最初の200行です。
গত পর্বেঃ - মে ডে, মে ডে। - ফেঞ্চ, ফেঞ্চরা আসছে!
জীবনে ফ্রেঞ্চ শুনে কখনো এত খুশি হই নি!
- কেউ ফ্রেঞ্চ জানে? - সে জানে।
আমি এখন একা।
এই দ্বীপটায়।
প্লিজ, কেউ আসো।
বাকিরা সবাই...
মারা গেছে।
এটা তাদের মেরেছে।
এটা সকলকে মেরেছে।
- এখানে থাকতে পারব না। - কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই।
কাউকে তীর ধরে হেঁটে দ্বীপটার একটা মানচিত্র তৈরী করতে হবে।
দেখব, কী পাই।
আশা করি আমাদের আবার দেখা হবে।
Moshiur Shuvo Presents
কী হচ্ছে?
তুমি জানো, কী হচ্ছে।
কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না কেন...?
এটা তোমার দায়িত্বে ছিল, কিন্তু দায়িত্ব পালন কর নি তুমি, ক্লেয়ার।
এখন সকলে ভুক্তভোগী।
তুমি ঘুমাচ্ছিলে।
ঘুমের ঘোরে হাঁটছিলে, ওকে?
ওকে।
ক্লেয়ার, কী হয়েছিল?
বঙ্গানুবাদে : মশিউর শুভ
হয়তো ভয়ংকর কোন স্বপ্ন দেখেছ।
কে বলল দুঃস্বপ্ন দেখেছি?
যখন কেউ ঘুমের ঘোরে তার হাতের
মুঠি চেপে ধরে নখ বিঁধিয়ে দেয়,
তখন সে সুখের কোন স্বপ্ন হয়তো দেখছিল না।
- আগে কখনো ঘুমের ঘোরে হেঁটেছিলে? - না তো।
- আমি কীভাবে জানব? - এটা ফিরে আসবে।
আমার একটা গার্লফ্রেন্ড ছিল, বলেছিল আমি নাকি ঘুমের ঘোরে কথা বলি।
- তুমি কী বলেছিলে? - জানি না।
যাই বলেছিলাম, সে পছন্দ করে নি।
তোমার সিডনির অভিভাবক কেমন ছিল?
সে ভাল ছিল।
তোমার এই সময়ে সে বিমান ভ্রমণে রাজি ছিল?
হ্যা, আমি এখানে আসার এক সপ্তাহ আগে চেকআপ করিয়েছিলাম, সে বলেছিল সব ঠিক আছে।
- আল্ট্রাসাউন্ড ঠিক ছিল? - হ্যা, বাচ্চা সুস্থ ছিল।
- এখন কেমন লাগছে? - ভাল।
কোমড়ে ব্যথা আছে,
সেটা হয়তো মাটিতে ঘুমানোর জন্য।
খুব দ্রুত দাঁড়াতে গেলে মাথায় ঝিমুনি আসে।
এবং সব সময় প্রস্রাব আসে।
- ঠিকমত খাচ্ছ? - শূকরের মাংস এবং কলা।
তোমার কত সপ্তাহ চলে?
কত তারিখে তোমার প্রেগন্যান্সির খবর জেনেছিলে?
- এটা গোলাপি? - আমি জানি না।
তুমি এটার উপর প্রস্রাব করেছিলে তো?
- ১ সেকেন্ড সময় দাও। - তুমি হয়তো এটা ঠিকভাবে করো নি।
- থমাস, আমি কাঠির উপর প্রস্রাব করতে পারি। - এটার কী রং?
- কতক্ষণ ছিল? - ৬৬ সেকেন্ড।
- ওহ খোদা। - শশশ।
ওকে, এখানে দুটো লাইন আছে।
- দুটো গোলাপি লাইন? - গোলাপি? না, না। এগুলো লাল রংয়ের।
কী?
ওগুলো গোলাপি।
- এই দুই লাইন... - ওগুলো গোলাপি।
প্রথমত এই টেস্টগুলো অনেক সময় সঠিক হয় না।
থমাস!
না, না, না, আমার আঙ্কেল, জানোই তো,
আমরা ভেবেছিলাম তার টেস্টিকুলার ক্যান্সার হয়েছিল, তোমার মনে আছে?
- তার হয়েছিল। সে মৃত। - আসলে, হ্যা...
মানে বলছি এটা ছিল ভুল...
এটা বাজে ডায়াগনোসিস ছিল।
এটা দেখে শিওর হয়ো না যে তুমি প্রেগন্যান্ট।
- থমাস! - আরেকটা আনো।
আমার ৬ সপ্তাহ দেরি হয়ে গেছে, ওকে? ৬ সপ্তাহ।
আমি জানি, আমি জানি।
ক্লেয়ার।
জানো তো, আমরা যদি চাইতাম, এটা করতে পারতাম।
থামো।
- না, আমি মজা করছি না। - মা আমাকে তাজ্য করবে।
সে তো করেই দিয়েছে।
হ্যা, কিন্তু কী দিয়ে? মানে, আমার ফিস এন্ড ফ্রাইতে ৫ ডলারের কাজ দিয়ে?
তোমাকে তো একা চাকুরী করতে হবে না?
মানে বলছি, আমি পেইন্টিং করি।
শুনে ভাল লাগল, তবে আমরা এটা চাই না।
হয়তো চাই।
তুমি জানো?
এটা হতে পারে এমন যে...
আমি জানি না।
এটা হতে পারে আমাদের জন্য সেরা কিছু।
তুমি সত্যি চেষ্টা করতে চাও?
হ্যা।
ক্লেয়ার, তোমাকে ভালবাসি।
আসলে, এটা প্রথম।
একদম ভরদুপুরে কোন কাজ না করে সোজা দাঁড়িয়ে আছ।
অসাধারণ।
আমি কিছু একটা করছি।
তাই নাকি?
আমি ডুবছি।
পানি যাওয়ার সময় সাথে করে বালু নিয়ে যায়, তুমি ডুবে যাও।
ছোটবেলাতে আমি মায়ের সাথে এটা করতাম।
ওহ, নতুন প্লান।
তুমি ডুব দিয়ে তাহলে এই দ্বীপ থেকে পালাবে!
সাইদ গর্বিত হত।
সে প্রায় ১ সপ্তাহ হলো গিয়েছে।
মনে হচ্ছে সে সুস্থ আছে।
তুমি গুহা থেকে এতদূরে কী করছ?
পানি নিয়ে এলাম।
মাছ নিয়ে যাব।
ক্লেয়ারের শীঘ্রই বাচ্চা হবে।
প্রিয় ডায়েরি,
এখনো ভয়ংকর দ্বীপে আছি,
আজকে একটা পোকা গিলেছি,
ভালবাসা রইল, ক্লেয়ার।
নাও।
চা না পান করতে পারলে আমরা একটা সময় বর্বর হয়ে যাব!
- এখন ভাল লাগছে? - এটা একটা স্বপ্ন ছিল।
আমি এই স্বপ্ন দেখেছি।
আমি বাস চালাচ্ছি এবং আমার দাঁত হঠাৎ পড়া শুরু করল।
আমার মা পেছনে বসে বিস্কিট খাচ্ছিল।
সবকিছুতে তখন বেকনের গন্ধ পেলাম।
এটা আজব।
তবে আমি চিৎকার করে ঘুম থেকে উঠি নি।
আমি ঠিক আছি, চার্লি।
না, অবশ্যই তুমি ঠিক আছ।
বিষয়টা এমন যে...
...তোমার কথা ভাবি আমি
...এমন জায়গাতে।
তোমার জন্য কতটা কষ্টের,
তোমার পরিবার এবং বন্ধুদের ছাড়া।
আমার মনে হয়, আমরা পরস্পরের বন্ধু হতে পারি।
তবে একে অপরের চুলে চিরুনি চালাতে হবে না।
আসলে ব্যাপারটা এমন, যদি তোমার কারো সাথে কথা বলতে হয়,
আমি আছি।
চার্লি
ওকে।
- আমি সেটা বলি নি... - সমস্যা নেই, ক্লেয়ার।
ব্যাপার না।
থমাস তার জিনিস নিয়ে এসেছে।
আমি মঙ্গলবার অফিশিয়ালি তার কাছে আসছি।
- এটা চমৎকার ! - আমি জানি, সে সেরা।
- কেমন যেন লাগছে। - সে একজন সাইকিক, ক্লেয়ার।
আমি তো ভেবেছিলাম তুমি এসবে বিশ্বাসী।
হ্যা, জানি,
কিন্তু আমি চাই না কেউ বলুক যে,
আমার জীবনে কী ঘটবে কিংবা আমার জীবন কীভাবে চলবে!
যদি তোমার আর কোন এক্সকিউজ না থাকে...
তোমার হাত লাগবে।
তো এটা কখন জানলে?
- কী? - বাচ্চার কথা?
২ দিন আগে।
- সে তার মা'কে এখনো কিছু বলে নি... - শশশ।
কী, তাকে এটা বলবো না?
কী? কী হল?
আমি দুঃখিত...
আমি... আমি পারব না...
তুমি কী...? কী দেখেছ?
আমি এটা করব না।
না, তুমি কী দেখেছ!
তোমরা এখনই চলে যাও।
অনেক ধন্যবাদ!
পাগল নাকি!
সাহায্য করো!
কেউ আমাকে আঘাত করতে চাচ্ছে, প্লিজ সাহায্য করো!
- কেউ একজন তাকে আক্রমণ করেছে! - কী?
- একজন আমাকে ফেলে দিয়েছে! - সে কোন দিকে গিয়েছে?
জানি না, দেখতে পাই নি...
- কতক্ষণ পূর্বে? - কী হচ্ছে?
এখনি! সে কেবল পালালো!
আমরা ছড়িয়ে পড়ে আশেপাশে খোঁজ করি।
- দাঁড়াও, শোনো। - হার্লি, চলো তো।
- তাকে পানি দাও তো? - হ্যা।
- তার চেহারা দেখেছ? - অন্ধকারে দেখতে পাই নি।
- এটা কোথায় ঘটেছে? - সে এখানে ছিল!
আমি ঘুমাচ্ছিলাম, চোখ খুলে দেখি সে আমার বাচ্চাকে আঘাত করতে যাচ্ছে!
তার হাতে সুঁচালো মত কিছু একটা ছিল,
এবং সে ওটা আমার পেটে গেঁথে দিয়েছে!
সে আমার বাচ্চাকে আঘাত করছিল।
সমস্যা নেই, ভয় পেয়ো না।
আমরা তো সব জায়গাতে খুঁজলাম।
কেউ কিছু দেখেনি এবং শুনে নি?
উঁহু, সকলে ঘুমে ছিল।
আমার একটা আইডিয়া আছে।
আমি এক সাইকোকে খুঁজতে এসেছি স্কট এবং স্টিভের সাথে?
এখন বুঝতে পারছি স্কট এবং স্টিভ-টা আবার কে?
বুঝলাম না।
দরজায় নক দিয়ে অপরাধী খোঁজা।
কিন্তু এখানে কোন দরজা নেই।
আমি এখনো বুঝলাম না...
আমরা এখনো জানি না যে, এখানে কারা বাস করছে।
মানে, আমরা নিজেরাই পরিচিত নই।
হার্লি আমার দেয়া নাম, ওকে?
কেন? সেটা বলব না।
কথা হচ্ছে, আমাদেরকে সকলের পরিচয় বের করতে হবে।
তুমি আদমশুমারি করতে চাও?
আমরা ক'দিন চুপ থাকব, তাহলে লোকে পরস্পরকে আক্রমণ করা বন্ধ করবে।
মনে হচ্ছে, প্রতিদিনই এমন হাঙ্গামা হচ্ছে।
তার সাথে এমনটা যে করেছে তাকে বের করব।
তুমি ঠিক আছ?
চিন্তা করো না।
তুমি যদি চোখ বন্ধ করতে চাও,
আমি এখানে সারারাত থাকব।
কাউকে এখানে ভিড়তে দেব না।
কথা দিচ্ছি, তোমাকে ছেড়ে যাব না।
- ওয়াও, আমাদের এখন পর্দাও আছে। - জানি।
নিজেকে বড় মনে হচ্ছে।
No comments yet. Be the first to leave one.