Seven Worlds, One Planet

Seven Worlds, One Planet

Bengali 자막 다운로드

시즌 1

릴리스 정보

Seven Worlds One Planet S01E07 BSUB By FAHAD
다음의 해설 Luca

태그

webdl
게시일: 2025-04-08
다운로드: 47
청각 장애인용: No

Bengali 자막 미리보기

처음 200줄입니다.

⚙ বাংলা অনুবাদেঃ ⚙

আফ্রিকা।

পৃথিবীর আর কোনো মহাদেশে এত বৈচিত্র্যময় প্রাণী নেই।

এর কেন্দ্রে রয়েছে বিশাল এক গ্রীষ্মমণ্ডলীয় অরণ্য।

এক মিলিয়নের বেশি বর্গমাইলের বন্য পরিবেশ।

যার বড় অংশ এখনো...

অজানা।

এমনকি এখনো অনেক কিছু আবিষ্কারের বাকি।

এই জঙ্গলে রয়েছে অসংখ্য প্রাণী ও উদ্ভিদ।

কিন্তু এত সমৃদ্ধির মাঝেও...

বন্য প্রাণীরা এখন ভয়ংকর চ্যালেঞ্জের মুখে।

আইভরি কোস্টের..

বনাঞ্চলে রয়েছে দেড় হাজারের বেশি গাছের প্রজাতি।

কিন্তু কিছু পাওয়া খুবই কঠিন...

এমনকি সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রাণীদের জন্যও।

শিম্পাঞ্জি।

বয়স্করা জানে কোথায় পুষ্টিকর খাবার পাওয়া যাবে

আর কীভাবে তা সংগ্রহ করতে হয়।

কিন্তু বেঁচে থাকতে হলে...

ছোটদের এসব দক্ষতা শিখতে হবে তাদের মা-বাবার কাছ থেকে।

এই ছোট্ট মেয়ে শিম্পাঞ্জির বয়স পাঁচ বছর।

সে এখন গুরুত্বপূর্ণ একটি শিক্ষা পাওয়ার উপযুক্ত।

তার শিক্ষক কে?

তার মা।

শিক্ষা—বাদাম ফাটানোর কৌশল।

এই কাজ এতটাই জটিল যে...

মাত্র কয়েকটি শিম্পাঞ্জি দল এটি রপ্ত করতে পেরেছে।

এটি কয়েক হাজার বছর ধরে চলে আসছে।

এবার নিজের চেষ্টা করার পালা।

ভালো একটা সরঞ্জাম খুঁজতে হবে।

ছোট পাথর দিয়ে হবে না।

আর বড়গুলো বেশি ভারী।

কাঠ হালকা আর মজবুত...

কিন্তু যথেষ্ট শক্তিশালী নয়।

তাই আবার শিক্ষকের কাছে ফিরতে হলো।

পুরোপুরি শেখার জন্য

এক দশক লেগে যায়।

কিন্তু সে ইতোমধ্যে একটা কৌশল শিখে ফেলেছে।

হাত দিয়ে বাদাম বের করা সম্ভব না হলে...

একটা ছোট ডাল ছেঁটে নেয়।

আর বানিয়ে নেয় নিজের হাতের চামচ।

জীবনে অনেক ধরনের সরঞ্জাম ব্যবহার শিখবে সে।

একদিন সে এই জ্ঞান তার

নিজের সন্তানদের দেবে।

যাতে তারাও এই বন থেকে খাবার সংগ্রহ করতে পারে।

গ্রীষ্মমণ্ডলীয় বনাঞ্চলে প্রাণের সমারোহ যেমন বিশাল...

আফ্রিকার পূর্ব অংশেও তেমন বৈচিত্র্য রয়েছে।

গ্রেট রিফট ভ্যালি চার হাজার মাইলজুড়ে বিস্তৃত।

এটি গঠিত হয়েছিল প্রায় ৩০ লাখ বছর আগে।

ভেতর থেকে গলিত শিলা উঠে আসার ফলে...

পৃথিবীর পৃষ্ঠে ফাটল ধরে যায়।

ধীরে ধীরে সেই ফাটলে জমতে থাকে স্বচ্ছ পানি।

আর তৈরি হয় একাধিক হ্রদ।

এখন এসব হ্রদ পৃথিবীর

অন্যতম সমৃদ্ধ স্বাদু পানির আবাসস্থল।

এখানে সিক্লিড মাছের একটিই পরিবার...

যা ১৫০০-র বেশি প্রজাতিতে বিবর্তিত হয়েছে।

এটি দেখতে স্বর্গের মতো হলেও...

সিক্লিডদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তীব্র।

এখানে বেঁচে থাকা কঠিন।

কারণ ছোট মাছদের সহজেই শিকার করা হয়।

তাই অনেক মা সিক্লিড তাদের ছানাদের রক্ষা করতে...

অভিনব এক কৌশল রপ্ত করেছে।

তারা নিজেদের মুখকেই পরিণত করেছে চলমান আশ্রয়ে।

বিপদ এলে ছানারা নিরাপদে সেখানে থাকে।

ঝুঁকি কেটে গেলে মা তাদের ছেড়ে দেয়।

ডিম পাড়ার পর মা মাছ মুখে নিয়ে নিরাপদে রাখে

আর ডিম দেওয়ার সময়...

পুরুষ মাছ তার উজ্জ্বল হলুদ লেজ নাড়িয়ে

উৎসাহ দেয়।

প্রতি ব্যাচে ডিম পাড়ার পর...

মা মাছ তা মুখে নিয়ে নেয়।

কিন্তু তাদের নজর রাখছে এক দল শিকারি...

কুকু ক্যাটফিশ।

তারা দল বেঁধে ঘোরে,

আর যতগুলো সিক্লিড মাছের ডিম পায়, সব খেয়ে ফেলে।

এই ব্যস্ততার মাঝেই,

একটি ক্যাটফিশও ডিম পাড়ে।

সিক্লিড মা যত ডিম চোখে পড়ে, সব কুড়িয়ে নেয়।

এখন একা একাই অপেক্ষা করতে হবে,

তার মুখে থাকা ডিমগুলো যেন ঠিকমতো বড় হয়।

এতে সময় লাগবে তিন সপ্তাহ।

এই পুরো সময়টা সে কিছুই খায় না।

কিন্তু ১৮ দিন পর,

কিছু একটা ঠিকঠাক মনে হয় না।

মা মাছ ডিমগুলো পুরোপুরি প্রস্তুত হওয়ার আগেই মুখ থেকে বের করে দেয়।

আর সেই সঙ্গে বেরিয়ে আসে ছোট ছোট কুকু ক্যাটফিশ…

…যারা তার নিজের বাচ্চাদের চেয়ে তিন গুণ বড়।

সে হয়তো একসঙ্গে ছয়টা ক্যাটফিশও মুখে রেখেছে।

এখন

তারা শুরু করে সিক্লিড বাচ্চাগুলো খাওয়া।

সিক্লিড মা ক্যাটফিশ বাচ্চাগুলোকেও নিজের সন্তান ভেবে নেয়।

তারা সত্যিই মাছের জগতে কাক-পাখি!

গ্রেট রিফট ভ্যালি তৈরির পেছনে থাকা শক্তিগুলো

আজও আফ্রিকার ভূখণ্ডকে

রূপ দিচ্ছে।

পৃথিবীর পাটিগুলো দুর্বল যেসব স্থানে, সেখান দিয়ে বের হয়ে আসছে গলিত পাথর।

আফ্রিকায় প্রায় ২০০টি আগ্নেয়গিরি আছে…

…তার মধ্যে অনেকগুলো এখনো সক্রিয়।

তারা ধ্বংস বয়ে আনতে পারে,

তবে একসময় সেই ধ্বংসই উর্বরতা তৈরি করে।

এই আগ্নেয়গিরিটির নাম ওল ডইনিও লেনগাই।

গত ৪ লাখ বছর ধরে,

এটি আশপাশের সাভানায় ছড়িয়ে দিয়েছে ছাই,

যা সেরেনগেটিকে করেছে আরও উর্বর।

এই এলাকাই এখন গোটা মহাদেশের সেরা চারণভূমি।

এখানে থাকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় যাযাবর প্রাণীর দল…

…আর তাদের উপস্থিতিতে টিকে থাকে শিকারিরাও।

কেনিয়ায় চিতাবাঘেরা এক অদ্ভুত দল গঠন করেছে।

এই দৌড়ে সবচেয়ে দ্রুত প্রাণী সাধারণত ২-৩ জন মিলে শিকার করে।

কিন্তু এই পাঁচজনের দলটি এখন পর্যন্ত দেখা সবচেয়ে বড় চিতা দলগুলোর একটি।

দুই জোড়া ভাই আর

একজন প্রধান পুরুষ।

তারা একসঙ্গে বাস করছে আর শিকার করছে প্রায় তিন বছর ধরে।

এভাবে দল বেঁধে থাকায়,

তারা দখলে রেখেছে এলাকার সবচেয়ে ভালো জায়গা।

তবে পাঁচজনের খাওয়ার যোগাড় করতে গিয়ে, প্রতিটি শিকারই অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তারা গত তিন দিন কিছুই খায়নি।

শিকার ধরতে হলে তাদের খুব কাছে, মাত্র তিন মিটার দূরে যেতে হবে,

তাও আবার যেন টের না পায়।

ঘন ঝোপঝাড়

তাদের সাহায্য করবে।

টপি নামের এক প্রজাতি, যারা চিতার প্রায় তিন গুণ বড়…

…আর এতটাই শক্তিশালী যে একাই সিংহকে ঠেকাতে পারে,

চিতার কথা তো বাদই দিলাম।

এখন তারা খোলা জায়গায় এসেছে…

প্রতিটি পদক্ষেপে শিকারের সম্ভাবনা বাড়ছে।

পালটি ছড়িয়ে পড়ে, আর চিতারা আলাদা হয়ে যায়।

কিন্তু এবারও তারা খুব একটা কাছে যেতে পারেনি।

তারা এবার নিশানা করে জেব্রাকে।

এখন সবাই জানে চিতারা এখানে আছে।

তাদের কৌশল পাল্টাতে হবে।

সব চোখ এখন ভাইদের দিকে।

ওরা খোলা জায়গায় আছে, দেখে মনে হচ্ছে কোনও বিপদ নেই।

কিন্তু প্রধান চিতা হঠাৎ করে নেই।

ভাইয়েরা আসলে ফাঁদ তৈরি করছে।

এখন ফাঁদটা পুরোপুরি সাজানো।

বাকি চারজন গিয়ে প্রধান চিতার সঙ্গে যোগ দেয়।

পাঁচজন মিলে ঝাঁপ দিলে,

মৃত্যুও খুব তাড়াতাড়ি আসে।

আজ আফ্রিকার সাভানাগুলোতে এখনো

সবচেয়ে বড় বন্য প্রাণীর দলগুলো ঘোরে।

আর এই প্রাণীরাই, একভাবে হোক বা অন্যভাবে,

ছোট ছোট প্রাণীর খাবারের উৎস হয়ে দাঁড়ায়।

একটা অক্সপেকার পাখি।

ছোট্ট একটা পাখি, দারুণ চালাক, আর তার খাবারও অদ্ভুত রকমের।

পোকা-মাকড়, উকুন, এমনকি চুলের খুশকিও ওদের কাছে খাবার!

ওদের দৃষ্টিতে ব্যাপারটা এমনই।

উভয়েই উপকৃত হয়।

পাখিটা মজার খাবার পায়...

আর প্রাণীটা পরিষ্কার হয় এমন জায়গায়, যেখানে সে নিজে পৌঁছাতে পারে না।

প্রতিদিন একেকটা পাখি

শত শত উকুন আর হাজার হাজার পোকা খায়।

তবে কিছু পাখি একটু বিপজ্জনক খাবার খোঁজে।

হিপোপোটামাস খুবই এলাকা-নির্ভর আর ভীষণ রাগী প্রাণী…

তাই এই প্রাণীদের গায়ে উঠতে হলে পাখিদের খুব সাবধান থাকতে হয়।

তবুও এতে লাভ আছে।

রক্ত সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার।

ওরা ঘা খুঁচিয়ে রাখে, যাতে রক্ত বেরোতেই থাকে।

আর একবার কোনো খোলা ঘা পেলেই,

ওটা যতই বিরক্তিকর হোক, পাখি সেখানেই লেগে থাকে।

আর এর পুরস্কার? খাবারের শেষ নেই,

যেমন পরিস্থিতিই হোক।

আফ্রিকার সব জায়গা এমন উর্বর নয়।

এই মহাদেশের এক-তৃতীয়াংশ মরুভূমি।

এটা দক্ষিণ-পশ্চিমে নামিব মরুভূমি।

মাঝখানে একটা পুরনো হীরা খনি,

যা প্রায় ৭০ বছর আগে পরিত্যক্ত হয়।

তবুও সেখানে এখনো একটা প্রাণী থাকে।

এটা মরুভূমির বিশেষজ্ঞ...

আর আফ্রিকার অন্যতম দুর্লভ শিকারি।

ব্রাউন হায়েনা।

এই পরিত্যক্ত শহরই ওর ঘর।

ভাঙাচোরা জায়গাগুলো ওকে রোদের হাত থেকে রক্ষা করে।

ও এখানে ১৫ বছর ধরে আছে।

এই সময়ের মধ্যে ও ৯টা প্রজন্মের বাচ্চা বড় করেছে।

এই দুই বাচ্চা এখন জীবনের এক কঠিন ধাপে এসেছে।

ওদের বয়স এখন চার মাস, এখন শক্ত খাবার দরকার।

কিন্তু এই ভাঙা জায়গায় কিছুই খাওয়ার নেই,

তাই মা হায়েনাকে অন্য জায়গায় যেতে হয়

আর মা অনেক দিন ধরে ওদের একা ফেলে রাখতে পারে।

ব্রাউন হায়েনারা প্রতিদিন বিশ মাইলের বেশি হাঁটে খাবারের খোঁজে।

এটা পৃথিবীর অন্যতম কঠিন জায়গা।

তাপমাত্রা প্রায় ৫৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়ায়।

দমকা বাতাস সারাক্ষণ বইতেই থাকে।

নামিবিয়ার সবদিক থেকে হায়েনারা আসে যেখানে মরুভূমি

সাগরের সঙ্গে মেশে।

এই শুষ্ক বালির মাঝে কোথাও

অনেক খাবার লুকানো আছে।

কেপ ফার সিল।

এখানে প্রায় দশ হাজার সিল আছে।

বড় সিলরা শক্তিশালী।

কিন্তু বাচ্চারা নয়।

ওদের মায়েরা খুব যত্নে পাহারা দেয়।

তবে হায়েনা জানে ধৈর্য ধরতে হয়।

একসময় মা সিলদের সাগরে ফিরতেই হয় ঠাণ্ডা হতে।

একটা সিলের বাচ্চা অনেকদিনের খাবার হতে পারে হায়েনার জন্য।

তবে শুধু খুঁজে পেলেই হবে না।

ওটা নিয়ে ফিরেও যেতে হবে।

জ্যাকালও আসে এখানে...

댓글

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left