처음 200줄입니다.
- সাবটাইটেল পরিবেশনায় - “অনুবাদে অনুরণন”
- অনুবাদ ও সম্পাদনা - আরমান আল মাহমুদ
সর, বাল!
ওখানেই দাঁড়া, বজ্জাতের দল!
আমি না ধরা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাক!
শালা, হারামী!
হ্যাঁ? জুং তে-সু বলছি।
কেমন আছো? আমি মিরান।
অনেকদিন হয়ে গেল।
আমার বিশ্বাস ভালো আছো।
আজ সকালে ওয়াং-জে মারা গেছে...
এই ছেলে, এখানে কিছু শুকনো খাবার দাও। বিয়ারও দাও।
এই, ওখানে ওদেরকে কিছু দাও।
মনে পড়লো।
তুমি না থাকলে, এসব কে সামলাতো।
ওয়াং-জে'র সাথে সব গেছে,
মিরানকে সবকিছু একাই করতে হতো।
কীসব বলছো?
ওয়াং-জে
আমার ছোট বোনের স্বামী হওয়ার আগে, আমার বন্ধু ছিল, জানো তো?
পরিবার ছিলাম আমরা!
তুমি স্পষ্টভাষী লোক, তোমার এই জিনিসটা আমার ভালো লাগে।
এই কারণে সবসময় তোমার ব্যাপারে জোর দিয়ে কথা বলি।
আমি যেভাবে দেখি।
যখন বলেছিলাম পরীক্ষায় বসতে চাই,
একমাত্র ওয়াং-জে আমাকে সাহায্য করেছিল।
আমাকে ভুল বলে কে!
আসলে, এখানকার কেউ আমার উপর আঙুল তোলেনি।
তোরা সব ফালতু লোক!
বাদ দাও, দংওয়ান... তুমি মাতাল হয়ে আছো।
মাতাল? কেউ সত্য কথা বললে তাকে মাতাল বানিয়ে দাও?
এই, ফিল-হো।
ওয়াং-জে'র মরার কথা ছিল না।
ছিল এখানে বসে থাকা নোংরা হারামীগুলোর!
শালা মাথামোটা গর্দভ।
এই! এই!
নষ্টামি শেষ হলে, বাড়ি যা।
- সাথে একটু উত্তম-মধ্যম নিয়ে যা। - দেখ।
ছাড়। এমন লোককে একটু সিধা করা লাগে।
ছাড়, ছাড়। দেখ।
খোদার দোহাই লাগে, ও তোর বড় ভাই।
সবাই যা করছিলেন তাতে ফিরে যান।
ধুর বাল, দাগ পড়ে গেছে।
ছাড়।
ফিউনেরাল হাউজের চেহারা এমন?
জোড়াটা ছোট, তবুও ওয়াং-জে চালু করে।
এটা কী? ভালো কিছু দাও।
খুঁজছি, দেখছেন না?
যখন চালু করার কথা বলে...
যাইহোক, কেমন আছিস?
কেমন আছি, তোর কী মনে হয়?
পুলিশের কাজই খারাপ লোকদের তাড়া করা।
মানে এখনো সাংঘাতিক জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায় করিস?
তুই সম্ভবত জানিস না
আজকাল একটা বজ্জাতকে ধরতে কতো কাঠখড় পোড়াতে হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের রুম তো তামাশার জায়গা, সত্যিকারের তামাশার।
মনে হচ্ছে কোরিয়া শেষপর্যন্ত সেরার কাতারে চলে গেছে?
আমেরিকান টিভি শো এর মতো, তারা সবরকম পন্থা
অবলম্বন করবে তোকে বিপদে ফেলার জন্য?
যখন কলাম্বোতেই সব দেখিয়েছে, ভুল বললাম?
অনেক হয়েছে খোশগল্প।
ওয়াং-জে'র সাথে কী হয়েছিল?
ঘটনাটায় হতভম্ব হয়েছি।
ওটার সারমর্ম তো শুনেছিস। ঘটনাটা এখানেই ঘটেছিল।
সহকারী চলে যাওয়ায় ওয়াং-জে একাই শিফটটা সামলাতো।
কার্যদিবস হওয়া সত্ত্বেও ব্যবসা ভালো চলছিল।
এখানে আরও দুইটা বিয়ার দিন।
হ্যাঁ, দিচ্ছি।
ওর মা মারা যাওয়া আর মিরানের গর্ভস্রাবের পর,
ও ছাড়া পেয়ে
সবকিছু সামলে নেয়ার সর্বাত্মক চেষ্টা করেছে।
শুনেছি সেদিন রাতে কিছু ছোকরা
ঝামেলা করছিল।
গোয়েন্দা হওয়ায় তোর জানার কথা, কিন্তু
আজকালকার ছোকরারা কোনোকিছুতেই ভয় পায় না।
আমি বাদে ভয় পাওয়াটাই হলো ছোকরারা।
বড়রা ভালো জানে, কিন্তু এই ছোকরাগুলো।
ওহ ওয়াং-জে কে ওরা জানেই না।
বন্ধ কর এসব!
- আজকে পেয়েছি তোকে! - যথেষ্ট হয়েছে!
যথেষ্ট হয়েছে, বললাম!
না, আমাকে ধরবি না!
গভীর একটা শ্বাস নিয়ে সব মিটিয়ে ফেলতো।
গুড়িয়ে দে সব!
যথেষ্ট হয়েছে!
তুই জানিস ওয়াং-জে কী করতো...
ওদেরকে ধাওয়া করে বাইরে যায়,
দাঁড়া বজ্জাতের দল!
ভেবেছিল ওদেরকে একটা শিক্ষা দিবে।
কিন্তু কোনো বীর এভাবে চিরকাল বাঁচে না।
ও আগে কী ছিল তাতে কিছু যায় আসে না,
আগের ওয়াং-জে ছিল না আর।
শালার হারামীর দল।
তোমরা তৈরি? বাইরে যাও!
কেন?
আমরা আজকে একটা ফ্যামিলি ফটো আঁকবো।
তোর ভাইকে যে মেরেছে
নিশ্চয়ই চোখ একটা আলু করে দিয়েছে।
সম্ভবত নিজের দোষে খেয়েছে।
সে যা-ই হোক, ও তো তোর ভাই, নাকি?
ও নিজের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করলে,
ওসব নিয়ে তোমাকে আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।
আসলে, কার কারণে আমরা
এভাবে মুরগির খাঁচায় বাস করছি?
ওর বালের স্কলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে আমাদের সবাইকে ডোবাচ্ছে।
ওর জন্য আর কী করবো? সব তো ধূলিসাৎ করে দিয়েছে।
চুপ কর! ও শুনবে।
হ্যাঁ, জানি স্যার।
অবশ্যয়ই, হ্যাঁ, কিন্তু
এখানে আপনার প্রয়োজন!
শুনো। আর কিছুদিন কভার দাও, ঠিক আছে? কী?
এরমধ্যে ভুলে গেলে
এক সপ্তাহ ধরে রামেন খেয়ে গাড়িতে আটকে ছিলাম,
তোমার বাচ্চা হয়েছে কবে?
ওই কাহিনীটা এখন বলছেন কেন?
আমার হাত বাঁধা, দেখতে পাচ্ছেন না?
দেখো, যাইহোক তোমাকে চালিয়ে যেতে হবে,
ঠিক এক সপ্তাহ পর সিউলে দেখা করবো।
এখানকার সবাইকে ক্যাপ্টেন বাঁশ দিচ্ছে।
বেশ, উনি যা করতে চায় করতে দাও। রাখছি ব্যাটারি লো।
জানি না! তুমি ব্যবস্থা করো!
১৯৮৭, উচ্চ বিদ্যালয়ের শরৎ বনভোজন চল! চল!
কত দূরে যাচ্ছিস!
কী এটা?
এটা সাপের মদ সাপের।
পুরুষের জন্য এরচেয়ে ভালো ওষুধ নেই।
কোথায় পেলি এটা?
নিচের হারামীগুলোকে ফাঁদে ফেলে নিয়েছি।
নিজেই বোতলে ভরেছি।
তাহলে দেরি কীসের? খুলে ফেল!
শালা গাধার বাচ্চা। এখন খেয়ে লাভ নেই।
মাটিতে যতো পুঁতে রাখবি ততো চখাম হবে।
আজকের দিনে পোঁতা উচিত।
কেউ ধরবি না!
তারপর ২০ বছর কিংবা তারও পর...
এটা বড় করার পর, রীতি অনুযায়ী খুলবো।
আমার আপত্তি নেই, যেহেতু এতো ভালো।
এতোই ভালো হলে, আরও বেশি অপেক্ষা করতে পারবো।
এই, ওয়াং-জে!
ওয়াং-জে!
কী হয়েছে?
এই!
হারামীরা কোথায় এসে ছ্যাঁচড়ামি করছিস বলে মনে হয়?
কোথায় যাচ্ছি বাল!
ধুর শালা! ওদেরকে দেখিয়ে দে!
পালা।
ঘামে ভেজাস না,
জীবন মজাদার সব চমকে ভর্তি।
যাইহোক কাহিনী কী ছিল?
ওনসুং হাই স্কুলের ছেলেদের সামনে
আমার ভাই রামছাগলের মতো আচরণ করছিল।
স্যরি বন্ধুরা।
তার দরকার নেই।
শান্তির ভবিষ্যত ন্যায়বিচার মুষ্টিযুদ্ধকে অবলম্বন করতে পারে না।
যেভাবেই হোক আমাদের সম্মান তো রাখবিই। তাহলেই হবে।
কিন্তু বের হবার একটা পথ তো লাগবে।
আমরা কীভাবে বের হবো?
তুই শালা।
সাহায্যের জন্য নিচের লোকদের উদ্দেশ্যে চিল্লাতে থাক।
তারপর লজ্জা পেয়ে মরবো?
তাহলে কী?
প্রাণ বাঁচাতে গান গা।
একটু দাঁড়ান। তে-সু, পরিচিত হও।
ও সিউলের ডিটেকটিভ।
আমি কিছু করবো?
কী?
খোঁজ-খবর শুরু করতে হবে।
কীসের জন্য?
কীসের জন্য? ওয়াং-জে'কে যারা মেরেছে তাদেরকে ধরার জন্য।
তাতে কী লাভ হবে?
আর কিছুর চেয়ে বেশি ঝামেলা বাধিয়ে বসবি।
বালের শহরটা নরকের মতোই
গোলমালে ভরে আছে।
বল দেখি। তুই কী করেছিস মাত্রই বলতে শুনলাম।
অন্য কাউকে নিয়ে নয়। ওয়াং-জে'কে নিয়ে কথা হচ্ছে।
তোর মনে হয় না আমি কষ্ট পেয়েছি?
তোর কি মনে হয় না আমি কষ্ট পেয়েছি?
ও আমার ভালো বন্ধু ছিল, ভালো বন্ধু!
বললাম আমার ভালো বন্ধু ছিল, শালা গর্দভ, ভালো বন্ধু!
কেউ আমার চেয়ে বেশি কষ্ট পায়নি, কেউ না!
কিন্তু সবকিছুরই একটা সময় আছে,
সবকিছুর!
আসলে, আমি কখনোই সময় মেনে চলিনি,
তবে ওকে যে মেরেছে তার চামড়া তুলে নিবো।
এই, এই!
ওর আবার কী হলো?
কিছু না।
এই শালা।
চল নিচে যাই।
তারপর? চলে যাচ্ছিস আজ?
যেভাবেই দেখি না কেন, কিছু তো গড়বড় আছে।
ওয়াং-জে'র কেসটা নিজে ক্লোজ করতে চাই।
আমি থাকতে চিন্তা কীসের?
তোর সাথে আইন নেই।
খারাপ লোকদের ধরাই আমার কাজ। ভুলে গেলি?
সম্প্রতি ওয়াং-জে কোনো অস্বাভাবিক আচরণ করেছিল,
খেয়াল করেছিলে?
এটা সাপের মদ সাপের।
আগে করেনি এমন কিছু করছিল...
সিউলে যাচ্ছো না?
No comments yet. Be the first to leave one.