最初の200行です。
Moshiur Shuvo Presents
অনুবাদক: মশিউর শুভ, আলাউদ্দীন রাসেল।
সম্পাদনায় : মশিউর শুভ
কি পড়ছেন?
- কিছু না, দুঃখিত। - ব্যাপার না।
- এ সবই? - হ্যাঁ।
মেশিনটা পাগল বানিয়ে ছাড়ল। পরে লিখে নেব।
- ১.২৫ এবং ৩.৭৫... - ৫
হ্যাঁ, ৫, ঠিক। ছোট নোট নেই?
- নেই। - আমি দেখছি।
আরে আমার কাছে আছে দেখছি!
ট্যাক্সি চালক দিয়েছিল।
১০, ২০, ৩০, ৪০, ৫০। আমি শিওর আপনার ভাংতি লাগবে।
আপনার কাছে ১০০ টাকার নোট থাকলে, বিনিময়ে এই ৫০ আর ৫০ দিলাম।
হ্যাঁ।
- বিদায়, ধন্যবাদ। - বিদায়।
- বিদায়। - বিদায়।
- হাই। - হাই।
আমরা এখানে থেকে দেখব।
- সে আমার সাথে অমন করেছে। - কি?
ঐ যে ভাংতির ব্যাপার। সাবধান, বেনিতা।
সে তোমাকে ঠকাবে।
- কী হচ্ছে এসব? - সে আমাকে ঠকিয়েছে!
- সে আমার কাছ থেকে টাকা নিয়েছে! - হারামজাদা, পুলিশ ডাকো!
- ওসবের দরকার নেই। - তুমি কে?
ভেবেছিস ভুলে গিয়েছি?
আমাকে তুই অন্যান্যদের মত ঘুষখোর ভেবেছিস?
তাই নাকি, শালা চোর!
- থাম, মাদারচোদ, নড়বি না। - নড়ছি না।
থামতে বলছি কিন্তু...!
কার সাথে কথা বলছিস, জানিস?
আমি দুঃখিত।
এই টাকা গুলো নিয়েছিলি? এগুলো?
থানা থেকে ফোন আসবে।
ওখানে রিপোর্ট করে ফেরত নিয়ে যাবি।
ফোন না আসা পর্যন্ত সকলে এখানেই থাকো।
বিড়ি খাও?
- এগুলো? - না।
ভালই তো, আমিও খাই না।
ক্রাঞ্চি...
গ্রিসে তৈরী।
দেশটা রসাতলে যাচ্ছে।
খাবে?
কেমন বোকা আমি!
আসলেই বোকা!
অতটা খারাপ না।
কেউ আমাকে ঠকালে আমার সেটা বুঝতে পারা উচিত।
কে ঠকাচ্ছে সেটাও দেখার বিষয়।
- পিস্তলটাই সমস্যা করেছে। - পিস্তলটাই?
একমাত্র কাজের জিনিস।
এখনো রেগে আছ?
"সে আমাকে ঠকিয়েছে!"
আমাকে বাঁচালে কেন?
৪৫ টাকার জন্য তুমি জেলে যাচ্ছিলে।
- ৪৫ টাকা বুঝলে কীভাবে? - আমি ওরকম হাজার বার কামিয়েছি।
আর তুমি ওটা একই দোকানে দু'বার করতে পারবে না।
দোকানে ঢুকে কাজটা করে বের হয়ে আসবে, শেষ।
যদিনা পিটুনি খেয়ে জেলে যেতে চাও...
পর পর একেবারে না।
- তুমি প্রতারক। - ডেন্টিস্ট।
- প্রোফেশনালরা আমাদের মত আবুলদের জন্য দয়া দেখায়। - শুরুকারীদের।
আশা করি একদিন তোমার মত হতে পারব, স্যার।
ধন্যবাদ, বিদায়।
আরে দাঁড়াও!
কী চাও?
এভাবে কেউ ধন্যবাদ জানায়!
বললাম তো, আর কি চাও?
তুমি কি চাও?
- আমি কি চাই? - বাঁচতে, ঠিক না?
- তোমাকে কয়েকটা ভেলকি শেখাতে পারি। - কেন?
নইলে তুমি... বিপদে পড়বে।
- ধন্যবাদ, এমনিতেই ভাল আছি। - সেটা তো দেখতেই পারছি।
স্মার্ট না হতে পারি কিন্তু আমি পথ চিনি...
আর এটাও জানি, এ দুনিয়ায় কেউ ফ্রিতে কিছু দেয় না...
বিশেষ করে তোমার মত কেউ।
- কি চাও? - তোমাকে তো বলেছিই।
সত্যটা বলো।
আমি তোর্কো নামের একজনের সাথে কাজ করি।
সে এক সপ্তাহ আগে পুরোপুরিভাবে নিরুদ্দেশ হয়।
আসল কথা হলো, আমার পার্টনার লাগবে।
আমি জানি না একা কিভাবে কি করব।
তোমাকে গ্যাস স্টেশনে দেখে ভাবলাম...
হয়তোবা...
আমি কেন?
কেন না?
না, দেখ... আমি একা কাজ করি আর তোমাকে চিনিও না।
আমি মার্কোস... আর তুমি...?
জোয়ান।
জোয়ান, তবে তুমি চাও তোমাকে ডাকা হোক...
স্যাবেস্তিয়ান।
জোয়ান নামের লোকদের আরেকটা নাম থাকে।
চলো কাজে নেমে পড়ি, স্যাবেস্তিয়ান?
- জোয়ান। - জোয়ান।
১ দিনের জন্য, শুধু ১ দিন, তারপর তোমার সিদ্ধান্ত।
- না, ধন্যবাদ। সিদ্ধান্ত তোমার।
যদি ছোট পরিসরেই কাজ করতে চাও।
এই নাও, টাকা খুঁইয়ো না।
হেই... মার্কোস...
শুধু আজকের জন্য।
- কে বলছেন? - আন্টি?
- কে বলছেন? - আন্টি?
- না, কে বলছেন? - দুঃখিত।
- কে বলছেন? - আন্টি?
- কিসের আন্টি? - দুঃখিত।
- হ্যালো? - আন্টি?
- না, ভুল তলা। - দুঃখিত।
- কে বলছেন? - আন্টি?
কে বলছেন?
দাঁড়াও, দাঁড়াও...
দাঁড়াও।
- বাঁচ্চা আছে তোমার? - না।
- আর ওটা? - আমার জন্য।
ছোট বেলায় এরকম আমার একটা ছিল। এর চেয়ে বড় একটা।
বাবার ছিল।
যখন টিভিতে খেলা চলত...
সে সময় কয়েকদিন বাবা পাশে থাকত।
আমি রেস ট্র্যাক বানিয়ে খেলতাম।
মা তখন রিতা পাভোনের গান শুনত।
- রিতা পাভোনে? - হ্যাঁ।
আসল ভক্ত। যদিও সে জানত না যে তার খ্যাতি শেষ হয়ে গিয়েছিল।
যখন আমরা বাসায় একসাথে থাকতাম...
রিতা পাভোনের "II Ballo del Mattone" শুনতাম। শুনেছ?
- কে বলছেন? - আন্টি?
- না, ভুল তলা। - দুঃখিত।
গানটা অনেক বিখ্যাত ছিল, সেটা একটা সিনেমায় নিয়েছিল...
মা প্রায়ই গাইত, এটা এমন ছিল...
- কে বলছেন? - আন্টি?
- আন্টি? - হ্যাঁ, কে বলছ?
তোমার প্রিয় ভাতিজাকে ভুলে গেলে?
- ফাবিন, তুমি? - হ্যাঁ, আমি ফাবিন।
কতদিন পরে তোমার কন্ঠ শুনলাম!
সর্দি লেগেছে নাকি তোমার? কন্ঠটা এমন শোনাচ্ছে!
আমাকে দেখতে এসেছ?
না, তুমি তো রেগে আছ, এক বন্ধুর সাথে এসেছি ...
পাশেই একজনের সাথে দেখা করতে এসেছি, গাড়ি নষ্ট হয়ে গিয়েছে।
গাড়ি?
- হ্যাঁ। - গাড়ি কিনেছ?
তোমাকে বলি নি? তুমি দেখলে অবাক হবে।
- বলো তো কি রংয়ের? - রং? বলো না।
ফিরোজা।
না, ওটাই কিনতে চেয়েছিলাম, নীল রংয়ের একটা নিয়েছি।
আর এখন সেটা গ্যারেজে পড়ে আছে...
...তারপর মানিব্যাগ খুলে দেখি টাকা নেই।
তখন খেয়াল করলাম যে, তোমার বাসা তো পাশেই...
এমন ভুল? তোমার বাইরে যাওয়ার আগে চেক করা উচিত ছিল।
কথা শুনিও না প্লিজ।
কিছু টাকা ধার দিতে পারবে? ৫০/৬০ পেসো।
তাহলে গ্যারেজে গিয়ে গাড়িটা ছাড়িয়ে আনতে পারব।
এত প্যারা নিও না। বাসায় এসে কফি খেয়ে যাও।
কথা দিচ্ছি, পরে আবার আসব।
দেখ, চাইনা গাড়িটা পড়ে থাকুক।
আমার বন্ধুকে রেখে গেলাম। তাকে টাকাটা দিও।
চিন্তা করো না।
আমি নিচে নামছি। তোমার বন্ধু বিশ্বাসযোগ্য তো?
সে ১০০ দিয়েছে।
- চমৎকার মহিলা। - সে তোমার মা'কে ভালবাসা জানিয়েছে।
ওহ, তাহলে তো গোরস্থানে যেতে হবে।
তাকে এটা ফিরিয়ে দিতে বলেছে।
- তুমি রেখে দাও? - আমি গুন্ডা নই।
- কি বললে? - কিছুনা।
- আংটি টা নেবে? - না, কথাটা সেটা নয়।
- তাহলে কি? - বৃদ্ধ মহিলাটা...
সরাসরি বলি: গ্যাস স্টেশনের কাহিনী, ব্যাপার না...
বৃদ্ধ মহিলাদের বিশ্বাস করা আলাদা কথা।
তেমনটা নয়, আমি নাকি তার নাতির মত।
তাহলে তাকে টাকা ফেরত দিয়ে মুদি দোকান খুলে বসো।
তোমার সমস্যা কি?
এমন মনোভাব নিয়ে তুমি কাজ করো কীভাবে?
- সেটা আমার ব্যাপার। - না, আমাদের সমস্যা, অন্তঃত আজকের জন্য।
দাড়াঁও, যেহেতু আমরা এখানে...
যাও গিয়ে কফির অর্ডার দাও...
এটা দিয়ে পে করে চলে এসো।
আমাকে তুমি চেনো না।
আমার টাকা দরকার।
তাই নাকি?
না, আমার এখনি লাগবে...
অনেক টাকা। এজন্যই রাস্তায় নেমেছি।
আজকে হঠাৎ এত স্বপ্ন দেখছ?
না, আমার বাবা। তার জন্য টাকা জমাচ্ছি।
- কত? - অনেক।
কত লাগবে, বলো তো?
৭০ হাজার।
এত! তোমার বাবার কি হয়েছে?
- সে বিপদে আছে। - আর তুমি তাকে বিপদ থেকে বাঁচাও?
হ্যাঁ, আমরা অনেক ঘনিষ্ঠ। সে আমাকে এসব ট্রিক্স শিখিয়েছে।
ছোটবেলায় খেলার ছলে।
- "Mosqueta", "Toco Mocho"... - ব্যাসিকগুলো...
তারপর কিছু একটা ঘটলো, ঠিক জানি না কি সেটা।
সে আমাকে শিখিয়ে অনুতাপ করত।
সে বলত, যেন আমি তার মত আমার জীবনটাও ধ্বংস না করি।
আমাকে অন্য কিছু করতে বলত।
তার কথা মতই অন্যকিছু করতে গিয়েছিলাম।
- আর কাজ হয় নি। - যা করতে গিয়েছি, সবই ব্যর্থ হয়েছি।
বড় হয়ে কি হতে চাও জিগ্যেস করলে কি বলতে?
- পাইলট। - আমি গুপ্তচর।
এসব বাসায় প্রচুর শুনেছি...
আর এই কাজ দিয়ে তুমি জীবনে কি করতে চাও?
মন্ত্রী হব?
এখন আমার বাবার প্রচুর টাকা দরকার...
সেটা জোগাড় করতে তার শেখানো ট্রিক্সগুলো খাটাতে হবে।
No comments yet. Be the first to leave one.