처음 200줄입니다.
যখন মূসা (আঃ) স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ আল্লাহ তোমাদের একটা গরু জবাই দিতে বলেছেন। তারা বললো,,
তুমি কি আমাদের সাথে ঠাট্টা করছ? মূসা (আঃ) বললেন, মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে আমি আল্লাহর আশ্রয় প্রার্থনা করছি। সূরা আল-বাকারা, আয়াত ৬৭
- অনুবাদ ও সম্পাদনায় - :.:.: F L A M Y T U H I N :.:.:
আমি দেখা করতে এসেছি।
এটা দেখা করার সময় নয়।
ওকে এখন ফাঁসি দেয়া হবে।
:.:.: BALLAD OF A WHITE COW :.:.:
আজ আমায় মুভি দেখাতে নিয়ে যাবে?
আজ হবে না।
আজ মঙ্গলবার। বাসায় কিছু কাজ আছে।
আমরা একসাথে বাসায় সিনেমা দেখব, ঠিকাছে?
মুখটা অমন করছ কেন?
এমন কিছু না। ব্যস একটু টায়ার্ড।
আমি আর স্কুলে যাবো না। কেন?
বল কেন যাবে না! ওদের একদম ভাল্লাগে না।
কী করেছে ওরা?
তোমার কি মনে হয় স্কুলে না গেলেও চলবে?
পড়ালেখা শিখতে হবে না?
কাজ-ও করবে না?
আমি কাজ করতে চাই না।
আমি তোমার স্যারের সাথে কথা বলব।
স্যার খুব বাজে। স্কুলটা একদম ভাল্লাগে না।
বড় হয়ে ভালো চাকরি করতে চাও না?
আমি কাজ করতে চাই না।
তাহলে বয়স হলে আমার ভরণপোষণ করবে কিভাবে?
অনেকবার কল করেছি, কিন্তু তুমি রিসিভ করোনি।
ফ্যাক্টরিতে ফোন বন্ধ রাখতে হয়।
ফোন তুমি ফ্যাক্টরিতে বন্ধ রেখেছ।
আমি এলে তুমি কি বিরক্ত হও?
বিতা ঘুমোচ্ছে। এখন রাত ১১ টা। সকালে কাজে যেতে হবে।
মজা করছিলাম।
বাবা শুধু বিতার কথা বলে।
বলল মিনাকে বাসায় আসতে বোলো।
বাবার ধারণা বাবাকের জমা টাকা ছিল যেটা তুমি লুকিয়ে রেখেছ।
বোলো অফিস থেকে ছুটি দিচ্ছে না।
কালো পোশাক পরা বাদ দাও। মাঝেসাঝে নিজের কথাও ভাবো।
বাবাক চলে গেছে ১ বছর হয়ে গেল।
আমাদের কিছুই করার ছিল না। সবই কপালের লিখন।
জীবনে একটু রসকষ আনো।
নিজেকে আর কষ্ট দিও না।
এখানে বসো আমি আসছি, ঠিকাছে?
আসুন।
উনি কোনো পেনশন রেখে গেছেন? না।
ফাঁসি কবে হয়েছিল?
১ বছর আগে।
কথাটা আপনাকে আগে বলেছি। কবে?
কয়েকমাস আগে, যখন আবেদন করেছিলাম।
গ্যারান্টি দিতে পারবো না, তবে কর্তৃপক্ষের আপনাকে দেয়া উচিত।
বলতে পারেন কত? বধির সন্তানদের জন্য যা দেয়া হয়।
কত? মাসে ২০০,০০০ তুমান।
কিন্তু বোর্ডের সিদ্ধান্ত আসতে কয়েক সপ্তাহ লাগবে তো অপেক্ষা করতে হবে।
আপনার মেয়ের বয়স কত? ৭ বছর।
জন্মগত বধির? না।
কী হয়েছিল?
গর্ভাবস্থায় অনেক চাপে ছিলাম
তখন ওয়েলফেয়ারে সাহায্য চাননি কেন?
তখন আর্থিক অবস্থা ভালো ছিল বিধায় দরকার ছিল না।
মিনা, এত দেরি হলো যে?
সালাম। সালাম।
ওয়েলফেয়ার অফিসে গেছিলাম। কী বলল ওরা?
বোর্ডের সিদ্ধান্ত আসা অপেক্ষা করতে হবে।
তুচ্ছ একটা বিষয়ে ওরা সিদ্ধান্ত নিতে চায়।
আমি বাড়তি খাবার করেছি, খাবে?
থাক, লাগবে না। দুজনের জন্য কিছু বানিয়ে নেব।
তোমাদের জন্যই বাড়তি খাবার রান্না করলাম।
ধন্যবাদ। আমি বিতাকে রেখে আসছি।
ঠিকাছে, আমি অপেক্ষা করছি। ধন্যবাদ।
এই নাও। ধন্যবাদ।
ভাড়ার চিন্তা কোরো না। আমি আমার স্বামীর সাথে কথা বলেছি।
২-১ সপ্তাহের মধ্যে দিয়ে দেব। ওকে।
কিছু খালি বোতল জমা করেছি। তোমার জন্য নিয়ে আসি।
নাও।
অনেক ধন্যবাদ। ধন্যবাদ কীসের?
আসি। বাই।
আজ স্কুল কেমন গেল? যাচ্ছেতাই।
কেন? স্যারকে বলেছি আমি স্কুল ছেড়ে দিয়েছি।
এটা বললে কেন?
উনি আমাকে "শৃঙ্খলা" বিষয়ে ফেল করিয়েছেন।
ফেল করালো কেন?
জিমের ইউনিফর্ম ছিল না তাই।
আমাকে কিনে দিতে বলোনি কেন?
তোমার কাছে টাকা আছে?
হ্যাঁ, আছে। চিন্তা কোরো না।
বাবার কাছে টাকা চাওনা কেন?
বাবা অনেক দূরে চলে গেছে। এখন আর এখানে নেই।
অন্য কারাগারে?
বাবা কোনো কয়েদি ছিল না।
ওখানে কাজ করে আমাদের জন্য টাকা উপার্জন করত।
এখন অন্যকোথাও আছে, পড়াশোনা করছে।
জেল কী তুমি জানো?
মিসেস. এগবালি, মেইন অফিসে আসুন।
আমাকে ডেকেছেন? আপনার জন্য ফোন এসেছে।
জি?
বলুন কি সাহায্য করতে পারি?
হ্যাঁ, আমার ফোন বন্ধ ছিল। আপনি কে?
কাল কয়টায়?
সালাম।
সালাম। বসুন।
আপনি কি বাবাক পার্সার স্ত্রী? জি।
আর আপনি কি ওর ভাই?
জি। বাবার শরীর খারাপ তাই ওনার পক্ষ থেকে আমি এসেছি।
মাফ করবেন, তড়িঘড়ি করে তলব করলাম।
গতমাসে বাবাকের মামলার ১ম সাক্ষী আমাদের সাথে দেখা করেছেন।
তার দাবি ২য় সাক্ষী-ই আসল খুনি।
তাই আমরা আবার তদন্ত শুরু করি।
টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব থাকায়
একে-অপরকে দোষারোপ করছিল।
সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং ২য় জনের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে
এখন আমরা নিশ্চিত যে সেই আসল খুনি।
এটা আপনি কি বললেন?
বাবাকের ঘুষিতে রাশেদি শুধু অজ্ঞান হয়েছিল।
বাবাক যখন পালিয়ে যায়, রাশেদি তখনো জীবিত ছিল।
২য় সাক্ষী সেটা খেয়াল করার পর মাথায় আঘাত করে তাকে খুন করে।
উভয়ই কাছ থেকে রাশেদি অনেক টাকা পাওনা ছিল।
তাই বাবাক নিজেকে খুনি মনে করে,
এবং বিচারক-ও সেটাই ধরে নেয়।
আমরা এই মারাত্মক ভুলের জন্য মন থেকে গভীরভাবে অনুতপ্ত।
আমরা দায় স্বীকার করছি আর আপনাকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে।
প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির জন্য ক্ষতিপূরণ ২৭০ মিলিয়ন তুমান।
অবশ্য, এতে আপনার স্বামী আর আপনার ভাই ফিরে আসবে না,
কিন্তু কী আর করা! সব উপরওয়ালার মর্জি।
ইচ্ছা করলে খুনিকে দেখতে পারেন। সে আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে চায়।
তোমার বয়স এখনো কম।
ভাগ্যকে মেনে নিয়ে সম্মানের সহিত মেয়েকে বড় করে তোলো।
তোমাকে শক্ত হতে হবে। বাচ্চাটার আর কেউ নেই।
বাচ্চাটা তোমার মুখ দেখেই সব বুঝে যায়।
এটা খাও। একটু আরাম পাবে।
তোমাকে এখন ভুলে যাওয়ার পন্থা খুঁজতে হবে।
কেউ নেশা করে, কেউ মদ খায়, কেউ আমার মতো তুর্কি সিরিয়াল দেখে।
দোষী হোক বা নিরপরাধ, মানুষটা তো আর বেঁচে নেই।
এখন আর কিছু যায় আসে না।
তোমার জীবনের অমূল্য সম্পদ এখন কবরে শায়িত।
সময় নষ্ট করবেন না।
বিচারক আমিনি বা তার সহকারী কেউই আসেনি।
অভিযোগ থাকলে বিচারকের বিরুদ্ধে করুন।
প্রতিদিন এখানে আসেন কেন?
তাহলে যাবো কোথায়? সরাসরি কোর্টে যান।
তাদের বিরুদ্ধে তাদের কাছেই অভিযোগ করবো?
আমার নির্দোষ স্বামীকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে! আমি অভিযোগ জানাব কার কাছে?
আমাকে জিজ্ঞেস করছেন কেন? আমিতো কেবলমাত্র পাহারাদার।
তাহলে কার দরজায় কড়া নাড়ব?
আমার চিঠিটা আপিল কোর্টে পৌঁছে দিতে পারবেন?
চিঠি দিলে কি কিছু হবে? বসে লিখুন।
সালাম। সালাম।
আমার নাম রেজা।
আমি বাবাকের বন্ধু... আল্লাহ তাকে বেহেশত দান করুক।
আপনি কেমন আছেন?
বাবাকের মৃত্যুর খবর শুনে খুব খারাপ লেগেছে।
আমি তার দেয়া ঋণের টাকা ফেরত দিতে এসেছি।
বাবাক তো কোনো ঋণের কথা বলেনি।
আসলে, একটা কাজের উদ্দেশ্যে আমাকে টাকা দিয়েছিল।
আপনার নাম যেন কী?
আমি রেজা...এসফান্দিয়ারি।
আপনার বিয়ের আগে আমরা প্রায়সময় একসাথে থাকতাম।
জেলখানায় একবার দেখা করতে গেছিলাম।
কথাগুলো বাচ্চার সামনে বলা ঠিক হয়নি,
মাফ করবেন।
বিতা কানে শোনে না।
আপনি জানতেন বাবাক নিরপরাধ?
আসল খুনি স্বীকার করেছে।
আপনি সেটা জানতেন?
হ্যাঁ, শুনেছি।
আমি সত্যিই দুঃখিত।
কতটাকা ঋণ নিয়েছিলেন?
১০ লাখ টাকার মতো।
বাবাক কখনো এই ঋণের কথা বলেনি!
অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছি,
মাফ করবেন।
মাফ চাইতে হবে না। আপনি এসেছেন এটাই অনেক।
এই নিন।
এত তাড়াহুড়োর দরকার ছিল না।
টাকার তেমন প্রয়োজন ছিল না।
কখনো না কখনো টাকা দিতেই হবে।
আমি এখন যেতে পারি? দেরি হয়ে যাচ্ছে।
চলুন আপনাকে পৌঁছে দিই।
মেয়েকে স্কুল থেকে আনব তারপর কাজে যাব।
চলুন আমরা একসাথে ওকে নিয়ে আসি।
তাতে আপনারই কষ্ট হবে। আমার অফিস অনেকদূরে।
আমার সাথে গেলে তাড়াতাড়ি যেতে পারবেন।
আসলে, আরেকটা কারণ ছিল।
ব্যাংকে যাব বলে আজ শিফট বদল করেছি।
তাহলে আপনার মেয়ে কোথায় থাকবে?
ওরা বলেছে মেয়ে সাথে থাকলে সমস্যা নাই।
তেহরানে আপনার কোনো আত্মীয় আছে?
এখানে আমার একজন ভালো প্রতিবেশী আছে।
টাকার জন্য ধন্যবাদ।
এটাই আমার দায়িত্ব ছিল।
আজকাল "দায়িত্ব" বলে কিছু নেই।
অন্যায়ভাবে যারা আমার স্বামীকে ফাঁসি দিয়েছে, তারা ভাবে এখনো জবাবদিহিতার সময় আসেনি।
অন্যায়ভাবে ফাঁসি দিয়েছে বলছেন কেন?
যখন বাবাক বলছিল আমি নির্দোষ কেউ তার কথা বিশ্বাস করেনি।
নিজের অপরাধ স্বীকারে তাকে বাধ্য করা হয়।
এখন তারা ভাবে ক্ষতিপূরণ দিয়ে আরেকজনকে ফাঁসিতে ঝোলালে সব শেষ।
এখন আপনার হাতে কিছুই নেই।
আমার হাতে কখনো কিছুই ছিল না।
যদি ওদের ধরে শাস্তি দিতে পারতাম!
তারা কিছুই জানত না।
মৃত্যুর ওপর আমাদের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।
তাহলে বাবাকের মৃত্যুর দায় কে নেবে?
আমি জানি না,
No comments yet. Be the first to leave one.