처음 200줄입니다.
Subtitle Translated By M
Subtitle Translated By Ma
Subtitle Translated By Mam
Subtitle Translated By Mamu
Subtitle Translated By Mamun
Subtitle Translated By Mamun A
Subtitle Translated By Mamun Ab
Subtitle Translated By Mamun Abd
Subtitle Translated By Mamun Abdu
Subtitle Translated By Mamun Abdul
Subtitle Translated By Mamun Abdull
Subtitle Translated By Mamun Abdulla
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
Subtitle Translated By Mamun Abdullah
দুগোল...একটু শান্ত হবে, প্লীজ?
এইতো চলে এসেছি।
পরের জন।
- ইংরেজ না? - জী।
- নিউ ইয়র্কে প্রথম ভ্রমণ? - জী।
- খাবার কিছু আছে? - না।
জীবজন্তু?
একটু মেরামত করতে হবে... আ, নেই।
ব্যাগটা দেখান আমাকে।
- নিউ ইয়র্কে স্বাগতম। - ধন্যবাদ।
পরের জন!
জিনিশটা দমকা হাওয়া... অনেকটা ভূতের মতো কালো... আমি ওটার চোখ দেখেছি।
চকচকে শাদা চোখ...
- চোখ ওয়ালা কালো বাতাস। - অশুভ আত্মার মতন,
জিনিসটা নিচে চলে গেছে, একেবারে মাটির নিচে।
কেউ কি কিছু করবে না?
সব জায়গায় একই অবস্থা। দেখার কেউ নাই।
- এই যে, কিছু পেলে? - কালো হাওয়া, হাবিজাবি।
দমকা হাওয়া কিংবা বৈদ্যুতিক কিছু হবে।
কি খাবে তুমি?
না। গাড়িতে যাচ্ছি। মার্থাকে কথা দিয়েছি ছেঁড়ে দিব।
দমকা হাওয়া।
রাস্তা ছাড়ুন ভায়েরা। গাড়ি যাবে!
মানুষের আবিষ্কারে এই বিশাল শহর ঝলমল করে! সিনেমা হল, যানবাহন, রেডিও, সোডিয়াম বাতি।
- সব আমাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছে! - মাফ করবেন।
কিন্তু বন্ধুরা, যেখানে আলো থাকে সেখানে অন্ধকারও থাকে।
একটা কিছু এই শহরের মাঝে লুকিয়ে আছে, ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে চিহ্ন না রেখে হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।
তাই আমার কথা মানুন। লড়াই করতে আমাদের সাথে আসুন, দ্বিতীয় সেলমারের সাথে যোগ দিন!
- একটু দেখি আপা? - শুনছেন আপনারা?
- ব্যাংকে যাব একটু। - আমাদের একসাথে লড়তে হবে।
মাফ করবেন...
- আরে দেখেন! - দুঃখিত, আমার বাক্সটা।
লাগেনি তো।
- পথ দিয়েন। - তুমি, মুসাফির!
আজকের সমাবেশে কি ভেবে আসলে তুমি?
- এদিক দিয়েই যাচ্ছিলাম আরকি। - তুমি কি খোঁজী?
সত্য খুঁজে ফেরো?
আসলে আমি তার থেকেও বেশি কিছু।
আমার সতর্কবাণী শুনে রাখুন। চাইলে হাসতে পারেন। কিন্তু জাদুকরেরা আমাদের মাঝেই বাস করে।
শিশুদের আর ভবিষ্যতের দোহাই দিয়ে আমাদের কাঁধ মিলিয়ে লড়তে হবে।
তুমি কি বলো, মুসাফির?
মাফ করবেন।
আপনার কিছু লাগবে, স্যার?
না, আমি... আসলে... বসতে এসেছি।
হাই।
- এখানে কেন এসেছেন? - আপনি যে কারণে...
- বেকারির জন্য ঋণ নিতে এসেছেন? - জী।
কিভাবে মিলে গেল?
- সেরা জনই ঋণ পাবে। - মাফ করবেন।
এই যে, ভাই... এই যে ভাই!
আরে, ভাই!
মি. কোয়াস্কি, মি. বিংলি আপনার সাথে দেখা করবেন এখন।
আচ্ছা।
বর্তমানে আপনি কৌটার কারখানায় কাজ করেন?
১৯২৪ সালে আসার পর থেকে ওটাই সবচেয়ে ভাল পারি।
- এসেছেন? - ইউরোপ থেকে, স্যার।
আমেরিকায় এসেছিলাম, আবিষ্কারের নেশায়।
- দেখুন। - মি. কোয়াস্কি।
বড়টা একটু চেখে দেখুন, কেমন?
আমার দাদীর রেসিপি, কমলার স্বাদে...
মি. কোয়াস্কি ব্যাংকে ঋণের বদলে কি বন্ধক রাখবেন?
- বন্ধক? - বন্ধক।
মেশিনে চলে আসায় এখন প্রতি ঘণ্টায় শত-শত ডোনাট বানানো যায়।
জানি, কিন্তু সেগুলো আমার গুলোর মতো হবে না।
ব্যাংকে নিশ্চয়তা দিতেই হবে মি. কোয়াস্কি।
দিন ভালো কাটুক আপনার।
এই যে, বিলাতী ভাই! আপনার ডিম ফুটে গেছে।
আরে! কি হল এটা?
কিছু মনে করবেন না।
ওখানে ছিলাম... এখানে এলাম। কিন্তু ছিলাম ওখানে?
কিভাবে কি। এই যে?
সবাই শান্ত হও। থামো।
দুগোল, আমাকে ভিতরে যেতে বাধ্য করবে না, খবরদার।
যাচ্ছ কোথায়? আলোহমোরা!
ও আচ্ছা, তাহলে তোমরা টাকা চুরির ফন্দি এঁটেছ?
পুরো জমে যাও!
মি. বিংলি!
কোয়াস্কি!
অনেক হয়েছে।
এমন করে না, সোনা।
আরে না। না, না। গুলি... করবেন না!
এবারই শেষ পুঁচকে হাঁসজারু। ভালো কথা তো তোমরা শুনো না।
ব্যাংকে ডাকাত ঢুকছে!
এর জন্য আমি মাফ চাচ্ছি।
- আপদটা কি ছিল? - সেটা আপনাকে না ভাবলেও চলবে।
কিন্তু ঘটনাচক্রে আপনি অনেক কিছু দেখে ফেলেছেন, তাই মনে কিছু না নিলে একটু সোজা হয়ে দাঁড়ান, দেখি কি করা যায়।
তা তো বটেই।
স্যরি...
হতভাগা।
- কে তুমি? - স্যরি।
- কে তুমি? - নিউট স্কামান্ডার। তুমি?
বাক্সের ভিতর কি ওটা?
আমার হাঁসজারু। তোমার নাকে কি যেন...
খোদার ওয়াস্তে কিছু হারায়নি তো?
আরে না, হাঁসজারু কিচ্ছু মানে না। চকচকে কিছু দেখলে ওটার পিছনে ছুটে।
- আসলেই হারায়নি? - না।
জন্তুটা হারানোর আর সময় পেলে না! তার উপরে ঝামেলার মধ্যে আছি আমরা।
- তুমি আমার সাথে যাবে। - কোথায় নিয়ে যাবে?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাদু সমিতি।
তুমি তাহলে মাকুসার হয়ে কাজ করো।
তুমি কোন ধরণের গোয়েন্দা নাকি?
এতটুকু বলো বি-জাদুকে সামলেছ তো?
- কাকে? - বি-জাদুকে। বিনা জাদু... জাদুকর না!
- ও আচ্ছা। ওদের আমরা মাগল বলি। - তাঁর স্মৃতি মুছে ফেলেছ তো?
বাক্সওয়ালা বি-জাদুকে?
- উম... - ও...
তুমি আইন ভেঙেছ, মি. স্কামান্ডার। তোমাকে গ্রেপ্তার করছি।
চলো।
শোনো, আমার আরও অনেক কাজ আছে।
সেগুলো নতুন করে সাজিও!
- নিউ ইয়র্কে কি করছ বলতো? - জন্মদিনের উপহার কিনতে আসছি।
সেটা কি লন্ডনে পাওয়া যায় না?
সারা পৃথিবীতে লাজুক তুলতুলির একমাত্র প্রজনন হয় শুধু মাত্র এই নিউ ইয়র্কে।
একজন অপরাধী আছে আমার সাথে।
অই।
যাই হোক, নিউ ইয়র্কে আমরা বিচিত্র জন্তুর প্রজনন করাই না। একবছর আগে আমরা লোকটার ব্যবসার বন্ধ করে দিয়েছি।
- হাই, গোল্ডস্টিন। - হাই, রেড।
- প্রধান তদন্ত বিভাগে চলো। - তোমাকে তো...
প্রধান তদন্ত বিভাগে চলো, সাথে অপরাধী আছে!
'আন্তর্জাতিক সংস্থা' প্রতিনিধি পাঠানোর হুমকি দিচ্ছে। ওদের ধারণা, এর সাথে ইউরোপে গ্রিন্ডেলওয়াল্ডের হামলার সম্পর্ক আছে।
সেখানে ছিলাম আমি। ওটা একটা জন্তু। কোন মানুষের পক্ষে এমন কাজ করা সম্ভব না, মাদাম প্রেসিডেন্ট।
যাই হোক না কেন, একটা ব্যাপার স্পষ্ট, ওটাকে থামাতেই হবে।
জন্তুটা বি-জাদুদের ভয় দেখাচ্ছে। আর ওরা ভয় পেলে হামলা চালায়। আমাদের পরিচয় জেনে ফেললে যুদ্ধ বেঁধে যাবে।
এখানে তোমার পদের ব্যাপারে পরিষ্কার জানিয়েছি, মিস গোল্ডস্টিন।
- জী, মাদাম প্রেসিডেন্ট। - তুমি আর অরার নও।
*অরার- যারা দুষ্ট জাদুকরদের গ্রেপ্তার করে।
- না, মাদাম প্রেসিডেন্ট, কিন্তু... - গোল্ডস্টিন।
একটু সমস্যা হয়েছে...
অফিসে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা নিয়ে আলোচনা চলছে।
- এখন যাও। - জী, মাদাম।
তোমার জাদুর কাঠির অনুমতি পেয়েছ? নিউ ইয়র্কের সব বিদেশীর অনুমতি নিতে হয়।
এক সপ্তাহ আগে ডাকে আবেদন পাঠিয়েছিলাম।
স্কামান্ডার... তুমি কি মাত্র আফ্রিকা থেকে হাজির হয়েছ?
ওখানে এক বছর অভিযানে ছিলাম। বিচিত্র জন্তুদের নিয়ে বইও লিখছি।
কীভাবে বারোটা বাজানো যায়, তা নিয়ে?
না। লেখা থাকবে ওদের না মেরে কেন বাঁচাতে হবে।
গোল্ডস্টিন? কোথায় সে?
কোথায় গোল্ডস্টিন?
গোল্ডস্টিন!
তুমি আবারও গোয়েন্দা দলের নাম ভাঙিয়েছ?
- ছিলে কোথায় তুমি? - কি?
- তোমাকে কোথা থেকে এনেছে? - আমাকে?
তুমি আবার দ্বিতীয় সেলমারের ওখানে গিয়েছিলে?
যাইনি, স্যার।
- শুভ বিকাল, মি. গ্রেভস, স্যার। - শুভ বিকাল, অ্যাবারনাথি।
মি. গ্রেভস, স্যার, উনি মি. স্কামান্ডার। তাঁর বাক্সের ভিতরে একটা বজ্জাত জন্তু আছে, সেটা ব্যাংকে ঝামেলা পাকিয়েছিল।
তাহলে দেখাও পুচকেটাকে।
কিন্তু, স্যার...
টিনা?
স্যরি, দাদী।
ওরে বাবারে...
তোমার মা, আমার মা, দুষ্টু ডাইনি ধরবে। আমার মা, তোমার মা, ওদের ভুত ঝারবে।
আমার মা, তোমার মা, ডাইনিরা কাঁদে না। আমার মা, তোমার মা, ডাইনিদের ছাড়ে না।
একজন মরবে নদীতে ডুবে! আরেকজন মরবে গলায় দড়ি দিয়ে!
তৃতীয় ডাইনিটা মরবে জ্বলে-পুড়ে। শেষ ডাইনিটাকে পিটিয়ে মারবে।
খাবার নেবার আগে কচি পাতা নিও, বাচ্চারা।
এটা কি জাদু-চিহ্ন, ম্যাম?
না। তেমন কিছু না।
ভাগ্যিস তুমি লোকটিকে ভুলো মনা করনি! প্রশ্ন করতে হলে, আমার কেল্লা ফতে।
তোমার কেল্লা ফতে হবে কেন? আমিই তো সব...
দ্বিতীয় সেলমারের ত্রি-সীমানায় আমার যাওয়া মানা।
কী ছিল ওটা?
পোকা, একটা বড় পোকা।
সবাই চুপ করো। জবানবন্দী নিচ্ছি।
বলে রাখছি আবারও গ্যাসের লাইন ফেটে গেছে। না সারান পর্যন্ত বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে ঢুকবো না।
- দুঃখিত, আপা। গ্যাসের কোন আলামত পাইনি। - আমি নিজে দেখেছি, দারোগা, গ্যাস ছিল না!
ওটা একটা বিরাট বড় জলহস্তীর গ্যাস ছিল।
গ্যাস। হ্যাঁ গ্যাস ছিল।
আমি কে!
মি. স্কামান্ডার।
বাক্সটা খোলা ছিল?
অল্প একটু...
ঐ বজ্জাত হাঁসজারুটা আবার পালিয়েছে?
- হয়তো পালিয়েছে। - তাহলে খুঁজে বের করো! খুঁজো!
ওর ঘাড় থেকে রক্ত বেরোচ্ছে, কামড়েছে কিছুতে!
উঠেন, মি. বি-জাদু।
- ওরে বাবা, ওটা আবার কি? - তেমন কিছু না, এটার নাম কিড়মিড়।
বাক্সটার ভিতরে আর কি কি আছে?
- তুমি! - হ্যালো।
- আস্তে, মি... - কোয়াস্কি... জ্যাকব।
ভুলো মনা করবে না! সাক্ষীর জন্য তাঁর দরকার আছে।
তুমিই তো নিউ ইয়র্কে আসার পর থেকে ভুলো মনা না করার জন্য চিল্লিয়ে আমার মাথা নষ্ট করছ।
তাঁর লেগেছে, দেখছ না অসুস্থ?
ভালো হয়ে যাবে। কিড়মিড়ের কামড়ে কিছুই হয় না।
সত্য বলতে আমি এর থেকেও বেশি নাজেহাল হতে দেখেছি, কামড় গুরুত্বর হলে তাঁর...
কী!
No comments yet. Be the first to leave one.