처음 200줄입니다.
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদকঃ
অনুবাদকঃ আ
অনুবাদকঃ আশ
অনুবাদকঃ আশরা
অনুবাদকঃ আশরাফ
অনুবাদকঃ আশরাফ হি
অনুবাদকঃ আশরাফ হিমে
অনুবাদকঃ আশরাফ হিমেল
আমরা দেখতে পাচ্ছি যে,তারকারা ১৪৫ মিটার দীর্ঘ এক লাল গালিচার উপর দিয়ে হেটে যাচ্ছেন।
এনা ফ্রিট্জ নি:স্বন্দেহে একজন আকর্ষনীয় চালচলন এবং সুরুচিপূর্ন একজন ব্যক্তিত্ব।
তিনি এসে পড়েছেন,বরাবরের মত এবারো তিনি হাজির হয়েছেন এক মনোমুগ্ধকর রূপে।
তার অসাধারণ সব কাজের জন্য নিশ্চিতভাবে আবারো তিনি পুরস্কৃত হবেন।
তিনি সবার মন জয় করতে পেরেছেন যা আগে কেউ তেমন একটা পারে নি,
এনা ফ্রিট্জ আজ তার নতুন বয়ফ্রেন্ডকে সাথে নিয়ে এসেছেন,
তারা হলেন সিনেমা জগতের উজ্জ্বলতম জুটি, উনাদেরকে একসাথে দেখতে পেয়ে আমরা সত্যিই গর্বিত।
উনার নতুন সিনেমা সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি আমাদেরকে মিষ্টি হাসি দিয়ে অভিবাদন জানান।
- তিনি উডি অ্যালেন, আলমোডোভার এবং সোফিয়া কপোলার সাথে কাজ করেছেন। - এসেন্স ম্যাগাজিনেও উনাকে খোলামেলাভাবে দেখা যাবে,
উনার পরিহিত পোশাকটি মেজরকেন ডিজাইনার প্লাউ বালাগার কতৃক প্রস্তুতকৃত।
অবসর যাপনের জন্য বেশিরভাগ সময়ই তিনি ইয়টে বা তার স্পোর্টস কারে করে বেড়াতে যান।
উনি যেখানেই যান না কেন,সবসময়ই তিনি চেষ্টা করেন তার ভক্ত ও অনুসারিদের কিছুটা সময় দেবার,
তিনি সত্যিই অতুলনীয়, শুধু রূপের দিক থেকে নয়....
এনা ফ্রিট্জকে ব্যাক্তিগত একটি পার্টিতে বাথরুমের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।
আগামীকাল সকালে তার দেহটাকে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। আর তারপরই জানা যাবে উনার প্রকৃত মৃতুর কারন।
অনাকাংখিত লোকজনের ভীড় এড়ানোর জন্য যে হাসপাতালে তার দেহ রাখা হচ্ছে তা প্রকাশ করা হয় নি
তার মৃত্যুর খবরে সমগ্র বিশ্ববাসী মর্মাহত।
THE CORPSE OF ANNA FRlTZ
- বালের হাসপাতাল, - কেন কি হয়েছে? - হ্যালো
অনুবাদক: আশরাফ হিমেল
পাউ কে একটু ডেকে দেবেন?
ধন্যবাদ।
কিরে মামা চাইনিজ লাগবে? - কোনটা? - দুটাই
- চাইনিজ মেয়েদের ফিগার বেশি ভাল না। - ৩০০০ ইউরো খসালেই পছন্দসই জিনিস পেয়ে যাবি।
লাগলে বলিস,
- তাই নাকি? - আমার এক বন্ধু করেছিল,দেখতে খারাপ হলেও,ওরা বেশ বাধ্যগত হয়।
কি অবস্থা তোর?
কি খবর?
তোরা এখানে?
সত্যি করে বল তোর কাছে আরো ছবি আছে কিনা?
ধুর মজা করলাম! চল একটু বের হই,
- বাইরে গিয়ে একটু পার্টি-শার্টি করে আসি! - না,১২ টা পর্যন্ত আমার ডিউটি আছে।
- হাতে আরো এক ঘন্টা আছে - কোথায় সিরিয়াল ধরবো বল?
- দোস্ত,আমার কাজ আছে, - শুধু একবার
- আমি না করলাম না। - চল না, দোস্ত - আমি না করলাম না।
জলদি কর,
- এসব আবার কি? - ধরিস না, ওগুলো ময়লার ড্রাম
- আর কোন জায়গা পেলি না তাইনা? একটা নোংরা জায়গায় আনলি। - ভাল না লাগলে চলে যা।
- বোতলটা সাবধানে! - রিল্যাক্স,দোস্ত
- পার্টি তে যাবার জন্য জন্য শরীরটা গরম করে নেই,
কিন্তু,আমার কাজ আছে,
- আমি পার্টিতে যাবো কিনা নিশ্চিত না, - তোর আবার কি হলো? তোর তো দেরি বেশী দেরি হবার কথা না,
- ওখানে সুন্দর সন্দর জিনিস আছে, যাবি না? - না,কাল আমাকে একটু সকালে উঠতে হবে।
কিছু ময়নাতদন্ত সংক্রান্ত কাজ আছে,
- অন্য কোন চাকরি খোজ, দোস্ত! - কেন? এটা কি খারাপ নাকি?
একাকী থাকি, কেউ বিরক্ত করে না,
এনা ফ্রিট্জ এর তরফ থেকে! চিয়ার্স
আচ্ছা,অনেক হয়েছে, চল এবার,
দাঁড়া
জলদি চল, ইভান,
- এখানে থাকা যাবে না,চল - - আরো ছবি আছে?
- হ্যা তা ঠিক,তুই তো শুধু ওর চেহারার ছবি তুলেছিস। - হ্যা,আর ওটাই তো তোকে পাঠিয়েছি।
- আমি নিশ্চিত তুই এ সুযোগে ওর টা টিপেছিস, - হ্যা,
কেন তোরা কখনো করিস নি?
- ও কি এখনো হাসপাতালে আছে? - হ্যা,আগামীকাল পর্যন্ত।
- মর্গে আছে,যাবি? - চল তাহলে, - গিয়ে একটু দেখে আসি,
ইভান?
ইভান, শোন
না গেলে হয় না?
- তোরা কি সত্যিই যাবি? - অবশ্যই,মর্গটা কোথায়?
নিচ তলায়,
ইভান,দোস্ত,১১:৩০ বাজে, - আয়
- এখানে দাঁড়িয়ে থাকবি? - বাল
এদিকে,
কিরে এতো ভিতরে কেন? মরা লাশেরা যাতে পালাতে না পারে সেজন্যে?
বলে রাখি,কেউ দেখলে শান্তভাবে হাঁটবি, আমি বলবো যে তোরা হারিয়ে গেছিস
তারপর তোদের বের করার কথা বলবো।
ইভান,আমার চাকরির ঝুঁকি নিচ্ছি, - আচ্ছা ঠিক আছে,
এইতো এখানে,
- পাগল হয়ে গেছিস? - খোল,
- আমি বাইরে দাঁড়ালাম, - তোর এখানে থাকা ঠিক হবে না,
কিরে ? আমার অফিস পছন্দ হয় নি?
- আমি গেলাম, - ভয় পেয়েছিস? কাবি?
- ধরা পড়ে গেলে আমরা কি জবাব দেবো? হারিয়ে গেছি!
কেউ এখানে আসলে আমাকে জানিয়েই আসবে!
এনা ফ্রিট্জ কোথায়?
কাবি,
তৈরি তো?
দোস্ত,
আমি এর আগে কখনো মরা লাশ দেখি নি,
মনে হলেই গা ছমছম করে,
আজ দেখ তাহলে! দেখলে মনেই হবে না যে ও মরে গেছে!
- ধুর বাল, - শালা তুই কি মানুষ নাকি অন্য কিছু?
- বেকুব কোথাকার! - ফাজিল একটা!
হাসি মারা বন্ধ কর,সালা
ও কোথায়?
আর এটাকে ঢেকে দে!
ঠিক আছে,এবার সত্যি সত্যিই দেখাচ্ছি,
এদিকে আয়,
জোস রে!
- দেখলে কি মনে হয় ও মরে গেছে? - না
মাত্র ঘন্টাখানেক আগেই ওকে এখানে আনা হয়েছে,
বাল,কি শুরু শুরু করলি এসব?
ইভান,দোস্ত.
বিশ্বাস ই হচ্ছে না যে আমি এনা ফ্রিট্জকে স্পর্শ করছি,
বিশ্বাস কর, ধর না একটু!
- একদম ঠান্ডা, - কেন কি ভেবেছিলি তুই?
- তুই নিশ্চিত তো যে কেউ আসবে না, - বারো টার আগে কেউ আসবে না,
- চল একটু টান দেই, - তোদের যেটা মনে চায় সেটা কর, আমি গেলাম।
আরে কোথায় যাচ্ছিস!
- অনেক হয়েছে, আমাকে পার্টিতে যেতে হবে। - সেতো সবে মাত্র শুরু হল।
আমাকে যেতে হবে!
- আর কোন মেয়ে আছে? - না
পুরো স্পেন শহরটা এনা ফ্রিট্জ কে দিয়ে দেব,
আজ এবং এখানেই।
অসাম!
কিরে? তুই বলে দেখবি না,
ও সত্যিই অনেক সুন্দর!
চরম লাগছে!
কেমন লাগে রে একটা মৃত নারীর সাথে এসব করতে? আর কিভাবে বা করবো?
থুতু দিয়ে করবি,
- তুই কিভাবে জানলি? - ওদের যোনী টা জীবিতদের মতই,
খালি ভেজা থাকে না,এজন্য থুতু দিয়ে একটু ভিজিয়ে নিতে হয়।
- তুই এটা করেছিস তাইনা? - না
কেন করিস নি? তুই না এখানে কাজ করিস আর এরকম দেখতে কত মেয়েকেই তো এখানে আনা হয়।
ঠিকই বলেছিস,অনেক হাসপাতালেই এরকমটা হয়,আর ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাও খুব কম।
তাহলে অস্বীকার করলি কেন?
কথা দে কাউকে বলবি না! ঠিক আছে?
একদিন বেশ সেক্সি দেখতে একটা মেয়েকে আনা হয়েছিল,
- বয়স কত ছিল? - সতেরো আঠারোর মত!
মেয়েটা জোস ছিল,
আমার কাছে ওর ছবিও আছে!
- ওর সাথেই করেছি, - চাপা মারিস না, - কসম
ও আচ্ছা এ জন্যেই তুই এখান থেকে বের হতে চাসনা,ঠিক বলেছি না?
কি বলিস একটু থুতু দিয়েই তাহলে কাজ হয়ে যাবে?
আর এই এনার সাথে....
-.... তাহলে কিছুই করিস নি? - না
কত লোকের বউয়ের সাথে করলি আর এই এনা ফ্রিট্জের সাথেই কিছু করলি না? আফসোস!
দেখ না আমরা বের হয়ে গেলে ঠিকই করবে!
- চল আমারা কাজ শুরু করে দেই! - মাথা খারাপ? - কেন কি হয়েছে? ও তো মরেই গেছে।
এর চেয়ে বরং পার্টিতেই চল,ওখানেও তো মেয়ে লোকের অভাব নেই।
কিন্তু ওরা কেউ তো আর এনা ফ্রিট্জ এর মত না।
আমি এটা করবো।
- ইভান - কি হয়েছে? - বাদ দে এসব,তোকে নেশায় পেয়েছে!
- এটা কোন ব্যাপারই না,ও তো মরেই গেছে, - এরপর ও করিস না এটা,
তোর কথা আমি আর শুনছি না,
- কেউ এসে পড়বে না তো? - একদমই না।
- তোরা এখান থেকে সরবি নাকি আবালের মত দাঁড়িয়ে থাকবি? - আমি গেলাম
না,দাঁড়া এদিকে আয়,
আমি কি কিছু বুঝি না নাকি? ও এরকমটা করতেই পারে না।
ওটা ওর মুখের কথা,ও আসলে এরকমটা না, আমি ওকে ভাল করেই চিনি,
- ও একটা মরা লাশের সাথে এরকমটা করতেই পারে না, - মনে তো হচ্ছে ও পারবে,
অমানুষ একটা!
লাশের সাথে,শেষ পর্যন্ত একটা লাশের সাথে!
- আগে জানলে এখানে আসতামই না। - ঠিকই বলেছিস....
আমারো তো বিশ্বাস হচ্ছে না,
বাপরে,পুরো পাগলের মত করছে!
তুই আর কোন কথাই বলিস না, ভাবতেই তো গা ঘিন ঘিন করে!
অনেক হয়ে হয়েছে, চল এবার
- কেমন লাগলো? - চরম
কেন করবি নাকি?
- আমিও করবো, - পাউ,দাঁড়া
- চরম একটা জিনিস মিস করে ফেললি, এমন সুযোগ একবারই আসে - মিস করলাম মানে? আমি কি তোদের মত সাইকো?
- এটা তোর ব্যাপার, - পাউ করলে করতে পারে,কিন্তু তুই কিভাবে এটা করলি?
- যাই বলিস অভিজ্ঞতাটা কিন্তু চরম ছিল। - বালের অভিজ্ঞতা!
- না করলে বুঝবি কিভাবে? বলতো? - কেউ যদি তোর মৃত বোনের সাথে এরকম করে তখন তোর কেমন লাগবে?
যে করবে সে কি জীবিত অবস্থায় করবে?
কাবি ওটা শুধুই একটা লাশ, ও কি আর আমাদেরকে চিনবে?
কেন যে তোদের সাথে এসেছিলাম....বাল
অপেক্ষা কর পাউ এরটা শেষ হলেই আমরা পার্টি তে যাবো,
- ঠিক আছে? - আচ্ছা!
কি হয়েছে?
- ও মরে নি,বেঁচে আছে,ওকে চোখ খুলতে দেখেছি। - পাউ, কি বলছিস এসব?
দেখ ওকে!
কি করবো এখন?
- ভয়ের কিছুই নেই, - পানি নিয়ে আয় তো,
কি হল তোদের?
আপনি কিভাবে জেগেছেন মনে আছে?
এই নিন পানি!
আস্তে, এইতো
- দাঁড়িয়ে আছিস কেন? একটা ডাক্তার ডেকে আনতে পারছিস না?
আপনার কি ঠান্ডা লাগছে?
আমি আসছি...
- তুই নিশ্চিত যে ও তোকে দেখেছে? - আরে, হ্যা,আমি নিশ্চিত।
- আর যদি তেমনটা না হয়? - এটা অসম্ভব।
আমি সাহায্য করছি,
এটা ছাড়া আর কিছু পাইনি।
এইতো...হয়ে গেছে
- কথা আছে শুনে যা, - পাউ, ওনাকে দেখিস.... - শোন....
- মাথা ঠান্ডা করে ভেবে দেখ! - কি ভাববো বল,
- কে? - বাল,এই সময় আবার কে এলো? - কে এসেছে?
মনে হয় নাইট গার্ড,আমাদের কে লুকাতে হবে,
কোথায়?
ভেতরে!
- কি করছিস? ওকে ঢাকলি কেন? - পরে বলছি!
ওটা পরের ব্যাপার,আগে আমাদের লুকাতে হবে!
দু:খিত,আমি কাবি,
No comments yet. Be the first to leave one.