Persona

Persona (Åžahsiyet)

Bengali 字幕をダウンロード

シーズン 1

リリース情報

সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 480p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 720p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 1080p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল বিসাব
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 480p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 720p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল 1080p বাংলা সাবটাইটেল
সাসিয়েত (২০১৮) এপিসোড ০১ ওয়েব-ডিএল বাংলা সাবটাইটেল
Sahsiyet--Persona-s01 e01 PUHU WebRip Bangla Subtitle
🔴🔵Şahsiyet একটি টার্কিশ মিনি সিরিজ। যা আইএমডিবির সর্বকালের সেরা টিভি সিরিজের লিস্টে বর্তমানে ২২ নম্বর পজিশনে অবস্থান করছে। আশাকরি ক্রাইম জনরার এই সিরিজ আপনাদের মনে ধরবে।🔵🔴

タグ

480p
480
720p
720
1080
webrip
web
BRip
公開日: 2020-07-13
ダウンロード: 26
聴覚障害者向け: No

Bengali字幕のプレビュー

最初の200行です。

অনুবাদেঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

সম্পাদনায়ঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম

ŞAHSIYET

বেচারা আগাহ।

মুনির?

মুনির?

কোথায় তুমি, বাছাধন?

মুনির?

মুনির?

মুনির?

আসো, খাওয়ার সময় হয়েছে। কোথায় তুমি?

মুনির!

কোথায় তুমি?

মুনির?

কোথাও বেড়াতে টেড়াতে গেছিলেন?

না তো।

- তো মুনির একা ছিল না? - না।

ওর ট্রিটমেন্টে দেরি করেননি তো?

না, আপনি যে ক্যাট ফুড দিয়েছিলেন ওকে সেটাই দিয়েছিলাম...

- একিউট কিডনি ফেলিউর। - হ্যাঁ।

ও সেজন্য মারা গেছে?

একিউট কিডনি ফেলিউরের কারণে?

শুধু তাই নয়। ও পানি শূন্যতাতেও ভুগছিল।

কীভাবে?

ভাই, ওর কী করবে?

এখানে ছয় মাস ধরে আছে আর ওরা এখনও নেভরার ব্যাপারে কথা বলছে।

তুমি বিরক্ত কারণ ওকে লাগাতে পারোনি।

ধুর! কি যা-তা বলছ?

আমার কতজন ক্লাসমেট এখানে আসার জন্য মরিয়া, জানো?

ও কোত্থেকে না কোত্থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসলো।

কেন জানো? কারণ ও একটা মেয়ে।

ওরা একে বলে নিরপেক্ষ বৈষম্য।

এখানে নিরপেক্ষ কোন জিনিসটা? এত শক্তিশালী ছেলে আছে।

কিন্তু ওদের নেভরাকেই স্পটলাইটে আনতে হবে।

নেভরা, নেভরা।

হিউম্যান রিসোর্সের নিকুচি করি।

এর সাথে ওসবের কী সম্পর্ক? এবার বলো তুমি নেভরার সাথে বাইরে গেছিলে।

নেভরাকে বিশ্বাস করবে? পারবে বিশ্বাস করতে?

এর থেকে পিস্তল হাতে কোনো পুরুষকে বেশি বিশ্বাস করব।

- কমপক্ষে এটা নিশ্চিত হবে যে ও কী করতে যাচ্ছে। - আচ্ছা।

ও এখান থেকে বিদায় নেই না কেন?

কোনো ফ্যাঁকড়া না বাধানো অবধি যাবে না।

একদম।

নুর্তেন, পরের সপ্তাহে একটা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করতে পারবে, প্লিজ?

আগাহ বেয়োগলু।

ধন্যবাদ।

এখন...

প্রথম যে কাজটা করতে হবে তা হচ্ছে আপনার পরিবারকে জানানো।

তাদের এ ব্যাপারে জানাতে হবে।

আপনার স্ত্রী বেঁচে নেই।

জ্বি।

দশ বছর হলো।

আপনার একটা মেয়ে আছে।

হ্যাঁ, কিন্তু ও এখানে নেই, দেশের বাইরে থাকে।

ব্যাপার না, আপনার জানানো লাগবে।

সে আমাকেও ফোন করতে পারে, আমি কথা বলব।

বুঝাতে পেরেছি?

হ্যাঁ।

সবাই ভালো করে খান।

ভাবছিলাম যে টেস্টটা আবার করালে কেমন হয়, যদি ফলাফলে ভুল-টুল থেকে থাকে।

নেসমি নামে একজনকে চিনতাম।

- বলেছিল ওর ক্যান্সার আছে কিন্তু পরে... - জানি।

আমি জানি।

মেনে নেওয়া কষ্টকর।

কিন্তু ফলাফল একদম পরিষ্কার।

আর লক্ষণও।

এই ডায়াগনোসিস নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই, আগাহ।

আপনি অ্যালজাইমারের প্রাথমিক পর্যায়ে আছেন।

হ্যাঁ, বাবা?

সোনা।

বাবা, আমি পারব না। আমি আর নিতে পারব না।

কী হয়েছে? চীফ ইন্সপেক্টরকে ফোন করব?

বাবা, আমি বাচ্চা না। চাই না তুমি কাউকে ফোন-টোন করো।

তো আমাকে কেন ফোন করেছ?

মামনি?

মা...

কিন্তু ডাক্তার সাহেব, আমার তো সব মনে আছে।

অ্যালজাইমার থাকলে তো মানুষ ভুলে যায়।

আমি কোর্টহাউসে ২৭ বছর কাজ করেছি।

আজও সেখানে গেলে বলতে পারব কোথায় কোন ফাইল আছে।

আপনি প্রাথমিক পর্যায়ে আছেন।

আমাকে যা খুশি জিজ্ঞেস করুন। আমার বার্ষিকী, বন্ধুর ফোন নাম্বার...

সব আমার হৃদয়ে গাঁথা।

বন্ধুবান্ধবেরা বলতো যেন আমি কোনো ফোন বুক।

আগেকার দিনে নাম্বার সেভ করা যেত না তাই সব মুখস্থ রাখতাম।

আগাহ।

আপনি আপনার বিড়ালকে পানি দিতে ভুলে গেছেন।

ওকে খাওয়াতে ভুলে গেছেন।

ও না খেতে পেয়ে মারা গেছে।

কীভাবে পারলাম? কীভাবে?

বেচারা মুনির।

দেখুন, ডায়াগনোসিসটা অগ্রীম ছিল।

এটা আপনার চিকিৎসায় অনেক বড়সড় সাহায্য করবে।

আমাদের কাছে এমন রোগীও আছে যারা ডায়াগনোসিসের পর ২০ বছর পর্যন্ত বেঁচেছে।

তো চিন্তা করবেন না।

২০ বছর বেঁচেছে কিন্তু জানে কি কেমন জীবন কাটিয়েছে?

অ্যালজাইমার সরাসরি স্মৃতিতে প্রভাব ফেলে।

এটা স্মৃতিভ্রমের অন্যতম প্রধান কারণ।

কিন্তু এটাকে রুখতে এবং আপনার স্মৃতিকে জীবত রাখতে আমরা যা কিছু পারি করব।

কিন্তু আজ হোক কাল হোক, আমি ভুলে যাবো, তাই না?

এখন সেই ব্যাপারে ভাববেন না।

আমার সব স্মৃতি, অভিজ্ঞতা মুছে যাবে, মিলিয়ে যাবে।

কী হবে আমার?

মানে...

ফোন নাম্বার তেমন জরুরি নয়।

কিন্তু আমার ব্যক্তিত্বের কী হবে?

সেটাও কি মুছে যাবে?

ভুলে যাবো কী রকম মানুষ আমি।

বেঁচে থাকা হবে ঠিকই কিন্তু থাকবে না কোনো অস্তিত্ব।

কেউ কীভাবে এটা সহ্য করতে পারে?

এটা পকেটে রাখুন।

সাউন্ড চেক করব, তাই কিছু বললে ভালো হয়।

- কী বলব? হাই। - সপ্তাহের দিনগুলোর নাম বলতে পারেন।

শুক্রবার, শনিবার, রবিবার।

সোমবার।

মঙ্গলবার, বুধবার।

বৃহস্পতিবার, শুক্রবার।

হয়ে গেছে।

তো শুরু করা যাক।

একটা মৌলিক প্রশ্ন দিয়ে শুরু করব।

১৪০ সদস্যের সাথে হোমিসাইড ব্যুরোতে...

একা একজন মহিলা কাজ করতে কেমন লাগে?

কেমন লাগে?

অবশ্যই অসাধারণ।

নিজেকে বেশ সৌভাগ্যবান মনে হয়।

প্রথমত, আমরা সবাই এখানে হোমিসাইড ব্যুরোর অংশ।

এই প্রতিষ্ঠানে লিঙ্গ বৈষম্য বা কোনো রকম...

কুরুচিপূর্ণ ইঙ্গিতের দেখা মেলা প্রায় অসম্ভব।

যে কোনো সমস্যায়, আমার বন্ধুরা আমার সাহায্য করে।

যার কারণে কাঁধে আরেকটা দায়িত্ব এসে পড়ে।

সর্বাত্তক চেষ্টা করি যাতে তাদের সাহায্য বিফলে না যায়।

- আপনি জনপ্রশাসন নিয়ে পড়ালেখা করেছেন, তাই না? - জ্বি।

প্রাইভেট সেক্টরে একজন ম্যানেজার হিসেবেও কাজ করেছেন

কিন্তু তারপর পুলিশ একাডেমিতে নাম লেখানোর সিদ্ধান্ত নেন।

হ্যাঁ।

কেন পুলিশ অফিসার হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন?

সবসময়ই এ ব্যাপারে ভাবতাম কারণ...

আমার জানা সবচেয়ে মহান মানুষটি একজন পুলিশ... আমার বাবা।

সম্প্রতি অবসর নিয়েছেন।

বয়স বাড়ার সাথে সাথে আপনি সবকিছু বুঝতে শুরু করেন।

বাবার সাথে খুব কম দেখা হতো।

হয়তো সপ্তাহিক ছুটিতে, ব্যস একটা দিনের জন্য।

বাবার সাথে রাগারাগি করতাম।

প্রায়ই বলতাম যে উনি অন্যদের পরোয়া করেন।

মনে হতো যেন অন্যদের পরোয়া করাই বাবার কাজ।

আর এই ধারণাটা উনি আমার মধ্যে এমনভাবে স্থাপন করেন...

যে বেঁচে থাকার আর কোনো উপায় জানা নেই আমার।

আসলে প্রতিটা সাক্ষাৎকারেই আমি এটা বলি...

পুলিশ অফিসার হওয়া আমার জন্য চাকরি নয়, কখনোই ছিল না।

ভালো বলে একটা জিনিস আছে।

আমার কাছে, পুলিশ হওয়ার মানে সেই ভালোর একটা অংশ হওয়া।

এটাই আমার উদ্দেশ্য...

একজন ভালো মানুষ হওয়া...

দেভা!

দেভা, আমার জবাব দে! কাল রাতে কোথায় ছিলি?

দেভা, জবাব দে!

- হ্যালো? - যুহাল, হ্যালো সোনা।

এক মিনিট দাঁড়াও।

বল কাল রাতে কোথায় ছিলি।

আমার দিকে তাকা!

কোথায় যাচ্ছিস?

আমার সাথে চলো তাহলে।

কোত্থাও যাবি না!

দেভা, মেরে তোর হাড় গুড়ো করে দিব!

দেভা!

হ্যাঁ?

সোনা, ভুল সময়ে ফোন করেছি? ঘুম খারাপ করলাম? ওখানে কয়টা বাজে?

না, আমরা উঠে গেছি। এখানে সকাল। কিছু হয়েছে?

আমার মেয়েকে ফোন করার জন্য কারণের দরকার আছে?

মনে নেই তুমি শেষ কবে ফোন করেছিলে।

আমিই সবসময় ফোন করেছি।

- দেভা কেমন আছে? - দেভা আমার জীবনটা কয়লা করে দিলো!

একদম আমার কথা শুনে না, কথাও বলতে চায় না...

বাবা, যে ভিটামিনগুলো পাঠিয়েছিলাম সেগুলো নিচ্ছ?

হ্যাঁ নিচ্ছি, ধন্যবাদ।

কিন্তু বেশি মাত্রায় নিও না, ডায়াবেটিস হতে পারে।

একটা করে ধরবে।

তিন মাস খাবে...

তিন মাস পর এক মাসের জন্য বন্ধ রাখবে।

আবার তিন মাসের জন্য ধরবে। ভুলো না।

তুমিও আমার কথা শুনতে না।

কী?

তোমার বয়স অল্প থাকতে তুমিও আমাদের কথা শুনতে না।

তাই?

কীভাবে জানলে?

কীভাবে জানলে? দেভার বয়স এখন ১৬।

এই বয়সে, বোর্ডিং স্কুলে আমার পঞ্চম বছর চলছিল।

আমাকে পাঠিয়েছিলে মনে আছে?

তুমি ছিলে সাথে?

মা ছিল সেখানে?

কীভাবে জানলে আমি কারো কথা শুনি কি শুনি না?

জানো কী করছিলাম তখন?

এখন যে কী করছি সেটা জানো? না!

কী করতে পারি, সোনা। তুমি দুনিয়ার আরেক প্রান্ত অস্ট্রেলিয়ায় পালিয়েছ।

বাবা, আমার ডিভোর্স হচ্ছে।

এ ব্যাপারে তোমার কোনো ধারণা আছে?

বাবা, স্যরি।

ওভাবে বলতে চাইনি। মনটা খুব খারাপ।

স্যরি, ক্ষমা করে দাও।

কিছু বলতে? কিছু...

コメント

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left