস।
তোমার কাছে অনুরোধ করছি। জং হোকে ছেড়ে দাও।
মদ খাবি?
তোমার সাথে মদ খেলে কি অনুরোধ রাখবে? নাকি আরও কিছু করতে হবে?
জং হো'কে বড়ভাই নিয়ে গেছে।
ওরা জং হোর ভালোই খেয়াল রাখবে।
জং হো কারো জন্য কাজ করার মতো সক্ষম না।
ওকে চাপ দিলে, ভেঙ্গে পড়বে, তাই...
তুই একটু বেশি বেশি করছিস।
জং হোর ভবিষ্যৎ এখন একদম তৈরি।
ও যা যা অপরাধ করবে সব সুন্দরভাবে ঢাকা পড়বে,
আর যদি বড় ভাইয়ের মন জয় করতে পারে,
ও ঐ সবকিছু পাবে যা স্বপ্নেও চিন্তা করেনি।
তোমার মতো?
আমার মতো হলে তো, বাজিমাত করতে হবে।
বন্ধুদের ধোকা
আর মৃত্যুর মুখে ফেলে, তাই না?
তুইও যুন সেওকের রেকর্ডিং শুনেছিস।
আমি ওদের মারিনি।
চেষ্টা করেছ।
তোমার নিজের ভাইকে দিয়ে
মিথ্যে বলিয়েছ।
এবার থাম। এসবে তোর ক্লান্তি ধরেনি?
জানো, আজও আমার চোখে ভাসে?
যেদিন, ডিটেকটিভদের বলছিলাম,
গিল হান ভাইয়ার সাথে যুন সেওক ভাইয়ার প্রায়
টাকা নিয়ে ঝগড়া হতো।
যা। আমি ক্লান্ত এখন বিশ্রাম নিব।
আর জিয়ান? ঐ ছোট্ট বাচ্চাটার সাথে কী করেছ?
ও বেঁচে ছিল, আর তুমি কীভাবে বলতে পারলে মরে গেছে...
নাম, আহন সাং হিয়্যুন। বয়স, ৩৯।
একে আগেও দেখেছি।
No comments yet. Be the first to leave one.