最初の200行です。
মিস্টার সানশাইন - পর্ব ৭ রূপান্তরে: সাবটাইটেল হাট
পর্ব অনুবাদক- তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, কুদরতে জাহান জিনিয়া
দিনের আলোয় তোমাকে দেখে
কতই না ভাল লাগছে।
কী জন্য এখানে এলে?
প্রস্তাবটা এখনও বহাল আছে?
কী প্রস্তাব?
যেটা তুমি আমার সাথে করতে বলেছিলে।
আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
চলো করা যাক, প্রেম।
আমার সাথে।
চলো, একসাথেই করি।
নিশ্চয়ই।
সিদ্ধান্তটা কঠিন ছিল নিশ্চয়ই, এত সময় লাগালে যেহেতু।
তো, এরপর কী?
আমাদের পরিচয় দেওয়া।
আমি এই-সিন, গো রাজবংশের।
আমি তোমার নাম জানি। ইউজিন চই।
আর খুব জলদি তা পড়তেও পারবো।
এটা চই ইউ-জিন।
ইউ-জিন!
এখন, যাও, যতদূর পারো যাও।
জোসিওনে থাকতে তোমার নাম কী ছিল?
আমেরিকাতে যা ছিল সেটাই।
আমেরিকানরা ওটাকে
একটু ভিন্নভাবে উচ্চারণ করত।
আচ্ছা।
আমি পড়ছি, তবে আমার আরও অনেক শিখতে হবে।
তাহলে, সামনে আমরা কী করবো?
হাত মেলাবো।
- হাত মেলাবো? - এটা আমেরিকায় শুভেচ্ছা বিনিময়।
হাত মেলানোর অর্থ, আরেকজন হাতে অস্ত্র ধরে নেই।
ব্যাপারটা ভালই লাগে।
"প্রেম" ব্যাপারটা হয়ত এতটাও জটিল নয়, যেমনটা ভেবেছি।
তবে প্রথম ধাপটাই সবচেয়ে কঠিন।
আমরা হাত ছাড়ব কখন?
যখন হাতে অস্ত্র তুলে নেবে।
অন্তত এখন আমি তা করতে চাই না।
অতিথিকে বেশিক্ষণ বসিয়ে রাখা ঠিক না।
বেশি জোর দিয়ে ইংরেজি পড়ার দরকার নেই।
এক মিনিট বসো।
আমি এই-সিনকে এগিয়ে দিয়ে আসছি।
মনে হয়, আমাদের চাবি বদল হয়ে গেছে।
তাই এটা খুলছে না।
এই যে, এখন খোলা।
ভেতরে যাচ্ছ না কেন?
আমার পথ আটকে রেখেছ।
নিজেই পথ বানিয়ে নাও।
ভেবেছি তুমি লুফে নেবে।
তুমি আমাকে ঘৃণা করো...
আমার দাদা আর বাবার জন্য?
তোমাকে স্রেফ আমার পছন্দ না।
আচ্ছা।
শুরু থেকেই আমাকে তোমার অপছন্দ।
শুনে ভাল লাগলো।
সবসময় এত খোশমেজাজে থাক কীভাবে?
এই ত্যালত্যালে হাসির কী রহস্য?
আমি অনেক দিনই হাসি না। সেসব দিনে আমাকে দেখোনি কেবল।
তো... তুমি আমাকে বলবে না?
বলো , কে তোমার বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছিল।
আমার বাবা, নাকি দাদা?
আমাকে এসব জিজ্ঞেস করছ কেন?
এত আগ্রহ থাকলে নিজের পরিবারকেই জিজ্ঞেস করো।
শুনেছি তুমি তোমার পিতামাতাকে দেখতে এসেছ।
ওদেরকে ভয় পাও, কিন্তু আমাকে পাও না?
ওনারা ঠিক আছেন তো?
তোমার পিতামাতা।
চাবি বদলিয়েও আমার কাছে আনতে পারলাম না।
আমি একটা অপদার্থ ।
স্বাগতম। জানালার পাশে বসবেন?
ওকে নিয়ে ভেবো না।
বেশিক্ষণ থাকবে না।
জি ম্যাম।
যেমন শুনেছি, হোটেলটা তার চেয়ে বড়।
কেমন আছ?
আমার স্বামী হারিয়ে এখন বিধবা।
মনে হয় শেষ দেখার পর, ১০ বছর পেরিয়ে গেছে, রিনোই।
শেষকৃত্যে যাবার সময়ই পাইনি
অনেক জমকালো হয়েছিল,
কিন্তু জোয়ান এক বিধবার কান্না, সবার মনোযোগ কেড়ে নেয়।
মানুষ তর্ক করে, ও আসলেই কাঁদছিল,
আনন্দে, নাকি দুঃখে।
মেয়েদের এত ভাবের কথা বলতে হয় না।
আমি তোমার মায়ের লিফলেট দেখেছি,
জেমুলপো বন্দর, আর রেলস্টেশনে।
ওটা তুমি করেছ?
প্রতি তিন মাসে কাজটা করার জন্য, আমি লোক ভাড়া করতাম।
এখন, তুমিও যেহেতু দেখেছ,
টাকাটা জলে যায়নি বলা যায়।
তোমার শক্তির অপচয় না করে কীভাবে হোটেল চালানো যায়, ভাবো।
তোমার মা বেঁচে আছে কি না, সন্দেহ হচ্ছে।
তো, কোন রুমটা একেবারে নিরিবিলি?
আজ রাতে এখানে থাকতে হবে।
জাপানি ও আমেরিকান সমর্থকদের জন্য আমার হোটেল উন্মুক্ত,
দেশপ্রেমিক, রাশিয়াপন্থী এমনকি রাস্তার কুত্তার জন্যও।
কিন্তু,
এ হোটেলে তুমি অবাঞ্ছিত, রিনোই।
তোমাকে জায়গা দেওয়ার কোনোই দরকার নেই,
কারণ, আমি কুডো বংশের লোক।
দয়া করে চলে যাও।
তোমার কার কাছে এত দেনা?
তোমাকে ওই বুড়োর কাছে বিয়ে না করালে,
এত বড় হোটেলে কোনোদিন আসতে পারতে না।
আমি কাউকে পাঠাব, তাই আমার রুমটা প্রস্তুত রেখো।
আমার স্বামীর মৃত্যুর কারণ,
এখনও একটা রহস্য হয়ে আছে।
সাবধান।
এখানে কী না কী খেয়ে বসবে, কেউ বলতে পারে না।
এটা কি সত্যি?
কী? আমার স্বামীর মৃত্যুর কারণ?
ভয় পাচ্ছ?
আমার সাথে কোনো খারাপ কাজ করেছ নাকি?
- আরেক চুমুক দিলে বুঝতে পারবো। - ওটা পান করবে তুমি?
যদি এত কিছু পাড়ি দেবার পর, তোমার হাতে মরা কপালে থাকে,
তবে তাই হোক।
আমার খারাপ লাগছে।
কেন?
তুমি আর ওই পাষাণ লোকটা ওর প্রতি আকৃষ্ট?
তুমিও দায়ী থাকবে, যদি আমি এই-সিনের পিছু নেই।
রঙ্গরসের শেষে, ওর নাম টেনে আনার কী দরকার?
এমনটা আর করবে না
তুমি লর্ড লি ওয়ান ইককে কীভাবে চেনো?
উনি আমার পিতা।
তুমি তার মেয়ে?
দেখতে একদমই একরকম না আমরা, তাই না?
বোলো না, আমরা একরকম।
ধারে কাছেও না।
আর এ কারণেই আমার একজন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা রক্ষী দরকার।
সে অনেক কিছু নিয়ে নিয়েছে।
কী নিয়েছে?
আমার মা, আমার যৌবন
আর আমার নাম।
তুমি কোন নাম হারিয়েছ?
লি ইয়াং হা।
সুন্দর নাম।
কিন্তু ভয় হচ্ছে,
আমার লোকজনই তার দেহরক্ষী।
যদি আমি বেশি টাকা দেই?
তুমি কি ভাবো সে আমাদের কাজের জন্য টাকা দেয়?
তোমার টাকা থাকতে পারে, কিন্তু জাপানের সমান নয়।
ও যেন দীর্ঘায়ু হয়।
হ্যাঁ, অনেকদিন বাঁচবে।
আমাকে যা টাকা দেওয়া হয় আমি সেই কাজই করি
এখন ওর সাথে দেখা করতে যাচ্ছি।
খেতে ভালো লাগে বা স্বাদ লাগে এমন কিছু খেও না।
তো, ওই আমেরিকান মাগীর কী হয়েছে?
সে হানসিওং ছেড়ে চলে গেছে।
এভাবে যেতে পারে না সে।
সনদগুলো নিয়ে গেছে?
আমি বলেছি সে হানসিওং ছেড়ে গেছে
আমি বলিনি সে আমেরিকায় গেছে।
আমি সবখানে খুঁজেছি, বাচ্চাদের নোংরা ডায়াপারেও,
কিন্তু তা খুঁজে পাইনি।
ওটা পেতে ব্যর্থ হয়েছ?
বেশ কিছুদিন ধরে এটার গুজব শুনছি,
কিন্তু রাতারাতি কেউ বড়লোক হয় না।
আর এমনটা কেউ দাবীও করেনি।
অনুমান করছি, ওটা একেবারেই হারিয়ে গেছে।
হয়ত ওটাকে পোকায় খাচ্ছে,
নয়ত এমন কারো হাতে, যে ওটার মূল্যই বোঝে না।
সেটা তো ভালোই, ঠিক না?
মহামান্য সম্রাট, কিছুদিন আগে জাপান থেকে একটা যুদ্ধজাহাজ কিনেছেন।
সাড়ে ৫ লাখ ইয়েন লেগেছে
আর,
তিনি এক লাখ ইয়েন রাশিয়া-চায়না ব্যাংকে গোপনে লুকিয়ে রেখেছেন।
আর ওই সনদপত্রটা ১ লাখ ইয়েনের সমান।
তুমি সত্যিই ভাবো ওটা পোকায় খাচ্ছে?
জাপান ওই টাকার খোঁজ পেলে,
তারা পুরো গিয়েংগাই রেললাইন কিনে ফেলবে
যেটা জোসিওনকে ধ্বংস করে দেবে
আর জাপানি সেনাদের রাশিয়া পাঠাতে সাহায্য করবে
কিন্তু এটা ন্যায়ের সৈনিকদের হাতে পড়লে,
তারা ডায়নামাইট কিনে রেল লাইনগুলোকে ধ্বংস করবে।
আর তোমার হাতে পড়লে কী হবে?
জোসিওনের সম্রাটের ঘুম হারাম করে দিতে পারি।
জাপান উন্নতি করুক বা মরুক,
এর পেছনে আমারই হাত রইবে।
আমার সামনে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গাদ্দারকে দেখছি।
তোমার মত একটা কসাইয়ের তাতে কী?
ওটা খুঁজে বের করো।
আমার মতো নিরপেক্ষ মানুষকে, বাজে সম্বোধন করলে।
আমি যদি ওই সনদ একবার পাই,
তাহলে তোমারও কি ঘুম হারাম হবে?
এত খোঁচা মেরে কথা বলছ কেন?
আমার মত কসাইরা কিন্তু, সুবিধা না হলে যা খুশি তাই করতে পারে,
কী বললে তুমি?
আমি একদম সুন্দরভাবে বলছি, আমাদের মধ্যেকার চুক্তি বাতিল।
ভাল থাকবে।
- আরেক বোতল মদ আনো। - অবশ্যই।
কী বাজে যাচ্ছে দিনগুলো।
শয়তানের বাচ্চা।
তোকে এর জন্য ভুগতে হবে।
গাধার দল!
জোসিওনের লোকজন সারাদিন বলাবলি করছে,
জাপানের বিখ্যাত সেনারা কিভাবে আমেরিকার কাছে পরাস্ত হয়েছে।
এটা কতটা লজ্জার, জানো?
কে করল এটা?
আমাকে বলো।
অনুমতি না নিয়ে, কে এই ঝামেলা পাকিয়েছে?
সার্জেন্ট সুডা আমাদের আদেশ দিয়েছিল।
No comments yet. Be the first to leave one.