最初の200行です。
অনুবাদকঃ আসিফ নেওয়াজ।
প্লিজ, আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি.
আমরা ১০ মিনিটের মধ্যেই টোকিও পৌঁছে যাবো।
প্লিজ আপনাদের সিট বেল্ট বেঁধে ফেলুন।
আপনাদের আসনটি সোজা করে নিন।
ট্রে টেবিল এবং জিনিসপত্র গুছিয়ে নিন।
টোকিওর আবহাওয়া রৌদ্রজ্জ্বল,
এবং তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস.
আসার জন্য ধন্যবাদ! দেখে অনেক খুশি হলাম!
স্বাগতম! তোমাকে তো ভালোই দেখাচ্ছে।
আপনাকেও!
তুমি নিরাপদে আসতে পারায় খুশি হয়েছি।
হাফ ছেড়ে বাঁচলাম।
আপনার চিঠির জন্য ধন্যবাদ!
ওগুলো আমাকে অনেক সাহায্য করেছিলো।
- আমি তেমন কিছু লিখিনি। - সত্যি বলছি!
ওগুলোর কারণেই আমি এগুতে পেরেছি।
সেগুলো সবসময় আমার কাছেই থাকে।
ডা. মিজুনো?
ডা. মিজুনো?
আরে!
ডা. মিজুনো, ডা. মিজুনো!
মাফ করবেন।
ডা. মিজুনো!
ডা. মিজুনো!
ডা. মিজুনো!
একটা প্লাস্টিক ব্যাগ লাগবে! জলদি!
ডা. মিজুনো!
ডা. মিজুনো!
ডা. মিজুনো!
ডা. মিজুনো!
মনে তো হচ্ছে এ যেনো কোনো শয়তানের কাজ।
ভিক্টিম হলেন টাকাইউকি মিজুনো, বয়স ৪৯, পেশায় সার্জন।
এই মহিলা ওনার সাথে একই হাসপাতালে কাজ করতেন।
উনি আজই সিরিয়া থেকে ফিরেছেন।
আপনি হয়তো শকে আছেন।
শিবাতা, লাশের ছবি নিয়ে নাও।
সেই উন্মাদটার কাছে পাঠাতে হবে?
যতো তাড়াতাড়ি, ততোই ভালো।
আহ, একটু দাঁড়ান!
আমি মেট্রোপলিটন পুলিশ থেকে ইন্সপেক্টর রিমোন।
- প্লিজ আমাকে বলুন... - ইন্সপেক্টর রিমোন।
ভিক্টিমের স্ত্রী পুলিশ ষ্টেশনে এসেছেন।
আচ্ছা।
প্লিজ, আমার সাথে আসুন।
আকিকো...
আমি দুঃখিত।
ডা. মিজুনো আমার সাথে দেখা করতে না আসলে...
আমি দুঃখিত...
মিসেস. মিজুনো, প্লিজ আমার সাথে আসুন।
শার্লক!
কি করছো তুমি?
পোস্টমর্টেম এখনি করতে হবে।
ওই আনাড়ি ফরেনসিককে এটা নষ্ট করতে দিতে পারি না।
প্রমাণ হাত ছাড়া হতে পারে।
তুমি ক্রাইম সিনের ছবিগুলো দেখেছো?
একটা ছবিও কাজের না। একজন ট্যুরিস্টও এর থেকে ভাল ছবি নিতো।
ভদ্রতা বজায় রাখো।
ভিক্টিমের স্ত্রী এখানে আছে।
তুমি ওনার স্ত্রী।
আর তুমি ডাক্তার।
সিরিয়া থেকে ভলান্টিয়ারি করে আজই ফিরেছো।
আপনি ভিক্টিমের পরিচয় নিশ্চিত করুন।
আপনার স্বামীর ব্যাপারে কিছু প্রশ্ন করতে চাই।
পরে করা যায় না?
নষ্ট করার মতো সময় হাতে নেই।
কিছু পেয়েছো?
শরীরের ভিতরে একটা লিকুইড বম ফেটেছে।
লিকুইড বম?
এটা "ডেভিল ফুট" হিসেবে পরিচিত। মারাত্মক বিস্ফোরক।
এমনকি খুব সামান্য পরিমাণও প্রাণঘাতি হতে পারে।
এই IC চিপটা দূর থেকে ডেটোনেট করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছিলো।
এটা ওনার শরীরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছিলো কিভাবে?
আপনার স্বামীকে শেষবার কখন দেখেছিলেন?
আজ সকালে।
সকাল সকাল বেড়িয়ে যান।
অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেছিলেন?
না, কিছুই না।
আপনিও মেডিকেলে আছেন, তাই তো?
আমি ফার্মাসিস্ট।
কোনো বাচ্চা-কাচ্চা?
- না। - বাচ্চা নিতে পারেন না? নাকি নিতে চান না?
সেক্স কতোবার করতেন?
অন্যকোথাও সেক্স করতে চেয়েছিলেন কখনও?
আপনি কি ঠিক আছেন?!
আপনার শুয়ে পরা উচিত।
- কম্বল আছে? - উনি ঠিক হয়ে গেলে আমায় জানাবে।
উঠে পরুন।
এইযে।
দাঁড়াও, প্লিজ!
দাঁড়াও!
আকিকো মাত্রই ওনার সস্বামীকে হারিয়েছে।
পুলিশের লোকের এমন নিষ্ঠুরতা মেনে নেওয়া যায়না!
কিভাবে ওনাকে এসব জিজ্ঞেস করলে?
কি করেছি?
বাচ্চা আছে কিনা...
তাতে কি হয়েছে?
তাছাড়া, আমি পুলিশের লোক নই।
শার্লক হলো "কনসাল্টিং ডিটেকটিভ"
অপরাধ মনোবিজ্ঞানে একজন বিশেষজ্ঞ।
সে জটিল কেসগুলো সমাধানে আমাদের সাহায্য করে থাকে।
আমার অনুমতিতে।
কিভাবে জানলে,
যে আমি ডাক্তার?
জোরা দেওয়ার সুতা তোমার স্যুটকেসে লেগে ছিলো।
আর সিরিয়ার ব্যাপারটা?
তোমার ঘড়িতে সময় ৬ঘন্টা পিছানো।
৩দিন আগে সিরিয়াতে একটা হাসপাতালে বোমা ফাটানো হয়।
সেই ভলান্টিয়ার মেডিকেল টীম মাত্রই ফিরে এসেছে।
তুমি তাদের সাথে কাজ করছিলে, তাই না?
এছাড়া...
তোমার গা থেকে গানপাউডারের গন্ধ পাচ্ছি।
RDX আর অ্যালুমিনিয়ামের মিশ্রণ।
শান্তি?
তুমি অবাক হয়েছো, তাই না?
শুধু আমার আঙ্গুলের ব্যাথা
আর আমার ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুল বাম হাতের চেয়ে মোটা হওয়ায়...
সে বলে দিতে পেরেছিলো আমার শখ বোলিং খেলা।
কিছু জানতে পেলে, আমাকে খবর দিবে।
খুনিকে ধরতে আমাদের সাহায্য করতে পারবে।
রিমোন কেন্টারু।
আমি ওয়াতো তাচিবানা।
আহ, শার্লককে খুজছো?
ভিতরে আসো।
উপদেশ নিতে এসেছো?
ইয়ে, হ্যাঁ।
সারাক্ষণই লোক ওর সাথে দেখা করতে আসে।
পুলিশ আমাকে ঠিকানাটা দিয়েছিলো।
আপনি কি ওর মা?
আমি?
আহ, আরে না...
আমি শার্লককে রুম ভারা দিয়েছি।
আমি ওর বাবা-মার কাছে অনেক ঋণী, তাই আমিও ওকে সাহায্য করছি।
শার্লক কি ওর আসল নাম?
অবশ্যই না। ওর একটা আসল নাম আছে।
তাহলে ওকে শার্লক বলে ডাকে কেন?
কিছু একটা হবার পর সে নিজেই ঐ নামটা রেখেছে।
এখন সবাই এই নামেই ডাকে।
তুমি নিজেই তাকে জিজ্ঞেস করে দেখতে পারো।
এই দিকে।
- দেখে এসো। - ধন্যবাদ।
আরে।
ও কি বাহিরে?
না।
চিন্তায় ডুবে থাকলে, সে কিছুই শুনতে পায় না।
আমি দরজাটা খুলছি!
শার্লক!
শার্লক, তোমার সাথে একজন দেখা করতে এসেছে!
তোমার জামার কি হলো?
কলেজে থেকেই এটা পরছো?
আমার পছন্দ।
তুমি তোমার কথা ভাবো। ফ্যাশনের কথা না।
শার্লক! ভদ্রতা, প্লিজ।
এই নাও। এটা পড়ো।
আমি কি পরবো তা তোমাকে বলতে হবেনা!
আমার শৈল্পিক অনুভূতিতে ব্যাঘাত ঘটলে চিন্তা করতে পারি না।
ওরে আল্লাহ্?!
এটা কি...
রক্তের দাগ?
ওটা? একটা কাঁটা লাশ ঢাকতে ব্যবহার করেছিলাম।
কাঁটা লাশ?!
আমাকে দেখতে কেমন লাগছে সেটা বাদ দাও।
আমি তোমাকে ডা. মিজুনোর মৃত্যুর ব্যাপারে আরও কিছু বলতে চাই।
এগুলো দেখো।
উনি আমাকে ১৯টা চিঠি পাঠিয়েছেন।
যখন অপরিচিত জায়গায় ছিলাম, এগুলো আমাকে সাহায্য করেছিলো।
কেন ওনাকে এভাবে মরতে হলো?
আমি চাই...
তুমি শুনছো না!
শার্লক?
কি দেখছো তুমি?
হেলথ ম্যানেজমেন্টের মাইক্রোচিওপওয়ালা একটা ট্যাবলেট।
এটা স্মার্টফোনে বায়োলজিক্যাল ডাটা পাঠায়।
বাহ! দারুণ!
এটা ডায়েট ম্যানেজমেন্টে সত্যিই কাজে দিবে।
এটা ক্যালোরি আর অন্য সবকিছুরই হিসাব রাখতে পারে।
ওরা আরেকটা লাশ পেয়েছে!
একই কারণে মৃত্যু।
নিজের বাড়ি মনে করো।
দাঁড়াও!
দাঁড়াও?
আমি কি তোমার সাথে যেতে পারি?
সত্যটা জানতে চাও? নাকি শুধুই আগ্রহ?
সত্যটা জানতে চাই।
আচ্ছা। হয়তো ডাক্তার হিসেবে তোমার মতামত লাগতে পারে।
বিদায়!
যাওয়া যাবেনা! যাওয়া যাবেনা!
দাঁড়ান! থামেন! থামেন!
থামেন!
- এই! আপনি যেতে পারেন না! - ব্যাপার না।
ওনার অনুমতি আছে।
কি?
সে ডাক্তার। ও দেখলে কোনো ক্ষতি হবে না।
মাফ করবেন।
ভিক্টিমের নাম র্যুচি কুরিমোতো। বয়স ২৬।
পেট ফেটে গেছে। মিজুনোর মতোই।
শিবাতা, বিস্তারিত বলো।
মিজুনোর সাথে কোনো লিংক পাওয়া যায় নি।
স্বাক্ষির মতে,
সে শয়তানের ব্যাপারে বিড়বিড় করছিলো।
No comments yet. Be the first to leave one.