처음 167줄입니다.
লেনারড, দেখো।
লেনারড, ও কিন্তু আবার করছে।
আমার মনে হয় তুমি খাবার নিয়ে খেললে শেল্ডনের রাগ হয়।
না, খাবার সমানভাবে ভাগ হওয়ার আগেই ও এভাবে...
খাবার তুললে আমার রাগ হয়।
এই কারণেই তোমাদের ভারতে এত বন্যা হয়।
তাহলে কি রেখে দেবো আবার?
-লেনারড? -শেল্ডনের সাথে খেললে...
শেল্ডনের রাগ হয়।
কি অবস্থা, আমার আঁতেল দোস্তরা?
রাজ, শেল্ডন, তোমাদের আমার গার্লফ্রেন্ড এর সাথে আলাপ করাচ্ছি, বার্নাডেট।
-হ্যালো। -লেনারড, পেনি।
-তোমরা তো আমার গার্লফ্রেন্ড বার্নাডেটকে চেনই। -হ্যাঁ, হেই।
বার্নাডেট, আমার আঁতেল বন্ধুদেরকে "হ্যালো শিট" বলে দাও।
আমি বলতে পারবো না।
আমি হাওয়ারডের মত সহজে মিশতে পারি না কারো সাথে।
আমি বার্নাডেট কে আমাদের সাথে ডিনার করতে বলেছি, কোনো সমস্যা নেই আশা করি।
-নিশ্চয়ই, বেশি মানুষ হলেই ভালো। -না, এটা মিথ্যা তুলনা।
বেশি হলেই ভালো হয় না।
এই বাসায় যদি এখন ২০০০ মানুষ থাকতো, আমরা কি আনন্দ করতাম?
না, আমাদের দম আটকে আসতো।
-শেল্ডন। -"শেল্ডন" কোরো না তো।
-আমরা পাঁচজনের জন্য অর্ডার করেছি, ছয় জনের না। -ব্যাপার না।
আমরা ফ্যামিলি স্টাইলে খাওয়ার মত টেবিলে রেখে দেবো সব।
নিশ্চয়ই, তাহলে আমরা আমাদের হাত পেছনে বেঁধে ফ্যামিলি স্টাইলে...
পাই খাওয়ার প্রতিযোগিতা করি?
আরে, ঠিক হয়ে যাবে। তোমরা বসো।
-না! -কি?
ওহ, তুমি ওখানে বসতে পারবে না।
-কেন? -ওখানে শেল্ডন বসে।
ও কি অন্য কোথাও বসতে পারবে না?
আসলে, শীতকালে, এই সিটটা রেডিয়েটর এর কাছাকাছি থাকে...
তাই ও উষ্ণ থাকে, আবার এতও কাছে না যে ওর গরম লাগবে।
গরমকালে এই জানালা খুললে...
এদিক দিয়ে মৃদু বাতাস যায়।
এই সিট থেকে টেলিভিশনটা এমন সোজাসুজি না, কাজেই ও সবার সাথে কথা বলতে পারে...
আবার এতটাও দূরে না যে স্ক্রিনের ছবি আধা আধা দেখা যায়।
হয়তো কিছু আশা এখনো আছে তোমাকে নিয়ে।
S03 E10 · The Gorilla Experiment
-তোমার জুতাগুলো ভালো লেগেছে। -ওহ, ধন্যবাদ, সুন্দর না?
-কোথা থেকে কিনেছ? -শুস ফর লেস
-আমি ওখানে যাবো যাবো ভাবছিলাম। -চমৎকার সব জুতা, দামও কম।
আমার মা ঠিকই বলে, নরক সত্যিই আছে।
আরে শেল্ডন, মেয়েলোকদের কথা বলতে দাও।
মেয়ে-লোক?
মেয়ে? নারী?
জন্মদাত্রী অ্যামেরিকান?
-খাবার খাও চুপচাপ। -আরে ওর কথা এত মনে নিয়ো না।
ও এমন অনেক কিছুই রসিকতার ছলে বলে।
হ্যাঁ, আমার কাছে রসিকতা মনে হয় নি।
আমারও না, কিন্তু আমি হাসলে ও অনেক খুশি হয়।
হাওয়ারড, ওকে কখনো ছেড়ে যেয়ো না।
লেনারড, হাওয়ারড বলছিল তুমি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ওপর...
-মৌলিক গবেষণা চালাচ্ছ? -হ্যাঁ, তুমি কি পদার্থে আগ্রহী?
আমার অসাধারণ লাগে।
যদি আমি জীবাণুবিজ্ঞানে না যেতাম...
হয়তো পদার্থবিজ্ঞানেই যেতাম, বা আইস ড্যান্সিং এ।
আমার আহারোনোভ-বম কোয়ান্টাম প্রভাবের হস্তক্ষেপের পরীক্ষা...
দারুণ একটা জায়গায় পৌঁছেছে।
এখন আমরা পর্যায় পরিবর্তনের কারণে হওয়া বৈদ্যুতিক সম্ভাবনা পরীক্ষা করছি।
-অসাধারণ। -হ্যাঁ।
লেনারডের পরীক্ষা ক্লাস থ্রি এর বাচ্চাদের...
ভেজা পেপার টাওয়ালের ওপর লাইমা শুঁটি জন্মানোর মতই অসাধারণ।
তোমার "ওহ, সেই" বলাটা আমার ভালো লাগলেও...
তোমার আদ্র নিশ্বাস আমার কানে লাগাটা আমার ভালো লাগে না।
তুমি কি টানেল জাংশন ব্যবহার করে ভোল্টেজ বাড়াবে?
হ্যাঁ, সেরকমই।
-আমার ল্যাপটপে সিমুলেটর দেখবে? -হ্যাঁ, দেখাও।
জীবাণুবিজ্ঞানে আমি সবথেকে চমৎকার যেই জিনিস নিয়ে কাজ করি, তা হল ইস্ট।
-হাওয়ারড? -হ্যাঁ?
তোমার জুতোগুলো চমৎকার।
কোথায় পেয়েছ?
-কি? -বাজিংগা, আমি জানতে চাই না।
সাধারণ মানের প্লাম্বার, আমার ধুলো খাও।
এটা ঠিক হল না, আমি একটা গাছের পেছনে আটকে গেছিলাম।
সাথে একটা গরু আর একটা পেঙ্গুইন।
মেনে নাও, বন্ধু, আসল গাড়ি বা ভার্চুয়াল কার্টুন গাড়ি, তুমি ড্রাইভ করতে পারো না।
-আর একটু প্র্যাকটিস দরকার। -তোমার যা লাগবে তা হল, চিট কোড,...
মোটর স্কিল আর একটা ইচ্ছা পূরণ করা দৈত্য, যেসব বাচ্চারা "মারিয়ো কার্ট"...
খেলতে পারে না, তাদের ইচ্ছা পূরণ করে।
শেল্ডন, একটু কথা বলতে পারি?
জুতার ব্যাপারে না তো?
আমি আর এই জুতার প্যাঁচাল শুনতে চাই না।
-জুতার ব্যাপারে না। -তাহলে বলো।
-আসলে, একান্তে কি কথা বলা যায়? -ঠিক আছে।
চলে যাও।
বুঝতে পারছি কড়া ভাষা, কিন্তু ও একান্তে কথা বলতে চাইছে।
ধন্যবাদ, রাজ। আচ্ছা, তো, বিষয়টা হল...
আমি ভাবছিলাম তুমি আমাকে অল্প পদার্থবিজ্ঞান শেখাতে পারবে কিনা।
-অল্প পদার্থবিজ্ঞান? -হ্যাঁ।
এরকম কিছু হয় না্, পদার্থবিজ্ঞান এই পুরো পৃথিবীকে পরিবেষ্টিত করে।
কোয়ান্টাম কণা থেকে সুপারনোভা,
ঘূর্ণনরত ইলেকট্রন থেকে ঘূর্ণনরত গ্যালাক্সি।
আচ্ছা, ভালো... আমি পিবিএস স্পেশাল শুনতে চাই নি।
আমি শুধু লেনারডের সাথে ওর কাজ নিয়ে কথা বলার মত শিখতে চাই।
যেমন বার্নাডেট বলে।
-লেনারডকে বলছ না কেন? -কারন আমি ওকে সারপ্রাইজ দিতে চাই।
অন্য কোনোভাবে কি সারপ্রাইজ দেয়া যায় না?
যেমন, আমি নিশ্চিত ও দারুণ শক খাবে যদি তুমি তোমার বাসাটা পরিষ্কার করো।
আরে, শেল্ডন, আমার খুব দরকার।
পেনি, এটা অনেক বড় দায়বদ্ধতা হয়ে যাবে...
আর আমার সময় একে তো কম, তার ওপর মূল্যবান।
তুমি পুরো দিন বসে ভিডিও গেম খেলছ।
আচ্ছা, সেটা ঠিক।
তোমার পূর্ব অভিজ্ঞতা কেমন আছে?
তুমি কি স্কুলে কোনো সায়েন্স ক্লাস করেছ?
নিশ্চয়ই, ব্যাঙ এর টা করেছি।
ব্যাঙ এর টা?
হ্যাঁ, ভালোই ছিল। অনেক মেয়েরা বমি করে দিয়েছিল, কিন্তু আমি হরিণের মত ওটার নাড়িভুঁড়ি বের করেছিলাম।
না, দুঃখিত, পেনি। আমি পারবো না।
আরে, তুমি এত বুদ্ধিমান, তোমার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ হবে।
তুমি পরীক্ষা হিসেবে করতে পারো।
ইন্টারেস্টিং।
আমার ধারণা কোকো নামের গরিলাকে যদি ইশারা ভাষা শেখানো যায়,
তাহলে তোমাকেও কিছু প্রাথমিক পদার্থবিজ্ঞান শেখানো যেতে পারে।
দারুণ, যদিও একটু অপমানজনক, কিন্তু দারুণ, আমি কোকো হবো।
সেটা হচ্ছে না, কোকো ২০০০ এর বেশি শব্দ বুঝতে সক্ষম ছিল।
এর কোনোটাই জুতার ধারেকাছে ছিল না।
এই, বন্ধুরা... আমার গার্লফ্রেন্ড, বার্নাডেট।
আমার গার্লফ্রেন্ড, বার্নাডেট।
-এরা কারা সবাই? -কোনো ধারণাই নেই।
-হেই, লেনারড। -হাই।
দেখো, হাওয়ারড আর ওর গার্লফ্রেন্ড, বার্নাডেট।
ভাবলাম এই তরুণীকে পুরনো লবণের খনিটা ঘুরিয়ে দেখাই।
ও আসল লবণের খনি বোঝায় নি। ও যেখানে কাজ করে, সেটা বুঝিয়েছে।
হ্যাঁ, আমি বুঝতে পেরেছি।
-তো, তোমার গবেষণা কেমন যাচ্ছে? -অসাধারণ।
আমরা ইলেকট্রন এক্সেলেটর সেট করছি, পরশুদিন সব তৈরি হয়ে যাওয়ার কথা।
-আমার খুব দেখার ইচ্ছা। -তুমি যে কোনো সময় আসতে পারো।
সত্যি? দারুণ হবে।
কি চমৎকার না?
একদম জুলাইয়ে হানুখার মত।
এরকম কি হয়?
-না। -আবার ধরা খেলাম।
এটা ফ্যাট বিহীন দই না, পুরো ফ্যাটি ফ্যাট ফ্যাট।
আসছি।
-আমার জন্য একটা ন্যাপকিন আনতে পারবে, সোনা? -নিশ্চয়ই।
ধন্যবাদ, সোনা।
আচ্ছা, তুমি কি চাইছ?
কি বললে?
আমার গার্লফ্রেন্ডকে তোমার ইলেকট্রন অ্যাাক্সেলেটর দেখার জন্য যেতে বলছ?
হ্যাঁ, তো?
ওয়াও, তুমি সত্যিই একটা জিনিস, ভাই।
মানে তোমার প্রম কুইনকে দিয়েও হচ্ছে না...
এখন তোমার ডেকোরেটিং কমিটির প্রধানকেও লাগবে?
-তুমি কিসের কথা বলছ? -দেখো, আমার সাথে এরকম নিষ্পাপ ভাব করবে না।
বলতে গেলে মেয়েদের পটানোর জন্য ল্যাবের যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা আমি আবিষ্কার করেছি।
-তাতে কি কখনো কাজ হয়েছে? -এখনো না, কিন্তু কথা সেটা না।
হাওয়ারড, শান্ত হও। আমি তোমার গার্লফ্রেন্ডকে চাই না।
সেটাই আশা করি, কারন তুমি আমার সাথে ঝামেলা করবে না নিশ্চয়ই।
আমি পাগল।
বিশ্বাস করছি।
রিসার্চ জার্নাল, এন্ট্রি ওয়ানঃ
আমি আমার বৈজ্ঞানিক ক্যারিয়ারের সবথেকে কঠিনের মধ্যে একটি চ্যালেঞ্জ নিতে যাচ্ছি, তা হল
পেনিকে পদার্থবিজ্ঞান শেখানো।
আমি এটাকে প্রজেক্ট গরিলা নাম দিচ্ছি।
-হেই শেল্ডন। -ভেতরে এসো, বসো।
সাবজেক্ট এসে গেছে।
আমি বন্ধুবৎসলভাবে সাধারণ অভ্যর্থনা জানিয়েছি।
শুরু করবো এখন?
এক সেকেন্ড।
সাবজেক্ট কে শান্ত আর উদ্যমী মনে হচ্ছে।
আক্ষরিক অর্থেই, অন্ধের কি বা দিন, কি বা রাত।
ঠিক আছে, শুরু করা যাক।
-তোমার নোটবই কোথায়? -নেই।
নোটবুক ছাড়া নোট নেবে কিভাবে?
নোট নিতে হবে?
No comments yet. Be the first to leave one.