처음 200줄입니다.
অনুবাদ আয়োজনে Team Thambi -টিম থাম্বি
তারা এসে জিজ্ঞেস করবে...
গরিবদের কষ্টের সময় তুমি কী করেছিলে?
যখন তাদের কোমলতা এবং জীবন ভস্মীভূত হচ্ছিল?
ওট্টো রেনে কাস্তিলো।
"সত্য ঘটনার উপর ভিত্তি করে নির্মিত"।
ওখানে বসুন। সবকিছু প্রস্তুত।
পালাক্কাড়, ১৯৯৬
- ভিজেশ, পেছনের ফোকাস ঠিক আছে? - অবশ্যই।
- প্লিজ তালগোল পাকিও না। - না, না।
এই তো।
কথা বলার সময় স্বাভাবিকভাবে ক্যামেরার দিকে তাকাতে পারেন।
- না তাকালে সমস্যা আছে? - না। তো শুরু করা যাক?
- আমার নাম প্রকাশ করবো? - জি, আপনার নাম দিয়েই শুরু করুন।
আমার নাম রাকেশ। হয়তো ইতোমধ্যেই জানেন...
সাম্প্রতিক কিছু ঘটনার সাথে যোগসাজশে পুলিশ আমায় খুঁজছে।
তো এখন আপনি একজন পলাতকের সাথে কথা বলছেন।
গোটা কেরালার খবরে 'আপনার কর্মকান্ড'।
এ ব্যাপারে আরো কিছু বলবেন?
সেটাতে যাবার আগে...
আমি বর্তমান আদিবাসী ভূমি আইনের সংশোধনীটি বুঝিয়ে বলি।
কেরালার বিধান সভায় ১৪০ জন সদস্য রয়েছেন।
সকল সদস্য আইনের পক্ষে ভোট দিয়েছেন।
একমাত্র কমরেড কেআর গৌরিয়াম্মা এর বিরোধিতা করেছেন।
আইনপ্রণেতারা কি আদিবাসী সম্প্রদায়ের সাথে কথা বলেছিল?
ওনাদের কতজন তাদের বর্তমান জীবনাবস্থার কথা জানেন?
তারা ক্ষুধায় মারা গেলেও কারো কোনো সাড়া পাওয়া যায় না।
এসবের জন্য কে দায়ী?
তারা আদিবাসীদের ঘরছাড়া করতেই নতুন আইন করেছে।
তাদের উদ্দেশ্য কী?
ও মাতৃভূমি, বনের কান্না শুনছো কি তুমি?
বনের কান্না শুনছো কি তুমি?
আর দেখেছো ওদের অট্টহাসি?
যখন কাঁদছিল আমাদের বন?
ও মাতৃভূমি, বনের কান্না শুনছো কি তুমি?
বনের কান্না শুনছো কি তুমি?
আর দেখেছো ওদের অট্টহাসি?
যখন কাঁদছিল আমাদের বন?
ক্ষুধায় মোচড়াচ্ছে আমাদের পেট,
নেই কোনো প্রজাপতি কিংবা মৌচাক,
মাটি এবং গাছ গেছে মরে,
এদিকে আমরা লুকিয়ে মরি গাছের বাকল চেয়ে,
নদী গেছে শুকিয়ে,
রয়েছে শুধু দুর্গন্ধ আর উষ্ণতা,
থাকতাম আমরা যে বনে,
হারিয়েছে সেটা চিরতরে।
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ আকতার হোসেন ۞ মৃদুল সরকার শান্ত কুমার দাস ۞ ইমরুল হাসান নাসিম
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ সুমন হোসেন ۞ ইমতিয়াজ উদ্দিন হাবিবুল্লাহ কায়সার ۞ মোঃ নাজমুল হক সাব্বির
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ সাকিব সরোয়ার ۞ সোহাগ দাস আহমেদ শুভ্র ۞ শাহরিয়ার হোসেন
অনুবাদ অংশগ্রহণেঃ জায়েদ আল আরাফ শিহাব রবিউল আওয়াল জীবন তানভীর হোসেন(Brad Delson)
আজাদ?
- লাঠিটা ফেলে দে। - না।
ওই, এটা আমার লাঠি।
সম্পাদনায়ঃ রবিউল আওয়াল জীবন তানভীর হোসেন(Brad Delson)
PADA
সোনা।
রোজা?
ওঠ।
আজাদ।
ওঠ বাবা।
ওঠ।
আরে ওঠ।
আজাদ, ওঠ ওঠ ওঠ।
কী কারণে চাই সেটা শুনবো না তবে আমার নাম যেন না আসে।
চিন্তা করো না।
- বাস স্ট্যান্ড কোথায়? - এদিকে।
আচ্ছা, দেখা হবে তাহলে।
কী এক জঘন্য ব্যবস্থা!
একদম বিরক্তি চলে আসে। যেন আমরা ৫০ বছর পেছনে রয়েছি।
আবার গেল!
আরাবিন্দ, চুপচাপ কেন তুমি?
এটাই নাম্বার?
তো আমার চুপচাপ থাকার কারণ জানতে চাও?
তুমি নিজের আদর্শের কথাবার্তা দিয়ে দুনিয়াটা বদলাতে চাও।
চালিয়ে যাও।
তেমন কোনো পরিকল্পনা নেই আমার।
আরাবিন্দ, তোমার ফোন এসেছে।
আচ্ছা তাহলে।
যারা তাদের বাগানে পানি দিতো।
যারা তাদের বাগানে পানি দিতো।
যারা তাদের পোষা কুকুরদের দেখভাল করতো।
যারা তাদের...
কী ব্যাপার, এটাকে পাবলিক বুথে পরিণত করেছো না-কি?
হ্যালো।
সব ঠিকভাবে চলছে?
আমায় কিছু করতে হবে?
বালু বা রাকেশের সাথে যোগাযোগ করবো?
সেখানে পৌঁছে ফোন করবো।
একদম ভোরে পৌঁছাবো।
সেলাই মেশিনটা এতদূর নিয়ে যাবার কথা আমি কল্পনাও করতে পারি না।
নিয়ে তো আমিই যাচ্ছি, তাই না?
কিন্তু বাকিটা পথ তো আমাকেই নিয়ে যেতে হবে।
রিক্সা দিয়ে নিতে ৫০ টাকা খরচ হবে।
টাকা ৫০ টা তোমাকেই দিতে হবে, বালু।
সমস্যা নাই, আমিই দেবো।
তাহলে এখনই দাও।
পরে আবার বলবে ভুলে গেছি।
বাবা, তুমি আমাদের সাথে আসবে না?
প্ল্যান বদলে গেছে, সোনা। আমাদের বোকা বানানো হয়েছে।
এখন আমাদেরকেই সবকিছু নিতে হবে।
আমরা কি আর এখানে আসবো না? আমার এই জায়গাটা অনেক ভালো লাগে।
তোর তো সেখানেও বন্ধু আছে।
তোমরা কোথায় যাচ্ছ বাবা?
- অনেক জরুরী কাজ আছে। - কী জরুরী কাজ?
ফিরে এসে বলবো।
কখন ফিরবে?
অল্প সময়ের মধ্যেই চলে আসবো।
আমি জানি তুমি অনেক দিনের জন্য যাচ্ছো।
ধরো এটা।
চল সোনা।
এসো।
যা।
আমরা এই সেলাই মেশিনটা কী করবো?
বাসের পিছনে বেঁধে রাখবো এটা।
তার মানে কন্ডাক্টারের সাথে ঝামেলা নিশ্চিত।
- আমরা কখন আসবো? - তুই যখন চাইবি তখনই আসতে পারবি।
থুম্বি আর সিমার কী হবে?
তুই কি তাদেরকে বলিসনি, রোজা?
আমরা আসলে কবে ফিরবো?
থামো।
তাড়াতাড়ি করো, ব্যাগটা আমাকে দাও, ঢুকো।
- সব বই নিয়ে এসেছিস? - হ্যাঁ।
- ভাই এর খেয়াল রাখবি, ঠিক আছে? - হ্যাঁ।
তোর ঘড়িটা আমাকে দিবি?
কেন? বন্ধক রাখতে চাও নাকি?
এটা বন্ধক রেখে আমি কী পাবো?
ভাই, এটা একটু এখানে রাখতে পারবেন?
পরের স্টপে যাত্রী উঠবে।
আমাদের স্টপ আসলেই এটা নামিয়ে দিবো ইতোমধ্যে সেখানে লোক চলে আসছে।
- আরে ভাই... - চিন্তা করবেন না, চলেন।
ওরা ওই স্টপে অপেক্ষা করছে।
ভাইয়ের খেয়াল রাখিস মা?
মিনির ল্যাবে ফোন করে তোমার খোঁজ নিতে পারবো?
না, আমিই ফোন করবো।
বাচ্চাদের খেয়াল রেখো।
সোনারা ভালো মতো থাকবে, বুঝেছো।
- পরে কি এটা ফেরত দিবে? - অবশ্যই, এসেই ফেরত দিব।
তোমরা মিষ্টি কিনে খেও।
- দুই ভাইবোন ঝগড়া করবে না, ঠিক আছে? - ঠিক আছে।
কাউন্টার থেকে পেয়ে যাবে।
ঠিক আছে, চলো।
কেউ এসেছে?
আমি অনেকক্ষণ আগে এসেছি কাউকে তো এখনো দেখলাম না।
প্ল্যানে কোনো পরিবর্তন আছে?
সেটা সম্ভব না।
ওরা কারা?
রঘু, যে ফটোগ্রাফারটা মারা গেছে,
তার বাবা-মা।
আমরা গত মিটিংয়ে চুপচাপ ছিলাম, তাই না?
আমি কি ভুল কিছু বলেছিলাম?
- কমরেড, তারা কি তোমার নাম জানে? - না।
আমি ওইখানেই থাকবো।
- একটা চা দিন। - আচ্ছা।
এই যে টাকা।
- একটা লটারি নাও, বাছা। - না, দিদি।
এটা ভাগ্যের দেবি, বাছা।
নাও না একটা।
আমি সত্যিই পারবো না, দিদি।
- সুকু, একটা চা। - আচ্ছা।
- চা খাবে, বাছা? - অর্ডার দিয়েছি।
স্যার, চা।
- সবাই আসা পর্যন্ত কি অপেক্ষা করবো? - দেখি।
আরাবিন্দের পাশের লোকটাকে দেখেছো?
সে পুলিশ।
সে বিন্দুর ভাই, আমি তাকে ভালো করেই চিনি।
সে কি তোমাকে দেখছে?
মনে হয় না।
আমাদের দোকানে যাওয়া উচিত ছিল, তোমাকে বলেছিলাম এখানে না আসতে।
- ওহ, তাই নাকি! - ওইদিকে তাকিও না।
- উসমান। - আরাবিন্দ এসে গেছে।
আরাবিন্দ ডাকছে তোমায়।
সে তোমাকে ডাকছে।
অন্ধ বেকার মানুষকে সাহায্য করুন।
লটারি কিনুন, নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করুন।
এখানে অনেক পুলিশ।
আমি এই প্ল্যানের কিছুই বুঝতে পারছি না, কুট্টি।
বাদ দাও।
- কী হয়েছে? - রাকেশ আর জোসেফ এখনো আসেনি।
আমি জোসেফকে ফোন দিয়েছিলাম, ও আসবে না।
- কিন্তু রাকেশ কোথায়? - অন্তত আমাদের ৪ জনকে ভেতরে যেতে হবে।
এটা কমরেড রবির দোষ। সে জোসেফকে নিল কেন।
- বালু, আজ এটা হতেই হবে। - আজ এটা করবোই।
জোসেফের বদলে কি আমি আসতে পারি?
বাইরে উসমান আছে।
তুমি কি নিশ্চিত, কমরেড?
হ্যাঁ, আমি নিশ্চিত।
কুট্টি সবকিছুতেই নিশ্চিত।
তাহলে রাকেশের জন্য অপেক্ষা করা যাক।
সাড়ে ১০ টা বেজে গেছে।
- তুমি বাড়ি যাও, মিনি। - আমি থাকছি, উসমান এসে গেছে।
আমরা চাই না কেউ তোমাকে আমাদের সাথে দেখুক।
যাও মিনি।
মিনি, এসো।
নদী রক্ষা কমিটি দীর্ঘজীবি হোক।
নদী রক্ষা কমিটি দীর্ঘজীবি হোক।
সবাই বলো "আর নয়"
সবাই বলো "আর নয়"
সবাই বলো, "আর নয়" বালি খনন"
মিনি, বোঝার চেষ্টা করো।
যাও এখন।
No comments yet. Be the first to leave one.