ã‚ã®æ—¥è¦‹ãŸèбã®åå‰ã‚’僕é”ã¯ã¾ã 知らãªã„。
最初の162行です。
পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা শেষ হয়ে গেলো, তারপরও শেষ হলো না আমাদের অনুভূতি প্রকাশ।
আমাদের সব আবেগ ঝেড়ে ফেলে, এখন আমরা নতুন করে লিখবো সব।
আমি জানি না কিভাবে শেষ করবো এই পৃষ্ঠা।
ডায়েরিতে চিহ্ন করে রেখে,
তুমি আমি বাইকে ঘুরবো সারাদিন।
চলো যাই আমাদের গোপন আস্তানায়,
যেখানের প্রতি ইটের ভাঁজে ভাঁজে আমাদের স্মৃতি লুকায়িত আছে।
চলো সেই পাহাড়ে যেখান থেকে মেঘ স্পর্শ করা যায়,
যেখান থেকে আকাশ ছুঁতে পারবো আমরা মেঘের উপরে ভেসে ভেসে।
এক হাতে থাকবে আমার আপেলের সুরা,
অন্য হাতে খুঁজে ফিরব আমি তোমাকে।
বাসায় যাওয়ার সময় যখন আমাকে খুঁজতে,
যখন আমার কাছে আরো বেশি কিছু চাইতে,
যখন রাতে আমার পাশে শুতে।
এখনও কেন আমার তোমাদেরকে দেখার ইচ্ছা করে?
হয়তো আমার কিছু একটা হয়েছে।
সাবধানে যেয়ো জিনতান!
ইয়াদোমি?
আমি ঠিক আছি!
ইউকিয়াতসু...
এই ড্রেস...
এটা ঠিক মেনমার ড্রেসের মত।
তুমি কেন এটা পরে আছো?
ওই,তুমি ঠিক আছো তো?
আমাকে দেখে কি ঠিক লাগছে?
আমার দিকে ভালো করে তাকাও!
হেই ইউকিয়াতসু!
ওদের থামিয়ো না।
কিন্তু...
এখনই উত্তম সুযোগ, এখন এটা না হলে আর কখনই সম্ভব না।
সুরুকো...
আমি মেনমার মত দেখতে, তাইনা? তাই না?!
আমি কি ওর মত দেখতে না?
ইউকিয়াত—
তুমি কি তাকে দেখছো না?
এটা আমার দোষ।
আমার দোষেই মেনমা ওদিন মারা গিয়েছিলো ।
তুমি কি বলছো? এটা তোমার দোষ হতে পারে না ।
কিছু হলে সেটা আমার জন্যেই—
আমি তোমাকে বলছি এটা আমারই দোষ!
আমি মেনমাকে সেসব না বললে, সে মারা যেতো না।
আমিই তাকে মেরে ফেলেছি ।
মেনমা আবার কারো কাছে এসে থাকলে, সেটা আমিই হওয়া উচিত।
হত্যা করতে অথবা অভিশাপ দিতে ।
তার আমার কাছেই আসা উচিত!
কিন্তু সে দেখা দিলো না
আমার কাছে আসলো না ।
ইউকিয়াতসু...
এজন্যেই আমি জানি তার অস্তিত্ব নেই ।
সে কোথাও নেই!
আমি এখানেই।
মেনমা বললো সে এখানেই আছে ।
তুমি এখনো এসব বলছো?
সে চুলের পিনের জন্য ধন্যবাদ বলেছে।
সেই সাথে ক্ষমাও চাইছে।
দেখো আমি এর কিছুই বুঝছি না,কিন্তু...
ইউকিয়াতসু...
তুমি কি সন্তুষ্ট?
ওই!
তুমি কি শিওর আমরা তাকে যেতে দিবো?
অনেক চুলকাচ্ছে...
আচ্ছা শুভরাত্রি!
তুমি কি এসবের ব্যাপারে জানতে?
আমি আঁচ করতে পেরেছিলাম
স্কুল শেষে সে আমাকে তার সাথে নিয়ে যেতো।
সে তার অদৃশ্য গার্লফ্রেন্ডের জন্য কেনাকাটার ভান করতো ।
ওটা মেয়েদের ড্রেস ছিলো, একটা সাদা ওয়ান পিস ড্রেস রিবন লাগানো ।
আমাদের কি এটা আসলেই করার দরকার ছিলো?
হ্যা, ইউকিয়াতসুর ভেতরটা মরে গেছে।
তাই এখনই যদি কিছু না করা হয় তবে ভেতরে আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।
ধন্যবাদ।
"হেয়ারপিনের জন্য ধন্যবাদ" , "আমি দুঃখিত"
মেনমা...
দাঁড়াও জিনতান!
জিনতান!
দাঁড়াও!
দাঁড়াও মেনমা!
কেন? আমি থেমে গেলে জিনতান চলে যাবে।
ওকে যেতে দাও।
সে তোমাকে কুৎসিত বলেছে , কিন্তু তুমি কুৎসিত নও।
এই নাও।
আমি ভাবলাম এটা তোমাকে মানাবে...
আমি তোমাকে পছন্দ করি মেনমা!
দুঃখিত! জিনতান চলে যাচ্ছে...
আমার ওকে ধরতে হবে!
আমরা পরে এ ব্যাপারে কথা বলবো।
আমার চশমার সাথে মানাচ্ছে না হয়তো
এখন বুঝতে পারলাম।
ওই মে—
মেনমা...
ডিনার করতে চাও?
হাহ...
কেন-চান রামেন বানাও!
আমাদের কাছে এটা নেই।
আর আজকাল এটা পাওয়াও যায় না।
আমি এখন কি করবো?
আমাকে ভাবতে দাও...
আমি কিনে আনছি।
যেতে হবে না; অন্য কিছুও চলবে।
জিনতান?
মেনমা মারা গেছে,
কিন্তু এখন সে এখানে।
সে ইউকিয়াতসুর কাছে না গিয়ে আমার কাছে এসেছে।
আমি পরোয়া করি না সে ভূত নাকি হ্যলুসিয়েশন।
কিন্তু আমি এগুলো নিয়ে ভাবতে চাই না।
সবার সাথে থাকলে ভালোই লাগে।
বিশেষ করে জিনতানের সাথে থাকতে।
তাই ভাবছি এগুলো নিয়ে বেশী ভাবার দরকার নেই।
মেনমা তুমি কেন ফেরত এলে?
তুমি সবার পছন্দের ছিলে এমনকি এখনও।
তাদের কাছে কেন-চান রামেন নেই। তাই এগুলো নিয়ে আসলাম।
তুমি এতকিছু নিয়ে এসেছো আমার জন্য?
হ্যাঁ।
তাড়াতাড়ি করে বসে পড়ো ..
জিনতান,আমার তোমার সাথে কথা বলা প্রয়োজন।
কি ব্যাপারে? আইস্ক্রিম কিন্তু গলে যাচ্ছে।
আমি চাই আমার ইচ্ছা পূরণ হোক।
হুট করে এই কথা কেন?
তুমি জানো, আমি আমর সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করছি...
অনেক ভাবেই...
হ্যাঁ
যদিও আমি ইউকিয়াতসুর মত এত উন্মুখ নই,
কিন্তু আমি নিজের মত চেষ্টা করছি...
হ্যাঁ।
তাছাড়া আমার করার মতো আরো জিনিষ আছে।
আমি সারাক্ষণ তোমার দিকে নজর রাখতে পারবো না।
জিনতান...
আমি এসে পড়েছি।
আমি খুবই ক্লান্ত
এগুলো কি? আমরা কি পার্টি করছি?
এটা কি পপসিকল? কি সুন্দর!
আমি একটা নেই?
ভালো হলো না।
ধ্যাত।
এসবের মানে কি?
আমি কি করছি?
খাচ্ছি, ওয়েব ব্রাউজ করছি।
ঘুমাচ্ছি, ভিডিও গেমস খেলছি।
ঘুমাচ্ছি, আবার খাচ্ছি।
এভাবেই দিন যাচ্ছে।
আর তারপরেও...
আর তারপরেও...
Episode 5
তাহলে আমি বাসায় যাওয়ার ট্রেন ধরবো।
আমার কাজ ৭ টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে, আর তারপর...
তুমি আজকে আসবে বলে আমি দারুণ খুশি হয়েছি নারুকো।
হাহ?
প্ল্যান বানানোর সময় আমি তোমাকে হিসাবে রেখেছিলাম।
তাই আমি চিন্তিত হয়ে পরেছিলাম যখন তুমি আসবে না বলেছিলে।
হ্যাঁ। রিয়ো তোমার উপর ক্ষেপে ছিলো।
রিয়োর এতে কিছু যায় আসে না।
ওই, আসলে...
তুমি কি জানো ,তুমি ইদানীং অসামাজিক হয়ে গিয়েছো।
এমনকি আমরা ভাবছিলাম তুমি আমাদের সাথে আর বন্ধুত্ব রাখতে চাও কিনা!
ধুর,তোমার জোক্স অনেক কর্কশ হারুনা। তোমার কি মনে হয় নারুকো?
ধ্যাত, পরেরটা ৩০ মিনিটের আগে আসবে না।
তোমাকে আজকেও স্বাভাবিক লাগছে।
কাল রাতে এতকিছু হয়ে যাওয়ার পরেও।
তাহলে আমি কেমন আচরণ করবো বলে তুমি চাচ্ছো?
হাহ?
তুমি কি চাও তোমাকে হিজড়া বলে ডাকি?
হ্যাঁ আমি এটা পছন্দই করবো। অন্তত সবকিছু নরমাল থাকার অভিনয়ের চেয়ে এটা ভালো।
No comments yet. Be the first to leave one.