Sacred Games

Sacred Games

Bengali 자막 다운로드

시즌 1

릴리스 정보

Sacred Games 1x01 Bengali Subtitle
Sacred Games 1x01 Bengali Subtitle by Mohammad Yousuf
সেক্রেড গেমস ১x০১ বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহাম্মদ ইউসুফ
সেক্রেড গেমস ১x০১ বাংলা সাবটাইটেল
다음의 해설 CimaNow
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নেটফ্লিক্সের ক্রাইম থ্রিলার ওয়েব সিরিজ সেক্রেড গেমস। গুগোল ট্রান্সলেটেড সাব হতে সাবধান! আজেবাজে সাবটাইটেল দিয়ে মুভি/সিরিজ দেখে বাংলা সাবটাইটেলের বদনাম করবেন না। ভালো লাগলে ভালো রেটিং দেবেন। এপিসোড রানটাইম ০০:৫১:১৮! ডাউনলোড লিংকঃ https

태그

other
게시일: 2018-07-20
다운로드: 16
청각 장애인용: No

Bengali 자막 미리보기

처음 200줄입니다.

অনুবাদ এবং সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

"অশ্বত্থামা" (মহাভারত অনুসারে, রাজকুমারদের অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের সন্তান অশ্বত্থামা ছিলেন অমরদের মধ্যে একজন। কৌরবদের হয়ে যুদ্ধ করেছিলেন তিনি।)

ভগবানে বিশ্বাস করো?

ভগবান কাউকেই পাত্তা দেন না।

হ্যাঁ, জানি আমি...

তোকে গত বিশটা বছর ভগবান কি কাঁচকলাটা দেখিয়েছে।

মাঝেমধ্যে নিজেকে ভগবান বলে মনে হয়।

এটা আমার গল্প।

প্রত্যেকের নিজস্ব চরিত্র রয়েছে এই গল্পে।

আমি শুধু চরিত্রগুলোর মাঝে সংযোগ স্থাপন করছি।

বান্টি।

বান্টি কোথায়?

তোর কানের ভেতরে দেখ।

- এই শোন! - জি ভাই!

সারতাজকে আমার চাই।

- আজ, এই মুহূর্তে। - আচ্ছা, ভাই।

এই দুনিয়ার আগমন কীভাবে হলো সেটা আমি জানি না।

তবে, কীভাবে এটার শেষ হবে সেটা জানি।

আচ্ছা, ঠিক আছে। সড়ে যান সবাই!

কী বীভৎস খুন! নিশ্চয়ই হাতের দামি ঘড়িটার জন্য করেছে!

খুন করার জন্য দামি একটা কারণ!

কোন সাক্ষী?

নেই।

স্যার, আপনার শুনানীর সময় হয়ে গেছে।

পারুলকার ক্ষেপে বোম হয়ে যাবে যদি যেতে দেরি করেন।

পারুলকার যেভাবে যা বলতে বলবে তাই বলবেন।

জুনায়েদের হাতে অস্ত্র ছিল।

একটা দেশী পিস্তল।

আমরা তাকে আত্মসমর্পন করতে বলেছিলাম।

কিন্তু সে প্রত্যুত্তরে গুলি করেছে...

কন্সটেবল রাউতের দিকে

কন্সটেবল রাউতের গায়ে গুলি লাগে। নিচে পড়ে যান উনি।

তারপর, ছেলেটা ওখান থেকে পালাতে চেষ্টা করে।

পারুলকার স্যার ছেলেটার পিছু নেয়।

আমরা এলাকাটা ঘিরে রেখেছিলাম। ওর পালাবার কোন সুযোগই ছিল না।

সে পারুলকার স্যারের দিকে অস্ত্র তাক করে।

পারুলকার স্যার তৎক্ষণাৎ তাকে পিস্তল নিচে ফেলে দেওয়ার জন্য সতর্ক করে।

কিন্তু, জুনায়েদ পিস্তলের ট্রিগার চাপতে যাচ্ছিল।

সে গুলি করার আগেই...

স্যার, সে গুলি করার আগেই পারুলকার স্যার তাকে তিন রাউন্ড গুলি করে।

কি করছিলি তুই?

কি বলেছিলাম ভুলে গিয়েছিস?

বল।

- আমাদের সবাইকে কি জেলের ভাত খাওয়াবি? - কি হচ্ছে এখানে?

মজিদ?

ও ১৮ বছরের একটা বাচ্চা ছিল।

সন্ত্রাসী হওয়ার জন্য কি কোন বয়স লাগে?

আমরা ওকে গ্রেফতার করতে পারতাম।

নতুন এসেছে নাকি?

ও আত্মসমর্পন করতে যাচ্ছিল।

এই শহরে প্রচুর জঞ্জাল বিদ্যমান, সারতাজ।

- সবসময় রুলস অনুসরণ করা সম্ভব না। - ওর বাবাকে এই কথা বলতে পারবেন?

এর আগে কখনো কোন কেস সল্ভ করেছিস?

পরবর্তী ইন্সপেক্টর রমাকান্ত জাদব হতে চাস?

- গুগল করে দেখ উনাকে। সেও একই কথা বলেছিল। - মজিদ।

চিকিৎসা করাও।

আমরা কালকে কথা বলবো।

ঠিক আছে।

আসার দরকার নেই।

কালকে রিপোর্টে লেখা হবে, জুনায়েদকে তুমি মেরেছ। তারপর?

মেঘা তোমার জীবন থেকে চলে গিয়ে ঠিকই করেছে।

লং টেনিস খেলত ও।

লং টেনিস খেলেছ তুমি কখনো?

মেঘা আমাদের দিকে তাকিয়ে রয়েছে। যাব আমরা?

একবার...আব্বা আমাদের স্বর্ণ মন্দিরে নিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত নিল।

আমাদের জন্য বড় ব্যাপার ছিল সেটা।

- অমৃতসরে যাব... - স্বর্ণ মন্দির পুরোটা স্বর্ণ দিয়ে তৈরী, তাই না?

শোন না?

যেদিন যাওয়ার কথা ছিল...

আব্বাকে থানায় ডাকা হয়।

একটা অ্যাক্সিডেন্টের কেস ছিল।

একটা পথ শিশুর ওপর কেউ গাড়ি চালিয়ে দিয়েছিল।

হাসপাতালে যেতে হত কাউকে।

যে কেউই যেতে পারত।

কিন্তু, আব্বা অমৃতসরে যাবার সিদ্ধান্ত বাতিল করল।

আমি সারাটা দিন কাঁদলাম।

রাগে আব্বার মানিব্যাগ থেকে ১০ টাকার একটা নোট নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে ফেললাম।

১৯৯০ সালের কথা।

আম্মা জানতে পেরে পরে আমাকে চড় দেয়।

জানিস, আব্বা আমাকে কী বলেছিল?

"আমাকে ওই শিশুটাকে দেখতে যেতে হতোই।"

আমি উনার মতো হতে চেয়েছিলাম।

একজন ভাল পুলিশ অফিসার।

আপনি অনেক টেনশন করেন, স্যার।

তদন্ত কমিশন পারুল স্যারের পকেটে।

আপনি সত্য মিথ্যা যাই বলুন না কেন, কোন লাভ নেই।

রাস্তায় ছিলাম। গেট বন্ধ করছিলাম।

ছেলেটা দৌড়ে আসলো আমার কাছে।

নিরস্ত্র।

- ১৮/১৯ বছর বয়স হবে। - স্যার!

- আমাকে দেখে কাঁদতে শুরু করল। - স্যার!

স্যার, আমাকে বাঁচান!

পারুলকার উলটো দিক দিয়ে আসছিল।

ও আত্মসমর্পন করছে, স্যার!

আমি আত্মসমর্পনের কথা বলেছিলাম পারুলকারকে।

কিন্তু, গুলি মেরে দিল!

স্যার, যখন বড়সড় কোন কেস সল্ভ করবেন দেখবেন সব ঠিক হয়ে যাবে।

কি ঠিক হয়ে যাবে?

আমার ১০ বছরের অর্জন সনু নামে একজন পকেটমারকে ধরা।

স্যার,

ভগবানে বিশ্বাস করেন?

কে বলছেন?

বল না, মাদারচোত? পরিচয় দে।

অনেক কথা আছে।

তো, বল না?

- কে ছিল? - জানি না। হবে কোন বানচোত।

ট্রেস করব নাম্বারটা?

বাল!

ভগবানের কথা বাদ দিন।

জাদুতে বিশ্বাস আছে আপনার?

মাঝেমধ্যে আমার জীবনটাকে জাদুর মতো মনে হয়।

তোর সমস্যাটা কী, বলতো?

পুলিশ হয়ে ফেসে গেছেন, সারতাজ?

গাভাস্কার হবার কথা ছিল, এখন টেন্ডুলকারের নিরাপত্তার দেখভাল করছেন।

কে?

এই শহরকে আপনাকে বাঁচাতে হবে।

শুনলাম, এই শহরটাকে অনেক ভালবাসেন আপনি।

কে বলছিস?

দিলবাগ সিং এর একজন পুরনো বন্ধু।

আব্বার পরিচয় কীভাবে জানিস?

শুনুন না?

ভাগ্য বদলে যাবে।

- তুই আমার ভাগ্য বদলাবি? - দুজনেই দুজনের ভাগ্য বদলাবো।

কীভাবে বদলাবি?

যদি তাদেরকে বলেন কে ফোন দিয়েছিল...

তারা পকেটমার সনুর কথা ভুলে যাবে।

রবি পন্ডিতের লোক তুই?

রবি পন্ডিত তো গর্তে লুকিয়ে থাকা একটা ইঁদুর মাত্র!

এরকম একজনের জন্য আপনার ঘুম বরবাদ করব কেন?

ফালতু আলাপ করিস না। কে তুই? ফোন দিয়েছিস কেন বল।

আমাকে খুন করতে যাচ্ছে তারা।

এই শহরের কাউকে বিশ্বাস করতে পারছি না আমি।

তারপর, দিলবাগ সিং এর কথা মনে পরলো।

কে খুন করবে তোকে?

দিলবাগ সিংকে কীভাবে চিনিস তুই?

কে কাকে কীভাবে চেনে...

সেটা ব্যাখ্যা করা তো এত সহজ নয়।

আমি যখন ছোট ছিলাম, ১০/১১ বছর বয়স হবে...

আজকের দিনটা তখনই ঠিক হয়েছিল।

এই মুহূর্তটা, আমাদের যোগাযোগটা...

আপনি, দিলবাগ সিং এবং আমি।

এরকম ভবিষ্যৎ দেখতাম আমি পানিতে।

শৈশব থেকেই মনে হতো আমার জীবন পুরাণের কোন একটা খাতা।

পুরো দুনিয়া আমার কাহিনীর ছোট ছোট অংশ। বাবাও।

সহস্র বছর ধরে দুর্ভিক্ষ ছিল। তারপর, গৌতম কঠিন তপস্যার মাধ্যমে...

গঙ্গায় জল আনয়ন করেছিল।

আমার গ্রামে, গঙ্গার আরেক নাম ছিল গোদাভারি।

আমার বাবা সেখানে পুরোহিত ছিলেন।

কিন্তু, ভিক্ষুকের সাথে তার তেমন পার্থক্য ছিল না।

মা, আমাকে সাহায্য করুন।

বাবা, ভগবান কি সব জায়গায় আছে?

তাই তো রে! উনি সব জায়গাতেই আছেন!

এই ব্যাগের প্রতিটা চালের মধ্যে তিনি আছেন।

কিন্তু, উনি তো ভিক্ষা করেন না।

বাবার দুর্বলতাকে ঘৃণা করতাম আমি।

তখনই সিদ্ধান্ত নিলাম, আমার দুনিয়ার রাজা আমিই হবো।

স্যার, নাম্বারটা ট্র্যাক করা হচ্ছে।

মেট্রো থিয়েটারের আশেপাশেই কোথাও আছে সে।

আরো কিছু বল।

আমার মা...

খুব দরদী ছিলেন।

জানি না বাবা উনাকে কোথায় খুঁজে পেয়েছিলেন।

আয়!

ঘর যখন অন্ধকারে ডুবে থাকত...

আলো হয়ে তিনি চলে আসতেন।

কেমন রে? সুন্দর না?

ওই ভিক্ষুক বাবার জন্য প্রতিদিন সাজতেন উনি।

মা।

এই কাপড় তুমি কোত্থেকে পেলে?

জানতাম, এই স্বপ্নের কোন স্থায়িত্ব নেই।

যখন আমার ভিখারি বাবা ঘুমাতো, আমার মা জেগে থাকতেন...

যখন মা ঘুমাতো তখন উনি জেগে থাকতেন।

আমার ভিখারি বাবা যখন ভিক্ষা করার জন্য বাইরে চলে যেত, তখন সে জীবিত হয়ে যেত।

তার দুনিয়াতে তখন সূর্য উঠতো।

কি করছ তুমি? পাগল হয়ে গেলে? গণেশ ঘুমাচ্ছে।

তো কী হয়েছে? আমি তোমার সাথে ঘুমাতে চাই।

গণেশ স্কুলে চলে গেলে তখন এসো।

আজকে স্কুল বন্ধ। রবিবার আজকে। আমি এখনই তোমার শরীরের স্বাদ পেতে চাই।

কী করছ তুমি? যদি ও জেগে যায়?

জাগতে দাও ওকে।

তুই আমারে মারবি? খানকি মাগির পোলা!

তোর ওই সাহস আছে!? মাগির পোলা!

মাকে নিয়ে বাজে কিছু বলবি না।

শৈশবের কিছু কিছু দিন এখনো আমার কাছে জীবন্ত মনে হয়।

এই? তুই কাঁদছিস কেন?

তোর শার্ট ছিড়ে ফেলছি বলে?

তর মায়ের বেশ্যাগিরির টাকায় প্রত্যেকদিন নতুন শার্ট কিনতে পারবি।

আর মাঝেমাঝে মনে হতো, এসব কিছুই ঘটেনি।

কোন অন্য জন্মের স্মৃতি এগুলো।

মনে হয়, এইতো গতকাল। অন্ধকারে আমি পাগলের মতো পালাচ্ছিলাম।

আমার মাঠ থেকে, বাড়ি থেকে, গোদাভারি থেকে।

আমার বাবা আর তার ভগবানের কাছ থেকে।

মনে হয়, এটা ষষ্ঠ জন্মের আগের কথা,

যখন শেষবার আমি আমার মাকে দেখেছিলাম।

ধর্ম কী?

মা নাকি বাবা?

যাই হোক, আমি মুক্তি পেয়ে গিয়েছিলাম।

আমার জন্য একটা নতুন ধর্মের প্রয়োজন ছিল।

মুম্বাই।

কী, স্যার?

댓글

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left