처음 187줄입니다.
আচ্ছা ঠিক আছে। হেডস, বাঁচবে। টেইলস, মেরে ফেলবো।
তুমি আসলে কে?
-ধন্যবাদ। -কি জন্য?
আমার জীবন বাঁচানোর জন্য।
তুমি এখানে অনেকদিন ছিলে না, ইতিমধ্যে, আমার কাছে তোমার বেশ কিছু ঋণ জমেছে।
-কেইট! -আরও কাছ থেকে তাকানো যাক তোমার চোখে।
-বাবা, আমি এসেছি। -কেইট?
-এই যে আমি! এখানে। -কেইট!
গতকাল, আমি একজন দূত পাঠিয়েছিলাম আপনার বাবার সাথে আলোচনার জন্য।
সে কি আদৌ জানে যে আপনি এখানে এসেছেন?
ফরমেশন!
-হঠাৎ কোথা থেকে এসে ওরা আমাদের ঘিরে ফেলে। -অপেক্ষা করো!
-কতজন? -হবে ২৪ জনের মতো বা তার চেয়ে বেশী।
আমাদের কতজনকে হারিয়েছি?
আমার মনে হয় না যে আর কেউ বেঁচে আছে। তুমি ছাড়া।
ওটা আমার, তুমি ধরবে না।
সমস্ত লেখা নিষিদ্ধ্ব। এগুলো শয়তানদের দ্বারা বানানো।
আমাদের বাবা এটাই বিশ্বাস করে, তুমি না!
মাত্র আমাকে যা বলেছো তা যদি বাবা জানতে পারে,
তোমার সাথে সেটাই করবে যেটা মায়ের সাথে করেছিলো।
ড্রুইডরা এখন তোমার ভাগ্য নির্ধারণ করবে।
তারমানে তুমি আমাকে হাওয়ায় ছুড়ে ফেলে দিলে।
জেনে রাখো। আমার কাছে তুমি মৃত।
-আপনার মেয়ে, কেরা। আমার ভয় হচ্ছে... -কিসের ভয়?
সে আপনার কাছে গোপন করেছে।
কী গোপন করেছে?
ড্রুইডরা ঈশ্বরের দৃষ্টি স্বরূপ।
তারা অবশ্যই এটা দেখতে চাইবে।
এই নাও, ধুয়ে দিয়েছি।
ওহ, এখন কি তোমাকে ধন্যবাদ দিতে হবে?
তোমার তখন এই নুড়ি পাথরটা ধরাই উচিত হয়নি।
যাইহোক, তুমি তো ফিরে পেলে এটা, তাই না?
তুমি উনাকে কেন বলো নি যে উনার মেয়ে মারা গেছে?
যেন উনি ঘুমাতে পারে।
আর যখন জাগবে?
যতদূর মনে পড়ে, তোমার একটা মিশন ছিল। ওই যে ওইদিকটায় ক্যাম্প, যাও।
আমার পরিকল্পনা... পরিবর্তন হয়েছে।
-কখন? -যখন সেনাপতিকে দেখেছি।
যখন তার চোখের দিকে তাকিয়েছি।
আর?
আমি কিছু দেখেছি।
কী দেখেছো?
জানি না।
সে মানুষ না।
সে অন্যকিছু...
অন্য কোনো কিছু, অন্যরকম... অনেক বেশি শক্তিশালী।
তাহলে এখন কি করতে চাচ্ছো?
ভাবতে হবে।
গতকাল, সব তোমার জানা ছিল। আর আজ, কিছুই জানো না।
-তুমি নিশ্চিত যে তুমিই এই মিশনের উপযুক্ত? -হাসাবে না। অবশ্যই আমি নিশ্চিত।
কিন্তু আমি কখনও বলিনি যে এটা সহজেই হয়ে যাবে।
আমি যদি তোমার জায়গায় থাকতাম,
ক্রাকডোনান পর্যন্ত যেতে আমি পশ্চিমের পাহাড়ের রাস্তা জব্দ করতাম।
রাজা পেলেনর তোমাকে রক্ষা করবে।
এই যে, নাও।
-কী এটা? -এক মুঠো পানির সাথে মিশাও।
প্রতিদিন একবার করে গোসল করবে এটা দিয়ে এবং হয়তো দুর্গে যাওয়া পর্যন্ত লাগবে।
গন্ধ মেখে থাকো।
-কে এটা, কেইট? -হ্যাঁ বাবা, আমি।
-আমি এখন কোথায়? -আমরা বিপদ মুক্ত...
...কিন্তু আমাদের এখান থেকে যেতে হবে।
তুমি দাঁড়াতে পারবে?
অবশ্যই পারবো. এখনো অত বুড়ো হয়নি।
অস্বস্তি লাগছে?
শুয়ে পরার মতো না।
এই মুহূর্তে, খুব একটা স্বস্তি পাচ্ছি না।
কেরা কোথায়?
ও রোমানদের সাথে দেখা করেছে, গোপনে আপোষ করেছে তাদের সাথে।
যেখানে আমার নিষেধাজ্ঞা ছিল।
তুমি কেন গিয়েছিলে?
আমাদের লোকেদের ক্রুশে বেঁধে মারা থেকে তাদের থামাতে।
আর সেটার বদলে রোমানদের চাওয়া কী ছিল?
নাকি তোমার প্রতি কৃপা করেছে?
আমি কথা দিয়েছিলাম যে আমি চেষ্টা করবো, বাবাকে রাজি করাবো যেন তাদের সাথে কথা বলে।
রোম তোমার কাছে এমন কী? তুমি কার আনুগত্য?
আমার বিশ্বস্ততা আমার ট্রাইবদের কাছে।
তোমার মা একই কথা বলেছিলো।
-আমার বিশ্বস্ততা শুধুই আমার ট্রাইবের প্রতি -ও মিথ্যা বলছে।
কী এগুলো?
শেষ যুদ্ধ্বে রোমানদের লেখা অণুচ্ছেদ, ওর কক্ষে লুকানো ছিল।
আমার মা আমাকে এগুলো দিয়েছিলো... যে রাতে তোমরা তাকে নিয়ে গিয়েছিলে।
-ঈশ্বরদের স্বার্থে তাকে বিসর্জন দেয়া হয়েছে -তো তুমি সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে।
লেখা গুলো নিষিদ্ধ, সেটা ও জানে।
শুধু মাত্র ঈশ্বরদের ক্ষমতা আছে সত্যটা লেখার।
তাই তুমি এগুলো পড়তে পারো না।
তুমি আমার বাবার মুখে যা লিখেছো তার চেয়ে কম কিসে।
তুমি কি ঈশ্বরদের ভয় পাও?
ঈশ্বররা জানে আমার মনে কী আছে।
-তুমি কি ভয় পাও ঈশ্বরদের? -ভয় পাই...
...আমার মাকে ভালোবাসলে যদি ঈশ্বররা রেগে যান, তবে তারা আমার ঈশ্বরই নন।
মাত্র তুমি অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললে।
এখন, ঈশ্বররা তাদের সিদ্ধান্ত নিবে।
ওকে বাচিয়ে রাখা, ঝুঁকি পূর্ণ।
আমরা কবে থেকে বিদ্রোহীদের ক্ষমা করা শুরু করেছি?
এমন বেঈমান যে নিজের সঙ্গীদের হত্যা করে?
ওরা কখন কোথায় গিয়েছে, আমার জানতে হবে।
তারপর, ওদের বলা যাবে "গুপ্তচর।" অপেক্ষা করো।
এখনো পুরোপুরি ফেরো নি, ফিরেছো কি?
কিন্তু যখন ফিরবে...
...আমি সবকিছু জানতে চাই।
যখন ছোট ছিলাম, আমরা এভাবেই জেগে থাকতাম।
মনে আছে আমাকে সবসময় কী বলতে?
তোমার কারনে আমার কোনো ক্ষতি হবার আগে তুমি নিজের জীবন দিয়ে দিবে।
শপথ নিয়েছিলে...
...ছোট রাজপুত্রের শপথ।
আমি অনেক খুশি হয়েছিলাম।
আমার বয়স ছয়, সাত এর মতো ছিল।
একজন গম্ভীর,
সাবালক ভাই পেতে যে কি না আমাকে রক্ষা করবে...
আমি তোমাকে সেই শপথ থেকে মুক্ত করে দেই।
-আমি আমার ভাগ্য নিজেই সামলাতে সক্ষম। -তুমি কি ভাবছো আমি দুর্বল।
না।
না।
আমাকে একটা কথা দাও।
তুমি যখন রাজা হবে, নিজে নিজের সিদ্ধান্ত নিবে।
ড্রুইডদের দ্বারা পরিচালিত হবে না।
তাদেরকে সুযোগ দিবে না আমাদের ধ্বংস করার। কথা দাও।
এখান থেকে পালাবার পথ তোমার জানা আছে।
সকালের মধ্যে, আমরা উপকূলে থাকবো।
দুই রাতের সমুদ্র যাত্রা, তারপরই থাকবো গলে।
এবং সেখানে আমাদের জন্য কি ধরনের স্বাগতম অপেক্ষা করছে?
আমি অত সময় অপেক্ষা করতে পারবো না।
আমি বেশ দূর পর্যন্ত গিয়েছিলাম।
পরিষ্কার শুনতে পেয়েছি।
তুমি কি প্রস্তুত ঈশ্বরদের ইচ্ছা অনুসরণের জন্য?
আমরা প্রস্তুত।
ঈশ্বরদের সিদ্ধান্ত হচ্ছে...
...যে তোমার নিজেকে বিসর্জন দিতে হবে, রাজা পেলেনর।
-তাদের কাছে নিজেকে আত্মসমর্পণ করতে হবে। -না!
তুমি কি ঈশ্বরদের রায় কবুল করছো?
করছি।
যদিও জানতাম যে উনি মরে যাওয়া মাত্রই রাজা হবো আমি...
...কিন্তু আমি পারছি না...
...আমি সহ্য করতে পারছি না বাবার চলে যাওয়া।
বোন। অভিনন্দন।
মনে হচ্ছে ঈশ্বররা কৃপা করেছে...
...কাউকে।
আমি একটু আসছি।
-তুমি কথা বলেছো তাদের সাথে? -কাদের সাথে?
কে, মানে? ড্রুইডদের সাথে।
তোমার তাদের আশীর্বাদের প্রয়োজন আছে।
তুমি একটা রাক্ষসী।
আমি জানি, কেন তুমি ড্রুইডদের সাথে কথা বলতে সাহস পাও না...
...কারন মনে মনে, তুমি জানো যে আমাদের নেতৃত্বের জন্য তুমি দুর্বল।
আমাকে ভুল প্রমান করো।
তাকাও আমার দিকে আর দেখাও যে তুমি ভয় পাচ্ছো না।
আমি যখন তোমাকে দেখি, আমার একটা বিষয়ে ভয় হয়।
ভয় হয় যে ঈশ্বররা উন্মাদ কারন আমাদের একসাথে সম্পর্কে বেঁধেছে।
বেশ, তুমি তাদের সাথে কথা না বললে, আমি বলবো।
আমি তোমদের সেনাপতির কাছে বার্তা পাঠিয়েছি...
...আমাদের সমাধিস্থল যাতায়াতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে,
তোমাদের প্রাণের বদলে।
এই মুহূর্তে আমার জন্য কোন জিনিসটা বিপদজনক বলে তোমার মনে হয়?
কোন বিষয়টা নিয়ে আমার ভয়ে থাকা উচিত?
অনেক সৈন্যদল তোমাদের এখানে এসেছিল।
তুমি দেখেছো, কিন্তু আমাদের নবম সৈন্যদল,
দুনিয়ার সবচেয়ে বিপদজনক যা তুমি দেখতে চাও।
আমাদের একজন সেনাপতি আছেন।
এই...
...এই ব্যক্তি...
...তার হাতিয়ার তলোয়ার নয়।
তার হাতিয়ার হচ্ছো তুমি।
তোমার বাম বাহুকে শেষ করতে ডান বাহু ব্যবহার করছে, তোমার বাম চোখ সন্দেহ করছে ডান চোখকে
...এবং তুমি তা বোঝার আগেই...
...তুমি তোমার চোখকে বিদীর্ণ করবে...
...এবং তোমার কলিজাকে মুচড়িয়ে ফেলবে।
তোমার সবচেয়ে বড় ভয় যে...
...তার নাম অলাস প্লুটিয়াস।
সেনাপতি!
ওরা আমাদের একজন সৈন্যকে হত্যা করেছে, আবার এখন এসেছে যাতায়াতের নিরাপত্তার জন্য?
কোন জায়গার?
তাদের পবিত্র শ্মশান। এটাকে বলা হয় "দ্য আম্বার প্যালেস।"
এই অবস্থায়, আগের অলাস ওদেরকে ক্রুশ বদ্ধ্ব করে মেরে ফেলতো।
ওদের কাছে ভিটাস আছে। ভিটাস ওদের কয়েদী।
ওরা ভিটাসের প্রাণের বিনিময়ে নিরাপদ যাতায়াতের নিশ্চয়তা চায়।
ভিটাস মাত্র একা একজন।
এমন একজন যে তাদের কারাগারে বন্দী, এবং আমি জানতে চাই যে ও কী জানে।
-তুমি ঠিক আছো? -হ্যাঁ।
ঠিক আছি। আমি শুধু... মানে, আমার মনে হয় আমি পেয়েছি...
তুমি জানতে এ ব্যাপারে।
তুমি জানতে তারা তাদের রাজাকে বিসর্জন দিচ্ছে, জানতে না?
-তুমি এমনটা ঘটিয়েছো। -না, আমি না.. ঈশ্বরেরা।
ঈশ্বররা বলেছে।
বলে দাও তোমাদের লোকদের যে তাদের যাতায়াত নিরাপদ...
...আমাদের দলনেতাকে ফিরিয়ে দেবার বিনিময়ে।
-ক্যান্টির কসম, তোমাকে ধন্যবাদ। -যাও এখন আমাদের জায়গা থেকে।
ওর পিছু নাও। চার জন সৈন্য নিয়ে। দূর থেকে দেখবে ওকে।
No comments yet. Be the first to leave one.