처음 200줄입니다.
পরিবর্তনের হাওয়া পুরো মরুভূমির আকার যেভাবে পরিবর্তন করে দেয়,
১৯৪৭ সালে সেভাবে তারা ভারতে প্রবেশ করেছিল আর এর ইতিহাস পরিবর্তন করে দিয়েছিল
থার
ভারত বিভক্ত হয়ে গেল, তার চেতনা ভেঙে গেল/i>
কেউ কেউ প্রাণ বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেল
আর অন্যরা পরিত্যক্ত গ্রামে বসবাস করা শুরু করল
রাজস্থান সীমান্তে,
মুনাবাও তেমনই একটা গ্রাম।
এখানেই ছিল আমার কর্মস্থল
আমি একজন পুলিশ ইনস্পেক্টর হিসেবে চাকরি করতাম
অনেক বছর কেটে গেছে আর আমার চুলও ধূসর হয়ে গেছে
আগে অপরাধ বলতে ছিল শুধু ছিল মামুলি কিছু মারপিটের ঘটনা
আর জীবন বেশ শান্তিপূর্ণ ছিল।
তারপর এই গ্রামে যেন একটা ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেল
আর সবকিছু আবারও বদলে যেতে শুরু করল
১৯৮৫, মুনাবাও, রাজস্থান
এটা ছিল ১৯৮৫ সালের ঘটনা
সেই ঝড়ের চোখে আমি নিজেকে খুঁজে পেলাম
আমাকে খুব মিস করতেসিলি, তাই না?
তোর ফুলে থাকা প্যান্ট দেখে তো মনে হচ্ছে তুইও আমাকে অনেক মিস করছিলি
জলদি! যা করার তাড়াতাড়ি কর. ধরা পড়লে ওরা আমাদের মেরে ফেলবে।
আমিও হয়ত মরে যাবো
যদি দেখি তুই বিয়ে করে অন্য জায়গায় চলে যাচ্ছিস
- ববিতা কোথায়? - সে মন্দিরে গেছে। ফিরে আসবে।
বাইনচোদ!
- ঐটা কি ছিল? - আরে আমিই তো জানু
নে! এটা ধর
ঐ! শালার পুতেরা!
খানকি মাগী
ভাবসিলো সে পুরুষদের সাথে পাল্লা দিতে পারবে
পুরো কাহিনী শুরু থেকে আবার বল
আমি প্রদীপ জ্বালাতে দেবীর মন্দিরে গিয়েছিলাম
যখন আমি ফিরে এলাম,
আমি দেখলাম তাদের লাশ এখানে পড়ে আছে
একা একা মন্দিরে গিয়েছিলি?
আমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেছে...
- তোর বিয়ে কবে? - আগামীকাল হওয়ার কথা ছিলো!
সব শেষ হয়ে গেছে। টাকা-পয়সা, যৌতুকের জিনিসপ্ত্র! তারা কোনকিছুই ছাড়েনি।
ফিরে আসার পর তুই কি কাউকে দেখেছিস?
তারা কি তোর পরিবারের কাউকে হুমকি দিয়েছে?
আরে মেয়ে, আমাদের বিস্তারিত কিছু তো বল!
দেখ, আমরা জানি যে ওরা কারা ছিল সেটা তুই জানিস
ভূরে
যথেষ্ট হয়েছে
চল যাই
- স্যার, সে কিছুই জানে না - সে মিথ্যা কথা বলছে
সামনে ওর বিয়ে হবে। সে মিথ্যা বলবে কেন?
এটা পারিবারিক সম্মানের ব্যাপার।
সে সত্য লুকানোর জন্য তার যথাসাধ্য চেষ্টা করবে
এই বাড়িটা ছিল ড্রাগসের গোডাউন
ডাকাতরা আমাদের বোকা বানাইসে। যৌতুকের আড়ালে তারা আসলে ড্রাগস চুরি করেছে
আপনি সত্যিই মহান, স্যার.
ওনার বুদ্ধি অসাধারণ না?
আমার চাল দিয়েছি। এবার তোমার পালা।
ও ভাই!
কি চাও?
শহরে কাজ আছে। আমার শিক্ষিত লোক দরকার।
কেন?
অনেক টাকা কামানো যাবে
আমাদের লোক, পান্না, শহরে কাজ করেছে।
আর সে শিক্ষিতও বটে
তবে সে এখন এখানে নেই।
ওইটা তার বাড়ি।
জ্বি?
পান্নার সাথে দেখা করতে এসেছিলাম
সে কবে ফিরবে?
শহরে একটা কাজ আছে। সে অনেক টাকা কামাতে পারবে
ওর পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে ফিরে আসার কথা। তাকে ফসলও আনতে হবে।
আপনার নাম কি?
হায় আল্লাহ্!
স্যার
আমরা কি লাশটা পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠাবো?
প্রথমে খুঁজে বের কর সে কে
বাছা,
তুমি কি এখানে প্রতিদিন আসো?
তুমি কি আশেপাশে অন্য কাউকে দেখেছ?
তুমি কি তাকে চিনো?
স্যার,
এটা ঐ ডাকাতদেরই কাজ বলে মনে হচ্ছে।
ওরা ডাকাত না, চোরাকারবারি।
সাক্ষাৎ শয়তান! তারা তাকে অনেক নির্যাতন করার পর হত্যা করেছে
মুনাবাওয়ের উপর দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে ভিনদেশী শকুন।
স্যার, আমরা তার প্যান্টে এটা খুঁজে পেয়েছি.
অদ্ভুত!
খুনি আফিম রেখে গেছে কিন্তু কান কেটে নিয়ে চলে গেছে
এখানে একটা ছবি আছে. কোন নাম লেখা আছে নাকি?
এই হত্যাকাণ্ড দেখে একটা ওয়ার্নিংয়ের মত মনে হচ্ছে
কি ধরনের?
মুক্তির অপেক্ষায় থাকা একটা সিনেমার পোস্টারের মত
"শীঘ্রই থার-এ আসছে
প্রথমবারের মতো বড় পর্দায়।
রক্তারক্তি, ড্রাগস ও ভায়োলেন্সে ভরপুর
বিধ্বংসী এক ঝড়!"
স্যার
আমাদের ইনফর্মারদের কাজে লাগাও
তাহলে আমরা অন্তত কিছু তথ্য পাবো!
নমস্কার স্যার
রাম রাম
- রাম রাম - রাম রাম
রাম রাম
- রাম রাম, স্যার - সব ভালো তো?
- দুই কাপ চা দিও - জী স্যার. এখনই দিচ্ছি
- আর অন্যদের জন্য কিছু নাস্তা - জ্বি স্যার
স্যার, এই লোকটিকে আগে কখনো দেখিনি।
ওর পরিচয় জানার চেষ্টা কর
ভাইসাব
আপনার কাছে ম্যাচ আছে?
লাইটারটা তো অনেক সুন্দর! আমি কি একটা সিগারেট পেতে পারি?
ধন্যবাদ
আপনাকে এখানকার স্থানীয় বলে মনে হচ্ছে না
স্যার, এই নিন আপনার চা।
স্যার, ও দেখতে তো একদম হলিউডের নায়কদের মতো
সে একজন ব্যবসায়ী.
সে পুরনো জিনিসপত্রের ব্যবসা করে
আমি সিওর ওর একটা নাম আছে।
ওর নাম!
আমি তাকে এই পর্যন্ত মাত্র চারটা শব্দ বলতে শুনেছি
"চা। নাস্তা। কত হয়েছে?"
সে আসে আর ঠিক একই কর্নারে বসে তার কাগজপত্র পড়ে।
মাখন।
তুমি কি তাকে চিনো?
এ...
এর নাম সুভা।
- গুড ইভিনিং স্যার - গুড ইভিনিং
হাই
- হাই - হাই
বেশি পুলিশগিরি দেখানোর চেষ্টা করো না।
- মানে? - মানে!
শুধু প্রশ্ন করবা, শুধু কথা দিয়ে কথা বের করার চেষ্টা করবা
বন্দুক দিয়ে না
বাড়াবাড়ি করবা না.
- হুম -"হুম"? শুধু হুম?
তুমি সারারাত ছাদের দিকে তাকিয়ে ছিলে।
সাবধানে ফিরে এসো, ঠিক আছে?
আমি ২৫ বছর ধরে এটা শুনে আসছি
"সাবধানে ফিরে এসো!"
আর বেশি সাবধানে কাজ করার জন্যই
আমি কখনো প্রোমোশন পাইনি।
যে প্রোমোশন তোমাকে জানে মেরে ফেলবে তা কোন কাজে আসবে না।
- তোমার সাথে কথা বলা অর্থহীন - তাহলে কথা বোলো না
যা বলি তাই করো. এটা আমাদের দুজনের জন্যই ভালো।
- কি করছিস? - পড়াশোনা করছি
বেশি পড়াশুনা করিস না। পাস করে ফেলবি তো
তো? আমি আইপিএস অফিসার হতে চাই
আর তারপর, আমি এখানে ডিএসপি হিসেবে আসব আর তোমাকে আদেশ দেব।
হ্যাঁ! এখন শুধু ওটারই বাকি আছে
ডাকাত হোক, ড্রাগস মাফিয়া হোক বা যাই হোক।
আমি চাই পুরো এলাকাটা যেন পরিষ্কার হোক।
এসপি আমার পিছে লেগে আছে। তোমাকে ব্যাপারটা সামলাতে হবে।
জ্বি স্যার
আমরা যখন ছোট ছিলাম, ডাকাতরা ছিল তথাকথিত নিম্নবর্ণের বিদ্রোহী।
দেবী ভবানীর ভক্ত।
তাদের একটা নীতি ছিল, এদের থেকে আলাদা
তারা যেই হোক না কেন, তাদের খুঁজে বের করো
আমি রাজপুত, কোন নবাব নই।
এসপি বা মন্ত্রীর সামনে মাথা নত করতে পারবো না।
আমাকে একটু সময় দিন, স্যার। তদন্ত চলছে।
তুমি একজন ইনস্পেক্টর মাত্র।
আর তুমি কয়েক মাসের মধ্যে ইন্সপেক্টর হিসেবেই অবসর নেবে
তোমার তো এসব নিয়ে কম ভাবলেও চলবে
কিন্তু আমি ডিজি হতে চাই।
তাই তারা ডাকাত বা চোরাকারবারী যাই হোক সবাইকে খতম করো আর এই মামলার সমাধান করো
সাবাস, টাইগার! তোরই তো উচিত ডাকাতদের ধরে শায়েস্তা করা!
ওদের এভাবে মুখে করে ধরে নিয়ে আসছিস না কেন, টাইগার?
চল!
তোকে "টাইগার" বলে ডাকলেই তুই বাঘ হতে পারবি না
তুই কুত্তা, কুত্তাই থাকবি!
সে তো এখনো ফিরে আসেনি।
শোনেন!
দু-একদিনের মধ্যেই সে ফিরে আসবে
একটু অপেক্ষা করেন, যদি সম্ভব হয়
সে আপনার এই কাজ করতে পারবে
আমি আজ ঘি বানানোর জন্য মাখন তৈরি করছিলাম
তাজা বাটার মিল্ক তৈরি করেছি। একটু খেয়ে দেখেন. আপনার শরীর ঠান্ডা হবে।
মাইয়াডার কি মাথা নষ্ট হইসে?
বাদ দাও। ঐ বাঁজা মাইয়ার সাথে কে তর্ক করবে?
বরং সে আমাদের সাথে চিল্লাচিল্লি করবে। পান্না আসুক। সে-ই ওকে টাইট দিয়ে সোজা করবে।
আপনি কি কখনও "চিলগাড়ি"-তে (প্নেন) উঠেছেন?
চিলগাড়ি কি?
ঐ যে যেটা আকাশে উড়ে।
হ্যাঁ.
ভয় লাগে না?
না.
সে আজ সকালের বাসে আসবে বলে টেলিগ্রাম পাঠিয়েছে।
কিন্তু সে এখনও এখানে আসেনি. যদি সে পারত, সে আর কখনও ফিরে আসত না।
নতুন বিয়ে হবার পর ওরা আমাদের বিছানা থেকে নামতেই দিত না।
আর এখন, ওরা বাড়িতে আসতেই চায় না
দুঃখিত! আমি জানতাম না যে এখানে তোমার অতিথি আছে। আমি...
দাঁড়ান! আপনার নামটা কি বলসিলেন যেনো?
সিদ্ধার্থ।
ঠিক, মিস্টার সিদ্ধার্থ।
আমি তোমাকে তার সম্পর্কে বলেছিলাম
বুঝতে পারছি
ও হচ্ছে গৌরী। ধন্নার বৌ
আমি এখন যাই
শুনেন। প্লিজ অন্য কাউকে চাকরিটা দিয়েন না।
সে আজ একটা টেলিগ্রাম পাঠিয়েছে। সে নিশ্চয়ই দু-একদিনের মধ্যে ফিরে আসবে।
তার চোখদুটো অনেক ডাগর
মানুষটা ভালোই মনে হয়
আমরা প্রায় চলে এসেছি...
No comments yet. Be the first to leave one.