最初の200行です。
সিনেমা : থালাভান ভাষা : মালয়ালম বিসাব মেকার : সুদীপ চক্রবর্তী।
ওহ ঈশ্বর! তিনি এসে গেছেন!
- শুভ বিকাল, স্যার। - শুভ বিকাল!
- সবকিছু প্রস্তুত? - হ্যাঁ... মোটামুটিভাবে।
হয়তো আপনার একটু স্পর্শ করা উচিত। তোমার মুখটা একটু তৈলাক্ত মনে হচ্ছে।
ওহ! আমার ট্রিপের কারণে সারাদিন দৌড়ে বেড়াতে হচ্ছে।
- তোমার ফ্লাইট সাড়ে আটটায়, তাই না? - হ্যাঁ। - কখন ফিরবে?
এখনো ফেরার টিকিট কাটি নি। তবে দশ-বারোদিন লাগবে।
এটা আমাদের ২৫ তম বিবাহ বার্ষিকী।
সে সেখানে আছে। তাই, আমি যাচ্ছি।
শয়তানের সাথে কথা বলো।
হ্যালো? হ্যাঁ, আমরা সবেমাত্র যাত্রা শুরু করছি।
মাত্র একটা এপিসোড হয়েছে। আমি ফেরার পর বাকিগুলো হবে।
- স্যার, চা? - ধন্যবাদ।
না, না। এটা আগে থেকে তৈরি করি নি।
সব মামলাই আমার পরিস্কারভাবে মনে আছে।
ঠিক আছে। এয়ারপোর্টে গিয়ে আমি তোমাকে ফোন করবো।
আমাকে শুরু করতে দাও।
স্যার, আমাদের যা আশা করেছিলাম, তার চাইতেও ভালো হচ্ছে।
পঞ্চম এপিসোডের পর, আমরা প্রায় আড়াই মিলিয়ন ভিউ পেয়েছি।
খুব ভালো। এখন আমাকে গল্পকার বানাচ্ছো নাকি?
কিন্তু এগুলো তো গল্প নয়। আপনি আসল অপরাধের ঘটনা শোনাচ্ছেন।
এর বাস্তবতার জন্যই লোকে এগুলো দেখছে।
মানুষ কমেন্ট বক্সে সেটাই বলছে।
কিছু হুমকিও আছে। সেটা লক্ষ্য করেছো?
- সব পড়েছো? - আমি না...আমার স্ত্রী।
আজকের জন্য আপনি কোন কেস প্রস্তুত করেছেন, জানি না।
যদি আপনি অতিরিক্ত স্মার্টনেস না ভাবেন,
- তাহলে আমার একটা অনুরোধ আছে। - বলো।
- সেখানে কাজের গতি বাড়াও। - ঠিক আছে। - এগিয়ে যাও।
স্যার...আপনি কি আজ চেপ্পানমথোট্টা মামলা নিয়ে বলবেন?
- ওটা নয়। - স্যার, প্লিজ।
- আমি আজ প্রস্তুত নই। - দর্শকের দিক থেকেও,
কেসটার দারুণ সম্ভাবনা আছে।
এটা তোমার মাথাব্যথা। আমার কি লাভ হবে?
স্যার...
স্ট্রেট ফরোয়ার্ড ব্যক্তি হওয়া সত্ত্বেও,
আমি জানি, কেসটা আপনার উপরেও কিছু প্রভাব ফেলেছে।
- তুমি কিভাবে জানলে? - হেমন্ত আমাকে বলেছে।
তাহলে তাকে এসে এই ব্যাপারে কথা বলতে বলো।
আরে না, স্যার... দয়া করে বিরক্ত হবেন না।
ষআমি শুধুমাত্র আপনাকে অনুরোধ করলাম।
যদি কখনো আপনি চান, আপনার উপর লেগে থাকা কলঙ্কের দাগ তুলে ফেলতে,
একটা চ্যানেলের মাধ্যমে আপনি সেটা সবচেয়ে ভালোভাবে করতে পারবেন।
এইটুকুই।
আপনি যখন প্রস্তুত হবেন।
- শোনো... - স্যার?
জানি না, কিভাবে কোনো কিছুকে সুগারকোট করতে হয়।
যখন কিছু বলি, আমি স্রোতের সাথে চলি।
পর্বটি সম্প্রচারের আগে
আমি কি একবার দেখতে পারি?
হয়তো কিছু অংশ বাদ দিতে বলতে পারি।
কোন সমস্যা নেই, স্যার... আমি এটার খেয়াল রাখবো।
ধন্যবাদ, স্যার।
হ্যালো...আমি উদয়ভানু।
ডিওয়াইএস পি হিসাবে আমি কেরালা পুলিশ থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়েছি।
যে কেসটার সম্পর্কে আজ বলবো, তার বিশেষ প্রকৃতির কারণেই...
এই বিষয়ের উপর আলোকপাত করছি।
এটি একই থানায় কাজ করা, ভিন্ন পদমর্যাদার...
দুই পুলিশ সদস্যের গল্প।
গল্প নয়, প্রকৃতপক্ষে একটা কেস ফাইল, যার সাথে আমিও যুক্ত ছিলাম।
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
সিআই না আসা পর্যন্ত আমি কিছু করতে পারবো না।
- সুপ্রভাত। - সুপ্রভাত। আমি কার্তিক।
- এসআই হিসাবে জয়েন করতে এসেছি। - স্বাগতম, স্যার।
- শেখরন? - হ্যাঁ? - ইনি নতুন এসআই।
- হ্যালো, স্যার। - হ্যালো। - আপনি কোথা থেকে এসেছেন স্যার?
আমি এখানকার ইরুর থেকে এসেছি।
আচ্ছা... তাড়াতাড়ি করে ইউনিফর্ম পরে নিন।
সিআই শীঘ্রই এখানে আসবেন।
- দেখছি। ক্লোক রুম কোথায়? - স্যার, আমার সাথে আসুন।
- আপনাকে দেখিয়ে দিচ্ছি। - তার সাথে যান, স্যার।
স্যার, আমি হ্যারিস। আপনাকে আগের থেকেই চিনি।
- ওহ? - আমার বাবা চেরুভাসেরি স্টেশনের লিপিকার ছিলেন।
- আপনি তাকে চেনেন। ... মজিদ।
আমি সেখানে মাত্র তিন মাস ছিলাম।
আমি ভেবেছিলাম মজিদের ছেলেও একজন এসআই।
এটা আমার ভাই...ফারিস।
- সে এখন থিরুর এসআই। - ওহ।
- এটা ক্লোক রুম? - হ্যাঁ। - ঠিক আছে, পোশাক পরিবর্তন করে আসছি।
- কি হয়েছে? - আমরা শন মাইকেলের জামিন পেয়েছি।
আপনি কি শীঘ্রই তাকে মুক্তি দিতে পারেন? আমার অন্য অ্যাপয়েন্টমেন্টও আছে।
সে মহিলাদের মেসেজ করে এবং তাদের আর্থিকভাবে নিঃস্ব করে দেয়।
তার জামিন করাতে আপনার লজ্জা করছে না?
আর্থিক ঝামেলা না মেটালে, তাকে অবশ্যই জেলে যেতে হবে।
কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। আমাকে অন্তত তাকে পেটাতে দিন।
- স্যার - হ্যাঁ? - সিআই এসেছেন।
ঠিক আছে। কফিটা শেষ করেই যাচ্ছি।
তিনি হয়তো জানেন, আপনি এসেছেন। ডাকার আগেই দেখা করুন।
- সম্পর্ক তৈরি করতে বলছেন? - ওহ না। সম্পর্ক তৈরী করা নয়।
আমি কোনো আসামী নই।
আমি একজন এসআই। ঠিক আছে?
- আর আপনার নাম কি স্যার? - রঘু 'স্যার'।
- ঠিক আছে, রঘু 'স্যার'... চলুন। - ঠিক আছে।
- তারা আসছে, স্যার। হ্যাঁ, তারাই।
আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে না। মনে করলে, আমি নিজেই ছেড়ে দেবো
এখন যেতে পারেন।
- স্যার। - হ্যাঁ?
- এসআই হিসেবে এটা আমার নতুন পোস্টিং। - ঠিক আছে।
ডিওয়াইএসপি ফোন করেছিলেন।
- কতদিন সার্ভিসে আছো? - দেড় বছর।
সেই সময়ের মধ্যে কতবার বদলি হয়েছো?
পাঁচবার, স্যার।
কোথাও বেশিদিন থাকতে পারো না। যেভাবে দৌড়াচ্ছো...
পিটি উষা বা কারোর সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে কি?
এবং...নিজের সমস্যা কি বুঝেছো?
যেভাবে বড় হয়েছি, সেটাই সমস্যা, স্যার।
নিজের চরিত্রকে কি চ্যালেঞ্জ জানানো যায়?
মনে হচ্ছে, তোমাকে নূতন করে গড়তে হবে।
তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হবে।
- এই জন্যই তারা তোমাকে আমার কাছে পাঠিয়েছে। - স্যার, আমি...
দুর্নীতি বা ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য আমাকে ট্রান্সফার করা হয় নি।
- ওইসব করতে চাই নি বলেই করা হয়েছে। - তাই নাকি!
সেই জন্যই তো আমরা কাজ করি।
তোমার সমস্যা কোথায়? জিভ বেশি ধারালো নাকি?
- উত্তর দাও। - তা নয়, স্যার।
আমার জবাব দেওয়াটাই সমস্যা।
পরিস্থিতি বিশেষে তোমাকে চুপ থাকা শিখতে হবে।
অন্তত তোমার উর্ধ্বতনদের সামনে। একমাত্র তাহলেই তোমার দৌড়ানো বন্ধ হবে।
তোমার শেখার সুযোগ আছে। ডিপার্টমেন্টে তোমার থেকেও...
সপ্রতিভ ছেলে আছে। কিন্তু তাদের তোমার মত দৌড়ে বেড়াতে হয় না।
যাই হোক... আমরা এটা নিয়ে কাজ করবো।
- এটা লিপিকারের কাছে নিয়ে যাও। - স্যার।
হ্যারিস...
স্যার, আমি বেণু।
আমি আপনার কথা শুনেছি। তার সাথে একটু বুদ্ধি করে চলবেন।
তিনি ঝামেলাবাজ নন। তবে, একটা বদ মেজাজী।
আপনার পূর্ববর্তী এসআই...শরীফ...
এক মিনিট বসার সুযোগ পায় নি। কিন্তু আপনি তো সবই বোঝেন, স্যার।
তার একটু অনধিকার চর্চার স্বভাব আছে।
তুমি যা বলছো, ভেনু... মনে হচ্ছে, আমরা দুজন যমজ।
- আমাদের লিপিকার শেখরণ। তার সাথে দেখা করে কাজে যোগদান করুন।
এই থানায় কেউ কেউ সিআই জয়শঙ্করের ভক্ত,
যখন অন্যরা তাকে শত্রু হিসাবেই দেখে।
যখন আমি এই কেস ফাইল সম্পর্কে বলছি,
তখন অবশ্যই কয়েক বছর আগে ঘটা...
দুটো ঘটনার কথা বলা উচিৎ।
ভগবান! অভিনেত্রীরা কি রাতে নিজের বাড়িতেও...
মেকআপ পরে বসে থাকে?
দারুণ গন্ধ বেরোচ্ছে, রোজ সোনা!
এটা কি তোমার গন্ধ নাকি তোমার পারফিউমের?
মাতাল হলে আমার স্বামী অত্যাচার করে।
সেই সম্পর্কে অভিযোগ করতে থানায় গিয়েছিলাম।
সে এখন তার জাহাজে ফিরে গেছে।
তার ফিরে আসতে এখনো ছয় মাস বাকি আছে।
ততদিন পর্যন্ত... তুমি কি আমাকে হয়রানি করা চালিয়ে যাবে?
আরে, না!
রোজ...তুমি জানো না
আমি তোমাকে কোন চোখে দেখি।
আমি জানি, এটা খাঁটি লোভ।
কিন্তু যখন আমি ভাবি, কত লোক শুধু তোমাকে দেখার জন্য...
টিভি দেখে, আমি পাগলপারা বোধ করি।
যখন তুমি ফোন করলে, আমি আসতে বলেছিলাম...
কারণ আজকেই আমি এইসব শেষ করতে চাইছি।
আচ্ছা... এখন যাও। দুটো গ্লাস আর আইস কিউব ...
নিয়ে এসো। মুড বানানো যাক।
- বসো। - ঠিক আছে।
- আরে! রোজ! এক মিনিট। - কি?
- এসব কি? - এটা শুধু...
মাল খাবার আগে... সজ্ঞানে... একবার করা যাক...
তাহলে, আজ রাতের জন্য তুমি...
নির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেই এসেছো। তাই না?
আমি তোমার যখনই দরকার হয়েছে, টাকা দিয়েছি।
- আমাদেরও কিছু... দিতে পারো? - কি?
আমি তোমাকে দুবার সতর্ক করেছিলাম।
- এখন ইউনিফর্ম খুলতে হবে। - স্যার... স্যার... না...
- না স্যার, প্লিজ! - হাঁটো! - প্লিজ, না, স্যার।
- এগিয়ে চলো! - স্যার, প্লিজ! একবার ক্ষমা করে দিন।
- সন্তানদের দিব্যি বলছি...আর হবে না। - এগিয়ে চলো।
আর হবে না, স্যার। এখনো চৌদ্দ বছর চাকরির বাকি আছে।
এটা আমার জন্য অপমানজনক।
- আমাকে ছেড়ে দিন, স্যার! - থামো, কুত্তা!
তোমার বৌ আছে। লজ্জা করে না, এসব করে দয়া ভিক্ষা করতে?
এর জন্য রঘুকে ছয় মাস সাসপেন্ডেড হতে হয়েছিল।
সে সবেমাত্র চাকরিতে পুনর্নিযুক্ত হয়েছিল।
ঠিক এই সময়েই, আমার উল্লিখিত দ্বিতীয় ঘটনাটি...
জয়শঙ্করের জীবনে ঘটে।
- সন্ধ্যায় দেখা হবে। - ঠিক আছে, প্রিয়।
- সুপ্রভাত! - সুপ্রভাত! তুমি কি আজ তাড়াতাড়ি এসেছো?
আরে না! সুনীতা ! আরে! চন্দ্রা !
তাড়াতাড়ি চলো! কিছু একটা হয়েছে!
কেউ সাহায্য করুন!
আক্রমনকারী ছিল যোশী নামে একটা ভাড়াটে গুন্ডা। (ইরাম্বিল জোশী গ্রেফতার)
সে বিবৃতি দিয়েছিল, ভুল করে অন্য লোককে মেরেছে।
তাকে গ্রেফতার করা হয়।
পুনরায় হাঁটার ক্ষমতা...
এবং সাধারণ জীবন ফিরে পেতে...
সুনীতার প্রায় আড়াই বছর লেগেছিল।
এখন ফিরে আসা যাক মূল কেস ফাইলে।
তিন মাস হয়ে গেছে, এসআই হিসাবে কার্তিক...
চেপ্পানামথোট্টা স্টেশনে যোগ দিয়েছে।
স্যার...এখানে...
স্যার, সেলে মনু দাস নামে একজন লোক আছে।
সে দাবী করছে, স্কুলে সে আপনার সাথে পড়তো।
সে বলছিল, আপনার সাথে দেখা করা যাবে কিনা।
- মনু দাস? - হ্যাঁ।
সে কে?
মনু দাস?
কি করেছিল?
খুনের চেষ্টা, স্যার।
No comments yet. Be the first to leave one.