처음 200줄입니다.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
"দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, কোরিয়া দক্ষিণে যুক্তরাষ্ট্র দ্বারা ও উত্তরে রাশিয়া দ্বারা শাসিত হতে থাকে।"
"১৯৫০ সালের ২৫শে জুন, কোরিয়া যুদ্ধে হতাহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩০ লক্ষেরও বেশি।"
"যুদ্ধ বিরতির পরেও, একে অপরের দেশে গোয়েন্দা পাঠানোর মাধ্যমে এক শীতল যুদ্ধের শুরু হয়।"
"সিনেমাটি 'ব্ল্যাক ভেনাস' এর জীবনের সত্যিকারের ঘটনার উপর নির্মিত, যিনি নব্বইয়ের দশকে গোয়েন্দা হিসেবে কাজ করেছেন।"
"সকল চরিত্র ও ঘটনা কাল্পনিকভাবে সাজানো তাই বাস্তব ঘটনার থেকে ভিন্ন হতে পারে।"
- অনুবাদে - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
- অনুবাদে - রফিকুল রনি
- অনুবাদে - ফিহাদ আর-রহমান
- অনুবাদে - জ্যোর্তিময় সজ্জন
- অনুবাদে - হাসান শুভ
- অনুবাদে - তাইয়েবা তানজিমা অথৈ
- অনুবাদে - আরমান আল মাহমুদ
- সম্পাদনায় - সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
"THE SPY GONE NORTH"
উত্তর কোরিয়া আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার
ইয়ংব্যন পারমাণবিক চুল্লীর পরিদর্শন দাবীর প্রতিউত্তর দিয়েছে,
এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে অসম্মতি জানিয়েছে।
কোরীয় উপদ্বীপ গভীর সঙ্কটে নিমগ্ন হচ্ছে
আর তাই দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
উত্তরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জরুরি আলাপ ডেকেছে।
ধর ব্যাটাকে!
এই।
এই!
কী হচ্ছে এসব?
ছাড় আমাকে!
কী করছেন আপনারা?
হয়াং বয়্যুং ছুল সাহেব?
আপনি কে?
আমি সরকারী গোয়েন্দা বিভাগের বিদেশী অপারেশনগুলো সামলাই।
আপনাকে আমার সাথে আসতে হবে।
- ধর! - ছাড় বলছি!
১৯৯২ সালের জানুয়ারি মাসে,
এক এনআইএস এজেন্ট এসে আমাকে উত্তরের গোয়েন্দাগিরি করতে বললো।
বললো উত্তরের পারমাণবিক আক্রমণ থামানো ছাড়া কোরিয়াকে বাঁচানো সম্ভব না,
তাই গোয়েন্দাগিরি করতে রাজি হয়েছিলাম।
সেইদিন থেকে আমাকে এক নতুন মানুষে পরিণত হতে হয়।
প্রতিদিন মদ গিলতাম,
ঘন্টার পর ঘন্টা জুয়া খেলতাম।
আমার মিলিটারি অফিসারের ব্যক্তিত্বটা মুছে ফেলতে হতো।
এখানে ১০ লক্ষ টাকা আছে।
ব্যবসা শুরু করব বলে, কিছু পুরানো বন্ধুর থেকে ধার নিয়েছিলাম।
আগে তো কখনো মদ খেতি না, হঠাৎ কী হলো?
আর্মি ছাড়লি কেন?
জলদিই লেফটেন্যান্ট কর্নেল হতে পারতি।
কর্নেল হবি তুই।
আমি বরং কোম্পানির চেয়ারম্যান হবো।
অনেক অনেক ধন্যবাদ!
এদিক সেদিক থেকে ধার নেওয়ায়,
অল্প সময়ের মধ্যেই ঋণ আমার গলা তাকাত এসে পৌঁছায়।
অবশেষে আমার সব ধন সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়।
এসব ছিল উত্তরের গোয়ান্দাদের বিভ্রান্ত করার এবং আমার পরিচয় মুছে ফেলার জন্য।
আর এটাই ছিল আমার প্রথম কাজ।
ঠিক আছে তাহলে।
দ্বিতীয় কাজ ছিল
পরমাণুবিদ কিম জাং হ্যুককে দক্ষিণ কোরিয়ায় নিয়ে আনা,
যে উত্তরের পারমাণবিক কার্যক্রমের মূল তথ্যগুলো জানত।
"মার্চ ১৯৯৩, সরকারী গোয়েন্দা বিভাগ" "জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ"
এখানে হচ্ছেটা কী?
বসুন।
হয়াং বয়্যুং ছুল সাহেব।
যেমনটা জানেন, উত্তরের পারমাণবিক অস্ত্রসস্ত্রের কারণে আমরা এক বিশাল সঙ্কটের সম্মুখীন হয়েছি।
আমি এই ব্যাপারে কিছু জানি না।
সম্ভবত আপনি জানেন না।
কিন্তু আপনার প্রফেসর কিম জাং হ্যুক ভালো করেই জানেন।
উনি বিভিন্ন কারণে পিয়ংইয়ংয়ে প্রায়ই আসেন।
কিন্তু...
আমার সাথে যে বন্ধু ছিল তার কী খবর?
সে যে উত্তরে গোয়েন্দাগিরি করছিল আপনি কি জানতেন?
দক্ষিণ কোরিয়ায় হলে, আপনি যদি নাও জানতেন,
ওর সাথে দেখা করার জন্য আপনাকে বদলি করে দেওয়া হতো।
আর পরিস্থিতি গুরুত্বর হলে,
হয়তো জাতীয় নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী শাস্তিও দেওয়া হতো।
সত্যি বিশ্বাস হচ্ছে না।
তাহলে...
কী করব?
আপনি অনেক ব্যস্ত মানুষ। এত দূর থেকে আসার জন্য ধন্যবাদ।
কী যে বলো না?
আমি মিস করব ভেবেছ?
সম্মেলনের জন্য এসেছি ঠিকই, কিন্তু আসল উদ্দেশ্য তোমার সাথে দেখা করা।
অনেক অনেক ধন্যবাদ।
চলুন।
"উত্তর এশিয়া শান্তির প্রচার এবং ইন্টেলের সহযোগিতায় আয়োজিত সম্মেলনে সবাই নিজের আসন গ্রহণ করুন।"
স্যার?
হ্যাঁ?
চলুন একজন গুরুত্বপূর্ণ লোকের সাথে আপনার সাক্ষাৎ করিয়ে দিই।
সাফাইয়ের জন্য তৈরি হও। সব জানালা লাগিয়ে দাও।
"হলে আগুন লেগেছে।"
"দয়া করে সবাই নিকটবর্তী ইমারজেন্সি এক্সিট ব্যবহার করুন।"
"আবার বলছি।"
"দয়া করে নিকটবর্তী..."
আমি একজন পরমাণুবিদ।
কিন্তু চীনের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াই,
তাই পিয়ংইয়ংয়ের কোনো ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।
একজন পরমাণুবিদ এ বছর ২৬ বার পিয়ংইয়ং এসেছে
আর পারমাণবিক কার্যক্রমের ব্যাপারে কিছুই জানে না?
বিশ্বাস করা বড়ই মুশকিল।
আমি বরং এখন যাই।
একটুর মধ্যেই সম্মেলন শুরু হবে।
সম্মেলনে যাওয়ার দরকার নেই।
পুরোটাই সাজানো হয়েছিল আপনাকে এখানে আনার জন্য।
খান।
শুনেছি আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের মাসের বেতন ৪৫০০ টাকা।
আমার বিশ্বাস আপনার প্রাপ্যটা এর চেয়েও বেশি।
আপনি সাহায্য করলে,
আমি আপনাকে এখুনি ১ কোটি টাকা দিতে তৈরি আছি।
২০০ বছরের বেতনের টাকা ব্যস একবারে।
লোভনীয় প্রস্তাব,
কিন্তু যা জানি না তা কীভাবে বলি!
শুনেছি আপনার স্ত্রী ছেলেমেয়েদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নিয়ে অনেক চিন্তিত।
আমরা সে ব্যাপারেও সাহায্য করতে পারি।
আমার ছেলেমেয়েদের সাহায্য, আর ১ কোটি টাকার মধ্যে কোনো একটাকে বেছে নিতে হবে?
১ কোটি টাকা ও আপনার ছেলেমেয়েদের ভবিষ্যত দু'টোই পাবেন এক কাজের জন্য।
৮৯ সালে ইস্টার্ন ব্লক ভেঙে যাবার পর পারমাণবিক কার্যক্রম জোরালোভাবে শুরু হয়।
পিয়ংসংয়ের বিজ্ঞান একাডেমিতে,
কিম ছেক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের তত্ত্বাবধানে কাজ হয়।
তো এখন, ৪ বছর পর...
জিজ্ঞেস করছেন উত্তর কোরিয়া বানাচ্ছে কিনা?
ওরা বানাচ্ছে না।
ওদের কাছে এখুনি আছে।
মানে উত্তরে এই মুহূর্তে পারমাণবিক অস্ত্র আছে?
অস্ত্রের অস্তিত্ব আছে কিনা তা টপ সিক্রেট,
শুধু কিম জং ইলের অধীনস্থ ব্যুরো ১৩১ এর প্রধান কর্মকর্তারা জানে।
ওরা বলছে এসব পারমাণবিক শক্তির জন্য,
কিন্তু যদি প্লুটোনিয়াম তৈরি করে ফেলে, তবে পারমাণবিক অস্ত্র শুধু সময়ের ব্যাপার।
তোমার পরবর্তী কাজ হচ্ছে
উত্তরের উপরমহলের সব তথ্য বের করা আর ওরা কী করছে সেসব দেখা।
বেইজিংয়ে উত্তর কোরিয়ার বহিঃস্থ অর্থনৈতিক কমিটি।
কমিটির পরিচালক রি ম্যুং উন।
কিম ইল সাং বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হওয়া সেরা ছাত্রদের একজন।
ও উত্তরের সব বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সামলায়।
মিলিটারি বা নিরাপত্তা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত নয়, তাই নেয় কোনো পদমর্যাদা।
কিন্তু উত্তরে ওর প্রভাব অকল্পনীয়।
একমাত্র ব্যক্তি যে কিম জং ইলের সাথে গোপনে দেখা সাক্ষাৎ করে আর যাকে আমরা ধরতে পারব।
ওকে প্রস্তাব দেওয়ার জন্য, ব্যবসায়ী সেজে যাবে।
আমি সহ মাত্র তিনজন তোমার পরিচয় জানে।
এক নিঃসঙ্গ লড়াই হতে চলেছে।
বাকি দু'জন কে জানতে পারি?
আমি, চিফ, আর...
কোড ওয়ান।
যেদিন পিয়ংইয়ংয়ের কাজ শেষ হবে,
সেদিন তোমার সাথে ত্যেডং নদীর কাছে দেখা করব।
"বহিঃস্থ অর্থনৈতিক পরিষদের মাধ্যমে উত্তরের উপরমহলে অনুপ্রবেশ"
"পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া গেছে"
"শুধুমাত্র কোড নাম ব্ল্যাক ভেনাস উল্লেখ হবে"
"মার্চ ১৯৯৬" "বেইজিং বুনিয়াদি বাজার"
বেইজিং আর ডানডংয়ে অনেক ভালো ভালো লোক হারিয়েছি।
কিছুদের অপহরণ করে ফেলে উত্তরে,
আর বাকিদের নির্মমভাবে হত্যা করে।
তোমাকে একদম পারফেক্ট সেলসম্যান হতে হবে।
মুখে, কাপড়ে বা আচরণে একটু উনিশ কুড়ি হলে,
মুহুর্তের মধ্যে তোমাকে ধরে ফেলবে।
বলেছিলে না তুমি দক্ষিণ গ্যেওনসাং অঞ্চলের?
এসে গেছি!
দেখো একবার!
এমন মাল আর কোথাও পাবে না।
এত মাল মজুত করা সহজ ছিল না!
এর আসল কদর জানতে হলে ট্রিগারটা চাপো।
নাও।
"চুপ শালা, একদম উপরে পাঠিয়ে দিব!"
আর এতে অন্য স্টাইলেও আক্রমণ করা যায়!
"খানকির পোলারা, একদম খতম করে ফেলব!"
কী বলো?
কিয়োহারা হিসাশি, এক কোরীয় বংশদ্ভুত জাপানী।
সম্ভবত উত্তর কোরিয়ার বহিঃস্থ অর্থনৈতিক পরিষদে ঢোকার একমাত্র পথ।
আর বেইজিংয়ে এনআইএসের কনট্যাক্ট?
এটা আমাদের হোয়াইট এজেন্টদের সেট করা কনট্যাক্ট।
চীনা বংশদ্ভুত, তাই অনেক কিছুই জানে আর সাহায্যও করতে পারবে।
ওকে সবাই ডক্টর জাং বলে ডাকে।
শোনা গেছে ও নাকি উত্তর কোরিয়ার ভেতরের লোক ছিল।
কিন্তু টাকার জন্য পল্টি খেয়েছে যেহেতু,
তাই প্রকৃতপক্ষে ওকে না বিশ্বাস করে উত্তর না করে দক্ষিণ।
তো আমার একমাত্র ভরসা এখন কিয়োহারা?
সেটা তোমার উপর নির্ভর করছে।
দাঁড়াও!
একটু সিনডক মিনারেল ওয়াটার খেলে কেমন হয়?
আয়ন আর অ্যামিনো এসিডে পরিপূর্ণ।
স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী!
উপকারী না ছাই!
তোমার কি মনে হয় বেইজিংয়ে ৩ মাস চক্কর কাটার পর,
বাচ্চাদের খেলনা নিয়ে ফেরত যাবো?
তোমার বাচ্চাদের জন্য ওগুলো কিনবে?
এখানে কে মারা খাচ্ছে?
খেলনা নিয়ে সীমান্তে সমস্যা করে না।
পিয়ংইয়ংয়ে সব বিক্রি হয়ে গেছে!
তোমার মাথায় কি সমস্যা আছে?
এমন কিছু দাও যাতে ভুয়া ট্যাগ লাগাতে পারি, মাথামোটা কোথাকার!
সিগারেট বা গাড়ি!
যদি ঐ খেলনাগুলো কিনো, আমি তোমার জন্য ব্যবস্থা করে দিব।
শালা রে...
তোমাকে কতবার মাল খাইয়েছি বলো তো?
দেখো, কিয়োহারা।
তোমার কাহিনী বাদ। এখন ফুটো।
দাঁড়াও!
দাঁড়াও!
কিম সাহেব!
এখানে আর কাউকে চিনেন না?
আমার মাথাটা এখন নষ্ট।
কোথাও উত্তর কোরিয়ার প্রোডাক্ট খুঁজে পাচ্ছি না।
এখানের ব্যবসায়ীরা সব চুনোপুঁটি।
No comments yet. Be the first to leave one.