最初の200行です。
US - অনুবাদে সাবটাইটেল হাট
...দেয়ালের বাইরে এসবই ঘটে চলেছে
আজকের ঝড়টার জন্য
সাগরে সব ধরনের সমস্যা হচ্ছে।
পিট গিডিংস আবহাওয়াবার্তা প্রচার করবেন
আর আমরা দেখাবো, সাগরে কী হতে পারে
যদি বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা সত্যি হয়।
সকাল ১১টায়, সবাই হাজির
এক কোটি ২০ লাখ হাত
অগণিত হাসিমুখ
আর গোল্ডেন গেট ব্রিজ থেকে নিয়ে
টুইন টাওয়ার পর্যন্ত, এ কোন বন্ধন
এটা "হ্যান্ডস এক্রস আমেরিকা"
এক ৪০০০ মাইল লম্বা শুভানুধ্যায়ীদের এক মানব শিকল
যা যাবে ফসলের মাঠ, উঁচু পর্বত
ফলের বাগান আর নীল সমুদ্র পেরিয়ে
হ্যাঁ, সত্যি
এই গ্রীষ্মে, ষাট লাখ মানুষ হাতে হাত মেলাবে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মাটি থেকে ক্ষুধা দূর করার জন্য
হ্যান্ডস এক্রস আমেরিকা পরিবারের অংশ হতে আপনার নিকটস্থ রেকর্ড শপে যোগাযোগ করুন।
একটু জোশ লাগাও
হুম, একেবারে পেশাদার হচ্ছে না মনে হয়!
একটা কথা বলি
এখনই, আপনি সেকেন্ড লেভেল থেকে কোনো পুরস্কার নিয়ে যেতে পারেন
আর নইলে খেলে খেলে থার্ড লেভেলের জন্য অপেক্ষা করতে পারেন।
আচ্ছা। কী করবো, অ্যাডি?
খেলবো নাকি থামবো?
আমার দিকে তাকিও না। আজ তোমার জন্মদিন।
এগার নাম্বারটা নেবো।
- হ্যাঁ? - ওটা?
- হুম - আচ্ছা।
হুম, ওটা
- ধন্যবাদ। - আচ্ছা।
হুম
এটা পরে দুঃস্বপ্ন না দেখলেই হয়।
মেয়ের জন্য টি-শার্ট জেতাও দেখি ঝামেলার।
নতুন কথা শুনলাম
টিভিতে যখন এলো, ও দেখে খুবই ভয় পেত।
তুমি সামনে থাকলে, দেখতে পেতে।
কে দেখতে দিত ওটা ওকে?
বুঝলে...?
তারা এই ক্যরোসেলে শুটিং করবে।
দেখো, কোনো এক্সট্রার রোল পাও কিনা।
হুম, আরেকটা বিয়ার নেবো।
একটা বিয়ারও খেতে পারবো না এখন?
এই, বিগ ডিপারে চড়লে কেমন হয়?
অ্যাডি, ট্রাই করবে নাকি?
রাসেল, ওর ওটায় চড়ার বয়স হয়নি, জানো তো।
আর আমিও ওটা করছি না, তাই...
হোয়াক-এ-মোল!
হুম, হোয়াক-এ-মোল!
- এটাই তো দরকার ছিল - কয়টা টিকিট দেবো?
- দুটা - দুটা টিকেট!
দুটা টিকেট!
এই, অ্যাডি, বাথরুমে যাও
আমার যেতে হবে না।
রাসেল?
রাসেল! মেয়েটাকে একটু দেখে রাখতে পারবে?
দেখছি তো।
সোনা, দূরে যেও না, ঠিক আছে?
- গ্লেন। - কী?
- থামাও। - আমি কিছুই করছি না।
বারবার সিজার দেখাচ্ছ।
একটু মজা নিচ্ছি
কী?
- এটা অদ্ভুত - দারুণ এটা
দুইটা নট, এখনই
কী?
- এটা সম্ভবই না। - ওরে খোদা!
এমন কোরো না!
সোটু-কাং তাইওয়ার কাছে গেল আর বললো,
তোমরা দেখো, আমি কী করেছি
সব ভালই করেছি
তাইওয়া একটু দেখল আর বলল,
এটা দারুণ।
কিন্তু তোমার কর্তব্য শেষ হয় নি
এখন তুমি আমার আদেশে, সব ধরনের জীবের জন্ম দেবে
আর আমার পরিকল্পনায় তাদের চলতে দেবে
তারা অসীম শূন্যতায় গিয়ে, তাদের সাহায্যকারীর জন্য এটা জমা করলো...
মাকড়সা-মানবীর জন্য।
দেখো, মাকড়সা মানবী!
"এখানে অসীম শূন্যতা,
কিন্তু পৃথিবীতে, আজ নেই কোনো আনন্দ
এই পৃথিবীর দরকার..."
অনুবাদক: তাহমিদ শাহরিয়ার সাদমান, রাজদীপ দাস মুহাম্মাদ জসীম উদ্দীন, হাসান শুভ, কুদরতে জাহান
আমরা এসে গেছি!
- কেন?! কেন?! - না, বাবা!
- কারণ তোরা অনেক বেশি ঘুমাস। - ঠিক আছে।
চল, ঢুকে পড়ি।
সাবধান, হেই, হেই!
- যাই হোক। - আগে ব্যাগগুলো বাড়িতে নে।
দেখ, দেখ, দেখ।
- ধুর। - আয়।
তুমি বুড়ো হয়ে গেছ এসবের জন্য।
- কী করতে হবে, জানিসই তো। - এভাবে বিচার করিস না।
এভাবে বিচার করিস না।
- কীরে বাবু। - ওয়াই ফাই কাজ করছে না।
ইন্টারনেট লাগবে না, আউটার নেট আছে তোদের।
ভালো বলেছ।
আচ্ছা, আচ্ছা
নক-নক।
- কে এসেছে? - তুমি
তুমি কে?
আমি...দরজা খোলো!
খোদা, তোমার সমস্যাটা কী?
- আমরা কি একটা কুকুর পুষতে পারি? - না, পারি না।
এখানে থাকতে থাকতে তোদের দৌড়ঝাঁপ করা উচিত।
জেসন, কিছু একটা খা।
- কিছু একটা। - কী?
- এত ভাব নিচ্ছিস কেন? - আমার জন্য।
ভুল হয়েছে, বলতে হত
কী মজা, ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড।
কী, তুই আর দৌড়াতে চাস না?
তুই তো ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড অনেক পছন্দ করিস।
- এসব করে লাভ কী? - অলিম্পিকে যাবি
আমি জীবনেও অলিম্পিকে যেতে পারব না।
মন দিয়ে করলে যেকোনোকাজই করতে পারবি তুই।
একয়দিন গাড়ি চালাই এখানে?
- না। - না।
আমি এই কাজেই মন দিতে চাই।
- জানো... - কোথায় যাচ্ছিস, জেসন?
- জেসন? - কারা আর হ্যালি...
কিছু একটা আনা দরকার।
ফিরে এসে খাবারটা শেষ করে যা।
বাবা মায়ের তত্ত্বাবধানে কারা আর হ্যালি গাড়ি চালায়।
তুই যেহেতু অলিম্পিকে যাবার মতো দৌড়বিদ, তোর গাড়ি চালানো শেখার দরকার নেই।
- হায় খোদা। - তুই দৌড়াবি।
- বালুর ওপরে দৌড়াবি। - কেন?
কারণ কাজটা কঠিন।
- পিছলিয়ে যায়। - হুম।
সৈকতে প্র্যাকটিস করবি, শুকনো মাটিতে প্র্যাকটিস করবি,
তাহলে পারবি।
আমরা সৈকতে যাচ্ছি?
হ্যাঁ, একটু পরে।
সব গুছিয়ে নেবার পরে।
- কোন সৈকত? - স্যান্টা ক্রুজ
জশ, কিটি আর ওর যমজ মেয়েরা থাকবে ওখানে।
কী করছিস?
এটা একটা জাদু
গতবছর ফেলে গিয়েছিলাম।
বেশ, দেখা দেখি।
জিনিসটা কিছুটা হতচ্ছাড়া টাইপের।
কী, খাবার টেবিলে বসেও গালাগালি?
কারো দিকে একটা আঙুল তাক করলে কিন্তু
বাকি তিনটা আঙুল নিজের দিকেই তাক করা থাকে।
মানে কী এর?
চারটা আঙুল এখন তোমার দিকে তাক করা।
কী বলিস...?
দেখলে?
শুধু বুড়ো আঙুলটা তোমার দিকে তাক করা নেই।
তো, কী হয়েছে?
ওর মনে হয় পোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার হয়েছে।
এমন না যে ও ভিয়েতনাম যুদ্ধে গিয়েছিল।
ঠিক আছে? ও শুধু হারিয়ে গিয়েছিল, মিনিট পনেরোর জন্য...
ব্যাপারটা খুবই ভীতিকর হতে পারে ওর কাছে।
না, তুমি জানো না ওর সাথে কী ঘটেছে।
ওর সাথে অনেক কিছুই ঘটতে পারে।
তাহলে কীভাবে... আমরা ওকে দিয়ে কথা বলাবো?
ওকে আঁকতে, লিখতে, নাচতে উৎসাহিত করতে হবে।
যাতে ও ওর মনের কথাগুলো বলতে পারে আমাদেরকে।
আমি শুধু আমার বাচ্চা মেয়েটাকে ফেরত চাই।
সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।
আমি দুঃখিত।
- কি... - আমি...
আমি একটা সিগারেট খাবো
সৈকতের ধারে একটা সামারহোম থাকা সত্ত্বেও আমরা সৈকতে যাচ্ছি না কেন, বুঝলাম না।
সৈকত তো এখানেই আছে?
- কোন সৈকত? - এখানেই তো একটা সৈকত আছে।
এটা কোনো সৈকত না।
একে বলে উপসাগরের কূল।
সত্যিকারের সৈকতের কথা বলছিলাম,
যেখানে মানুষ থাকবে, বালু থাকবে, অ্যামিউজমেন্ট পার্ক থাকবে।
ওখানে...অনেক ভিড়।
- এমন করো কেন... - আর ঐ সৈকতে
অদ্ভুত সব লোকজন থাকবে... আমি ওখানে যাব না।
- আমরা যাবো না। - ঠিক আছে।
বাতিল করে দেই তাহলে।
আচ্ছা।
অসহ্য লাগে, এটুকুই।
মানে...
জেসন অবশ্য অনেক আশা করে ছিল।
নানী মারা যাবার পরে এটা প্রথম গ্রীষ্ম ওর।
ওর এমনিতেই মন খারাপ।
অন্ধকার হবার আগেই ফেরত আসবে।
আচ্ছা।
ইয়েস, ইয়েস।
দারুণ হবে।
তোমারও অনেক মজা লাগবে।
তুমি কি আসলেই আমাকে চুমু খাবে না?
তুমি আসলেই আমাকে চুমু খাবে না?
তোর ভাই কোথায়?
তোর ভাই...কই সে?
আমি জানি না।
সত্যি?
জেসন?
জেসন?
সোনা, এই কারণেই তোর এখানে খেলা উচিৎ না।
- গত বছরও এরকম হয়েছিল না? - জোরা, প্লিজ।
ইয়া!
ঠিক ধরেছ। কী ভেবেছিলে তোমরা?!
No comments yet. Be the first to leave one.