처음 200줄입니다.
সিক্রেট ফরেস্ট -
অনুবাদক পিয়াস ভৌমিক
[সাবটাইটেল ভালো লাগলে রেটিং এবং রিভিউ দিয়ে উৎসাহিত করবেন।]
সিক্রেট ফরেস্ট -
[এই ড্রামায় দেখানো সকল চরিত্র, সংস্থাগুলো, জায়গাগুলোর নাম এবং ঘটনাবলী সবকিছু কাল্পনিক।]
=(এপিসোড ১৪)=
তোমার সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ।
আরে এসব আবার বলতে হয় নাকি।
আমাদের ঠিক ওখানে কীভাবে দেখা হলো?
আচ্ছা,
ইয়ন-সু কি আবার গেংজেউং খেতে চাচ্ছিলো?
ও এর কথা অনেকদিন ধরে বলছিলো,
কিন্তু আমি ওদিকে ততোটা মনযোগ দেইনি।
আমার একমাত্র সন্তানের প্রতি আরো খেয়াল রাখা উচিত।
ও শুধু কঠিন কঠিন রেসিপির খাবার খেতে পছন্দ করে।
এই বছরটা নিশ্চয়ই আমাদের জন্য সৌভাগ্যের বছর।
তুমি অবশেষে তোমার বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ভুল প্রমাণ করতে পেরেছো।
ঈশ্বর।
এখন, আমার শুধু একটাই চাওয়া ইয়ন-সু যেন ভালো থাকে।
আমাদের মেয়েটা অনেক ভালোই আছে।
ওর এখন প্রেম করা উচিত।
আমি সত্যিই তার জন্য ভালো একটা ছেলে চাই।
এটাই আমার একমাত্র ইচ্ছা।
তুমি কী বলছো? এখন সময় পাল্টেছে।
ওহ ঈশ্বর, দেখো নিজের দিকে।
এখন সে সবার জন্য একটু বেশিই ভালো, তাই না?
তুমি একটা মেয়ে পাগল বাবা।
তুমি এ ধরণের কথাও বলতে জানো?
অবশ্যই আমি জানি। আমি এখনো তরুনী।
তুমি বুড়ো হয়ে গেছো।
আমি এখানে এসেছিলাম এই ভেবে যে হয়তো গা-ইয়ং এখানে থাকবে,
কিন্তু এখানে এসে মনে হলো না ভিতরে কেউ ছিলো।
যখন আমি বের হচ্ছিলাম,
আমার এখানের একজন বাসিন্দার
সাথে সিঁড়িতে দেখা হয়।
ঐসময়ে আমি উনাকে চিনতাম না,
তাই আমি চলে যাচ্ছিলাম।
কিন্তু হঠাৎ করে আমি নিচে থেকে চিৎকারের আওয়াজ শুনতে পাই।
তারপর আমি...
খুনের অস্ত্র দেখে মনে হচ্ছে, এটা একই খুনীর কাজ।
আপনি কি ভুক্তভোগীর কাছ থেকে কোনো কিছু পেয়েছেন?
না, কিছু না।
না উনার হাত-ব্যাগ না উনার ফোন।
মি. ইউং এর কাছে অবশ্যই বাসের টিকিট থাকবে।
প্লিজ সবকিছু চেক করে দেখবেন ও কোথায় কোথায় গিয়েছে।
আপনি কি ময়নাতদন্তের ঘরে যাবেন?
আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে গা-ইয়ং কোথায় আছে।
উনি এমন কীভাবে করতে পারে?
এমনকি আমিও অস্বস্তি বোধ করছি।
উনি কি আসলে মেয়েটার সাথে কাজ করতো?
উনি তাকে ভুক্তভোগী ডাকতেও দ্বিধাবোধ করেননি।
ন্যাশনাল ফরেন্সিক সার্ভিস
-এখানে রক্ত আছে, রক্তে পা দিও না। - আচ্ছা।
আপনি বলছেন এটাকে পানির সাথে মিশানো হয়েছে?
সে ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করার পরে এটা পড়েছিলো?
আপনি কী দেখেছেন সেটা আমাকে বলতে হবে প্লিজ।
প্লিজ কান্না বন্ধ করুন।
শুনেছি সিঁড়িতেও নাকি রক্তের ছিটা পড়ে আছে।
ব্যাপারটা একটু অদ্ভুত লাগছে না?
সে হয়তো এবার একটু তাড়ায় ছিলো।
না হলে...
ওটা ধরবেন না, প্লিজ!
আপনি এমন করছেন কেন? উনি একদম হতভম্ব হয়ে গেছেন।
মি. ইয়ুন, আমি আপনাকে বাড়ি ছেড়ে আসছি।
না।
আমি দুঃখিত।
তোরা দুইজন লয়াল বন্ধু।
তোদের কি ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগছে না?
সে কীভাবে লাশে হাত দিতে পারে একজন প্রসিকিউটর হওয়ার পরেও?
উনি হয়তো হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলেন।
আপনিও একই কাজ করতেন না যদি আমাকে আপনি এভাবে পেতেন?
কী?
ধ্যাত।
ঈশ্বর, সে পুরো ঘটনাস্থল লণ্ডভণ্ড করে ফেলেছে।
আমরা কী করব ঐ কুত্তারবাচ্চাটাকে ধরার জন্য?
আমরা তৈরি।
আপনি বললেন উনি আপনার সহকর্মী ছিলো। আপনি কী সহ্য করতে পারবেন?
প্লিজ শুরু করুন।
আচ্ছা।
না...
এখন নয়।
প্লিজ...
-সবকিছু বল। -আচ্ছা।
প্রথম ব্যক্তি যে লাশটা দেখেছেন তিনি হলেন
নতুন ভাড়াটিয়া যিনি গা-ইয়ং এর বাসায় থাকতো।
তো এখানে মনে হচ্ছে ভুক্তভোগী আগেই মৃত ছিলো তাকে খুঁজে পাওয়ার আগে।
পেটে এবং গলার পাশের ছুরিকাঘাতেই
সম্ভবত মৃত্যু ঘটেছে।
এটা দেখুন। তার মাথার পিছনে রক্ত জমাট বেঁধে কালশিটে পড়েছিলো।
এটা গা-ইয়ং এর আঘাতের মতো লাগছে।
খুনী কি তাকে ছুরিকাঘাত করার আগে মাথায় আঘাত করে অজ্ঞান করেছিলো?
আঘাতের গভীরতা দেখে মনে হচ্ছে সে আগেই অজ্ঞান ছিলো।
যদি সে সজ্ঞানে থেকে বাধাদান করতো,
তবে রক্ত আরো এলেমেলো ভাবে ছড়ানো থাকতো।
এবং রান্নাঘরের ছুড়িটারও একই ডিজাইন ছিলো
যেটা আমরা পার্ক মো-সাং এবং কিম গা-ইয়ং এর সিন থেকে পেয়েছিলাম।
-মনে হচ্ছে কি সিরিয়াল আছে? -একই খুনের অস্ত্র
এবং ক্রাইম সিন।
গা-ইয়ং'কে খুঁজে পাওয়া যায় আগের ভুক্তভোগীর বাসায়।
একই ব্যাপার হয়েছে মিস. ইউং এর সাথে।
তাকে খুঁজে পাওয়া গিয়েছে সেখানে যেখানে গা-ইয়ং আগে থাকতো।
কিন্তু এখানকার ঘটনাস্থল আগের গুলোর মতো
পরিস্কার করা ছিলো না।
রক্ত পুরো ঘরে ছিটানো ছিলো,
এবং বাথরুমেও ভুক্তভোগীর খানিকটা রক্ত পাওয়া গিয়েছে ।
বাথরুম থেকে সিঁড়ি পর্যন্ত রক্তের ফোঁটা পাওয়া গিয়েছে যেটায় জল মিশানো।
খুনী অবশ্যই বাথরুমের রক্তগুলো মোছার চেষ্টা করেছে
এবং যাওয়ার সময় এগুলো রেখে গিয়েছে।
আমরা বাথরুমে যেই তোয়ালেটা পেয়েছিলাম
ওটাতে কোনো রক্তের চিহ্ন ছিলো না।
যদি খুনী হাত ধোঁয়ার পরে তোয়ালে ব্যবহার করে না থাকে,
তাহলে তার হাত থেকে কিছুটা পানির ফোটা নিচে পড়ার কথা।
আপনার কি মনে হয় না এই কেসটা
আগের কেসগুলো থেকে ভিন্ন?
ময়নাতদন্তে কী এসেছে?
মাথায় আঘাত খাওয়া মৃত্যুর আসল কারণ নয়।
এছাড়া ধস্তাধস্তিরও কোনো নিশান নেই।
মৃত্যুর কারণ হলো ধমনী কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ।
মৃত্যুর নির্দিষ্ট সময় ধরা হয়েছে ময়নাতদন্তের
চার থেকে পাঁচ ঘন্টা আগে।
-তাহলে ঘটনাটা ঘটেছে ৫ টা থেকে ৭ টার মধ্যেই। -জি।
আমি তার চলাচলের জায়গার লিস্ট এনেছি।
সে সবসময় কাজে এসেছে ভূগর্ভস্থ রেলপথে।
কেবল এই ঘটনা ঘটার দিন এবং আগেরদিন একটু ভিন্ন ঘটেছে।
আর বাকি দিনগুলোতে
সে কেবল প্রসিকিউটর অফিস থেকে বাড়ি আসা-যাওয়া করেছে রেলপথে।
এই ঘটনার আগের দিন, সে মি. হোয়াং এর বাসা থেকে আমার বাসায় এসেছে,
তারপর বাড়ি চলে গিয়েছে।
সে হয়তো উনার বাসায় হেটে হেটে গিয়েছিলো।
সে তোর বাসায় আর উনার বাসায় কেন গিয়েছিল?
ঐদিন সে মি. হোয়াং এর বাড়িতে গিয়েছিলেন
তার একটি মেইল পৌঁছে দিতে।
-আর ঐদিন আমার বাসায় সবাই একসাথে ডিনার করেছিলাম। -মিস. ইউং!
-স্বাগত। -হ্যালো।
আমাদের যে বিষয়টা বেশি
গুরুত্ব দিতে হবে সেটা হলো
মিস. ইউং ঐ লোকটাকে দেখেছিল
যে মি. হোয়াং-য়ের বাসায় চুরি করে ঢুকেছিল।
এই লোকটা কে?
আমরা এখনও জানি না।
যদি এই লোকটা তাকে হত্যা করে থাকে,
সে হয়তো ভেবেছিলো মিস. ইউং তার চেহারা দেখেছে।
কেউ কেনো একজন প্রসিকিউটরের ঘরে প্রবেশ করবে?
সে কি কিছু চুরি করেছে?
না, কিছু চুরি হয়নি।
এটা একটা সতর্কতার মতো ছিলো।
আসলে মি. হোয়াং-ই
অস্ত্র আমদানি থামিয়েছিল।
কী?
কী?
হ্যাঁ, স্যার।
তার মানে কি হানজো, দ্যা বাহন অথবা জাতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
কেউ তাকে সতর্কতা দিয়েছে?
মুখ সামলে।
এমন ভয়ানক কাহিনী বানাইস না।
এখানে সবার শেষে যেই ব্যাপারটা দেখতে পাচ্ছি তা হলো সে একটা ট্যাক্সি নিয়েছিলো।
বিকেলে ৪টা ৪৭ এ, সে হেংদেং-দং এ নেমেছে।
এরপরে আর কিছু?
সে হেংদেং-দং এ থাকে।
তাকে কি সেখানে খুন করার পরে এখানে আনা হয়েছে?
অপরাধী হয়তো তাকে
তার বাসার আশেপাশে কোথাও থেকে তুলে এনেছে।
আচ্ছা, সবাই শুনো। একজন প্রসিকিউটর খুন হয়েছে।
এটা কপিক্যাট মার্ডার অথবা সিরিয়াল মার্ডার কেস যাজ হোক না কেন,
এই কেসটা একটা হাঙ্গামা ঘটাবে।
-ইয়েস,স্যার। -আজকের দিনের মধ্যেই কিছু না কিছু বের করতেই হবে।
-ইয়েস, স্যার। -ইয়েস, স্যার।
বুঝেছি, স্যার।
প্রসিকিউটর ইউং ইয়ন-সু
ধন্যবাদ তোমাদের পরিশ্রম করার জন্য।
আমি শোকাহত আপনার পদোন্নতির পরে
এমন একটা ঘটনার জন্য।
নিজেদের সর্বোচ্চটা দিবে।
পরে দেখা হচ্ছে।
একটু এদিকে আসো।
কিছু বলবেন?
শি-মকের ব্যাপারে কিছু জানো?
তিনি ঘটনাস্থল থেকে সোজা ময়নাতদন্তের হসপিটালে গিয়েছে।
ময়নাতদন্ত কয়েক ঘন্টা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে। এখনও কোনো খোঁজ খবর পাচ্ছি না কেনো?
আমি ফোন করে দেখছি।
তিনি ফোন ধরছেন না।
আচ্ছা, ধন্যবাদ।
আমি আর এসব সহ্য করতে পারছি না।
তার চিকিৎসা বৃত্তান্তে দেখলাম সে ইনসুলার কর্টেক্স সার্জারী করেছে। আপনি কি জানেন?
ইনসুলার কর্টেক্স?
এটা আমাদের মস্তিষ্কের এমন একটা অংশ যেটা আমাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করে।
সহজভাবে বললে, এটাই আমাদের মানুষ বানায়।
এটা ইচ্ছা, ভালো-লাগা এবং ঘৃণার মতো আবেগকে নিয়ন্ত্রণ করে।
তাহলে এই অংশটাকে সার্জারীর সময় কী করেছে?
নিশ্চয়ই তীব্র ব্যথা অনুভব করায়
এর কিছু অংশ এখান থেকে কেটে বাদ দেয়া হয়েছিলো।
অনেক সময় বেশি রিয়েকশন করে এমন ইনসুলার কর্টেক্স
বাইরের পরিবেশের অতিরিক্ত চাপ সহ্য করতে পারে না।
তিনি কি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির কারণে জ্ঞান হারিয়েছেন?
না, সেটা না।
ইনসুলার কর্টেক্স কেটে ফেলার ফলে মানুষ অনুভূতিহীন হয়ে যায়।
এছাড়াও ব্যক্তিত্বের পরিবর্তনের মতো কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
অন্যদিকে,
ইনসুলার কর্টেক্স কেটে ফেলার ফলে
তার তীক্ষ্ণ বুদ্ধির আরও বিকাশ ঘটতে পারে।
No comments yet. Be the first to leave one.