처음 200줄입니다.
অনুবাদ এবং সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ
"ব্রাহ্মহত্যা" (ব্রহ্মদশা লাভ করে যে তাকে হত্যা করা মহাপাপ বলে ধার্য করা হতো। সে ব্রহ্মদশা সকলেই চাইলে লাভ করতে পারে যদি সে বিশ্বাস করে যে তার মধ্যে বিধাতা বিরাজ করে।)
টিভির মধ্যে চোখটা গ্লু দিয়ে লাগিয়ে ফেল। খাওয়ার নাম নাই, টিভি দেখা
একটা কেবল বক্স দাও। রেকর্ড করে পরে দেখবো।
- কম্পিউটার ক্লাসে গিয়েছিলি? - হ্যাঁ।
ক্লাসটাকে কী বলে ডাকা হয়?
কী বলে?
ম্যাগি-টেক।
- আম্মা! - আমার দিকে তাকা!
ঠিকমত ক্লাসে যাবি। নইলে তোর মাথা টিভির স্ক্রিনে ঠুকে দেব। বুঝেছিস?
- ছাড়ো না এখন! - কেন ছাড়ব?
টাকা কি বলদের গোয়া দিয়ে বের হয়?
মাদারচোত।
ফোনটা দাও।
- সারতাজ স্যারের ফোন! - দিতে বলেছি, দাও!
- কথা বললে কী সমস্যা? - ওই শিখ বদমাশটার সমস্যাটা কী?
ফোনটা সুইচ অফ করে দিচ্ছি।
গাড়িটা নিয়ে বাংলোতে চলে গেছে।
নায়ানিকার ক্যামেরা জায়গামতো সেট করা হয়েছে।
সে এখন বান্টির জন্য অপেক্ষা করছে।
চলে এসেছে ও। বান্টির পাশে বসেছে।
জুস, খাবার, সালাদ সব কিছু সময়মত পাস তো সেটে?
সেটের সবাই গাইতোন্ডের কথা বলছিল।
তোমার বন্ধু?
আমার বন্ধু?
কে বলেছে তোকে এটা?
কখনো বলেছি আমি তোকে যে গাইতোন্ডে আমার বন্ধু?
- বলেছি? - না।
- বলিনি, তাই না? - না।
তাহলে কে বলেছে তোকে?
বল আমাকে!
ম্যাম, কী হয়েছে?
তোকে একটা প্রশ্ন করেছি না?
কে বলেছে তোকে? তার ব্যাপারে কে জিজ্ঞেস করেছে তোকে?
তুই কি সেটে কাজ করতে যাস নাকি খোশগল্প করতে?
হচ্ছেটা কী?
বল! কে বলেছে তোকে?
কে বলেছে তোকে?
শালা।
- বেরিয়ে যাও ওখান থেকে। - কী হচ্ছে সেখানে?
মাদারচোত!
সে ক্যামেরাটা দেখে ফেলেছে! বেরিয়ে যাও ওখান থেকে!
সারতাজ সিং সাহেব।
গাইতোন্ডেকে জীবিত হিসেবে শেষবার আপনিই তো দেখেছিলেন?
কী চমৎকার একটা ভাগ্য ছিল গাইতোন্ডে ভাইয়ের!
পকেটে পাওয়া গেছে কিছু?
ভেঙে ফেল ওটা।
আর কিছু?
- এটা আপনার কাছে রেখে দিন। - আচ্ছা।
যাবার সময় ফেরত দিয়ে দেবেন। ট্রাফিকের ডিউটি করার সময় কাজে লাগবে।
- এটা কী? - এর পকেটে পাওয়া গেছে।
এসব খাবেন না।
আপনার লাউয়ের ডগা ধীরে ধীরে নেতিয়ে যাবে এসব খেলে।
সত্যি?
তাহলে, পুরুষ হতে হলে আমাকেও মেয়েদের পেটাতে হবে?
তুই কোন পুরুষ মানুষ?
দেখি তো।
তুই তো সুপারম্যান, তাই না?
দেখা।
গাইতোন্ডে কেন ফিরে আসলো?
২৫ দিনে কী ঘটবে?
সোজা পকেট্মার সিনু থেকে গাইতোন্ডে।
তোর ভাগ্যটা অনেক ভাল রে!
অঞ্জলি মেথুর।
দিল্লীর একজন সিনিয়র অফিসার।
তো?
ওকে বিয়ে করতে বলছিস?
সে তোর সাথে কথা বলবে।
তোর ভালোর জন্য।
এসবে জড়াস না তুই।
আমি বের হয়ে যাচ্ছি।
আজ রাতের পর, এই বালছাল থেকে দূরে থাকবো আমি।
বুঝেছিস?
যা, এখন চলে যা।
সে আমার সাথে আসছে।
সে আসবে না।
সে চলে যাবে, অনেক অনেক দূরে।
নিয়ে যা তাকে। সম্মানের সাথে।
ভাল করে খাতির যত্ন করিস। প্রথমবারের মতো এখানে এসেছে সে।
- চল! - ভাল করে সেবা যত্ন করিস।
যাওয়া যাক।
থামো!
বের হও!
ফোনটা দাও।
কোথায় তুমি?
টার্গেটের সাথেই, ওয়াদালায়।
ভক্তি পার্ক স্টেশনের কাছে।
সে ওখানে থেমেছে।
ওয়াদালায় নিয়ে চলুন।
মেয়েটাকে মেরে ফেলবে সে।
দুটো ট্রাক থেমেছে।
ট্রাক গুলো তার গাড়িটাকে অনুসরণ করছে।
মেয়েটাকে আলাদা গাড়িতে নিয়েছে সে।
টার্গেটকে অনুসরণ করো, আমি মেয়েটার পেছনে আছি।
সে আমার ইনফর্মার, ম্যাডাম। তাকে রক্ষা করবো কথা দিয়েছিলাম।
মেয়েটাকে আমি অনুসরণ করবো। লাইসেন্স নাম্বারটা টেক্সট করো।
বাল!
আমার মাল কোথায়?
কারতেকার বাচ্চা!
পেয়ে গেছি।
হ্যাঁ।
বাকি কাজের কী অবস্থা?
ইন্টারপোল আর র চারদিকে উত পেতে বসে আছে।
এখন তোমাকে দেশের বাইরে পাঠানো কিছুটা মুশকিল।
তুমি না আমাকে কথা দিয়েছিলে...
মাল দিলে ১৭ই জুনের ভেতরে আমাকে দেশের বাইরে নিয়ে যাবে?
- হ্যাঁ, এখনও আমাদের হাতে ২০ দিন আছে। - আচ্ছা?
বান্টি তো একটা চুতিয়া!
আমাকে দেখে কী বলদ মনে হয়?
গাইতোন্ডের কারণে আজ আমি এই অবস্থায়। এখানে থেকে আমার কোন ফায়দা নেই।
- তোমার চুতিয়াগিরির সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই। - কিশোর, মাল লোডিং শুরু করো।
হেই! আমার কথা এখনও শেষ হয়নি।
তোকে দেখে নেব আমি, মাদারচোত!
তোর হোগায় ছাতা ঢুকিয়ে আবার বের না করেছি তো...
আমার নামও বান্টি না!
বুঝেছিস?
চল সব।
এর সাথে কী করবো, স্যার? পুলিশের লোক।
কাপড় এবং বডি আলাদা করে পুড়িয়ে ফেলবি।
রাজীব গান্ধিও এরকমটাই করেছিল।
শাহ বানুকে আলাদা জ্বালিয়েছে, দেশকে আলাদা।
১৯৮৬ সালে, শাহ বানুর স্বামী তাকে ডিভোর্স দিয়েছিল।
ও আদালতে এটা নিয়ে কেস করে এবং জেতে।
কিন্তু ওই সাবেক প্রধানমন্ত্রী, রাজিব গান্ধী, কোট পরা খবিশ
আদালতের রায় উলটে দেয়।
আর শাহ বানুকে মোল্লাদের হাতে ছেড়ে দেয়।
এর জন্য তাকে হিন্দুদের বিস্তর গালি সহ্য করতে হয়েছে।
তাদের খুশী করার জন্য টিভিতে রামায়ণের প্রচার শুরু করেন তিনি।
প্রত্যেক রোববার সকালে, পুরো দেশ টিভির সাথে একদম সেটে যেত!
বান্টিও তার ব্যাতিক্রম ছিল না।
বান্টি তখনই বুঝে গিয়েছিল, ভগবানের রাস্তা বেছে নিলে আরও অনেক গুলো রাস্তা খুলে যায়।
প্রধানমন্ত্রীর ওই ছোট্ট কৌশল পুরো দেশের প্রেক্ষাপট বদলে দিয়েছিল।
যতক্ষন না আমাদের মাতৃভূমিকে...
অই শুয়োরগুলোর হাত থেকে রক্ষা করা যাচ্ছে...
এই মাদারচোত, আমার ক্যাসেট ফিরিয়ে দে।
ফিরিয়ে দে বলছি!
মাদারচোত!
- এটা ভাঙছিস কেন? - চুপ কর, মাদারচোত
কি শুনছিলিস তুই?
মসজিদ ভাঙার কথা, মাদারচোত?
মাথা গেছে তোর? মসজিদ ভাঙার কথা ভাবছিস?
খানকির পোলা! আমার ক্যাসেট, যা ইচ্ছা তাই শুনবো! তাতে তোর বাপের কী?
- দেখা কী করতে পারিস! - দাঁড়া, দেখাচ্ছি।
তোর বোন আমার জন্য অপেক্ষা করছে।
তোরে আজকে খাইছি খানকির পোলা!
শালা চুতিয়া মাদারচোত!
কী করছেন এসব?
আবার আমার হোটেলে যদি মারামারি করিস, গরম পানির জায়গায় গরম তেল ছিটাবো বলে দিলাম
এই মুসলমান ছেলের সাথে কেন আছিস?
এই মাদারচোত, ঠিকমত কর না?
তোর চেয়ে বেশ ভাল আছে।
কী বললি খানকি?
বাদ দে।
তোকে আর তোর মুসলমান নাগরকে কেটে ফেলে দেব!
তুই নিজের চরকায় তেল দে! যা!
- বেশ্যার বাচ্চা! - এই বান্টি!
বাইরে বের হ!
বোন হয় তোর।
ছোট বাদ্রিয়া ওকে পছন্দ করে।
বাড়ি দেবে, সম্মান দেবে। তোর বোন সুখে থাকবে।
সে সুখী আছে আর তার বাড়িও আছে একটা।
ওকে মারা ছাড়া তোর তো আর কাজ নেই!
মেয়েদের মেরে কি পাস তুই?
মেয়েরা দেবীর মতো হয়।
না।
তোমাকে আমার মুখোমুখি করতে দাও না কেন?
আমার জাদু আস্বাদন করতে চাইলে আমার মতো করে করতে হবে।
এই ইসা কি সবার সামনে পুরুষদের এভাবে চুমায়?
- এভাবেই তারা একে ওপরকে স্বাগত জানায়। - কিন্তু, সেতো হ্যালো বলেনি।
এভাবেই তারা হ্যালো বলে।
ওই গাড়িটা আমার চাই।
কুক্কুর কাছে চা, সব পেয়ে যাবি।
কুক্কুর জাদুর রহস্যটা কী?
কখনোই কোন জাদুকরকে তার রহস্য বলতে বলবি না।
ভাই।
মন্দিরে গিয়েছিলাম। আপনার জন্য প্রসাদ নিয়ে এসেছি।
এটা?
প্লিজ, কিছুটা খান ভাই।
এটাও কি প্রসাদ?
না, স্যার।
এটা এডভান্স।
বিপিন মোরোয়াদের নির্বাচনে লড়ছে।
- জিতবে সে? - হ্যাঁ, স্যার।
জায়গাটা মারাঠিভাষী অধ্যুষিত।
কিছু গুজরাটি আর মারোয়ারি আছে, তবে তারা সবাই হিন্দু।
সে এখানে কেন এসেছে?
গোপালমঠের লালগর জায়গাটা... অই বস্তিটা
তারা তাকে ভোট দেবে না?
না।
ভাই, মুসলমানদের ভোট কীভাবে পাবো?
আমার কাছে কী সাহায্য চাও?
যদি মুসলমানরা ভোট দেয়, আমরা জিতবো।
আমি তোকে বলেছিলাম যে এই হিন্দু মুসলিম বালছালের মধ্যে জড়াবার ইচ্ছা আমার নেই।
এখানে আসো।
এ হচ্ছে বাদ্রিয়া।
একজন মুসলমান।
আমাদের সাথেই থাকে, খায়।
ও বান্টি।
দুর্গা মার ভক্ত।
এও আমাদের সাথে থাকে, খায়।
No comments yet. Be the first to leave one.