最初の200行です。
১৯৬৫ ত্রিসুর
পরিনজু!
পরিনজু!
ঐ,পরিনজু!
আমি এখানে,জোসে।
মারিয়া আইতাছে!
কি হইছে?
-তুই কি মারিয়া কে কইয়া দিছোস? -না
-বাল, -আমি আইতাছিলাম
দেখলাম সে তার বন্ধুদের নিয়া এদিক আইতাছে।
ঐ তো আইয়া পড়ছে
তুই নিজে বল
না পারুম না
পরিনজু,মারিয়া আইতাছে
ও একা,এটাই সব থাইকা ভাল সুযোগ।
দোস্ত,তুই বলে দে
না!তাতে কাজ হইবো না। তোর নিজের কওন লাগবো
তুই কি কোন দিন সিনেমায় দেখোস নাই প্রেমনাজির শীলারে কেমনে কয়?
ঐভাবে বল
যদি সে পছন্দ না করে,তবে ব্যাপারটা খুবি লজ্জার হবে,তাই না?
এইডা সত্য,তখন আমরা আর তারে মুখ দেখাতে পারুম না
শুধু তুই না,আমিও পারুম না।
যখন ওর আব্বায় বাড়ীত থাকে না,তখন ও আমাগো কত মজার খাওন খাওয়ায়।
এইডা বন্ধ করা যাইবো না।
-সে কত বড়লোকের মাইয়া? আর আমি?
তাইলে তুই আগে বড়লোক হ,তারপর কইস!
শালা,আরামে বাড়ীতে শুইয়া,আব্বার ব্যান্ড বাজানো শুনতাছিলাম।
যা ভাগ!
হেই মারিয়া!
তোরা দুইটা এখানে কি করিস?
বিড়ি খাস নাকি?
না!
তোর গানের দলের কি খবর? -ভালোই চলতেছে।
যদি এইডা ভালো না হয়,আমি কইলাম থু থু করুম
ঠিক আছে,মন ভরে থু থু করিস।
আমি তোকে দেখাবো!
এরকম সন্দেহজনক ভাবে তাকিয়ে আছিস কেন,পরিনজু?
তোর আব্বার এরকম সন্দেহজনক চাহনী আছে!
হেই!ঐ দিকে দেখ
এটা হলো ভেলাকান্নির মাদার মেরীর মূর্তি।
এটা বাজের আমাদের নিজস্ব গীর্জার জন্য,
আমার আব্বার পক্ষ হতে।
ঐ,চাইলে এখন বলতে পারিস
-কি -কিছুনা!
বলে দে
ভাগ শালা
ওহ,এখন আমার লগে ঝগড়া করবি।
-কিরে জোসে -সেটা ও নিজেই বলবে
দাড়া,আমিও যামু
পরিনজু!
মারিয়া!
সময় হউয়া গেছে
সে কোথায়?
সে আসবো না
মারিয়া,তুই কি আসবি?
হেই মারিয়া
-কি হইছে আব্বা! -দাড়াও
এক মিনিট,আমি আসতেছি
তার আব্বা!
কি হইছে,আব্বা!
দাড়াও,আমি তোমারে গাড়ি করে স্কুলে নামাই দিবো।
-এমনিতেই দেরি হয়ে গেছে,ঘন্টা পরে গেছে,আমি গেলাম। -দাড়াও
তুমি ঐ বদমাইশ গুলার সাথে স্কুলে যেতে চাও?
আব্বা, এভাবে কেনো কথা বলছো?
আমি বলছি!
আব্বা,তারা শুনতে পাবে,আস্তে বলো।
তারা যাতে শুনতে পায়,আমি সেইজন্যই বলছি।
গত রোবিবার গীর্জার গানের পর তুমি ককন ফিরছিলা?
ভালো..
তোমার বন্ধুরা আমাকে বলেছে
..তুমি তাদের সাথে ঘুরে বেরও।
আব্বা!
তাদের ছোট জাতের পূর্ব পুরুষেরা আলাপাট্টাদের দেখলে একশহাত দুরে থাকতো।
তুমি কি তা জানো?
তোরা এখানে কি তামশা দেখিস?দুর হ!
চলে আয়!
গাড়িতে বসো
ওসেফ,দরহা খুলে দে।
জোসে,মারিয়া কি পৌছাইছে?
সে তো গাড়ি করে আসছে,তাই না?
আমাগোর অনেক আগেই পৌছাইছে।
আমরা ঐ আলাপট্টা ভারগেজ কে খুব শিঘ্র একটা উচিৎ শিক্ষা দিমু।
না,দোস্ত,সে আমাদের মারিয়ার আব্বা,তাই না?
তুই আর তোর শ্বশুর
কানের দুল গুলা কোথায় থেকে কিনছো?এগুলা সত্যি সুন্দর।
শহর থেকে কিনছি।
শহর থেকে?সতীশের দোকান থেকে নাকি?
হুম,চার্চের পাশেই...
এই ছেলে কি করছো?আমাকে দাও এটা
তুমি এটা না পড়লে,আরো বেশী সুন্দর লাগো।
-আমাকে দাও বলছি -তুমিতো খুব খারাপ ভাবে এটা চাইতাছো
আমি এটা তোমার মাথায় পরাই দেই -পরিনজু,মার শালারে
তুই!..
-ছাড় আমাকে -তুই মাইয়া,মানুষের মাথা থেকে ফুল নেস
নিছি,তুই কি করবি?
-আমি তোরে দেখাইতেছি! -লাথি মার,পরিনজু!
তোর ওা কি জন্য আছে?
তার মাথায় মার,পরিনজু!
কি দেখিস? ওর মুখে ঘুষি মার
তুই কি দেখতাছোস,মারিয়া!
পরিনজু তোর জন্য ওরে মারতাছে..
হেই!থাম কইলাম।
আমার স্কুলে এরকম গুন্ডামী আমি সহ্য করবো না
দু জনেই এদিকে আয়!
তোদের দুটারে আজ এমন প্যাদানি দিমু
বসে পরো!
বসো!
তোর বাম কি?
পল
-বাপের নাম কি? -জোসেফ
-কোন যোশেফ! -মালাক্কারান যোশেফ
-ও তুমি যোশেফের ছেলে -জি
তোর নাম কি?
-পরিনজু -বাপের নাম?
-জয় -কোন জয়?
গুরুজি,বিড়ি জয়
ও তুই বিড়ি জয়ের পোলা
-আমি তোরে পরে দেখতাছি -স্বপ্ন দেখ!
তুই কি স্কুলে পড়াশোনা করতে আইছিস না গুন্ডামী করতে?
সর
গুরুজি,সে প্রথমে শুরু করছে
বসো
এই বেটারে
..ওর পাছায় পিটামু
-তুই!! -আপনে আমারে একা মারতেছেন কেন?
সেটা আমার ব্যাপার
হাত ছাড়
তুই..!
আমি না,বলা পর্যন্ত তুই আর আমার ক্লাশে ঢুকবি না।
যাও আর বসে পরো
সে কি পড়াশোনা করতে আসছে বলে মনে হয়!
আসছে অন্য বাচ্চাদের শান্তি নষ্ট করতে।
তুই আবার কই যাস? -যা,ভাগ
চুপ!
পরিনজু,দাড়া,আমিও আইতাছি
গুরুজি মনে হয়
আমগোরে পছন্দ করে না!
আমরা তো বড়লোক না,তাই না?
চল দোস্ত -যাও আর বসে পরো
গত সপ্তাহের স্পেশাল ক্লাশে আমরা কোব পর্যন্ত পড়ছিলাম?
অষ্টম অধ্যায় পর্যন্ত,গুরুজি
গুরুজি!
এটা আপনি কি করলেন?
-কি? -পরিনজু এই ক্লাশের সব থেকে ভালো ছাত্র।
তো?
-আপনি তো পরিবারের নাম শুনে অপরাধ বিচার করলেন। -তুইও কি মার খেতে চাস!
গুরুজি,মারিয়া আলাপট্টা বাড়ীর মেয়ে
বসে পরো মা!
যাদের পড়াশোনায় ইচ্ছা আছে তারা এদিকে মনযোগ দাও
না হলে ক্ষেতে গিয়ে হাল চাষ করো
সারা জীবনের জন্য
এইটা কিরে!
গুরুজি!
না,এটা করিস না,গুরুজি বিয়ের দাওয়াতে যাইতাছে
এটা করিস না
এটা করিস না, বাবা
না!মারিস না
বাল!
তুই আমার কাপড় নষ্ট করে দিলি।
হতচ্ছাড়ার দল!
আমিও দেখে নেবো,তোরা দশম শ্রেনীর পরীক্ষায় কেমনে বসিস।
শালা ফকিন্নির বাচ্চা
বিলে চুবানী দে পরিনজু!
আরে না
হায় ঈশ্বর!
আমি তোদের লেখাপড়ার বারোটা বাজাবো
তোরা দেখবি আমি কেমনে তেদের জীবন ধংস করি।
যা,ভাগ
চলে আয়,পরিনজু!
তারে বিলের ভিতর শুয়ে থাকতে দে।
পরিনজু!
কি হইছে পরিনজু?
স্কুলে না যেতে পেরে কি তের মন খারাপ?
আমি লেখাপড়া ছেড়ে দিছি,মারিয়া!
আমি অনেক দিন ধইরা এটা বলতাছিলাম
আমরা পড়াশোনা কইরা কি করুম?
ভালোবাসা,শান্তি... এগুলার কোনটা কি আমগোর কপালে জুটবো?
চিন্তা,করিস না,পরিনজু!
আমি শুধু তোর জন্য এখানে আসিনি
আমি সারা জীবন তোর পাশে থাকবো
সব সময় তোর পাশে থাকবো
আমিও!
শুরু করো..এক...
এক...দুই..তিন..চার..
হেই ফ্রাঙ্কো!তুই করছিস টা কি?
কি?
ভয় পাইস না,শুধু আলো জ্বলবে
-আমি আগুন দিতাছি -আরে ঐ পোলাপান আমার দোকান
যদি বোতলটা উল্টে যায় তাহলে কারো পাছায় গিয়ে ফুটবে।
হুররে ফুটছে
গতি দেখছিস
-হপই!পুথেনপালি জোসের বাড়ী কোন দিকে? -এদিকে যান
-মহল্লার প্রথম বাড়ীটাই -চলো
হেই!জোসের বাড়ীতে আবার কে মরলো?
জানি না
হেই ভিনসেণ্ট! তাকা! -আমরা মহল্লায়,কিভাবে যাবো? -আমরা দেখাই দিতাছি
আসপন,যাওয়া যাক
তাড়াতাড়ি চলো
কফিন গুলাতে সেই সুন্দর!
দেখেই বুঝা যায়,এগুলা করাট্টি জাভির কাজ।
No comments yet. Be the first to leave one.