처음 200줄입니다.
আমাদের ফেসবুক গ্রুপ- 🔸 মালায়ালাম মুভি লাভারস। 🔸 মুভিফ্রিক অব বাংলাদেশ।
আচ্ছা শিবু...
রাজার প্রাসাদ প্রস্তুত হয়েছে?
হ্যাঁ, মালিক, শুনেছি।
তিনি আটটি দেশের অভিজ্ঞ কারিগরদের প্রসাদ নির্মাণ জন্য এনেছেন।
আটজন কারিগর?
- হ্যাঁ, মালিক। - ভালো!
সরাসরি সেখানে চলো। দেখি তারা কি নির্মাণ করল।
তাহলে এই প্রাসাদ দেবেন্দ্র নির্মাণ করেছে?
এর জন্য, আট দেশের আটজন অভিজ্ঞ কারিগর লেগেছে?
বুঝতে পারছি না, এতে বিশেষ কী আছে?
ঠিক আছে।
এক কাজ করি, যারা বানিয়েছে তাদের কে-ই জিজ্ঞাসা করি।
তাদের ডাকো,
নমস্কার, মালিক।
তোমরাই কী এই বিলাসবহুল প্রাসাদের নির্মাতা?
হ্যাঁ মালিক, আমরাই এটা নির্মাণ করেছি।
আমরা মোট আটজন কারিগর নিজেদের হৃদয় এবং আত্মা এখানে উজাড় করে দিয়েছে।
এক বাচ্চা জন্ম দিতে আটজন মা লেগেছে?
মালিক কী আমাদের কটাক্ষ করছেন?
আটটি দেশ থেকে দক্ষ কারিগর খুঁজে...
প্রাসাদের ভিত্তি, পাদদেশ, বাগান, প্রাসাদের সামনের অংশ...
রচনা, প্রাচীর, এবং প্রযুক্তিগত বিবরণ...
প্রতিটি কারিগর নিজ নিজ কাজে অভিজ্ঞ ছিল।
বলা যায়, দেবেন্দ্র সাহেব আটটি হীরা খুঁজে এনেছিলেন।
সমস্ত কারিগর তাদের দক্ষতা দিয়ে বিভিন্ন চমক দেখিয়েছে।
আর তারপরই নির্মিত হয় এই আশ্চর্যনক প্রাসাদ।
সেটা আবার কেমন জাদু যদি তার প্রভাব দেখাই না যায়!
মালিক, আপনি চাইলে নিজের চোখে দেখতে পারেন।
ঠিক আছে, চলো গিয়ে দেখি!
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদ ও
অনুবাদ ও স
অনুবাদ ও সম
অনুবাদ ও সম্পা
অনুবাদ ও সম্পাদ
অনুবাদ ও সম্পাদনা
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরু
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ আ
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ আরি
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ আরিয়া
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ আরিয়া
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ আরুশ আরিয়ান
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ 📚 আরুশ আরিয়ান
অনুবাদ ও সম্পাদনায়ঃ 📚 আরুশ আরিয়ান
মালিক বলুন, প্রাসাদ দেখে আপনার মতামত কী পরিবর্তন হয়েছে?
- সত্যি বলতে... - দাড়ান, দাড়ান!
এটাও দেখে নিন।
আমাদের দেবেন্দ্র সাহেব...
এটা তার ভবিষ্যত স্ত্রীর কে উৎসর্গ করে নির্মাণ করেছেন।
আমি কী বলব?
যদি আমি এমনই এক প্রাসাদ নির্মাণ করতে চাই, তাহলে কী আমার জন্য নির্মাণ করতে পারবে?
আমি তোমাদের দেবেন্দ্রের চেয়ে বেশি টাকা দেব।
করব না কেন?
আপনি শুধু আদেশে করুন।
তবে হ্যাঁ, এই প্রাসাদ আমাদের মালিক দেবেন্দ্র সাহাবের স্বপ্নের প্রাসাদ।
এটা তার মহৎ চিন্তা আর সুন্দর কল্পনার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।
আপনি আমাদের কে প্রাসাদের নকশা দিন, আমরা সেভাবেই নির্মাণ করে দিব।
মুভিঃ- - অ্যানাবেল রাঠোর। বাংলা অনুবাদঃ- আরুশ আরিয়ান।
দশ দিন হয়ে গেল।
আমরা চন্দ্রভানের প্রাসাদে আছি।
বাবা, যে দিকেই তাকাই আমার ভয় লাগে।
- কখন কি হয় জানি না। - কেন মা?
অদ্ভুত কিছু দেখেছ?
এই সব মনের ভ্রম, মা।
এতো দিন থেকে আমরা এখানে আছি, কিছুই হয়নি তাই না!
এখন পর্যন্ত তো কিছুই হয়নি... কিন্তু যদি আগামীকাল হয়?
পূর্নিমার রাতে ভূতের গল্প শুরু করলে কেন তোমরা?
তারা রেগে গেল কী তোমাদের দুজনকে ছাড়বে?
শোনো, আর ভয় দেখিও না।
আমাদের না পাকিয়ে, আমাদের জন্য কিছু খাবার পাকাও।
ঠিক বলেছ! আমি মেয়ে, মানে দিনরাত শুধু খাবারই রান্না করব?
সকাল থেকে সন্ধ্যা, সন্ধ্যা থেকে রাত, রান্নাঘরেই পড়ে থাকব।
যদি মরেও যাই, তাহলেও আমার আত্মা রান্নাঘরে ঘুরতে থাকবে।
বেঁচে থাকতেই এতো ভয়ংকর, যদি ভূত হও, তাহলে কতটা বিপজ্জনক হবে!
কি হয়েছিল আমার!
কি সুন্দর গন্ধ!
আমি কী এইসব রান্না করেছি?
ঝড়ের মতো গেল আর ঝড়ের মতো ফিরে এলো?
- তুমি ঠিকমত খাবার রান্না করেছ না? - হ্যাঁ।
কেমন লাগলো বলো?
এমন করছে কেন?
ব্যাপারটা কি! এতো বছর পর রান্না শিখে গেছ!
মানে, প্রতিদিনই ভালো হয়...
কিন্তু আজ অনেক ভালো হয়েছে একদম আগুন বরাবর!
তেমনই রান্নাকরেছি, যেমনটা প্রতিদিন করি!
মা, রান্না অনেক ভালো হয়েছে!
আজ প্রথমবার সুস্বাদু খাবার উপভোগ করলাম।
বাবা! মা! তারাতাড়ি দরজা খুলো!
কি হয়েছে মা? চিল্লাচ্ছ কেন?
ঘরে ভূত আছে, বাবা।
- কী বললে? ভূত? - হ্যাঁ!
হে ভগবান! চলো, চলো এখান থেকে পালাও।
- চলো ব্যাগ গুছাও। - শুনলে না...
আমি জানতাম ভূত ভূত করতে করতে সত্যিই ভূত দেখা শুরু করবে তোমরা।
- মা! আমি মজা করছি না! - অনেক হয়েছে তোর বাজে কথা।
চল, আমি নিজের চোখে দেখব।
দেখা আমাকে ভূত কোথায় হাহ?
এইটা তো আমরা!
চলো পালাও! চলো, এখান থেকে পালাও!
কী হচ্ছে?
স্বাগতম!
তুমি কে?
পোড়া বেগুনের ভর্তা, বলো, তুমি আমাদের প্রাসাদে কী করছ?
ঘুরিয়ে কানের নিচ বরাবর লাগাব না ন্যাংটা নারকেল এর চাটনি হয়ে যাবে।
সবাই শুনেছ না? চশমিস কী স্বপ্ন দেখছে!
হ্যাঁ, এটা তার প্রাসাদ?
এটা চন্দ্রভানের ছেলের সংসার।
চন্দ্রভানের মেয়ে আর জামাই রাজা।
এবং এটা তার বোন আর জিজু।
উহু! এতো গন্ডগোল!
- চুপ করো! - কিরে?
এখানে কি কমেডি শো চলছে, যে সবাই হাসছ?
জামাই!
বাবা?
পরিবারে পূর্নমিলন চলছে।
মা, কে এই বুড়ো?
ভালো করে দেখ, তোর নানা।
আমি যখন শ্রাদ্ধে খাবার দিতাম...
যে কাকগুলো শ্রাদ্ধে মিষ্টি খেতে আসত তারা নাকি?
যেমন তেমন কাক না।
খুব কুৎসিত কাক।
তাদের কা-কা শুনে মহিলা কাকরাও এসে পরবে।
উর্মিলা, কেমন আছো মা?
মা!
- উর্মিলা, কী হয়েছে? - মা কী হয়েছে?
আরে, কি করছ তাকে তোলো!
থামো!
আরে আজই তাজা ভূত হয়েছে, তাকে কিছু সময় দাও!
যদি সে আগে কখনো ভূত না হয়ে থাকে, এতে আমার দোষ কি? আমরা কি করতে পারি?
- ভূত? - তা-নাহলে কী?
- ভূত? - ওহ, এটাও কী গেল?
- হে ভগবান! কি হচ্ছে? - মা? - দিদি!
আরে, এখানে কী অজ্ঞান হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে?
- ক্লাসের সময় হয়ে গেছে। - দাঁড়াও আমি দেখছি।
কী হলো? আরে কালো জাম...
নিজের ভর সামলাতে পারছে না, সে তাকে উঠাবে? স্ত্রীর কোলে বসে থাকো।
- আমি ভাবি কে তুলব। - তুমিও ফিরে যাও।
সব অকেজো ভূত। গুড্ডু! - হ্যাঁ? - মা, এখানে আই।
ওহ! আত্মার কী কোনও বুদ্ধি নেই?
এই ছোট্ট বাচ্চা কিভাবে দুজন মানুষকে তুলবে?
তোমার বুদ্ধি তোমার পকেটে রাখো, তুই জাদু দেখা!
বলো তাদের চিনতে পারছ কী না?
পদম ভাইয়া?
একশো জুতা মারো বা তলোয়ার, তার লুচ্চামিগিড়ি আর কমানো গেল না।
- তুমি গীতার ভগ্নিপতি, তাই না? - উর্মিলা...
তোকে মায়ের কোলে দেখেছিলাম।
এখন কত বড় হয়ে গেছিস!
চাচা দশম ফেল আর চাচি অষ্টম ফেল। তাদের জন্য অধ্যক্ষকে পদত্যাগ করতে হয়েছিল।
তুমি কী শুধু আমাদের তথ্যই দিবে? এবার তাদেরটাও শুরু করো।
সুন্দর বি-মেইল দম্পতির কথা মনে আছে?
মাহিন্দ্র ভাই, তাই না? আর রাঘবী ভাবী।
দরজা যত বড়ই হোক না কেন, ছিটকানির আকার সবসময় ছোট হয়।
- বউ দরজা, স্বামী ছিটকানি। - এতো বড় সাহস?
কান বরাবর একটা বসাব না আধা ফুট আরো কমে যাবে, দূরে গিয়ে মরো যাও।
- মা, তুমি কি পুরো ভূতের পরিবারকে চিনো? - চিনব না কেন?
সবাই আমার বাবর বাড়ির মানুষ!
এটা নিশ্চিত।
আমি শুধু তোর মাকে ভূত ভাবতাম।
- এখন দেখি পুরো পরিবারই ভূত। - চশমিস কী চুপ থাকবে?
- বলো বুনো ভাল্লুক! - ভালো...
তুমি এই নমুনা গুলো কে চিনো?
মূর্তিও এদের চেয়ে বেশি এক্সপ্রেশন দেয়।
মা, বাবা!
মা, এখানে এসো, বসো। তুমি কেমন আছ? ঠিক আছ?
বুঝলে? বড় সুখী পারিবারিক পুনর্মিলন।
খুশি?
- চাচা কোথায়? - উর্মিলা...
একটা কথা বুঝে নিও।
মারা যাওয়ার পর, সে আর ঘর থেকে বের হয়নি।
আমি ছাড়া আর কাউকে ভিতরে যাওয়ারও অনুমতি নেই।
যদি কেউ তার ঘরে প্রবেশ করে আর সে যদি কাউকে খায়ে ফেলে, তাহলে আমাকে দায়ী করো না।
- আমারও একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা আছে। - কী?
আমার স্ত্রী যদি কাউকে নাগিনীর মতো ছোবল দেয়, তাহলে আমি এর দায় নেব না।
একটার পর একটা বড় বড় বলদ দিয়ে প্রাসাদ ভরে যাচ্ছে।
কেন আমরা বৃথা মরব? আমরা কী কোনও পাপ করেছি?
লোভ বড়ধরনের পাপ। এখানে লোভী নেকড়ের পরিবার তোমরা।
এজন্যই তোমরা সবাই ভ্রান্ত আত্মা হয়ে গেছ।
আচ্ছা বলো তুমি কিভাবে ভূত হয়েছ?
- তোমার কোন ইচ্ছা অপূর্ণ আছে? - বলছি।
আমি এই প্রাসাদের প্রধান বাবুর্চি ছিলাম।
আর রান্না ছিল আমার আবেগ।
এক পূর্ণিমার রাতে, আমি নাসিজ পরিবারের জন্য খাবার রান্না করলাম।
আর সব মূর্খরা খাওয়া জন্য ঝাপিয়ে পড়লো...
আর খাওয়ার পর সবাই মারা গেল।
কিভাবে মরল তা কারোর মনে নেই।
কে বিষ মিশিয়েছিল তা আজ পর্যন্ত রহস্য।
আর ঢেকুর এর সাথে সাথে আমিও মৃত্যু বরণ করলাম।
আমি বসে ছিলাম না।
প্রাসাদ এর কোণায় কোণায় খোঁজ করলাম।
ঘটনাক্রমে, একটি বিশেষ রহস্য উন্মোচিত হলো।
প্রতি পূর্ণিমার রাতে আমার মধ্যে একটা শক্তি আসে।
যে-ই রান্নাঘরে ঢুকে, আমি তার মাঝে প্রবেশ করে খাবার প্রস্তুত করতে পারি।
No comments yet. Be the first to leave one.