처음 200줄입니다.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
ইতিহাসের রহস্য, উপস্থাপক পিটার গ্রেভের সাথে।
যদিও কেউ কখনো তাঁদের অস্তিত্বের প্রমাণ দিতে পারেনি,
একটি তথাকথিত-সরকারী সংস্থা, মেন ইন ব্ল্যাক নামে পরিচিত,
ধারণা করা হয় তাঁরা পৃথিবীতে গোপন অভিযান পরিচালনা করে
ছায়াপথে ঘুরে বেড়ানো এলিয়েনদের হাত থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য।
তাঁদের "কখনো ঘটেনি" গল্পগুলোর একটি
MiB'র ফাইল থেকে জানাচ্ছি, যার কোনো অস্তিত্ব নেই।
১৯৭৮। যার্থা গ্রহের নেতারা তাঁদের গ্রহ থেকে উড়ে আসে...
শয়তানী কাইলোথিয়ান সেরেলিনার নিষ্ঠুরতা থেকে বাঁচতে।
পৃথিবীতে আসার সময়, যার্থানরা তাঁদের সাথে সবচেয়ে দামী ধনটি নিয়ে আসে।
যার্থার জ্যোতি, একটি প্রবল ক্ষমতাসম্পন্ন মহাজাগতিক শক্তি,
ভুল হাতে পরলে তা যার্থাকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে ফেলবে।
যার্থার রাজকুমারী, লরানা, মেন ইন ব্ল্যাকের কাছে মিনতি করে,
সেরলিনার থেকে জ্যোতিটি লুকিয়ে রাখার।
কিন্তু তাঁদের কোনো উপায় ছিলো না।
এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার অর্থ হচ্ছে, পৃথিবীর বিনাশ।
যাইহোক, ছায়াপথের দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমে মেন ইন ব্ল্যাক সেরলিনাকে দমন করে,
যার্থানবাসীকে পালানোর সুযোগ করে দেয়
যেন তাঁরা জ্যোতিটি আরেকটি গ্রহে লুকিয়ে ফেলতে পারে।
সেরলিনা, বন্দীদশা থেকে নিজেকে মুক্ত করে, জ্যোতিটি দখল করার জন্য আবার শপথ নেয়,
আর তাঁর পথে বাঁধা হওয়া প্রতিটি গ্রহকে ধ্বংস করে দিবে।
তারপর কি ঘটেছিলো কখনো জানা যায়নি,
পৃথিবীবাসী আরেকবার গোপন সংগঠনের মাধ্যমে রক্ষা পেল,
যা মেন ইন ব্ল্যাক নামে পরিচিত।
হার্ভি!
হার্ভি। এখানে এসো!
হার্ভি। আস্তে, আস্তে।
চাঁদ দেখে এমন ঘেউ-ঘেউ করছো তুমি, বেকুব।
হার্ভি! হার্ভি!
হার্ভি!
হ্যালো, সুন্দরী।
তোমার স্বাদ দারুণ।
এই, আরে...?
হ্যাঁ, তুমিও।
খেয়ালখুশি, উল্টা-পাল্টা কিছু করবে না এবার। নিয়ম মেনে চলবে।
বুঝেছি। অই!
উফ! এই, জেফ। কি হয়েছে, দোস্ত?
- তোমাকে এখানে দেখে আমরা অবাক। - কথা বল ব্যাটা!
তুমি আমাদের বন্দোবস্ত জানোই। তোমার E, F ও, R সাবওয়েতে থাকার কথা।
আর সেখানেই তুমি সব আবর্জনা পাবে।
এখানে কি করছিস রে, ফুলবাবু?
আ, টি। জেফ...
আমার পার্টনারকে মাফ করো। সে নতুন আর সে...
...মফিজ কিসিমের।
বড় হয়ে গেছো, জেফ। কোন দোকানের চাল খাও?
ও, তাহলে তুমি মজা পছন্দ করো?
জেফরি!
সমস্যা নেই।
শুভ রাত, ওস্তাদ।
শুভ রাত...
...ওস্তাদ।
পরিবহন কর্তৃপক্ষ, ভাইয়েরা। দয়া করে সামনের বগিতে চলে যান।
বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশে একটা পোকা ঢুকে পড়েছে।
আরে ভাইয়েরা! বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশে একটা পোকা ঢুকে পড়েছে।
এখন সবাই পালাচ্ছেন কেন?
না, না, না! বসুন!
মাত্র ৬০০ ফুটের কেঁচো।
- ঘাড় ধাক্কা দেওয়ার আগে সবাই বেড়িয়ে যান, - বগির সংযোগ খুলে দিয়ে জিনিসটিকে পিছু ছাড়ান।
আমি ক্যাপ্টেন ল্যারি ব্রিজওয়াটার। আমি ঠিক করবো কি হবে।
ও, তুমি ঠিক করবে? আচ্ছা, এসো। এসো।
ল্যারি, ওটা আমার দোস্ত, জেফ।
- ল্যারি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছে। - ল্যারির এখন ওখানে যাওয়া দরকার।
আমাকে বাধ্য করবে না, জেফ!
৮১ নাম্বার স্ট্রিট।
একটু দাঁড়ান।
আপনারা সবাই লক্ষ্য করবেন, প্লিজ?
আমাদের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করার জন্য ধন্যবাদ।
অবস্থা জরুরী ছিলো, আপনাদের প্রায় খেয়েই ফেলছিল।
কারণ আপনারা কথা শোনেন না, গোমূর্খের দল।
পুরুষরা কিভাবে হাতের কাজ করে...? নিউ ইয়র্ক বাসীর এটাই মূল সমস্যা।
"আমরা সবাই দেখেছি। একটা ৬০০ ফুট লম্বা কেঁচো! আমাদের বাঁচান কালো ভাই সাহেব!"
আপনাদের ভালো করেই বলেছি, "সামনের বগিতে চলে যান" আর সবাই এমন ভাবে বসেছিলেন যেন...
অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ।
আশা করছি, আপনারা আমাদের ছোট বৈদ্যুতিক ট্রেনের ভ্রমণ উপভোগ করেছেন।
দেখে শুনে চলবেন। আপনাদের সন্ধ্যা শুভ হোক।
৮১ নাম্বার আর সেন্ট্রাল পার্ক ওয়েস্টে পরিষ্কার করার লোক দরকার।
রেভোক জেফ অবৈধভাবে ঘোরাফেরা করছে।
চেম্বার স্ট্রিট স্টেশনে তাঁকে পাহারায় রাখুন।
আর দয়া করে ইউনিপড কেঁচোর ট্রানকুইলাইজারের এক্সপায়ার ডেট পরীক্ষা করে নিবেন।
দুঃখিত, ভাইয়েরা। স্টেশন বন্ধ।
- জরুরী কাজ চলছে, আপনাদের নিরাপত্তার জন্য। - এই ব্যাটাদের কথা বিশ্বাস হয় তোমার?
আপনারা ওয়েলকাম।
আমি জানি, নিয়ম মেনে চলবো।
টি, শেষ কবে আমরা তারাদের দিকে তাকিয়েছিলাম?
এটা একটা পরীক্ষা, আমি পারবো।
কখনো মনে হয়েছে, ব্রহ্মাণ্ডে তুমি একা?
হ্যাঁ।
না।
- চলো, তোমাকে পাই কেক কিনে দিই। - সত্যিই?
ধন্যবাদ।
শোনো, ব্রহ্মাণ্ডে তুমি একা নও।
- হাত সরাও। - আচ্ছা।
প্লিজ চার্লি, চুপ কর।
তোকে পিঠে বয়ে নিয়ে বেড়াতে আমি ক্লান্ত।
একটা সুন্দরী মেয়ের পরিচয় হলো, তাঁকে পটানোর পর যখন তুই বলে ফেলিস:
"আমার বাসায় গিয়ে একটু ডিমের সালাদ খাই আর রোমান্স করি চলো?"
তুমি কে, আর কিভাবে ঢুকলে?
তোমার ডিমের সালাদ পছন্দ?
সেরলিনা!
কেন নিজের নাম বললে না?
- তোমার বার্তা পেয়েছি, জ্যোতি কোথায়? - আগে কথা শোনো।
তুমি মহাকাশ ঘুরে বেড়াচ্ছিলে আর আমরা জ্যোতি খুঁজেছি আর পেয়ে গেছি।
তুমি তা চাইলে, আমাদের ৫০% ভাগ দিতে হবে। তাহলেই কাজ হবে। প্রথমে...
জ্যোতি কোথায়?
আমরা খুঁজে পাইনি, কিন্তু এমন একজনকে খুঁজে পেয়েছি যে খোঁজ জানে।
সে স্প্রিং স্ট্রিটে একটা পিৎজার দোকান চালায়।
চলো। নাক মুছো, গাধা।
- আহ, সুন্দর পাই। - হ্যাঁ।
মানুষের মাঝখানে।
সবাই পাই খেতে এসেছে।
তোমার আবার কি হলো?
- তুমি আমাকে নিউরোলাইজ করবে। - না, করবো না।
হ্যাঁ করবে, তাই এই জায়গায় নিয়ে এসেছো, যেন কোনো কাহিনী করতে না পারি।
তুমি কাহিনী করছো।
একটা প্রশ্ন করি। MiB জয়েন করেছো কেন?
মেরিনে ছয় বছর কাজ করে বুঝেছি, আমি রোমাঞ্চ পছন্দ করি, গ্রহকে বাঁচাতে চাই।
তুমি বীর হতে চাও? তাহলে তো ভুল সংগঠনে যোগ দিয়েছো।
- কখনো জেমস এডওয়ার্ডসের নাম শুনেছো? - না।
আজ রাতে সে সাবওয়েতে ৮৫ জন মানুষের জীবন বাঁচিয়েছে।
কেউ জানে না তাঁর অস্তিত্ব আছে।
আর কেউ যদি তাঁর অস্তিত্বের খবর না রাখে, তাহলে তাঁকে ভালবাসবে কিভাবে?
আরে, আমরা পার্টনার কতদিন ধরে?
- পহেলা ফেব্রুয়ারি। - পাঁচ মাস, তিন দিন।
- দুপুর থেকে শুরু হয়েছিলো। - নয় ঘণ্টা।
নিকাহ করো। কয়েকটা আণ্ডা-বাচ্চা নাও।
আচ্ছা।
শুনুন, আমার বন্ধু কিছুটা লাজুক, কিন্তু তাঁর ধারণা আপনি সেক্সি।
এই যে। টা-ডা।
বেন, বুঝতে পারছি না কি বলবো।
আজ থেকে অনেক বছর পর সবাই এটা দেখে কি বলবে জানো?
- "কর্মচারী"র বানান ভুল? - বানান দিয়ে বিচার করিও না।
সবাই বলবে, "ভাবতে পারো! ম্যাডাম এখানে কাজ করতো।"
- বেন... - এটা তোমার পাওনা ছিলো।
আমি মাউন্টেন ডিউয়ের বোতল বেজমেন্ট থেকে নিয়ে আসি।
হ্যালো, ব্রুনো।
দুটো পেপারোনি আর যার্থার জ্যোতির খবর বলো।
- আপনারা যেই হোন, আমাকে মারবেন না। - জ্যোতি কোথায়, বেন?
জানি না কি বলছেন,
- প্লিজ আমাকে নিচে নামান, আপা। - আমি ডাকাতির অভিযোগ করছি...
ওখানে।
শব্দ।
- কিচেনে! - ওহ!
গাধারা, কিছু দেখলে?
বাতাসের ঝাপটায় দরজা খুলে গেছে।
সবকিছু স্বাভাবিক আছে।
২৫ বছর আমি ব্রহ্মাণ্ড ঘুরে জ্যোতি খুঁজে বেড়াচ্ছি।
কিন্তু সেটা পৃথিবী ছেড়ে কখনো যায়ইনি। তোমরা সেটা রেখে দিয়েছিলে।
কি বলছেন আপনি?
তোমার সময় শেষ। জ্যোতি কোথায়?
- সত্যি বলছি, জানিনা আপনি কিসের কথা বলছেন। - শোনো, যার্থাবাসী,
তুমি জ্যোতি পৃথিবীতে লুকিয়ে রেখেছো। আমি তা খুঁজে বের করবো।
একবার জ্যোতি আমাদের হাতে চলে আসলে, যার্থা আমাদের হয়ে যাবে।
তোমার অনেক দেরী হয়ে গেছে, আগামীকাল মধ্যরাতে,
জ্যোতি তৃতীয় আরেকটা গ্রহে যাবে, এরপর নিজের ভূমিতে ফিরবে।
দুঃখিত, এতদূর এসে তোমার কোনো লাভ হলো না।
আম গেলো, ছালাও গেলো। এখন জানিও না পৃথিবীতে আছে কিনা।
সে বলেছে তৃতীয় গ্রহে। জ্যোতি এখানেই, গাধা।
- সূর্য থেকে তৃতীয় গ্রহে। - আমি এখনও বুঝিনি।
জ্যোতি পৃথিবীতে আছে, আর আমি জানি কে বলতে পারবে সেটা কোথায়।
- বাড়িতে যাও কখনো? - না।
তোমার আরেকটা পার্টনারকে নিউরোলাইজ করেছো, আমি দেখে নিয়েছি।
বি, ডি, পরের বার যখন কারবোনাইজারে ফিশন ব্যাবহার করবে,
ডি-অটোমাইজার এমন ভাবে লাগাবে যেন, কামানের মত শব্দ না করে।
এই, তুমি ট্রলি নাও, মেঝে নোংরা হচ্ছে।
তাঁর ভিসা পরীক্ষা করো।
সেফালোপোডরা কানালের নকল বানাচ্ছে।
কেউ কি আমাকে ব্যাখ্যা করবে ট্রাইক্র্যানাসোলফের পাসপোর্টের কেন কাজ করছে না?
এটা আমার দোষ, স্যার। আমি খুব দুঃখিত। প্লিজ আমাকে নিউরোলাইজ করবেন না, স্যার।
- এর মানে আবার কি? - কিছু না, স্যার।
সাবওয়েতে ভালো কাজ দেখিয়েছো।
জেফকে আমি এতটুকু থেকে চিনি।
আমার জন্য কি আছে?
দেখো। কালো স্যুট পরা লোকগুলোকে দেখছো?
- তাঁরা এখানে কাজ করে। এটা আমরা গোপন রাখি। - জেড, বলো না ভাই, কি পেয়েছো?
এই কাজের একটা বড় দিক হলো, তোমাকে খেয়ে আবার থু করে ফেলে দিতে পারবে।
৫০ বছর বয়সে আমার মত বুড়ো হতে চাও.....
চাও?
কোনো দরকার পরলে আমাকে জিমে পাবে।
বেশ, একটা খুনোখুনি হয়েছে। ১৭৭ স্প্রিঙে।
এলিয়েন-এলিয়েনে।
রিপোর্ট করার জন্য টি'কে তোমার সাথে নিয়ে যাও।
টি, বেশ।
কি হয়েছিলো... টি'য়ের কি হয়েছিলো...
পাসপোর্ট। তাড়া নেই। তাঁরা আটকে আছে কিভাবে, জে?
MiB'র নিউরোলাইজার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা বন্ধ করো।
ঐ ব্যাটা খাবার খেতে খেতে মরা কান্না জুড়েছিলো।
No comments yet. Be the first to leave one.