처음 200줄입니다.
অ
অনু
অনুবা
অনুবাদ
অনুবাদক
অনুবাদক :
অনুবাদক :
অনুবাদক : আ
অনুবাদক : আব
অনুবাদক : আবরা
অনুবাদক : আবরার
অনুবাদক : আবরার শা
অনুবাদক : আবরার শাফি
অনুবাদক : আবরার শাফিন
অনুবাদক: আবরার শাফিন
16.1
সম্পাদনায় আবরার শাফিন এবং সাইফুদ্দিন শাকিল
টাইমফ্রেমিংয়ে বিশেষ সহযোগিতা করায় নাঈম সরকারের প্রতি অসংখ্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
জলদি করো, জলদি করো।
আমি সকাল থেকেই তোমাদেরকে তাড়াতাড়ি তৈরি হওয়ার জন্য বলছি।
অশুভ লগ্ন শুরুর আগে কেউ তৈরি হতে পারোনি।
তুমি কি চুপ করবে?
আমি তোমার চেঁচামেচির কারণে তৈরি হতে পারিনি।
কাজের বুয়াও আজকে আসে নাই।
তোমরা কি ঝগড়া বন্ধ করবে?
বাছা,তুমি গান চালিয়ে দাও তো?
আমরা একই পথ দিয়ে যেতে যেতে বিরক্তি বোধ করছি।
সঠিক ঠিকানাটা বলো।
কি? একটা নারিকেলবাহী গাড়ি?
আমি এই ধরনের কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
অন্য আরেকটা ক্লু দাও... একটা বাস হয়তো দাঁড়িয়ে আছে।
আমি কি ডানে মোড় নিবো?
সে কখনো পাল্টাবে না।
তার থেকে আরও সুসংগঠিত হওয়া উচিত।
দেরী হয়ে যাচ্ছে।
তোমরা সবাই কি চুপ করবে?
তুমি চালাও...
আমি জানি, কোনদিকে যেতে হবে।
চুপ করো, আমি তোমার জিহ্বা কেটে ফেলবো।
তুমি কী এইটা আগে বলতে পারো নাই। এখন কেন বলছো?
মা,তাকে গাড়ি থেকে বের করে দাও।
সে বলেছে রাস্তাটা সম্পর্কে জানে, তাই না? তাইলে তুমি তাকে পথ প্রদর্শন করতে বলছো না কেন?
এটাকে বলে...'কটুবুদ্ধিতা'।
আপনি কি ভলিউমটা বাড়িয়ে দিবেন,বস।
এতটা চাপে থাকার পরেও ঘটকালির অনুষ্ঠান সম্পন্ন হচ্ছে।
আর এইদিকে আমার ছেলের মধ্যে কোনো মাথা-ব্যাথাই নেই।
আমার পোড়াকপাল...
বামে দাঁড়াও.. ইডলি দেখতে সুস্বাদু মনে হচ্ছে।
চলো,খেয়ে নিই।
এখানে গাড়ি দাঁড় করিও না।
মনে হচ্ছে 'ঘটকালির অনুষ্ঠান' আর সম্পন্ন হবে না।
আচ্ছা
নাগরাজের নামে একটা কপি লিপিবদ্ধ করে রাখো।
নাগরাজ,নাটরাজ না।
আচ্ছা।
আচ্ছা।
হ্যাঁ।
চিত্রা, দরজাটা বন্ধ করিও না। নাইলে লক হয়ে যাবে।
তুমি কি এটা এখনো পাল্টাওনি?
আমি পাল্টাবো মা।
তুমি তো জানো আমি কতটা ব্যস্ত...
ঠিক আছে,বাবা। আবার শুরু করে দিয়ো না।
আচ্ছা।
আচ্ছা, আমি আজকে অফিসে আসবো না।
শুভ সকাল,দাদী মা!
মা এইদিকে দেখো।
প্রথমে তোমার চুল শুঁকিয়ে নাও এরপর খোঁপা বেঁধে ফেলো।
কফি রেডি তো?
তুমি সবকিছু যথাসময়ে পাওয়ার প্রত্যাশা কীভাবে করো?
বিয়ের পরে, এসব ব্যাপারে তোমাকে শ্বশুরবাড়ির লোকদের সাথে সমঝোতা করতে হবে।
প্রথমে অল্প করে দুধ নিয়ে এসো।
তার থেকে রিমোটটা নিয়ে নাও।
সুভাষ, তোমার রুমে যাও।
তুমি টিভি বন্ধ করলে কেন?
আমি পাত্র...
আমি পাত্রী...
আচার লেগেছে,আমাকে শার্ট পাল্টাতে হবে...
আমার রুমে গিয়ে পাল্টাতে পারবেন।
আমরা এখন কি করবো?
যতক্ষণ না ডাকছে এখানে অপেক্ষা করি...
ভিতরে আসুন।
এখন কি করবো?
চিন্তা করো না।
সুভাষ নীচে যাও।
আমি যখন নীচে ছিলাম তুমি উপরে আসতে বললে,এখন নীচে যেতে বলছো।
এখন আমি আর কোথাও যাব না।
সুভাষ না!
চিত্রা
সুভাষের কাজ আমার না।
আমি কিছুই করিনি।
পাত্র আসার সময় হয়ে গেছে।
অশুভ লগ্নে অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি, তা নিয়ে এমনিতেই টেনশনে আছি।
আর তোমরা মজা করছো...
এসব ফাজলামো বন্ধ করো।
বাবা!
কি?
পাত্র ভিতরে বসে আছে।
কি?
ফ্যান চলছে না।
কারেন্ট চলে গেছে, তাড়াতাড়ি চলে আসবে।
আপনি কি কফি পছন্দ করেন?
আমি কফির চাইতে চা বেশি পছন্দ করি।
অল্প চিনি দিয়ে নিয়ে এসো।
নমস্কার।
নমস্কার।
-ঠিকানা খুঁজতে সমস্যা হয়নি তো? -তেমনটা হয়নি।
একটা ছোট সমস্যা হয়েছে।
কি হয়েছে?
আপনার ছেলে কাপড় পাল্টাবার জন্য আমার মেয়ের রুমে গিয়েছে।
দরজা আটকে গেছে।
ওহ।
আপনার মেয়ে?
সেও রুমের ভিতরেই আছে।
রুমে কি আর কেউ আছে?
জি,আছে।
আমার শালীর ছেলে সুভাষ সেখানে আছে।
আচ্ছা।
সে সবসময় ঝামেলা বাঁধায়।
অশুভ সময়ে আমরা যখন কোন কিছুর আয়োজন করি,তখন এরকমই হয়।
এটা তো কোন সমস্যাই না।
তাছাড়া ঘটকালির অনুষ্ঠানে তাদেরকে আলাদাভাবে কথা বলতেই হতো।
অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে হওয়া এই ব্যাপারটিকে চলতে দিন।
এটা কোনও সমস্যাই না, চিন্তা করিয়েন না।
ধন্যবাদ।
আমি কার্পেন্টারকে ফোন করেছি, সে খুব শীঘ্রই চলে আসবে।
সে আসবে তো?
সুভাষ?
তুমি বের হও, আমি তোমার ব্যবস্থা নিচ্ছি।
আমি কিছুই করিনি,আম্মু। বিশ্বাস করো?
চিত্রা?
এটা ঠিক করতে কিছু সময় লাগবে। ততক্ষণে এই সময়টাতে...
সকল সংশয় মিটিয়ে নে।
আমি তোমাকে মেরে ফেলবো,আন্টি।
আমি কিছুক্ষণের মধ্যে কফি পাঠিয়ে দিচ্ছি।
কারেন্ট ১৫ মিনিটের মধ্যে চলে আসবে।
ঠিক আছে।
এটা কি প্রথমবার?
না,ছোট থাকতে ভুলবশত নিজেকে রুমে লক করে দিয়েছিলাম।
আমি ঘটকালির ব্যাপারে বলছিলাম...
ওহ দুঃখিত, এটা..প্রথমবার
বসো।
ঠিক আছে।
চিত্রা,কফি।
কফি, চিত্রা।
হাই আন্টি।
তুমি।
আমি এখানে কাপ রেখেছি। জি আন্টি, ধন্যবাদ।
তুমি প্রথমে বলো।
না,তুমি প্রথমে বলো।
ঠিক আছে,তুমি শুরু করো।
আসলে...
আমার বাবা জোর করে আমাকে ঘটকালির অনুষ্ঠানে রাজি করিয়েছে।
আমি অস্ট্রেলিয়াতে যেতে চাই।
যতক্ষণ না আমি টাকা যোগাড় করছি...
আমাকে এসব চালিয়ে যেতে হবে।
কফিটা খেয়ে নাও।
ঠিক আছে।
একটু গরম তো,তাই?
তুমি কিছু একটা বলছিলে?
তেমন কিছু না।
বিয়ের আশা...
ভুলে গেছি।
আমি ভিতরে বন্দি আছি সেটা ভুলে গিয়েছিলাম।
কফি নাও, ঠান্ডা হয়ে যাচ্ছে।
তুমি কি করো?
চাকরি?
চাকরি করি না।
চাকরি করতাম। কিন্তু সেটা এখন আর নেই।
ওহ...
ডিগ্রি?
আমার নামধারী ডিগ্রি আছে।
বহু কষ্টের বিনিময়ে একটা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি করতে পেরেছি।
নামের ডিগ্রি।
আর তারপরে?
আমি বেকার।
আসলে,এর পিছনে একটা বিরাট গল্প আছে।
আমাদের হাতে এক ঘণ্টা সময় আছে। তোমার গল্প বলে ফেলো।
আচ্ছা।
তো, ডিগ্রি পাওয়ার পর...
প্রশান্ত।
প্রশান্ত।
তুমি কি দরজা খুলবে?
প্রশান্ত।
হেই!
প্রশান্ত।
বাবা,আমি বাথরুমে ছিলাম তাই তোমার আওয়াজ শুনতে পাইনি।
তুমি এই ধরনের সিন তৈরি করছো কেন??
সকালে উঠা মাত্রই মিথ্যা বলছো...
অন্তত তোমার ব্রাশে কিছু পেস্ট তো লাগাও...
আজকে তোমার সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা না?
সারারাত জেগে যদি তুমি সিনেমা দেখো কাউকে এসে তোমাকে এভাবেই ডেকে দিতে হবে...
ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করেছো দেড়টা বছর হলো।
এখনো তুমি একটা বিষয়েই পাশ করতে পারো নাই।
খুব লজ্জার ব্যাপার!
শুধু একটাই তো? পাশ করে ফেলবে।
-আম্মু এইজন্যেই রাত জেগে পড়াশোনা করছিলাম। -চুপ করো।
তোমার মা হয়তো বোকা,কিন্তু আমি না। আমাকে বোকা বানানোর চেষ্টা করো না।
তুমি তাকে হল টিকেট খুঁজতে বলো।
তোমার দেরী হয়ে যাচ্ছে।
তুমি সবকিছুতেই আমাকে টেনে আনো।
No comments yet. Be the first to leave one.