처음 200줄입니다.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
শুনছেন সবাই? বন্ধুরা?
আমরা ২০০০ ফুটে চলে এসেছি, ক্যাম্প ফোর থেকে ৬০০ মিটার উঁচুতে।
এরপর থেকে পুরোটাই রশি, আমি জানি আপনারা পারবেন।
একবার আমরা হলুদ ব্যান্ডে পৌঁছে গেলে আবার রি-গ্রুপ হবো।
মাস্ক পরে অক্সিজেন চালু করব। বুঝলেন সবাই?
- এক বোতল 325 ডলার। - অক্সিজেনের দাম?
- এটা তো দিনে দুপুরে ডাকাতি! - হ্যাঁ, মার্কেটের হালচাল বোঝে সে।
খবর পেয়েছে এই সিজনে বেজ ক্যাম্পে ২০টা দল গেছে।
২০টা দল? মানে, শেরপা আর কুলিদের মিলিয়ে অনেক ভিড় হবে।
রশি নিয়ে কাড়াকাড়ি বেঁধে যাবে ওখানে।
- কী এটা? - হেলেনের জিনিশ।
- ওটা খাবার তাঁবু সাজানো জিনিশ। - তুমি চুলেও লাগাতে পারো।
আমি নিচ্ছি। ধন্যবাদ।
শোনো, তোমাদের একটা খবর দিচ্ছি। ক্র্যাকার এখন আমাদের দলে।
- তুমি স্কট ফিশারের থেকে দান মেরেছ? - না, সে নিজের ইচ্ছায় এসেছে।
সাবাস, রব!
- সে তোমাকে কত দিচ্ছে, রব? - শুধু বিমান ভাড়া দিচ্ছে, তবে ম্যাগাজিনে একটা সংবাদ ছাপাবে।
সাথে প্রচ্ছদে আমাদের ছবি। এতেই আমরা পুষিয়ে নিতে পারব।
- যদি তুমি তাকে চূড়া পর্যন্ত নিয়ে যাও। - যদি? যদির কথা নদীতে ফেলো।
- আমি নিচ্ছি। - তুমি ঠিক আছ?
- থ্যাংকস, গাই। - চিয়ার্স।
- হাই - হ্যালো।
- কেমন আছেন? - ভালো, তুমি কেমন আছো?
- আমি? আমিও ভাল। - পেটের কী অবস্থা?
হ্যাঁ, বড় হয়ে গেছে।
- নাও। - ভালো আছো?
হ্যাঁ, তবে তোমার কথা মনে পড়বে।
চলো।
- চলো, গাই। - হুম।
শুধু সাবধানে যাবে, কেমন?
প্লীজ, প্রিয়তমা।
শোনো, দুশ্চিন্তা করবে না।
ওখানে কিছু না করলেই দুশ্চিন্তায় ঘুম হারাম হবে আমার।
- হাত গুটিয়ে বসে থাকব না। - না, তবে...
- তবে কী? - তোমার অপেক্ষায় থাকব।
- ছেলের জন্য। - মেয়ে।
- মেয়ে। - মেয়ে।
- নিজের বাচ্চার জন্য ফিরে এসো, রব হল। - কেউ ঠেকাতে পারবে না।
শেষ বারের মত জানানো যাচ্ছে এয়ার নিউজিল্যান্ড ফ্লাইট 7419 কাঠমুন্ডুর উদ্দেশ্যে ছেড়া যাচ্ছে।
ভালোবাসি। যাও নয়ত কেঁদে দিব। যাও!
- শুধু এটাই? - হ্যাঁ, এটাই।
চলে এসেছি মনে হয়।
- এই, তোমরা কোন দলের? - আ, এডভেঞ্চার কনসালটেন্ট
তাই? আমিও তো।
ও, আমি বেক। বেক ওয়েদারস, ডঘ হানসেন।
জন ক্র্যাকার। কেমন আছো?
ভালো। তুমি... আউটসাইড ম্যাগাজিনের ক্র্যাকার না?
- হ্যাঁ। - সত্যি?
- তো এখানে কী মনে করে? লিখতে নাকি চড়তে? - দুটোই।
- চূড়ার খবরাখবর দিব তোমাকে? - প্রয়োজন নেই। গিয়ে দেখব।
চলো তাহলে।
তুমি পর্বতে ওঠা ছাড়া আর কী করো, ডঘ?
- কি কাজ? - হ্যাঁ।
অনেক কিছু করি। কার্পেন্টার, ডাকপিয়ন।
কার্পেন্টার, ডাকপিয়ন।
- হ্যাঁ। - সত্যিই তুমি চিঠি ডেলিভারি করো?
হ্যাঁ, আমি চিঠি পৌঁছে দিই।
এভারেস্টে ডাকপিয়ন।
- বলতে পারো। - পছন্দ হয়েছে।
এভারেস্টে ডাকপিয়ন।
চলে এসেছি।
- বেক? - কী?
জানো, সে গত বছর হিমালয়ের দক্ষিণ চূড়ায় উঠেছিল?
- কে, ডাঘ নাকি? - তাই?
ডাকপিয়নের জন্য বেশি হয়ে যায়।
না, বেশ উপরে, ম্যাকিনলিতে।
আমি নিজেই তো ম্যাকিনলির চূড়ায় উঠতে পারিনি।
- জানি আমি। - তুমি কীভাবে জানো?
১৯৮৯, না?
ও! গবেষণা করা হয়ে গেছে।
সেটাই তো আমাদের কাজ।
বন্ধুরা, আপনারা তাঁদের পদচিহ্নে পা রাখবেন, যারা ইতিহাস গড়েছে
জর্জ এভারেস্ট, জর্জ ম্যালোরি, তেনজিং নরগে, এডমুন্ড হিলারি।
আর রব হল!
প্রত্যেকেই কিংবদন্তি!
ঠিক।
যারা স্বপ্নের মুখোমুখি হওয়ার সাহস রাখে,
এডভেঞ্চার কনসালট্যান্টস তাঁদের জন্য এমন কিছু এনেছে যা বলে বোঝানোর ক্ষমতা নেই।
সেটা ব্রোশারে লিখি না কেন? কারণ তাতে শুধু যন্ত্রণা বাড়ে।
- হ্যাঁ। - সত্য কথা না?
আসলেই বাড়ে। মাইক, কিছু মনে না করলে আঙ্গুল দেখাবে।
এই যে।
সহজে বলছি বন্ধুরা, মানুষ সেই উচ্চতা সহ্য করতে পারে না যেটায় বোয়িং 747 উড়ে।
একবার আমরা দক্ষিণ চূড়ায় পৌঁছে গেলে আমাদের দেহ আক্ষরিক অর্থে মরতে থাকে।
আসলেই আক্ষরিক অর্থে মরতে থাকে। বিনা কারণে সেটাকে ডেথ জোন বলে না, বন্ধুরা।
আসল কথা হলো, আমরা চূড়ায় উঠে আবার নিচে নামতে পারব পটল তোলার আগেই?
- তুমি পারবেই। - ওহ!
বেক ওয়েদারস, ভাই ও বোনেরা, আপনারা কম বেশি লোন স্টার স্টেটকে চিনে থাকবেন।
100% টেক্সাস, ভাইয়েরা। 100% টেক্সাস।
মাইক গ্রুমের সাথে কথা হয়েছে আপনাদের। এবার পরিচয় করিয়ে দিচ্ছি, অ্যান্ডি হ্যারিসের সাথে।
- হ্যারল্ড। - কুইন্স টাউনের আমাদের আরেকজন গাইড।
টেরানাকি থেকে, আসলে, কিওরা।
আমাদের পৌঁছাবার আগে তৈরি রাখতে হেলেন আর দলের বাকীরা আগেই বেজ ক্যাম্পে যাচ্ছে।
আজ মার্চের ৩০ তারিখ।
আমার প্ল্যান হলো ১০ মে'তে চূড়ায় ওঠা।
তখন আবহাওয়া ফুরফুরে হলে সেদিন আমার আর এডভেঞ্চার কনসালটেন্টের জন্য শুভ দিন হবে।
এর মানে হলো, আমাদের হাতে ৪০ দিন আছে আপনার শরীর আর মনকে তৈরি করতে।
আমি জানি এই ঘরে অনেক অভিজ্ঞ পর্বত আরোহী আছেন। আপনারাও এটা ছাড়া পারবেন না।
স্টু, K2, বোর্ড পিক জন টাস্কি।
১,১৯২ মিটার মাউন্ট কোসিয়াস্কোতে উঠেছেন।
আর... ইয়াসুকো নাম্বা। সাতের মাঝে ছয়বার চূড়ায় ওঠা একমাত্র নারী।
- এবার সাত করে ফেলবে। - ধন্যবাদ।
তবুও এভারেস্ট ভয়াবহ, বিপদজনক একটা পর্বত। সে কারণেই তো আমরা এখানে, তাই না ডঘি?
হ্যাঁ, ঠিক।
তাহলে, আজ রাতে খান-দান-ফুর্তি করেন। কাল থেকে যাত্রা শুরু।
পারবে তো? পারবে চড়তে?
ডঘি?
- শুনুন বন্ধুরা, ধরে বসবেন। - আচ্ছা।
- হয়ে গেছে, চলেন কর্নেল। - আচ্ছা, সবাই কানে ইয়ারবাড লাগান।
বসে পড়ে সীট বেল্ট বেঁধে নিন সবাই।
থ্যাংকস, মাইক।
ডু অর ডাই চলো সবাই!
হ্যাঁ!
বিশ্বাস হয়?
ব্রাভো 270, রিকুয়েস্ট ব্রাভো 410
সবাই একসাথে থাকবেন।
ধীরে নামুন সবাই।
- আমি রেডি। - আমিও।
চলো সবাই।
তুমি আগে যাও দোস্ত।
- ভালো আছো? - হ্যাঁ।
বন্ধুরা, লোকটা আপনাদের আরোহণের অনুমতি দেখবে।
নমস্কার
অনেক ধন্যবাদ, ফেরার সময় দেখা হবে আবার।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
- ভালো আছো? - হ্যাঁ, তুমি?
হ্যাঁ, এই...
থ্যাংকস, রব।
থ্যাংকস কেন?
ডিসকাউন্টের জন্য।
তুমি তিনটা চাকরী করো, ডঘ। আমি যতটুকু পেরেছি, করেছি।
জানি, তোমার করার দরকার ছিল না, তবুও আমার উপকার হয়েছে।
- এবার তোমাকে চূড়ায় নিয়ে যাব। - আচ্ছা।
- কেমন লাগছে, বেক? - আছি কোনোরকম।
- চলো, বন্ধু, তুমিও পারবে। - ভেবেছিলাম এই আবহাওয়ায় মানিয়ে নিতে পারব।
তুমি মানিয়ে নিবে।
ফাজিল পোলাপান।
- ওয়াও! - হ্যাঁ।
কত নিকটে গিয়েছিলে?
বেশ নিকটে গিয়েছিলাম, আর দেরী হওয়ায়, ক্লান্ত হয়ে যাই।
- আমি হলে চড়েই আসতাম। - রোজ আমিও সেটাই ভাবি।
তাহলে করনি কেন?
কারণ আমি ফেরত পাঠিয়েছিলাম।
১৫ তারিখ সকালে দক্ষিণ চূড়ায়, আবহাওয়া বাজে ছিল,
2:00 মধ্যে আমরা ফিরে আসতে পারতাম না।
শুধু চূড়ায় নিয়ে যাবার জন্য না, বেক, তুমি আমাকে পয়সা দাও নিরাপদে নামিয়ে আনার জন্য। কথাটা মাথায় রেখ।
আচ্ছা।
মেজাজ খারাপ কেন?
আমাদের এক শেরপা, তেনজিং। সে এক্সিডেন্ট করে।
- তাই নাকি? - হ্যাঁ।
তুষার ধসের সময় মই লাগাতে গিয়ে পড়ে যায়।
অবস্থা বেগতিক ছিল, ওকে নিচে আনা হয়।
নমস্কার।
নমস্কার।
কংগ্রাটস, আপনারা সবাই পেরেছেন। বেজ ক্যাম্পে স্বাগতম!
এই বছর সারা দুনিয়া থেকে মানুষ এসেছে। আইম্যাক্স টিম, সাউথ আফ্রিকান।
আর ওটা হলো
সবচেয়ে ভালো জায়গা।
ওটাই এডভেঞ্চার কনসালটেন্টের বেজ ক্যাম্প।
- হাই, হেলেন? - হাই, কেমন আছো?
- দেখে খুশি হলাম। - স্বাগতম, তোমাকে দেখে খুশি হলাম।
- হাই রব। - হাই।
সাবাস, ভালো আছো?
হ্যাঁ, তুমি?
- হ্যাঁ, সবাই ভালো। - ভালোই লাগছে।
কয়েকজনের সাথে পরিচিত হননি, ওর নাম হেলেন, ক্যাম্প ম্যানেজার।
আগামী কয়েক সপ্তাহ সে আপনার মাথার উপরে ছড়ি ঘোরাবে।
যেকোনো সমস্যা, ওকে জানাবেন, সমাধান করে দিবে।
বেশ, অবশেষে আপনাদের সবার সাথে দেখা হলো।
আং দর্জি, এখানে আসো। ওর নাম আং দর্জি।
সে সর্দার মানুষ, লিডার শেরপা।
হাই, কী অবস্থা?
ইংলিশ জানো?
আপনার থেকে ভালো পারি, মি. আমেরিকা।
- তাহলে আমার থেকে ভালো চড়তেও পারো। - হ্যাঁ।
তাই?
চূড়ায় তিনবার উঠেছে,
আচ্ছা, আচ্ছা। শুনেছি, আমি শুনেছি।
শুনুন, ব্যাগ রেখে, খাবার তাঁবুতে রাখা চা নিয়ে নিন।
থাকার জায়গা পিছনের তাঁবুতে। ওখানে রান্নার তাঁবু। টয়লেটটা ওদিকে।
বেশ শীত পরে, শুধু মনে রাখবেন, বাতাস উঠলে তাই দেখবেন যা জর্জ এভারেস্ট দেখেছিল।
এর আগে হয়ত আপনারা ক্র্যামপন্স নেননি ভুল না করার জন্য ডান-বামের 'L' আর 'R' লেখা আছে।
দেখেছেন? একেবারে সহজ।
প্রথমে, পায়ে জুতা পরে নিন।
চমৎকার।
আরে বেজ ক্যাম্পের মেয়র না!
No comments yet. Be the first to leave one.