最初の200行です。
খেজুর!
খেজুর নিন খেজুর!
আরে খেজুর!
ফল নিন!
খেজুর!
ফল নিন! খেজুর!
আরে খেজুর!
ফল নিন! খেজুর!
তোমায় একটা ঈগলের গল্প বলবো?
একটা ঈগল মাত্র ২০ বছর বাঁচে, কিন্তু চাইলেই...
সে ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচতে পারে। কিন্তু এর জন্য প্রয়োজন অনেক...
প্রচেষ্টা, আর কষ্ট সহ্য করা।
ওর ঠোঁট আর পাখা পুরনো হয়ে যায়। সে খেতে বা উড়তে পারে না...
তাই সে ঠোঁট আর পাখা ভেঙে ফেলে অপেক্ষা করে...
তা পুণরায় গজানোর। এসময় সে খেতে...
বা উড়তে পারে না, আর এক নির্দিষ্ট জায়গাতেই থাকে।
এসময় সে অনেক কষ্টে থাকে। যাইহোক, কষ্টকে সে আপন...
করে নিলেই, আবারো নতুন ঠোঁট আর পাখা পায়।
তারপর, ৭০ বছর বয়স পর্যন্ত সুখে-শান্তিতে বাস করে।
ভা
ভাবা
ভাবানু
ভাবানুবা
ভাবানুবাদে
ভাবানুবাদে:
ভাবানুবাদে: আ
ভাবানুবাদে: আক
ভাবানুবাদে: আকতা
ভাবানুবাদে: আকতার
ভাবানুবাদে: আকতার হো
ভাবানুবাদে: আকতার হোসে
ভাবানুবাদে: আকতার হোসেন
উনার উপর মায়া হচ্ছে। সবাইকে ছেড়ে এখানে এসেছেন।
বাবা'ও মারা গেছে। একবার আমার বিয়েটা হলেই...
আমি স্বামীর ঘরে চলে যাবো। তখন উনার দেখভাল তোকেই করতে হবে।
যা। গিয়ে কথা বল। উনি রেগে রয়েছেন।
কেউ তোর উপর হাত তুললে, উল্টো প্রতিঘাত করবি।
- এটাই ন্যায়নিষ্ঠতা। - দেখ নিজেকে। ঠিকভাবে দেখ...
কী মারটাই না খেয়েছিস!
বেশি কথা বললে, আমি তোর মুখে আঘাত করবো।
শুধুমাত্র আমিই যে উগ্র তা নয়। এটা আমাদের রক্তে।
বাজে বকা বন্ধ করে যা গিয়ে মাল্লি মা'র সাথে কথা বল।
নাহলে, সে সারাদিন না খেয়ে ওখানেই বসে থাকবে।
যা, গিয়ে কথা বল। যা।
আমি এই কাজের মাঝে থাকলেই তোমরা দু'জন নিরাপদে থাকবে।
আর আমিও।
একথা তোর বাবা'ও বলেছিল।
কিন্তু আমাদের ছেড়ে চলে গেল।
এমনকি এখানেও, আমায় রক্ত ঝড়তে দেখতে হচ্ছে।
আমি যাই বলি না কেন তুই তো কানে নিবি না।
জানোই তো আমি শুনবো না, তা ঘ্যানঘ্যান বন্ধ রাখতে পারো না।
'গাইতেই থাকবো আমি, অনুশোচনা ছাড়া'
'এই পাপী লোকগুলোর, কেউ করে না তওবা'
'গাইতেই থাকবো আমি, অনুশোচনা ছাড়া'
'এই পাপী লোকগুলোর, কেউ করে না তওবা'
'গাইতেই থাকবো আমি, অনুশোচনা ছাড়া'
'এই পাপী লোকগুলোর, কেউ করে না তওবা'
'গাইতেই থাকবো আমি, অনুশোচনা ছাড়া'
'এই পাপী লোকগুলোর, কেউ করে না তওবা'
'কাঁচা মরিচের স্বাদতো, আর মিষ্টি হবে না...'
কী খুঁজছো?
- এখানে কেউ থাকে না? - কী বলছেন?
মাল্লি। তার মেয়ে আমুথা।
মহিলাটা মারা গেছে। ছেলে জেলে, আর মেয়েটা লাপাত্তা।
কেউ দেখেনি অবশ্য। শোনা কথা।
- উনার মেয়ে, আমুথা? - হেই, বাছা, নেশা কি...
তুমি করেছো না আমি?
বললাম তো, মেয়েটা লাপাত্তা। বারবার জিজ্ঞেস করছো কেন?
আমায় কি পাগল ভাবো?
চাইলে, জেলখানায় গিয়ে ছেলেটার সাথে কথা বলে এসো।
'গাইতেই থাকবো আমি, অনুশোচনা ছাড়া'
রকি?
তোর বোনটা লাপাত্তা হওয়ায় একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে...
তুই ছিলি জেলে। আর ওদিকে মানিমারান...
ওকে জীবিত রাখতো না।
নাদারাজন নিজের জানের ভয়ে পালিয়েছে।
তারা ওকেও মেরে ফেলতো।
মুরুগা? তোর বোনকে মাংস রাঁধতে বল, রকি এসেছে।
এসবের প্রয়োজন নেই, ভাইয়া।
- কেন? - আমি আর খাই না।
তুই?
ওর ভেতরেও প্রাণ আছে।
তুই এতগুলো বছর কি জেলে ছিলি না জঙ্গলে?
ভালো থাকলেই ভালো।
এই নে।
এটা তোর মা উপহারস্বরূপ তোর বাবা'র জন্য কিনেছিল।
আমরা আমুথা'কে খুঁজে পাবো, চিন্তা করিস না।
তো, থাকবি কোথায়?
জানি না, ভাইয়া। বাড়ির অবস্থাও ভালো নয়।
আমি প্রতিমাসে একবার গিয়ে দেখে আসতাম।
এখন স্বাস্থ্য খারাপ হওয়ায় আর যেতে পারি না। এমনকি চাবিটাও...
- এখনো আমার সাথেই রয়েছে। নিবি? - না, ভাইয়া।
আমাদের সাথে থাকছিস না কেন?
আচ্ছা, ভাইয়া। আমি রাতে ফিরবো।
আচ্ছা, জলদি ফিরিস। গাড়ি লাগবে?
- না, ভাইয়া। হাঁটতেই ভালো লাগছে। - এতকিছুর পরও আবার...
ওই মানিমারানের ধারেকাছে যাস না, বুঝেছিস?
রকি! আমরা ভেবেছিলাম ও শুধুমাত্র ধমকি দিবে।
আমাদেরও সেটাই বলেছিল। পাগল কোথাকার। আমরা...
ভাবতেও পারিনি ও এমনটা করবে।
জানি না ও কী ভাবছিল। ওর মাথা ঠিক ছিল না।
তোর বোনকে খুঁজছিস? উপরে গিয়ে সামি'কে জিজ্ঞেস করে দেখ।
ও জানতে পারে।
- না। আমি আর ওখানে যেতে চাই না। - শুধু গিয়ে জিজ্ঞেস কর। এখানে...
ওরা জানে না এমন কিছু নেই। এছাড়া, ওদের আর কাজটাই বা কী?
'মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার কী সুবিধা?'
'এখানে ফুঁকানোই সর্বেসর্বা'
'এই দুনিয়াতে নয়তো কেউই পাকা'
'বুকে রয়েছে অনেক কষ্ট জমাট বাঁধা'
'এটা ফুঁকিয়েই মেলে স্বাধীনতা'
'বড়োলোকেরা গেলে বিয়ার, আর...'
'গরীবেরা একটু ফুঁকালেই, শুনতে হয় নানান কথা'
'মানুষ হিসেবে বেঁচে থাকার কী সুবিধা?'
'এখানে ফুঁকানোই সর্বেসর্বা'
'এই দুনিয়াতে নয়তো কেউই পাকা'
'আমাদের শান্তি কেড়ে নেওয়া কে এই বান্দা?'
ভায়া, অন্য দিকে যা। ওদিকে।
সামি আছে?
ঈশ্বর সবখানেই বিদ্যমান।
- লজের মালিক সামি আছে? - কে জিজ্ঞেস করছে?
- রকি। - কী? রাখি?
- রকি! - রকি। আমি ভাবলাম তোর বোধহয়...
আমার হিরোর নামে নাম।
- সামি'র সাথে দেখা করা যাবে? - সামি'র সাথে দেখা করবি?
যা, সোজা যা। ওখানেই পাবি। ভায়া, তুই চালিয়ে যা।
তোর কাছে সিগারেটের টাকা হবে?
যেতে দে ওকে, সমস্যা নেই।
তুই এমন হলি কেন?
- জানো আমার বোন কোথায়? - এসব কবে হলো?
তোদের কেউ কি ওকে দেখেছিস?
- না, বস। - কৌতুকপূর্ণ ছেলেপেলে।
- তুমি জানো কি-না? - জানলে, তোর কি মনে হয়...
মানিমারান ওকে জীবিত রাখতো?
জানি না। নাদারাজনের মতো তোরও কোথাও পালিয়ে যাওয়া উচিত।
মানিমারানকে বলো, ওর ছেলে আমার মা'কে মেরেছিল।
আমি তাকে মেরেছি। সব শোধবোধ হয়ে গেছে।
বাছা, দেখে কি মনে হয় আমি এখনো ওর হয়ে কাজ করি?
আমার নিজের পোলাপান রয়েছে। আগামী কাউন্সিল নির্বাচনে পদপ্রার্থী আমি।
- আমার সন্মান... - আমি এখানে তোমার ব্যাপারে...
জিজ্ঞেস করতে আসিনি। আমি জানি তুমি মানিমারানের ডানহাত ছিলে।
শুধু আমার বলা কথাগুলো মানিমারানের কাছে পৌঁছে দিবে।
তুই বসকে অসম্মান করছিস, মানিমারানের কথা বলে।
তাকিয়ে কী দেখছিস? মুখ ভেঙে ফেলবো, ভাগ!
কী মনে করিস নিজেকে? এক্ষুনি বেরো!
এখনি না গেলে পরে পস্তাবি। ওকে বের করে দে!
আমি এখানে কোনো ঝামেলা করতে আসিনি। শুধু যা বললাম মানিমারানকে বলো।
যা। সব বলবেন উনি।
জানিস লড়াইয়ের সময়, কখনো কখনো মানুষ বলে না...
তোকে একদম চিরে ফেলবো?
ও সত্যিই সেটা করেছিল। মানিমারানের ছেলেকে সেভাবেই মেরেছিল।
মজা করছেন না-কি? দেখে তো একদম নিষ্পাপ মনে হচ্ছে।
ও ডাক্তার না-কি আবার? কারো নাড়িভুড়ি বের করেছে যেহেতু।
মিথ্যা বলবেন না, বস। গিয়ে দেখতো ও গেছে না-কি।
- সবসময়ই নেশায়। - ভাগ হালা।
কে? ওই লোকটা? ওর যাওয়ার আধা ঘন্টা হয়ে গেল। ওঠ, বেরো।
ভাই, রকি ছাড়া পেয়েছে। কী করবো আমি?
গতবার যাকে এনেছিলাম সে শুধু তোমাকেই ধোঁকা দেয়নি...
আমাকেও দিয়েছে, মানিমারান। আমার নাম পুরো শহরে খারাপ করেছে।
এখন যে আসছে সে বিশ্বস্ত।
বিশ্বাস করো, মানিমারান।
- হ্যালো। - ভাই, রকি ছাড়া পেয়েছে।
- কী? - রকি ছাড়া পেয়েছে।
কী করবো আমি?
কী আর করবে ও? থাকতে দে ওর মতো।
এবার আমায় বিশ্বাস করতে পারো, মানিমারান।
কোনো সমস্যা হবে না এবার।
তোকে একটা কথা বলি।
সবাই বলে আমি এই ব্যবসায় সবচেয়ে সফল।
আমি এমন এমন মাছ পাই যা আর কেউ পায় না। জানিস কীভাবে?
তোমার কিছু জ্ঞান আমাকেও দাও, মানিমারান। আমি হাবুডুবু খাচ্ছি।
কিছু টাকা রোজগারের পথ দেখিয়ে দাও।
- থানরাজকে চিনিস? - আমাদের থানরাজ?
হ্যাঁ। ও আমায় একটা বুদ্ধি দিয়েছিল। আমাদের অবৈধ ব্যবসায়...
প্রতিদিন বহু মৃতদেহ পাই। জানি না সেগুলোর কী করবো...
তাই পুঁতে ফেলি। পরে মৃতদেহগুলো কুকুরের মুখে...
দেখা যায়। সে সময়ই ও আমায় বুদ্ধিটা দিয়েছিল।
সেটা কী ছিল, মানিমারান?
আয় আমার সাথে।
সিক্রেটটা হলো, আমরা মৃতদেহগুলো...
একসাথে বেঁধে ব্যাগে ভরবো।
বডি ব্যাগে। তারপর কী করবো?
ওটা দেখছিস? একটা রোড-রোলার।
তারপর সেগুলো এখানে রেখে উপর দিয়ে রোড-রোলার চালিয়ে দেবো।
সেগুলো মাছের খাবারে পরিণত হবে। এভাবেই আমি অনেক মাছ পাই।
এ পদ্ধতি আমায় থানরাজ শিখিয়েছে।
মানিমারান, প্লিজ, আমায় ছেড়ে দাও। আমি এভাবেই পালিয়ে চলে যাবো।
তুই পালালে, থানরাজ কী করবে?
প্লিজ, মানিমারান।
থানরাজ!
রকি ছাড়া পেয়েছে।
ব্যাগটা নিয়ে আয়!
ধর।
ও মারা যাওয়ার ১০ বছর হলো।
ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়ে, এখন আমি একা থাকি।
আমার বোন মাঝেমধ্যে আসা-যাওয়া করে।
আমার দোকানে সন্তানদের চোখ পড়েছে।
শুধু আমার মরার অপেক্ষা করছে।
এজন্যই আমি এখনো দোকানের দেখভাল করছি।
একটা নৈশপ্রহরীর চাকুরি পেয়েছি। তুই যেতে চাস?
সমস্যা নেই কোনো।
No comments yet. Be the first to leave one.