처음 200줄입니다.
🎫 অনুবাদ ও সম্পাদনায় 🎫 শান্ত কুমার দাস
💮 💮 Extraordinary You (어쩌다 발견한 하루) 💮 💮 🔸 🔷 অসাধারণ তুমি 🔷 🔸
নেটফ্লিক্স ভার্সন : এপিসোড-১৫
ডান-য়ো।
ডান-য়ো।
এক মিনিট।
তোমার সাথে এক মিনিট কথা বলতে পারি?
আমি মনে করি এটা নিশ্চয়ই ভালোবাসার শক্তির কারণে হয়েছে।
- ভালোবাসার শক্তি? - হুম।
অন্যথায় এই অলৌকিক ঘটনা ঘটার আর কী কারণ হতে পারে?
এটাতে তোমাকে দারুণ মানিয়েছে।
অবশ্যই। এটার আমাদের কাছে অনেক গুরুত্বপুর্ণ।
আংটিটা অনেক সুন্দর।
যাই হোক, তোমার মায়ের আংটির সাইজ আর আমার আংটির সাইজ নিশ্চয়ই একই। এটা একদম পার্ফেক্টভাবে আঙুলে বসে গেছে।
গেয়ং, কী হয়েছে?
অদ্ভুত তো।
- কী? - তুমি এইমাত্র...
- এইমাত্র আমাকে যেভাবে ডাকলে... - মনে হয় আমি জানি।
আংটিটা আমার হাতে সুন্দর লাগছে তাই?
আংটিটা সত্যিই অনেক সুন্দর।
যাই হোক, তোমার মায়ের আংটির সাইজ আর আমার আংটির সাইজ নিশ্চয়ই একই। এটা একদম পার্ফেক্টভাবে আঙুলে বসে গেছে।
ডান-য়ো।
ডান-য়ো।
তোমার সাথে এক মিনিট কথা বলতে পারি?
আমি চমকে গিয়েছিলাম। হা-রু, তুমি।
গেয়ং, হা-রু এসে গেছে।
তোমরা আজকে টেনিস প্রাকটিস করবে নাকি?
কী হয়েছিলো?
বলো।
কী হয়েছিলো?
প্রশ্নটা আমার তোকে জিজ্ঞেস করা উচিত।
ডান-য়োর সাথে তো তখন তুই ছিলি।
হয়তো এটাই ভালো হয়েছে।
কী?
সবকিছু আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে...
যেমনটা আমি চেয়েছিলাম।
হয়তো এটা ডান-য়োর জন্যও ভালো হয়েছে।
অন্তত ওকে আর স্টেজ ও শ্যাডোর জন্য কষ্ট পেতে হবে না।
হয়তো এটাই ভালো হয়েছে।
সবকিছু আবার তার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে গেছে...
যেমনটা আমি চেয়েছিলাম।
ক্যাফেটেরিয়ার সব কাজ কি তুমি একাই করো?
তোমার কোনো সাহায্য লাগবে?
না, আমি নিজেই সামলে নিতে পারবো।
তোমার কোনো বন্ধু নেই, তাই না?
তোমাকে দেখলেই বোঝা যায়।
তুমি আমার সাথে বারবার এরকম কেন কোরছো?
কারণ বারবার তুমি আমার চোখের সামনে পড়ো।
যদি তোমার কোনো বন্ধু না থেকে থাকে, তাহলে তুমি আমার সাথে বন্ধুত্ব করবে?
না, আমার কোনো বন্ধুর প্রয়োজন নেই।
উত্তরটা শুনে কেন মনে হলো যে তুমি হ্যা বলেছো?
ডান-য়ো...
ডান-য়োর স্মৃতি হারিয়ে গেছে।
তুমি...
আমাকে আমার অতীতের অবস্থা স্মরণ করিয়ে দিলে।
আমার অবস্থাও ঠিক এরকমই হয়েছিলো...
যখন আমি ওকে হারিয়েছিলাম।
তুমি যদি এমন কোনো জায়গায় মারা যাও যেটা বইতে আঁকা নেই,
তুমি পুনরুজ্জীবিত হবে ঠিকই,
কিন্তু তোমার স্মৃতি হারিয়ে যাবে।
আমি যাকে ভালোবাসতাম তাকে চোখের সামনে মরতে দেখেও কিছু করতে পারি নি।
আমার গল্প শীঘ্রই শেষ হতে চলেছে,
কিন্তু আশা করি তুমি তোমার গল্প বদলাতে সক্ষম হবে।
সেই সময়ে, আমি আশা করেছিলাম যে তোমাদের দুজনের গল্প বদলে যাবে।
কিন্তু আমি কখনোই আশা করিনি যে তোমার বদলানো স্টেজগুলোর জন্য গল্পটা ট্রাজেডিতে রূপ নিবে।
তার মানে যদি আমরা শ্যাডোতে মারা যাই,
আমাদের আত্মসচেতনতা হারিয়ে যাবে।
যদি গল্প শেষ হয়ে যায়,
তখন আমাদের কী হবে?
যতক্ষণ না পর্যন্ত লেখক পুনরায় আমাদের আঁকবেন...
আমরা গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকবো।
যদি লেখক আমাদের আর কখনোই না আঁকেন?
তাহলে আমার আর ডান-য়োর গল্প,
এই দুনিয়াতেই শেষ হয়ে যাবে, তাই না?
যদি তোমার চরিত্র লেখকের মনে বড় প্রভাব তৈরি করতে পারে,
কিংবা তোমাকে আঁকা যদি লেখকের কাছে সহজ মনে হয়,
তাহলে তোমার পরবর্তী গল্পে আবির্ভূত হওয়ার দারুণ একটা সুযোগ আছে।
ঠিক সু-হিয়াংয়ের মতো।
গল্প প্রায় শেষ হতে চলেছে, তাও লেখক পুনরায় ওকে এঁকেছেন।
যদিও আমি জানি না যে ওকে আঁকতে লেখকের কাছে সহজ মনে হয়েছে...
নাকি ওর চরিত্র লেখকের মনে প্রভাব ফেলেছিলো।
কিংবা উনার হয়তো আমার প্রতি করুণা হয়েছে আর তাই আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার জন্য ওকে এঁকেছে।
যখন নতুন কাউকে আঁকা হয়,
তখন অন্যদের নিশ্চিহ্ন হয়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে।
বিশেষ করে গল্প যখন প্রায়ই শেষ,
তখন তার কাছে যেকোনো একটা চরিত্রকে মুছে ফেলা কোনো ব্যাপারই না।
তো আমরা শেষ অবধি কখনো স্বাধীন হতে পারবো না?
এরকম সময়ে, আমাদেরকে লেখকের নজর এড়িয়ে চলতে হবে।
বিশেষ করে তোমাকে, কারণ তোমার সেট-আপ ততটা গুরুত্বপুর্ণ না।
জানো,
আমি চাই না গল্পের এই শেষ মুহুর্তে এসে তুমি আগেরবারের মতো আবার হারিয়ে যাও।
আর মাত্র কিছু পাতাই বাকি আছে।
লেখকের কাছে যে পাতাগুলো পড়ে আছে তা এই গল্পটার ইতি টানার জন্য।
কেন...
দেবী...
দেবী...
দেবী।
দেবী।
ডান-য়ো...
ডান-য়ো!
যাই করি না কেন, আমি আমার অনুভূতিগুলোকে নিয়ন্ত্রন করতে পারি না।
তুমি সেটা ভালো করেই জানো।
ঠিক এই ফুলটার মতোই, আমি সর্বদা আপনার অপেক্ষা করবো।
আর আমি আপনাকে...
রক্ষা করবো।
আমি তোমার জন্য অপেক্ষা করবো...
যতক্ষণ না আমাদের পুনরায় দেখা হয়।
আমি তোমাকে মনে রাখবো...
চিরকাল।
এইবার, যাই হয়ে যাক না কেন...
আমি...
তুমি...
তুমি সবকিছু জানতে, তাই না?
তুমি জানতে যে ওটা আমি করিনি।
ডান-য়োকে তুমি মেরেছিলে।
তো কী হয়েছে?
কিন্তু এবার সেটা হবে না।
কারণ ডান-য়োর সেট-আপ বদলে গেছে।
ওর দৃশ্যগুলো এখনো আমার সাথেই।
আর সেটাই ওকে পীড়া দেয়।
তখনও দিতো, এখনো দেয়।
আমি সত্যিকারের ডান-য়োকে খুঁজে বের করবো...
যাতে করে...
ও আবার ডান-য়ো হতে পারে।
ডান-য়ো।
হাই।
ওহ, হাই।
ডান-য়ো।
আমরা একই ক্লাসে পড়ি তো।
হুম।
গেয়ং কোথায়?
ডান-য়ো, তোমার মনে আছে?
"হার্টের রোগ আর দশ বছরের একতরফা ভালোবাসা। এটাই আমার সেটা-আপ।
যদি আমরা স্টোরিবোর্ড বদলাই, তাহলে তোমাকে, আমাকে আর অতিরিক্ত চরিত্র হয়ে থাকতে হবে না।
'চলো আমরা একসাথে...
মিলে আমাদের নিয়তি বদলাই।'"
সবচেয়ে ভালো ব্যাপারটা হলো যে এটা একটা রোমান্টিক কমিক বই।
অন্তত এখানে কেউ মারা যায় নি।
হেই, কোথায় ছিলে তুমি?
কী পড়ছো তুমি?
তুমি তো দেখছি এই বইয়ের একজন একনিষ্ঠ পাঠক, তাই না ?
তুমি এই ফালতু, সস্তা কমিক বইটা বারবার পড়ো।
আবার তুমি?
একটু আমাকে শান্তিতে থাকতে দেবে না....
কাম অন, আমি জানি যে আমি তোমার সাথে দেখা করতে আসলে তুমি খুশিই হও।
যাই হোক, লেখক ডান-য়োর হার্টকে সুস্থ করে দিয়েছেন।
এজন্য উনি প্রশংসার দাবিদার।
যদি উনি এত সহজেই ডান-য়োর হার্ট ঠিক করতে পারতেন, তাহলে গত দশ বছর ধরে ওকে এত কষ্ট কেন দিলেন?
ডান-য়ো!
হাই, দো-হোয়া।
অদ্ভুত তো।
এমন অনুভূতি হা-রু যখন আত্মসচেতন ছিলো না তখন হয়েছিলো।
ডান-য়ো।
হাই, দো-হোয়া।
মানে?
ওহ, আবার সেই রোমান্টিক কমিক বইয়ের ক্লিশে!
ঠিক আছে। আমি খুব খুশি যে ডান-য়ো পুরোপুরি সুস্থ হয়ে গেছে...
আর গেয়ংও ভালো হয়ে গেছে। আর এটা একটা হ্যাপি এন্ডিংয়ে মোড় নেবে। কিন্তু...
ডান-য়ো শুধু স্টেজে খুশি থাকলেই কী আর হবে?
শ্যাডোর আসল ডান-য়ো তো হারিয়ে গেছে।
এই ব্যাপারটা আমাকে তোমার স্মৃতি হারানোর ঘটনাটা মনে করিয়ে দেয়।
ডান-য়ো তখন খুব কষ্টে ছিলো।
হয়তো এটাই আমার শাস্তি।
আরে এসব কী বলছো?
এসব ঐ খামখেয়ালি লেখকের দোষ।
ঠিক বলেছো।
তাই আমি এখন থেকে নিজে যা চাই তা-ই করবো।
যদি এর জন্য কোনো মূল্য দিতেও হয়,
তাও আমি একবার চেষ্টা করে দেখবো।
আমাকে বিশ্বাস করো আর সবসময়ের মতো একসাথে কাজ করো। ঠিক আছে?
ঐ স্টুপিড লেখকটা তো...
তাই...
আমি এখন থেকে নিজে যা চাই তা-ই করবো।
যদি এর জন্য কোনো মূল্য দিতেও হয়, তাও আমি একবার চেষ্টা করে দেখবো।
ডান-য়ো।
হাই, আমার নাম হা-রু।
হুম, আমি তোমার নাম জানি।
- আমাকে দাও। - সমস্যা নেই।
আমি একাই নিয়ে যেতে পারি। ওগুলো অতটাও ভারী না।
আমি তোমার সাথে...
হাঁটতে চাই।
মেয়েটা ফুল হওয়ার আগে ছেলেটা কী করলো?
একবার দেখে নেয়া যাক।
নাম।
সে তার নাম ধরে ডেকেছে।
আর এর মানে কী?
এটা তার ইচ্ছা, প্রচেষ্টা ও অভিলাষকে প্রকাশ করে।
তাই সে শেষে ফুল হয়ে গেছে,
যার মানে তারা শেষ পর্যন্ত সত্যিকারের রিলেশনশীপ শুরু করে।
বুঝতে পেরেছো তোমরা?
- হ্যা। - হ্যা।
হাই।
ডান-য়ো।
আমার নাম...
তুমি আমাকে হা-রু নাম দিয়েছিলে...
এটা ভেবে যে আমি তোমার দিন বদলাতে পারবো।
আমি?
হুম।
প্লিজ মনে করো...
তুমি আমাকে যে নামটা দিয়েছিলে...
No comments yet. Be the first to leave one.