처음 200줄입니다.
অনুবাদকঃ সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
লোকে বলে মৃত্যুক্ষণে আশেপাশের সব কিছু...
নিস্তব্ধ হয়ে যায়।
কভার করো!
- আমি কমান্ড না দেওয়া পর্যন্ত গুলি করবে না। - ওরা অনেক কাছিয়ে এসেছে।
আমি কমান্ড না দেওয়া পর্যন্ত গুলি করবে না।
ও ফ্রাইডহেল্ম, আমার ভাই।
ও আর খুব একটা কাজে আসবে না।
GENERATION WAR A DIFFERENT TIME
ছয় মাস আগে আমরা আমাদের মা বাবাদের বিদায় জানিয়েছি।
এক জীবন।
আশাকরি তুমি আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবে।
ব্যাপারটা জার্মানির ভবিষ্যতের।
ইতোমধ্যে তুমি নিজেকে প্রমাণ করেছ...
আর তুমি...
ভাইয়ের সাথে সাথে থাকবে।
হয়তো এসবে তুমি সত্যিকারের পুরুষ হয়ে উঠবে।
- সবগুলো নিবি? - হ্যাঁ, অবশ্যই।
জলদি কর, মেয়েরা অপেক্ষা করছে।
নিজের খেয়াল রেখো।
উইলহেল্ম...
ওকে আমার কাছে ফিরিয়ে আনবে। কথা দাও।
- কথা দাও। - কথা দিলাম।
গ্রেটা, সার্জেন্টকে আরেক গ্লাস মদ আর ওর বিলটা দাও,
তারপর বার বন্ধ।
তোমার সৈনিক কি একটা চুমু পাবে না?
কাল আমি পড়ে গেলে কিন্তু, তোমার মন ভাঙবে।
যদি পড়ো সার্জেন্ট, পড়বে নর্দমায়। গুড নাইট।
গুড নাইট।
গ্রেটা।
তো?
আমি পেরেছি।
- আমি জানতাম। আয়। - পার্টি টাইম।
- ফুল মার্কস, অবশ্যই। - ওরা আমার সাথে চালাকি করার চেষ্টা করছিল।
আমাকে জিজ্ঞেস করে তৃতীয় রাজত্বের পর কী আসে।
কিচ্ছু না।
হাজার বছরের রাজত্ব বজায় থাকবে।
আর কয়েকটা দিন তারপর যুদ্ধের ময়দানে থাকব।
- ওকে যে তুই ভালোবাসিস সেটা বলেছিস? - চুপ কর।
ওহ খোদা, তোর উইলহেল্মকে বলা উচিত।
আমরা যুদ্ধে আছি। জীবনটা অনেক ছোট হতে পারে।
আর কত অপেক্ষা করবি? যুদ্ধে জয় না পাওয়া পর্যন্ত?
আর কয়েকটা মাসই তো।
- ওরা এসে গেছে। - ঠিক আছে, ওকে আজ বলব।
- আমার বেডরুমটা ব্যবহার করতে পারিস। - গ্রেটা...
কী?
মেয়েরা...
- তোমাকে অসাধারণ লাগছে। - তোমার কোনো ব্যাগপত্র নেই?
ব্যাগপত্র? ও একজন লেফটেন্যান্ট। ওর ব্যাগপত্র নিয়ে গেছে।
- ও, আচ্ছা। - ভিক্টোর কোথায়?
- শালম। - শালম।
তোর ব্যাগপত্র কোথায়?
আমরা পাঁচ বন্ধু।
- সাইকেল কোথায় পেলি? - চুরি করেছি।
নিজ নিজ পথে যাবার আগে সবাই ঠিকঠাকভাবে একটা বিদায় জানাতে চাচ্ছিলাম।
- আমাদের বন্ধুত্বের নামে। - আমাদের বন্ধুত্বের নামে।
আমরা সবাই এক জায়গায় বড় হয়েছি,
সবাই সবাইকে ছোট থেকে চিনি।
আমরা কখনো দূরে থাকিনি,
আমাদের বন্ধুত্বই আমাদের বেঁধে রেখেছে।
চার্লি, আমাদের সবার আদরের।
যুদ্ধ লাগার পর থেকেই দেশের জন্য সেবা করতে চাচ্ছিল।
ও এক মিলিটারি হাসপাতালে নার্স হিসেবে কাজ করবে।
একদম যুদ্ধের ময়দানের পিছনে।
ভিক্টোর গোল্ডস্টেইন।
ওর বাবা প্রথম বিশ্বযুদ্ধে লড়াই করেন
পরে একজন সম্মানিত দর্জি হিসেবে জীবন কাটান। উনার পর ভিক্টোর দোকানের ভার নিতো,
কিন্তু সম্প্রদায়িক সহিংসতায় দোকানটা নষ্ট হয়ে যায়।
ও ভিক্টোরের গার্লফ্রেন্ড, গ্রেটা। ওরা অবিচ্ছেদ্য।
ভিক্টোরের প্রতি ওর ভালোবাসা যে জাতিগতভাবে লজ্জাজনক তাতে ওর কোনো যায় আসে না।
আমরা সবাই মনে করি ও একদিন নায়িকা হবে।
নতুন প্রজন্মের মারলেন ডেট্রিচ (জার্মান নায়িকা)।
আমার ছোট ভাই ফ্রাইডহেল্ম।
একজন বইপোকা, যে রিমবাউড আর জুনগেরের ভক্ত।
আমি ওর বুদ্ধিমত্তা ও অসাধারণ মানসিকতার তারিফ করি।
ওর এবারই প্রথম।
আর আমি উইলহেল্ম উইন্টার।
উইনহুন্ড কোম্পানির লেফটেন্যান্ট।
পোল্যান্ড ও ফ্রান্সে সেবা দিয়েছি।
কাল আমরা রাশিয়ায় যাব।
ফ্রাইডহেল্ম, এটা আমায় দাও।
যুদ্ধ ওকে সত্যিকারের পুরুষে পরিণত করবে।
যুদ্ধ শুধু আমাদের মধ্যেকার খারাপটাই বের করে আনবে।
তোরা হারলে, দোষ হবে আমাদের।
- এই দেশে কাপুষের জন্য কোনো জায়গা নেই। - সবাইকেই ত্যাগ স্বীকার করতে হবে।
উইলহেল্ম...
- লুকাও। - না।
তোমাকে কী বলেছিলাম?
যদি ওরা ধরতে পারে যে তুমি ইহুদী হয়ে কারফিউ অমান্য করেছ, তবে তোমাকে ক্যাম্পে নিয়ে যাবে সাথে আমাদেরও।
অধিকার সবার জন্য সমান। আত্মাভিমান হচ্ছে দেশদ্রোহীতা।
- তাই না? - হ্যাঁ।
- জয় হিটলারের জয়। - জয় হিটলারের জয়। কীভাবে সাহায্য করতে পারি?
যেতে পারি?
ছোটখাটো ফেয়ারওয়েল পার্টি। আমরা কাল পূর্বদিকে যাচ্ছি।
উইলহেল্ম উইন্টার।
- ও আমার ভাই... - গুড ইভনিং।
আর চারলট রণক্ষেত্রে নার্স হিসেবে সেবা দিবে।
আপনি হোমফ্রন্টে থাকেন?
আমার কাছে অভিযোগ এসেছে যে কেউ একজন সুইং গান বাজতে শুনেছে। এক ইহুদীর সাথে।
ইহুদীর সাথে? আমরা কখনোই এমন কিছু সহ্য করব না।
টেডি স্টাউফার?
সুইং নিষিদ্ধ জানতাম না তো।
- আপনার নাম? - গ্রেটা মুলার।
উসকানিমূলক কাজ করেছেন, মিস মুলার।
প্রিন্স এলব্রেছ স্ট্রিট ৮ এসে জবানবন্দি দিয়ে যাবেন।
- চূড়ান্ত জয়ের নামে। - জয় হিটলারের জয়।
- মদ খাবে? - হ্যাঁ।
- কী হলো? - তুমি ওর সাথে ঢলাঢলি করছিলে।
তোমাকে বাঁচিয়েছি, গাধা।
- গ্রেটা, আমাদের যেতে হবে। - এখন?
চার্লি তোমাকে কিছু...
- পরে হবে। - ক্রিসমাস আসতে আসতে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে।
হ্যাঁ, চলো প্রতিজ্ঞা করি সবাই ক্রিসমাসের আগে ফিরে আসব।
- এখানে, এই রুমে। - ঠিক আছে।
- জীবিত। - ক্রিসমাস হবে বার্লিনে।
- ক্রিসমাস হবে বার্লিনে। - ক্রিসমাস হবে বার্লিনে।
আচ্ছা, একটা ছবি তুলি। তৈরি হও।
- ওখানে, মাচার কাছে। - এখানে?
হ্যাঁ, বেশ।
টুল বা কিছুতে বসো।
ফ্রাইডহেল্ম, সামনে গ্রেটার পাশে বস।
আমরা পাঁচ বন্ধু।
আমরা ছিলাম যুবক আর জানতাম আগামীটা আমাদের।
এই পৃথিবী বোঝার আগেই,
আমাদের সেটা ধরে ফেলতে হবে।
আমরা ছিলাম অমর।
আমরা শীঘ্রই জানবো।
"জুলাই, ১৯৪১"
১০ই জুলাই, ১৯৪১।
আগের অন্যান্য যুদ্ধের মতো এটাও হতে চলেছে।
এগিয়ে চলার এক অসাধারণ অনুভূতি।
গতির উন্মত্ততা,
বাড়ছে, বাড়ছে আর বাড়ছে।
শূন্যের অসীমত্ব।
এমন প্রাকৃতিক দৃশ্য যা আমরা কখনো দেখিনি। দিগন্ত মাঠ।
"বোরিসভ - রাশিয়া" "মস্কো : ৬৮০ কি.মি."
আকাশগুলো এত বিশাল ও নীল,
যেন খোদা তার সৃষ্টির সৌন্দর্য দিয়ে আমাদের ঝলসাতে চাচ্ছেন।
চমৎকার না?
সামনের বছর, এখানে সব জার্মান খামার হবে।
আমার ছেলেরা বীরের মতো লড়েছে।
প্রত্যেকটা যুদ্ধের ময়দানে।
ফ্রাইডহেল্ম বাদে সবাই,
যাকে সবাই কাপুরুষ ভাবে,
যে রোজ আমায় খেপায়,
যার জন্য আমার মাথা লজ্জায় নত হয়ে যায়।
- তো, মস্কো আর কতদূর? - প্রায় ৭০০ কিলো।
এগোতে থাকো, আমরা উইনহুন্ডের সেনা।
রেড স্কয়ারে সকালের নাস্তা, সাথে ক্যাভিয়ার আর ভোদকা।
তাহলে বীর হবে কীভাবে?
ও একটা রাশিয়ানও মারেনি আর যুদ্ধ জিততে চায়।
- একদম। - রাশিয়ানরা যদি সারেন্ডার করতে থাকে,
- আমাকে তো তখন কয়েদীদের মারতে হবে। - উইন্টার বরং ওদের কবিতা পড়ে শোনাবে।
- কতজনকে মেরেছ, কুক? - কমসেকম দশজন তো হবেই।
অতটাও খারাপ হবে না।
যাচ্ছিস?
একটু জ্ঞান দিবে এই যা।
ওর সাথে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলতে হবে কেন?
গত সপ্তাহেই তো জবানবন্দি দিয়েছি।
তোর সাথে যেতাম, কিন্তু আমার ট্রেন দাঁড়াবে না।
- ব্যাপার না, আমি চালিয়ে নিব। - সে নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।
চার্লি, আমায় কেমন লাগছে?
একদম সিনেমার নায়িকার মতো।
মিস মুলার...
আসুন।
আপনার বন্ধুরা কেমন আছে? যুদ্ধের কোনো খবর?
শুধু জয়।
তো আপনি সুইং পছন্দ করেন?
আমি আধুনিক গান পছন্দ করি।
জানেন সচিব গবেলস
সুইং গানকে অপজাত লোকেদের গান বলেছেন?
মানুষ মাত্রই...
ভুল।
একমত।
সিগারেট?
ধন্যবাদ।
আপনার জবানবন্দি পড়েছি।
- আপনি গান টান করেন? - হ্যাঁ।
আমার ব্রডকাস্টিং সার্ভিসে ভালো পরিচয় আছে।
হয়তো কোনো ব্যবস্থা হতে পারে।
তাহলে তো দারুণ হবে।
মারলেন ডেট্রিচ...
ওর কথা মুখে না আনাই ভালো...
আমার জন্যও কি কিছু গায়তে পারবেন?
"মারট্যুখোভা - রাশিয়া" "মস্কো : ৫৮০ কি.মি."
- ক্যাপ্টেন ফেইগেল। - উইলহেল্ম।
উত্তরপশ্চিমে ৬.৫ কিলো দূরে এক কারখানায় প্রতিবন্ধক আছে।
আমাদের উচিত সময় নষ্ট না করা।
কোম্পানি ওদের ফাঁদে ফেলে সাইজ করবে।
তোমার সেরা ছেলেদের নিয়ে যাও। ওদের শেকড় থেকে উপড়ে ফেলে আমাদের সাথে আবার যোগ দিবে।
- বুঝেছ? - জ্বি, ক্যাপ্টেন।
শুভ কামনা রইলো।
উত্তরপশ্চিমে আমাদের একটা কারখানা খালি করতে হবে।
ডোরিং, ফ্লেক, পোক্রভকা, তোমাদের সাথে সেখানে গিয়ে দেখা হবে। বুঝেছ?
- জ্বি, স্যার। - বেশ, চলো এবার।
- ব্যাটাদের নাড়িভুঁড়ি দিয়ে জুতা বাঁধবো। - জ্বি, স্যার।
চলো রাশিয়ান সৈনিক মারব।
"ফ্রন্টলাইন হাসপাতাল - স্মোলেন্সক" "মস্কো : ৫০০ কি.মি."
- স্বাগতম, আমি প্রধান নার্স ব্রিগেট। - আমি হিল্ডগার্ড।
- চারলট, দেখা হয়ে ভালো লাগল। - আসো, তোমাদের সব দেখাই।
No comments yet. Be the first to leave one.