처음 120줄입니다.
চুপ করে আছিস কেন, শা*?
কী মনে হচ্ছে?
স্যার, কপালটা তো মেলে মনে হচ্ছে।
নাকটাও মিলে গেছে।
হালকা।
তোমাদের কপাল আর নাকগুলোও তো ওরকম।
তাহলে তোমাদের ধরেই পেটাই?
প্রত্যেকেই চোখের ডাক্তার দেখাও।
-খায়ের। -স্যার।
একটা ছবি তুলে নিন।
-স্যার, জেলের ভেতর তো মোবাইল-- -ও!
আপনি তো খুব নিয়ম কানুন মানেন। তাই না?
দু-ঘণ্টা ধরে কুত্তার মতো মেরেছি।
কথা বলা তো দুরস্থ।
একটা শব্দও করেনি।
-আপনি নিশ্চিত এটা মানুষ? -হ্যাঁ, স্যার।
হ্যাঁ। হাড়গোড় আছে তো।
দেখুন, পা দুটোও সোজা।
তাহলে ঢুকল কিভাবে? হ্যাঁ?
শক-টক কিছু দিয়েছ?
শুধু মারলে হবে না। শক দাও।
ধনে মরিচগুঁড়ো মাখিয়ে, পো* ডিম-ফিম যা পারো ঢোকাও!
কথা বলবে না মানে? ওর বাপ কথা বলবে!
খায়ের!
স্যার, আপনাকে ডাকছে।
-কে? -জেলার।
এই!
ও মরে যাওয়ার আগে নিয়ে যা।
স্যার।
সত্যি বলছি, স্যার। আমি এ ব্যাপারে কিচ্ছু জানি না।
আমার ছেলের দিব্বি।
আজকে জেলে যে যে ঢুকেছে প্রত্যেকের একটা তালিকা তৈরি করুন।
খাবারের লোক, কারারক্ষী, কুত্তা, বিড়াল যে যে ঢুকেছে...
-প্রত্যেকের নাম চাই। -আচ্ছা।
আর মাতৃছায়া ব্লকের সব কয়েদী আর কারারক্ষীদের জেরা করুন।
-সিসিটিভি ফুটেজগুলোও ভালো করে দেখবেন। -ঠিক আছে।
আর ওই মহিলার ফুটেজটা কে উড়িয়েছিল?
-নামটা জানতে পেরেছেন? -না, স্যার।
আসলে, সময় পাইনি একদম।
-এই ঝামেলার মধ্যে... -খুঁজে বের করুন।
আর এই লোকটার আঙুলের ছাপ নিন।
স্যার। আঙুলের ছাপ?
পুলিশকে জড়ানোটা কি ঠিক হবে?
এমনিতেই সাংবাদিকরা ঝামেলা করছে।
আপনি মাথাটা একটু কম খাটান।
আপনি মাথা খাটালে আমার চাপ বাড়ে।
যা বলছি, তাই করুন। প্লিজ।
আচ্ছা, স্যার।
এই ঘটনাটা বাইরে গেলে আমাদের অবস্থাও কিন্তু টাইট হয়ে যাবে।
স্যার।
একে কী করব? কোনও সেল তো খালি নেই।
অন্য কয়েদীদের সঙ্গেও তো রাখা যাবে না।
ব্যবস্থা করুন।
কোথায় তুই?
জিমে।
একটু আসতে পারবি?
ক্লাবে আসবিনা?
না। তুই আয়।
কেন? কী হয়েছে?
আয়, তারপর বলছি।
জেলের গেটে এসে ফোন কর।
আচ্ছা, ঠিক আছে।
এই! দাঁড়িয়ে আছিস কেন?
যা!
-কোথায় যাচ্ছিস? -গু আনতে বলছে।
-ওকে খাওয়াবে বলছে। -ধুর!
শক-ফক কিচ্ছু দিতে হবে না।
হবে, স্যার।
শা* মনে হয় নাটক করছে।
একটু গু খাওয়ালেই সব কথা বলবে।
কিচ্ছু করতে হবে না। আঙুলের ছাপ নাও।
কাল সকালের মধ্যে ওর ১৪ গুষ্টির খবর বের করছি।
স্যার, একে রাখব কোথায়?
সেল ১৪৫-এ নিয়ে যাও।
আর একটা নতুন তালার ব্যবস্থা করো।
ঠিক আছে।
একে চেনো? তোমাদের কেউ?
চিনতে পারছি না।
রেগে যাওয়ার কী আছে?
সবার চেহারা কি আমার মনে আছে?
কে লোকটা?
আমি না বলা পর্যন্ত সেলের বাইরে বেরোবে না।
ঠিক আছে।
আর সিগারেট শেষ হয়ে গেছে।
পাঠিয়ে দিও তো।
কিছু বলবে?
গুলজার।
গুলজার?
এ আপনার কেউ নাকি?
না।
আমি তো ভাবলাম আপনিই ঢুকিয়েছেন।
সেই!
আমার যেচে পেছনে বাঁশ নেওয়ার শখ হয়েছে।
ডেপুটি স্যার।
জেলখানায় তো রোজ কত লোক ঢুকছে আর বেরোচ্ছে।
এবার আমাকেও একটু বেরোতে দিন।
-টাকা পয়সা-- -থামুন।
আমার চাকরি নিয়ে এমনিই টানাটানি চলছে।
শুনুন, এখন যারা জেলে ঢুকছে আর বেরোচ্ছে
তারা কেউ আপনার মতো দাগী আসামী নয়।
নরম বিছানা পেয়েছেন, সেটাই অনেক।
এবার ঘুমোন।
ক্রিমিনাল রেকর্ডগুলো ঘেঁটে দেখ কারুর সঙ্গে মেলে কিনা।
এ কে?
সেটা জানলে কি আর তোকে বলতাম?
খুঁজে বের কর।
কখন বলতে পারবি?
-কাল বিকেলের মধ্যে। -না, এটা জরুরী।
সজীব ঠিক আছে?
সকালে জানাচ্ছি।
কেক যেন ভেঙে না যায়। তাই খুব সাবধানে!
কেক যখন ঠাণ্ডা হয়ে যাবে তখন বের করবেন।
তার আগে না।
তারপর ধীরে ধীরে কাগজটা তুলে ফেলুন।
দেখুন, কেকটা কী সুন্দর বেক হয়েছে।
এবার আমি ফ্রস্টিং করব।
দেখাব--
আরে, আসছি।
আতিক ঘুমিয়ে পড়েছে?
ওকে ফোনটা দাও।
No comments yet. Be the first to leave one.