처음 200줄입니다.
সিনেমা : AGNYATHAVASI ভাষা : কানাড়া
সুমা!
মঞ্জু!
মা!
ভাবানুবাদ ও সম্পাদনা : সুদীপ চক্রবর্তী।
নমস্কার, অনন্ত দাদা।
ইনি কে?
ওহ, ইনি অনন্ত দাদা।
চুক্কি!
তোমাকে এটা দেবো না!
আমাকে ধরতে পারবে না!
দে বলছি!
দেবো না!
চুক্কি!
ধরেছি! - টোপি আঙ্কেল এসেছে!
ব্যাগটা নে।
স্যার,
স্যার, আপনাকে সাহায্য করতে পারি?
জানোই তো, অনন্ত দাদা, ওনার মা কেবল নিজের করা রান্নাই খান।
এটা নাও, প্লিজ।
এদিকে দেখো।
চুক্কি। ঘুরে দাঁড়া।
স্যার, আপনি দশ বছর পর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করছেন।
আর তারা এইবারও এলো না?
জানো তো, তারা কী রকম? তাদের কেউ ফোনও ধরে না।
তাদের চিঠি লিখেছি। নিশ্চয়ই তারা ব্যস্ত আছে।
যেন তাদের জন্য তিনি যথেষ্ট করেন নি।
তিনি তার ভাইবোনদের একটু বেশি প্রশ্রয় দিতেন।
অসহায় চুক্কি। তার কাকা-কাকিমা তাকে দেখতে কখনো আসে নি।
তবুও...
আপনি তোমার ভাইবোনদের নিজের সন্তানের মত যত্ন নিয়েছেন।
আর যখন ভালো দিন এলো, আপনার মা চলে গেলেন।
এটাই সময়ের খেলা।
অনন্তু, জীপটা নিয়ে যাও।
আর দুপুরে আসতে ভুলো না।
সোনা,
কাকুকে জিপের চাবিটা দিয়ে দে।
স্যার, মুদিখানার কিছু আনতে হবে? কোনোভাবে সাহায্য করতে পারি কি?
অনন্তু, আজকের দিনটা শুধু আমার জন্য, সব কাজ আমিই করবো।
আমি শুধু চাই, আজ দুপুরে সবাই যেন তৃপ্তির সাথে খেতে পারে। ব্যস, এইটুকুই।
টোপি কাকু! - হ্যাঁ, বাবু!
এই নাও চাবি।
ধন্যবাদ!
টোপি কাকু, ও তোমাকে ছাড়বে না। ও তোমার সাথে আসবে!
হে ভগবান! ইন্সপেক্টরের মোরগটা এখানে!
ও শুধু নন-ভেজ খায়।
আরে নিঙ্গা, বাড়ি থেকে মুরগীর মাংস আনতে পারিস নি?
চুপ কর! জানো না আজ ইন্সপেক্টরের মায়ের শ্রাদ্ধ? আচারিক পবিত্রতা রাখতে হবে।
আর স্যার এইসব বিষয়ে খুবই কড়া।
হে ভগবান, আমাকে রক্ষা করো।
ভগবান আমাদের আশীর্বাদ করো!
কুমার, আজ আমাদের ছোট্ট বাড়িতে মিঃ নিঙ্গাপ্পার আসার কারণ কি?
স্যার, মনে হয় গত রাতে একটা হাতি আমাদের বাড়িতে ঢুকে পড়েছিল।
দয়া করে আমাকে অভিযোগ ফর্মটা দিন।
কুমার, তুমিও কি হাতিটা দেখেছো?
একটা পিঁপড়েও না, স্যার!
ওকে ফর্মটা দিলে, ও বন দপ্তরে ছুটে গিয়ে ক্ষতিপূরণ চাইবে।
এটা তাদের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে, স্যার।
হাতিটা কি তোমার কোন ক্ষতি করেছে?
১০টা কলাগাছ, ৩০টা গাছের চারা, আর...
দুই কাঁদি কলা। সব শেষ!
আর এটা?
ভাগ্যক্রমে এটা বেঁচে গেছে। তাই আপনার জন্য এনেছি।
তুমি ছাড়া আর কেউ কি হাতিটাকে দেখেছে?
স্যার, হাতিটা আমার বাড়ি থেকে তিন মাইল দূরে মল ত্যাগ করেছে! আপনি এসে দেখতে পারেন!
ওয়াক! আমি মল দেখতে যাবো কেন!
কুমার, তুমি গিয়ে একবার দেখে আসছো না কেন?
স্যার, আমাদের অনুষ্ঠানে যেতে হবে।
ওহ হ্যাঁ, ভুলেই গিয়েছিলাম।
নিঙ্গা, আজ তোমার কাজ হবে না। কাল এসো।
এখন যেতে পারো।
এইই!
আমার সময় নষ্ট করল। এই স্টেশন খোলার পর থেকে কিছুই এগোয়নি।
আম্মাচি! একটা শয়তানী!
আরে নিঙ্গা! দাঁড়া! কোথায় পালাচ্ছিস, হারামজাদা!
কি খবর আম্মাচি? এত সকালে এখানে কেন?
এই নিঙ্গা একটা আলসে হারামি। সবসময় কোনো না কোনো অজুহাতে টাকা চায়।
আর যখন আমার প্রাপ্য চাই, অজুহাত দেখায়!
বেকার কুত্তা!
অনন্ত দাদা, আপনাকে বারবার জিজ্ঞাসা করছি।
কিন্তু আপনি এড়িয়ে যাচ্ছেন। ব্যাপারটার কি হলো?
দয়া করে আপনার মেয়ে পঙ্কজাকে উপদেশ দিন।
সে সর্বদা চন্দ্রশেখরের বাড়িতে থাকে কেন?
ভাগ্য শুধু তারার উপর নির্ভর করে না।
জ্যোতিষের চেয়ে মানুষের মতামতই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
মেয়ের বিয়ে দেওয়া কোনো হাসির কথা নয়।
প্রথমে সব গুজব ছড়ানো লোকদের চুপ করান,
তারপর আমরা তার কুষ্ঠিতে খারাপ তারার সমাধান করবো।
তার কুষ্ঠি দেখে বলুন, ওর বিয়ে কবে হতে পারে?
ওর বিয়ের বয়স তো পার হয়ে গেছে।
সে কিছু শেখার জন্য চন্দ্রশেখরের বাড়িতে যায়।
আমি এসব বুঝি না।
আজ এখানে এত দূর এসেছো কেন, আম্মাচি?
কারণ...
... ছাদ এখনো মেরামত হয়নি, আর বর্ষা এসে গেছে।
স্টেশনটি খোলার পর থেকে, এটা করাই আমার কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্যার হয়তো ভুলে গেছেন, কিন্তু এটা এখনও ঠিক করাতে হবে।
তাই, তাকে মনে করাতে এসেছি।
তাহলে তিনি আজ আসবেন না?
আম্মাচি, তুমি ভুলে গেছো? আজ মৃত্যুবার্ষিকী।
আজ নাকি? ভুলে গেছিলাম।
কতদিন হল?
২৫ বছর!
সময় চলে যাচ্ছে।
অসহায় মহিলা!
তিনি অনেক কষ্ট পেয়েছেন। আর ঠিক যখন, সব কিছু ঠিক হতে শুরু করেছিল...
তো, তাদের মধ্যে কেউ আসে নি?
অকৃতজ্ঞের দল।
শীঘ্রই আসছি। রাগ কোরো না, প্লিজ।
রোহিত, সন্ধ্যায় এসো। অপেক্ষায় থাকবো।
কিছু খাচ্ছো না কেন?
আজ সোমবার। মাংস খাই না, কাকু।
বস... বস?
তিনি উত্তর দিচ্ছেন না কেন?
বস...
শ্রীনিবাসিয়া মারা গেছেন।
নমস্কার স্যার। শ্রীনিবাসিয়ার একমাত্র ছেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
খুঁজতে থাকো, হয়তো চিঠিপত্রে তার ঠিকানা পাবে।
ঠিক আছে, স্যার।
চুপ করো!
চুপ করো।
এটা খুন।
শ্রীনিবাসিয়াকে খুন করা হয়েছে।
বাবা...?
বাবা...
কী খুঁজছো, বাবা?
ঠাকুমার ছবি খুঁজছি, সোনা।
বাবা!
কী করছিস! পড়ে গিয়ে আহত হলে কী হতো?
মুখে মুখে কথা বললে মজা দেখাবো!
সে আমার কথা কখনোই শোনে না! - শুধু ছবিটা নেবার চেষ্টা করছিলাম।
আয়।
সাবধানে, যদি তোর কোনো ক্ষতি হতো?
বাবু, এটা তোর ঠাকুরমা। আমার মা।
সুন্দর!
এখন তাড়াতাড়ি চান করে তৈরি হয়ে নে, ঠিক আছে?
মা...
সে তোমারই মতো। খুব তাড়াতাড়ি রেগে যায়!
অনন্তু, জিপটা নিয়ে যাও। দুপুরে আসতে ভুলো না
বাবু, কাকুকে জিপের চাবিটা দে তো।
সোনা, ঠাকুমার জন্য ঘি ঢালো।
সোনা?
আমি এখানে।
এসো,
খেয়ে নেওয়া যাক। - অবশ্যই, স্যার।
রাজমিস্ত্রি এসেছিল। স্টেশনের ছাদ মেরামত করতে।
আরো কিছু খাও। - না স্যার, যথেষ্ট হয়ে গেছে।
এই নাও, খাও।
বাবা, পায়েসটা অসাধারণ হয়েছে!
স্যার, কেঞ্চাকে ভাজাভুজি দিন।
সে অপেক্ষা করছে।
কেঞ্চা, খাবার মশলাদার হয় নি?
বিদায় চুক্কি! - বিদায় টোপি কাকা।
দেখা হবে, স্যার। বিদায়।
স্যার,
শ্রীনিবাসিয়া আর নেই।
শ্রীনিবাসিয়া আর নেই।
ওটা আমাকে দিন, স্যার। আমি সামলে নেবো।
গিয়ে তৈরি হোন।
আমরা এখনো পদ্মানবের ছেলের কাগজপত্র পাইনি।
ওরা যখন তাড়া দেয়, তখন ভীষণ বিরক্ত লাগে।
শুধু আমি নই, পুরো স্টাফেরই এই সমস্যা।
সবাই যদি দেশ ছেড়ে চলে যায়, তাহলে থাকবে কে?
বুড়ো বুড়িরাই, মনে হয়।
ছেড়ে দিন।
তরুণরা সবসময় আকাশে উড়তে চায়।
যখন তাদের ডানা ক্লান্ত হয়, তখনই তাদের গাছটার কথা মনে পড়ে।
আর নিজেদের বাসায় ফিরে আসে।
নমস্কার, স্যার। শ্রীনিবাসিয়ার একমাত্র ছেলের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
খোঁজ চালিয়ে যাও। তার চিঠিগুলোতেই ঠিকানা থাকতে পারে।
ঠিক আছে, স্যার।
অনন্ত, দেখো এরপর কী করা যায়।
কুমার। - স্যার!
বাপ রে! শয়তান! এবার গেলাম!
সরে যাও।
উঠে দাঁড়াও। জায়গা দাও।
এসো, তাড়াহুড়ো কোরো না।
ধীরে ধীরে।
কুমার!
হ্যাঁ, আসছি।
পথ ছাড়ো।
স্যার, ওই ঘরটা খুলতে পারছি না।
হয়তো ওখানে কোনো ঠিকানা পেতে পারি।
মারা!
এই, মারাকে দেখেছো?
হ্যাঁ, সে বাইরে ছিল।
মারা!
চুপ করো!
এটা একটা খুন!
কেউ শ্রীনিবাসিয়াকে খুন করেছে!
এই স্টেশনটি প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে।
একটাও মামলা দায়ের হয়নি।
হঠাৎ সে আসল পুলিশের মতো আচরণ করছে কেন?
স্যার, কিভাবে নিশ্চিত হচ্ছেন, যে এটা খুন?
লাশটা হাসপাতালে নিয়ে যাও। আমি ডাক্তারের সাথে কথা বলবো।
ওসব নিয়ে চিন্তা করো না, তুমি আমার সাথে চলো।
স্যার, আপনাকে জিজ্ঞাসা করতে চাইছিলাম...
স্টেশনের ছাদ মেরামত কবে থেকে শুরু করতে পারবো?
এটা আগে শেষ করা যাক, ঠিক আছে?
পোস্ট-মর্টেম আমাদের রীতিতে নেই।
No comments yet. Be the first to leave one.