Sacred Games

Sacred Games

Bengali 자막 다운로드

시즌 1

릴리스 정보

Sacred Games 1x02 Bengali Subtitle
Sacred Games 1x02 Bengali Subtitle by Mohammad Yousuf
সেক্রেড গেমস ১x০২ বাংলা সাবটাইটেল বাই মোহাম্মদ ইউসুফ
সেক্রেড গেমস ১x০২ বাংলা সাবটাইটেল
다음의 해설 CimaNow
মাতৃভাষায় উপভোগ করুন নেটফ্লিক্সের ক্রাইম থ্রিলার ওয়েব সিরিজ সেক্রেড গেমস। গুগোল ট্রান্সলেটেড সাব হতে সাবধান! আজেবাজে সাবটাইটেল দিয়ে মুভি/সিরিজ দেখে বাংলা সাবটাইটেলের বদনাম করবেন না। ভালো লাগলে ভালো রেটিং দেবেন। এপিসোড রানটাইম ০০:৫০:২২! ডাউনলোড লিংকঃ https

태그

other
게시일: 2018-07-21
다운로드: 13
청각 장애인용: No

Bengali 자막 미리보기

처음 200줄입니다.

অনুবাদ এবং সম্পাদনা মোহাম্মদ ইউসুফ

"হালাহালা" (অসুর আর দেবতারা সমুদ্র মন্থন করে অমৃত আস্বাদন করতে গেলে প্রথমে যে বিষের স্বাদ পায় সে বিষই হল হালাহালা। যে বিষ থেকে মুক্তিলাভের জন্য প্রথমে ব্রহ্মার কাছে, পরে বিষ্ণুর কাছে ও পরে শিবের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করে দুপক্ষই।)

কারকাটে, এসব কী?

সারতাজ স্যার মেরেছে একে?

হাসছিস কেন?

- তার মাথায় বিচিটা সে নিজেই ঢুকিয়েছে? - আমি কীভাবে জানবো?

- মিথ্যা বলিস না। - আমি কিছুই জানি না।

১৫ বছর পর কোত্থেকে উদয় হলো সে?

- আমাকে দেখতে কি জ্যোতিষীর মতো লাগে? - রেগে যাস কেন রে, ভাই?

ঘরে বউ সারাক্ষণ কানের কাছে ঘ্যানঘ্যান করে। এখানে তুই। ভাল লাগে না আর।

সারতাজ?

- এসব কী? - গোপন ফোনকলের ভিত্তিতে এসেছি, স্যার।

আমাকে বলোনি কেন?

বুঝিনি, স্যার। এখানে এসে বুঝলাম।

এক কাজ করো। থানায় যাও। আর একটা স্ট্যাটমেন্ট দাও।

মজিদ সব সামলে নেবে।

এটা আমার কেস, স্যার।

কি ঘটে গেল কোন ধারণা আছে তোমার?

গণেশ গাইতোন্ডে ফিরে এসেছে।

প্রেস আছে। বাকি এজেন্সিগুলো আছে।

কখনো সামলেছ এসব?

"আমার কেস!"

নিজের অবস্থাটা তো দেখো।

এত সহজে আপনি চলে যেতে পারেন না, সারতাজ সাহেব।

ফিরে আসতেই হবে আমার কাহিনী শোনার জন্য।

আজ, এই দিনে...

আমি তোমাদের কথা দিচ্ছি।

বিপিন ভোশলের ওয়াদা এটা।

আগামী চার সপ্তাহে...

মহারাষ্ট্রের মধ্য দিয়ে জলের ট্রেন যাবে।

প্রত্যেক গ্রাম এবং জেলার মানুষ জল পাবে।

জয় হিন্দ। জয় মহারাষ্ট্র।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তার বক্তব্য রাখার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি,

সংসদ সদস্য মি. রাজেন্দ্র জোশিকে মঞ্চে আসার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি।

তাকে অনুরোধ করছি আমাদের সম্মানিত মাননীয় অতিথিকে,

আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, বিপিন ভোশলেকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত...

- কখন ঘটেছে? - গত রাতে।

ডিসিপিটা কে?

পারুলকার।

ফোন করো উনাকে।

ম্যাম, একটু ডানে তাকান?

মি. করন!

- মি. করন! - ম্যাম, প্লিজ!

তোমার সাথে এটা আমার শেষ মুভি।

তোমার মতো বাজে অভিনেতা আমি আজ পর্যন্ত একটাও দেখিনি।

কেন? নতুন কোন প্রযোজকের সাথে শুয়েছ নাকি?

মেয়েদের সম্পর্কে কী ভাবো?

তারা হচ্ছে পুরুষদের সহচর।

এটা র এর কেস হলো কবে থেকে?

অভ্যন্তরীন কোন ব্যাপার এটা।

- জি বলুন, ভোশলে সাহেব। - তোমার লোক গাইতোন্ডেকে মেরেছে?

না...সে নিজেই নিজেকে মেরেছে।

আমি পুঙ্খানুপুঙ্খ একটা রিপোর্ট চাই।

এই কেসে র শামিল হলো কীভাবে?

আমার একজন লোক তাদের সাথে দাঁড়িয়ে আছে।

ওসব আমার চিন্তা না।

র অফিসারদের সাহায্য করলে, তোমাকে কিন্তু অনেক ঝামেলায় পড়তে হবে বলে দিলাম।

টেনশন নেবেন না, ভোশলে সাহেব।

নিচ্ছি না, পারুলকার।

গাদচিরোলির নকশাল আন্দোলন টেনশন করার আসল বিষয়।

সেখানে তোমাকে কাজে লাগতে পারে।

বুঝেছ?

জি, স্যার।

জোজোকে কলে পাচ্ছি না। আমার ফাইলটা চাই।

আমার নাম বের হলে, তোমাদের সবার নাম আসবে।

কন্সটেবল কার্টেকার বুলডোজার নিয়ে আসে...

আর আমরা দেয়ালটা ভেঙে ফেলি।

সকাল ৯ টা বাজে তখন।

প্রথমে আমি যাই।

প্রথমে যে জিনিসটা দেখি...

একজন মহিলার মৃত দেহ পড়ে আছে মাটিতে।

মুখমণ্ডলে গুলি করা হয়েছে তাকে।

আরেকটু সামনে এগোই...

দেখি গাইতোন্ডে বসে আছে...

ঘরের এক কোণে, চেয়ারে।

আমার দিকে রিভলবার তাক করে ছিল সে।

ওয়ার্নিং দিলাম তাকে...

তারপর আচানক সে নিজের মাথায় গুলি করে দিল।

সে তোমাকে ফোন দিয়েছিল কেন?

আমিও তাকে একই প্রশ্ন করেছি, স্যার।

সে বললো, তার অনেক কথা বলার আছে।

তোমার বাবা, কন্সটেবল দিলবাগ সিং...

গাইতোন্ডে মুম্বাইতে সক্রিয় থাকাকালীন সময়ে সার্ভিসে ছিল।

উনি ভাল মানুষ ছিলেন, স্যার।

এই ২৫ দিনের ওয়ার্নিং এর ব্যাপারে কিছু জানতে পেরেছ?

কে? কোথায়? কেন? বলেছে কিছু?

না, স্যার।

শুধু বলেছে, ২৫ দিনের ভেতরে মুম্বাই খতম হয়ে যাবে।

- পারলে বাঁচান। - কোন প্রমাণ দিয়েছে এই হুমকির?

যাতে আমরা তার হুমকিকে সিরিয়াসলি নেই?

হতে পারে, তার অন্য কোন মনোবাঞ্ছা ছিল।

সে আত্মহত্যা করেছে, স্যার।

আমার চোখের সামনে।

মরার আগে কেউ মিথ্যা বলে না।

আইএসআই এর নাম নিয়েছে সরাসরি অথবা পরোক্ষ ভাবে?

না, ম্যাম।

বিদেশী, পড়শি, হিজবুদ্দিন, বেলুচিস্তান?

না, ম্যাম।

একবারের জন্যও না।

যে লাশটা পড়ে ছিল মাটিতে সেটা নিয়ে কিছু বলেছে? যেমন- তার পরিচয়...

ম্যাম, আমাদের ডাটাবেজে চেক করে দেখেছি। কোন ম্যাচ পাইনি।

গাইতোন্ডে যদিও মেয়েঘেষা পাবলিক ছিল।

- সবসময় কোন মেয়ের সাথে থাকতো। - মনে হয় না মেয়েটা তার সহচর।

সে বলেছে, সবাই মারা যাবে...

শুধু ত্রিভেদী ছাড়া।

ত্রিভেদীটা কে?

জানি না, স্যার।

সারতাজকে রিপোর্টটা দাও।

কি মনে হয় আপনার?

নিম্ন স্তরের অফিসার।

ঘুমের ওষুধ না খেলে ঘুম আসে না তার।

দুই বছর ধরে তার ওজন বাড়ছে।

দৃষ্টি আকর্ষনের জন্য ক্ষুধার্ত।

তার ওপর কতটা ভরসা করা যায় বলতে পারছি না।

গাইতোন্ডে ফিরে আসলো কেন?

- তার পুরনো গ্যাং কি এখনো সক্রিয়? - কেউ আছে যার সাথে কথা বলা যায়?

বান্টি।

ওর সবচেয়ে পুরনো লোক।

কন্সট্রাকশনের ব্যাবসা করে, টেলিভিশনে প্রযোজকও সে।

নিয়ে আসুন তাকে।

করেছ ডিকোড?

দ্রুত করো। মেইল করে দিও আমাকে।

ওই মহিলাকে নিয়ে কী যেন বলেছিলেন?

তার মুখমন্ডলে গুলি করা হয়েছে।

এর মানে, হত্যাকারী ভীষণ রাগান্বিত ছিল।

আর রাগান্বিত হবার জন্য বন্ধু হতে হয়, নইলে শত্রু...

সহচর নয়।

আরও কিছু বের করতে পারবেন?

কী হয়েছে?

এসব বড় কেস আমার মতো ছোট অফিসারদের ধ্বংস করে দেয়।

কিছু পেলে ফোন করবেন আমাকে।

স্যার, আমার মোবাইলে কল এসেছিল।

আমি তদন্ত করেছি।

যা কিছু হয়েছে সব কিছুর বিবরণ আপনার সামনে।

ডিপার্টমেন্টের বাংগালি বুড়োর কেসে যদি সহায়ত করো..

ডিপার্টমেন্ট তোমাকে সহায়তা করবে।

কেন, স্যার?

গাইতোন্ডেকে গুলি করার জন্য।

স্যার, আপনি রিপোর্টটা এখনও পড়েও দেখেননি।

অস্ত্র জমা দিয়ে ঘরে যাও।

সারতাজ।

গাইতোন্ডে একটা নাম দিয়েছে।

ত্রিভেদী।

এটা কি সেই ত্রিভেদী?

ত্রিভেদীকে নিয়ে কেন কথা বলল সে?

ত্রিভেদী ছাড়া সবাই মারা যাবে।

হেই, একটু ডানে ঘোর?

মানুষ ভাবে, শুধু পুলিশই ঘুষ নেয়।

স্যার।

- হ্যাঁ? - আমার ছেলে, স্যার!

শামসুল। এখনও ঘরে ফেরেনি, স্যার।

আপনি পরে আসতে বললেন। অনেক দিন কেটে গেছে, স্যার।

- বাঙালি বুড়া থেকে এসেছেন? - জি, স্যার।

তোর ছেলে আল কায়েদা নয়তো আইসিসে যোগ দিয়েছে। যা, গিয়ে চেক কর।

আমার মাথা খাসনে আর!

চলে যা!

বালের জ্বালাতন!

- স্যার। - সে আমাকে কল দিয়েছে কেন?

কে, স্যার?

গাইতোন্ডে।

চাইলে যে কাউকেই কল দিতে পারতো।

আমাকেই কেন কল দিল?

কি জানি, স্যার?

আপনার বাবাকে সে হয়তো চিনতো।

- খোলো। - ওকে, স্যার।

বলেছিলাম, আবারও ফিরে আসবেন।

আমার কাহিনী বিচ্ছুর মতো, যেটা আপনাকে দংশন করেছে।

আমি কোত্থেকে এসেছি তার ব্যাপারে যতক্ষন না জানবেন,

ধর্মের এই নাটক আপনার মাথায় ঢুকবে না।

গোপালমঠের বাহিরের জঙ্গলে আমরা আমাদের স্বর্ণ পুঁতে রেখেছিলাম।

এগুলো দিয়ে কী করবো বুঝতেই পারছিলাম না।

মেথু আর আমি রোজ আমাদের স্বর্ণের দিকে কামাতুর দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখতাম।

ভেবেছিলাম, এটা নিয়ে বের হলে কেউ আমাদের খুন করে ফেলবে।

আর যদি এখানে ফেলেও যাই, কেউ চুরি করবে।

কে জানে? মেথুই হয়তো চুরি করতে পারে।

জানি না, ওই চিতা মেথুকে বাঁচাতে এসেছিল নাকি আমাকে বলতে এসেছিল...

যে, আমি শুধু শহরের না, জঙ্গলেরও রাজা হতে পারি।

ওটার চোখ বরাবর নির্ভয়ে তাকিয়ে থাকা! প্রথমবারের মতো নিজেকে ভগবান মনে হচ্ছিল।

ওটা আমাকে বলেছে, চিন্তার পরিধি বাড়া।

মুম্বাই নোংরা শহর। আরও নোংরা কর একে।

১৯৮৫ সালে, মায়ের মৃত্যুর পর ছেলে প্রধানমন্ত্রী হলো।

প্রধানমন্ত্রী হয়ে জালিয়াতিতে যুক্ত হয়ে গেল।

আমি ভাবলাম, যদি প্রধানমন্ত্রী অসৎ হতে পারে...

তো আমি সোজা রাস্তায় হেঁটে কী করবো?

মুম্বাই জয় করার পরিকল্পনা ঠিক করে ফেলেছিলাম।

প্রথমে, একজনকে খুঁজে বের করো যে আপনার সোনাকে কাঁচা টাকায় রূপান্তরিত করতে পারবে।

পরিতোষ শাহ। আমার বন্ধু, ভাই, ব্যাংক সব কিছু।

অর্থ আমাদেরকে বন্ধু বানিয়ে দিল।

একটা বউ, তিনটা বাচ্চা আর একটা ছোট্ট দোকান।

শালা ওর ভগবানকে রোজ আগরবাতির ধোঁয়া গেলাতো।

টাকাই ছিল ওর ধর্ম।

আর, আমি ভাল করেই জানতাম ধার্মিক ব্যক্তিকে কীভাবে আমার পোষা কুকুর বানাতে হয়।

পরিকল্পনার পরের ধাপ ছিল, একটা গ্যাং বানানো।

ওখানে নাগপাড়া মসজিদ বন্দরে, প্রত্যেক গলিতে একটা গ্যাং ছিল।

তাই, কৈলাশপাড়ায় চলে আসলাম। নতুন লোক পেলাম এখানে।

বড় বাদ্রিয়া, লম্বা চওড়া।

দিনে ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আর ১০ বার ব্যায়াম করে।

আর তার ভাই, ছোট বাদ্রিয়া।

প্রস্রাবের বেগ আটকে রাখতে পারত না, তবে অনেক বিনয়ী ছিল।

হেই, তোর ভাইকে নিয়ে যা। আমার বিছানাতেই কাজ সেরে দিয়েছে।

댓글

No comments yet. Be the first to leave one.

Keep it about this subtitle — sync, quality, typos.500 characters left