Le prime 200 righe.
অনুবাদিকা: সারাহ্ ইকবাল অনুবাদটি উৎসর্গ করলাম- আমার "মা"কে
"মা"
সোজা হয়ে দাঁড়াও!
সালাম দাও!
ডো-জুন!
আরে ওই বেঞ্জওয়ালা! গাধার বাচ্চা!
ডো-জুন, তুই ঠিক আছিস, বাপ?
ওরে ঈশ্বর, রক্ত!
ডো-জুন বাপ আমার, তোর শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে রে!
উফ, মা, ছাড়ো তো আমাকে। যাও দেখি, দোকানে ফিরে যাও!
তোর শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে!
আমার ছেলের শরীর থেকে রক্ত বের হচ্ছে!
আমি আগেই জানতাম! রক্ত ওর নয়, আপনার শরীর থেকে বের হচ্ছে!
গলফ মাঠের দিকে চলো। রয়েল প্যালেস কান্ট্রি ক্লাব।
ওরা কি ওখানেই গিয়েছি কী করে বুঝলি?
আরে বোকারাম,
এই শহরে আর কোথায় এরকম একটা বেঞ্জ গাড়ি যেতে পারে?
ওরা আঘাত করে পালিয়ে গিয়েছে নাকি?
যেসকল কুত্তার বাচ্চাগুলো লোকজনকে এভাবে ধাক্কা মেরে পালিয়ে যায়,
ওগুলোর মাথা ভেঙে একদম গুঁড়িয়ে দেওয়া উচিৎ।
দেখ!
- রক্ত! রক্ত! - আরে,ঠিক আছে, কিচ্ছু হয়নি।
গাড়ির নম্বর ৫৩৬২। সাদা রঙের বেঞ্জ।
ওটার নম্বর ৫২৯৮ ছিলো রে, গাধা। আর ওটার রঙ কালো ছিলো।
ওহ, একটা কালো বেঞ্জ, কালো...
তুই যে কী করে কালো-সাদা গুলিয়ে ফেলিস!
অবশ্য করতেই পারিস।
তোর দ্বারা, সবই সম্ভব... তুই তো আবার বিশেষ রকমের মাথা নিয়ে জন্মেছিস!
ওহ, এই যে পেয়ে গেছি!
নিশ্চয়ই বেশ ব্যাথা পেয়েছিস!
আরে চল, গাধা।
অনেক হয়েছে, সামান্য একটা চোট, সেলাই লাগবে না।
আপনি কি ডাক্তার নাকি?
এইযে, আপনার হাত নাড়াবেন না, দয়া করে। কী করছেন বলুন তো?
হতচ্ছাড়াটা, আমাকে পাগল বানিয়ে ছাড়বে।
এখন আবার কোথায় চলে গেলো?
এটা গলফের মাঠ।
হুম। এটা গলফের মাঠ।
কিন্তু তুই কি বলতে পারবি, আমরা এখানে কেন এসেছি?
হুম।
১২টা হয়ে গেলো!
তোর মধ্যে উনি বিশেষ এমন কী খুঁজে পান বল তো?
তোর মা?
হুম, মা....
গাড়ি...
ধাক্কা!
আমার রক্ত!
আমরা প্রতিশোধ নিতে এসেছি।
হুম, আমরা প্রতিশোধ নিতে এসেছি।
যাইহোক,
ওই গাড়ির হারামজাদা মালিকগুলো কই গেলো বল তো?
ওদের এতক্ষণে তো চলে যাওয়ার কথা।
ওরে, দেখ দেখ!
তুই এই গলফ বলগুলো দিয়ে কি করবি বল তো?
আমি এগুলো একটি মেয়েকে দিবো।
তোর এগুলো দেওয়ার মতন কেউ আছে বুঝি?
হুম... আছে তো।
তুই কখনো কোন মহিলার সাথে শুয়েছিস নাকি?
গাধা...
তুই আর তোর নিষ্পাপ সুন্দর চেহারা!
আমি একজন মহিলার সাথে শুয়েছি।
কোন মহিলার সাথে?
মা।
ওই হারামিগুলো যে কই চলে গেলো...
চলে আয়!
ওদের পেয়ে গেছি!
প্রতিশোধ! প্রতিশোধ!
ওই গাধাটা এমন কেন করলো?
ওর সমস্যাটা আসলে কি?
শয়তানের বাচ্চার দল!
গাড়ি থামা বলছি! তোদের তো আজ!
কী করছেন এসব?
তুই নিজেকে কোন লাট বাহাদুর ভাবিস? এসব কি করছিস?
মাথায় গোবরভর্তি আহাম্মকের দল!
গাড়িটা কে চালাচ্ছিলো, বল? ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে এসেছিলি কেন তোরা?
গাড়িটা কে চালাচ্ছিলো? তুই?
এসব কি চলছে?
- তুই কি পাগল হয়ে গেছিস নাকি? - কে চালাচ্ছিলো?
বল, তুই কি চালাচ্ছিলি?
একটু শুনুন।
এই ব্যক্তি থানায় বসে থাকার মতন যেনতেন কোন ব্যক্তি নন।
আসলে আমি বলতে চাচ্ছি, বনিবনা করে মামলা খতম করে নিলেই ভালো হয়।
আপনাদের মতন সম্মানীয় অধ্যক্ষদের এমন...
গাড়ি দিয়ে ধাক্কা মেরে পালিয়ে আসার ঘটনা...
আর এই ছেলেগুলোও কোন বড়সড় গুন্ডাপান্ডা নয়।
ওরা স্থানীয় সাধারণ ছেলেপুলে।
তাহলে আমরা বনিবনাটা করে ফেলি, কি বলেন?
ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যাওয়া ও মারামারি...
পরস্পরকে নাকচ করে দিলো।
ডু-জোন, ওদের হুমকি ধামকি দিয়েও লাভ হবে না আসলে।
গাড়িটা...
ওরা গাড়ির সামনের আয়নাটা ভেঙে গুঁড়ো গুঁড়ো করে ফেলেছে।
মার্সিডিজ বেঞ্জ ২৮০।
আহারে! তুই উনার গাড়ির আয়না ভাঙতে গেলি কেন রে?
এটার তো নিশ্চয় অনেক দাম।
তা আর বলার বাকি রাখে নাকি।
ধুর!... কেন যে আমি এই কাজ করেছিলাম?
তুই কি জানিস, ওটার দাম কতো, শালা প্রতিবন্ধী কোথাকার?
প্রতিবন্ধী?
ওই ওই! কি করছিস এসব!
ছাড়ো আমাকে! ছাড়ো বলছি!
শয়তানের বাচ্চা! নিজেকে ও আসলে ভাবেটা কি?
শান্ত হয়ে বসে পড়ুন, মশাই।
বেঞ্জের আয়নার দাম তো...
অনেক।
দেড় লাখ? দুই লাখ টাকা?
ওই যে...উনি চলে এসেছেন।
শুভ অপরাহ্ন, স্যার।
খেয়ে নে।
খেয়ে নে রে বাপ।
থানা থেকে ফেরত আসলে সবসময় পেট ভরে খেতে হয়, বুঝলি?
ধ্যাত!
আমি নিজে নিয়ে খেতে পারি।
আমি এগুলো ডিওডিওক ও গুগিজা দিয়ে সিদ্ধ করে নিয়েছিলাম।
এটা তোর পুরুষত্বের জন্য উপকারী।
সত্যি? পুরুষত্ব?
তোর এই বিষয়ে এতো মাথাব্যথা কেন রে শুনি?
নারী।
তুই কি কারো সাথে প্রেম করছিস নাকি রে?
অবশ্যই। ওর সাথে রাত কাটাতেও চাই।
রাত কাটাতে চাস?
কে ও?
একজন নারীর সাথে রাত কাটাতে চাই।
তুই এতো দামি আয়নাটা...
ভেঙেছিস কী করে বল তো?
পা দিয়ে দিয়েছি একটা লাথি!
প্রতিশোধ নিয়েছি বুঝলে।
ভালো করেছিস।
কিন্তু আমার যে কোন টাকাপয়সা নেই রে বাপ।
আমি কোথা থেকে টাকা পাই বল তো?
কোথায় খোঁড়াখুঁড়ি করলে এতো টাকা পাবো বল তো?
খোঁড়াখুঁড়ি করতে যাবে কেন শুনি? জিন-তাই এর কাছ থেকে ধার নিলেই পারো।
জিন-তাই!
ওই হতচ্ছাড়া ছেলেটা থেকে দূরে থাকবি বুঝলি!
যত্তসব নষ্টের মূল!
আচ্ছা।
কোথায় চললি আবার?
জিন-তাই এর সাথে দেখা করতে।
আগে খাবারটা শেষ করে নে।
তারপর ঔষধটাও খেয়ে নিস। ঔষধ খেতে ভুলে যাওয়াটা একদম ঠিক নয় বুঝলি।
ডো-জুন, তুই কিন্তু পুরোটা শেষ করিসনি!
জলদি ফিরে আসিস!
মোটেও দেরী করিস না কিন্তু!
এটা তো ব্যাথা দিবে না, তাই না?
না, একদম না।
এটা ব্যাথাও দিবে না আর এটার জন্য আমি কোন টাকাও তোমার কাছ থেকে নিবো না।
বরং তুমি আমাকে কিছু টাকা ধার দিতে পারবে?
কত টাকা?
আসলে খুব বিপদে আছি।
আর আমি তোমাকে টাকার বদলে একটা ঔষধ দিয়ে দিবো।
- ঔষধ? - হুম।
যা তোমাকে গর্ভবতী হতে সাহায্য করবে।
এটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ।
এটা কি আসলেই কাজ করে নাকি?
এটা আসলেই কাজ করে।
আমি নিজেও এটা খেয়েছিলাম, আর খাওয়ার পর পরই ডো-জুন আমার পেটে এসেছিলো।
তোমার ছেলেও এমন সুদর্শন হবে, দেখে নিও।
ডো-জুন...
ওর চোখজোড়া যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা।
হরিণের মতন।
-ঠিক আমার মতন না? - হুম।
একদম আপনার মতন।
অত্যন্ত সুন্দর।
যাইহোক,
আজকাল দেখি তুমি আরো আবেদনময়ী হয়ে উঠেছো।
- মানে বলছিলাম... - হুম, বুঝেছি বুঝেছি।
জিন-তাই এখনো আসছে না কেন?
ও আসেনি বুঝি?
এতক্ষণে তো ওর চলে আসার কথা ছিলো।
তুই এই একই কথা সেই কখন থেকেই বকে যাচ্ছিস।
আমার সাথে ঝামেলা করবে না, বুঝলে।
আমি কিছুক্ষণ আগেই থানা থেকে বের হয়ে এসেছি।
একটু খাতির যত্ন তো করো।
জিন-তাই, তুই কই গিয়ে বসে আছিস বল তো? জলদি আয়!
শুয়ে পরো তো, মা!
আমার ফিরতে দেরী হবে। আমি তোমাকে ঘুমিয়ে পরতে বলছি তো।
দারুণ!
এই, উঠে পড়।
উঠে পড় বলছি।
তুই একটু এসে দেখ তো।
খুব আরামে ঘুমিয়েছিস বুঝি?
মুখটা মুছে নে।
শালা পাগল, দূরে গিয়ে মর।
তোর মাকে ফোন লাগা আর এসে বিল পরিশোধ করে দিয়ে যেতে বল।
আমাকে একদম পাগল বানিয়ে ছাড়ছে!
জানু!
ওই, তোকে না পিছনের সিঁড়ি দিয়ে আসা-যাওয়া করতে বলেছিলাম।
- মিনা! - কেমন আছো তুমি?
এইতো, তুমি আমার সাথে বসে একটু চা-নাস্তা করবে নাকি?
সত্যি?
- ঘুরে, হাঁটা শুরু কর বলছি। - আমাকে কল দিও।
আচ্ছা, যাচ্ছি তো রে মা!
মুখ বন্ধ কর আর ঘরে গিয়ে বাড়ির কাজে মন দে।
তোমার স্কার্টটা খুব সুন্দর।
এই যে তুই! এদিকে চল!
ওর পাদু'টো কিন্তু খুব সুন্দর।
ওর দিকে ভুলেও নজর দিবি না!
চলে যা এখান থেকে!
ম্যানহাটন বার
এখান থেকে ভাগ, বুঝলি?
No comments yet. Be the first to leave one.