Le prime 200 righe.
দালসে, বুকসোয়ে কে নিয়ে পালাও।
- উনসম। - জলদি!
ইয়াংছা।
ধরো ওকে!
তুমি...
কে?
ARTHDAL CHRONICLES ⚔️ S02 E01 ⚔️
আসো।
আসা রন নিরুহাকে ভদ্রভাবে নিয়ে যাও।
তাগন, দানবিয়ক
পার পেয়ে যাবে ভেবেছো?
ধন্যবাদ।
বাবার ছেলে হিসেবে
যা করার তা-ই করেছি।
তাগন।
মিহল আর হুলরিফকে কোথাও পাওয়া যাচ্ছে না।
ব্রোঞ্জ কারখানা।
ওরা সেখানে।
মিহল...
এমন করছেন কেন?
আমি এখনো ছোট।
আমাকে ছেড়ে দিন।
আমি চাই তোমরা এখানে থেকে পালিয়ে যাও।
আমরা হে সম্প্রদায়, কোনোক্রমে রেমুস থেকে বেঁচে,
পূর্বের শেষ সীমানা আর্থে আসি।
আমরা আর্থে বসতি গাড়ার সিদ্ধান্ত নিই কেন?
মহা গোছিজু শিলায়
আঙুল খোদাই করা ছিল বলে।
রহস্যময় সভ্যতা এবং সেটার ঢালে একই খোদাই
আমাদের জন্মভূমিকে লণ্ডভণ্ড করে দেয়।
আমি নিশ্চিত সেই ঘটনার সাথে আর্থদালেরও যোগসাজশ রয়েছে।
আমাদেরকে রহস্যটা উন্মোচন করতে হবে।
যেখানেই থাকো না কেন, উদ্দেশ্যটা মনে রাখবে।
জ্বী।
যাও, এখন।
যেভাবেই হোক না কেন, তোমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
জ্বী।
এই, জিনিসগুলো পুড়িয়ে ফেলছে!
আরে। ধুর!
এখন, আর্থদালে ব্রোঞ্জের কাজ
একমাত্র আমি জানি।
এসবের কোনো দরকার ছিল না।
শুধু তেয়ালহার সামনে নতজানু হয়ে গেলেই হতো।
তা না করে, মূল্যবোধ কারিগরদের মেরে ফেললেন।
নিয়ে যাও।
হারামজাদা!
একটা ওয়াহান কীভাবে এখানে এসে লুকালো?
চলো।
কী দেখছো?
এটা...
আপনারা কি...
পাথরকে গলিয়ে এমন করেছেন?
একটা দুজুমসেং এতকিছু জেনে নিয়েছে? মুগ্ধ হলাম।
কিন্তু কীভাবে...
আগুন কীভাবে পাথর গলায়?
জানি না। জেনে নিতে হবে।
হারামজা...
ছাড়ো।
এটা নাকি?
ওই, কী করছো? কিছু ধরো না।
বুঝেছি! বাতাস।
এটা আগুনের তাপ বাড়াচ্ছে!
আরও বাড়াচ্ছে! আরও!
তাপ বাড়াচ্ছে! আরও!
প্রচণ্ড গরম আগুনই
পাথর গলাচ্ছে।
তরল করছে,
আবার শক্ত হচ্ছে।
চল হারামজাদা।
না।
ওকে সবটা দেখতে দাও।
হ্যাঁ?
- না! - চুপ থাকো!
- না! - মার খাবে এবার!
- না... - মুখ বন্ধ রাখো।
চুপ!
- এইতো আরেকটা। - আরেকটা ধরেছি!
- ওই! একদম চুপ! - আমিও ধরেছি একটা।
এখানে আয়, হারামজা...
আরও একটা ধরেছি!
না...
এইতো পেয়েছি।
ও... ইগুতু?
তাগন, দেখুন একটা ইগুতু।
বাবা।
"বাবা"?
পিয়েজেত!
পিয়েজেত: আগো সম্প্রদায়ের একটা গালি, যার অর্থ "কুত্তার বাচ্চা"
বাবা।
তোমার জন্য আমার আর কত লোককে মারতে হবে?
কী করেছে দেখেছেন?
হারামীটা সারাম নয়।
নেয়ানথাল হবার মতোও শক্তিশালী নয়।
তাহলে কি ইগুতু?
কী ব্যাপার? কী হয়েছে?
- মুবেক। - হয়েছে কী?
ও সানুং নিরুহার খুনি দুজুমসেংটা।
ও ইগুতু?
দালসে সুসু, বুকসোয়ে সুসু!
- দোতি! - দোতি।
এখানে কী করছো?
উনসম সুসু কোথায়?
সানুংকে আমি মারিনি।
ইগুতু? কীভাবে...
তাগন...
তাগন...
তাগনও যে ইগুতু সেটা ওকে বললে, ওয়াহানদের মেরে ফেলতে পারে।
তাগন কী?
তানিয়া...
কী হয়েছে?
সায়ার ঘরে একটা মৃত দেকান যোদ্ধা আছে।
গোপনে সেটা সামলাও আর সায়াকে কিছুদিন এখানে রাখো।
হ্যাঁ?
আচ্ছা।
কী হয়েছে জিজ্ঞেস করলাম।
মেয়েটা সায়াকে দেখেছে।
এখান থেকে লাফ দিয়েছে?
ও ইগুতু, তাই না?
ও নিশ্চয়ই উনসম নয়।
ওর মতো দেখতে কেউ?
ও কি...
উনসমের বেনেতবত?
বেনেতবত: জমজ
আমি নিশ্চিত উনসম স্বপ্নে ওই জায়গাটাই দেখেছিল।
তাহলে কি উনসম স্বপ্নে যাকে দেখেছিল সে ও নিজে নয়
বরং ছেলেটা?
ওকে বাঁচিয়ে রাখবে?
সায়া যে ইগুতু সেটা ও জানে বলেছো।
দুজুমসেংটাকে ধরার জন্য ওকে বাঁচিয়ে রাখা ছাড়া উপায় নেই।
না, এটা...
ওর ব্যবস্থা তো করবেই, কিন্তু এটা অন্য সমস্যা।
ওকে চুপ করাতে হবে।
মারতে না চাইলে ওর জিভ কেটে ফেলো।
তাগন।
সায়া।
চোখগুলো পরিচিত লাগছিল।
কী বলো? পরিচিত লাগবেই তো।
দশ বছর আগে ওকে দেখেছো।
তাগন।
এক্ষুণি ভোর হবে।
ওকে মারবে নাকি জিভ কাটবে?
তাগন, এরকম কিছু নিয়ে এখন তর্ক করার সময় নয়।
জরুরি কাজ পড়ে আছে।
তোমাকে সমাজ ভবনের বৈঠকেও যেতে হবে।
- ওকে মেরে ফেলো। - আমাকে মারলে,
ছেলেটাও মরবে।
কী বললে?
হ্যাঁ, চেষ্টা করা যাক।
আমি মরলে...
দারুণ হবে, উনসম।
ছেলেটাও মরবে।
ওকে মেরে ফেলতে বলেছি।
- হাতে সময় নেই... - গতরাতে,
একটা স্বপ্ন দেখেছি।
মহামতি শ্বেত নেকড়ে এসেছিল।
অস্থিরতায় সব বুঝতে পারিনি,
কিন্তু এটা জোরে ও পরিষ্কার শুনেছি।
আমি মরলে,
ছেলেটাও মরবে।
আমার ভাবনা ঠিক হলে,
উনসমের স্বপ্নের লোকটি ও না হয়ে,
ছেলেটি হলে...
এই নড়বড়ে বুদ্ধির সাহায্যে প্রাণপণে বাঁচার চেষ্টা করছো।
সেদিন অর্ধচন্দ্র নিয়ে একটা অভিশাপ দিয়েছো
কেউ নাকি মুগোয়াং এর হৃৎপিণ্ড বের করে নিবে।
কিন্তু জানো তো? ও এখনো বেঁচে আছে।
এভাবে মুখ চালালে,
আগে জিভ ছিঁড়ে নিয়ে তারপর ভাববো কী করা যায়।
গতরাতে আমার স্বপ্নে,
একটা মেয়েকে দেখেছি।
নামটা যেন কী?
ভালোই তো।
- নাম... - স্বপ্নেও মেয়ে দেখো।
ও, হ্যাঁ!
সেনারে।
এটাই ওর নাম।
সেনারে আর আমি পালাতে যাচ্ছিলাম...
সেনারে।
কী?
কী বললে?
কী হলো? সেনারে কে জানো?
ওকে কীভাবে চেনো?
কোনো কারণে এরপর কী হয়েছিল জানতে পারিনি,
তবে দেখলাম আমি সেনারের নাম বলে বলে
কাঁদছি।
ছেলেটাকে আর
কষ্ট দিও না।
কী বলছে ও?
দাঁড়াও।
একটু দাঁড়াও।
তারপর?
বলো।
তারপর, আরেকটা মহিলা আসে।
স্বপ্নে এত মেয়ে দেখো।
আর আমার হাতে জিনিসটা দেয়।
রক্তাক্ত ব্রেসলেট।
সেনারের মৃত্যুর সাথে সাথে,
ছেলেটার আর আমার ভাগ্য এক সূত্রে গেঁথে গেছে।
আমি মরলে,
ছেলেটাও মরবে।
No comments yet. Be the first to leave one.