처음 200줄입니다.
• • • অনুবাদে • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
• • • সম্পাদনায় • • • সৈয়দ ফাহমিদুল ইসলাম
ইসমা! আমি চললাম।
- কী? - বাসায় যাচ্ছি।
- না, কেবল তো পার্টি শুরু হয়েছে। - রবিবারে আমার একটা রেস আছে। আমি যাচ্ছি।
- না, ম্যাট। যাস না। - বাসায় দেখা হবে।
যা, ঘুমা গিয়ে।
- ধন্যবাদ। - স্বাগত।
এই যে।
লাইটার হবে?
না, আমি সিগারেট খাই না।
কী ব্যাপার?
আমার সাথে আয় তো।
মার্কোস।
এই, ইসমা, তোর ভাইকে বল যেন আমার বন্ধুকে বিরক্ত না করে।
দেখে তো মনে হচ্ছে ভালোই এনজয় করছে।
যদি এখান থেকে না যাস, তবে পিঠের চামড়া তুলে নিব।
- বাদ দে। - চুপ থাক, ড্যানিয়েল।
- হিউগো, বাদ দে না। - চুপ থাক। কানে শুনিস না নাকি?
বাইরে চল। আয়।
ওটা তোমার ভাই না?
- এই, গোনজালো। - কী ব্যাপার, ইসমা? চলে যাচ্ছ?
যাচ্ছে তো এরা। এরা আমার ভাইয়ের সাথে চোদনামি করে।
খানকির পোলা! তোর মুখ ভেঙে দিব!
- এখানে আয়। - এই, ইসমা!
আমার সামনে থেকে দূর হ।
শুনেছিস? দূর হ!
- এই! - শালা বানচোত।
হোগায় দম থাকলে এখানে আয়।
একই কাহিনী।
ভেতরে যাবে?
ওপস!
- স্যরি, ইচ্ছে করে করিনি। - তোর সমস্যা কী?
- কী করছ? এটা ব্যস অ্যাক্সিডেন্ট ছিল। - পিছনে সর।
- আমার গায়ে হাত দিবি না, চুতিয়া। - থামো!
সর রাস্তা থেকে।
- ছাড়ো! ছাড়ো আমাকে! - থামো! থামো তোমরা!
ম্যাট!
- ম্যাট, ছাড়ো ওকে! এসব করে লাভ নেই! - ভেতরে যাও! ভেতরে যাও!
ভেতরে যাও!
ম্যাট!
মাদারচোদ!
এই, সাবধানে।
ছাড়। ছাড় আমাকে!
থাম!
- থাম! - থাম! থাম এবার!
থাম এবার সবাই!
তোমার নাম মাতেও ভিদাল,
কিন্তু সবাই তোমাকে ম্যাট বলে ডাকে।
তুমি ব্যস একটা কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছিলে।
আর তাকে কখনোই মারতে চাওনি।
সেই সকালে, তুমি একটা সাধারণ ল স্টুডেন্ট ছিলে।
হ্যাঁ?
তোমার ভাই তোমাকে সাথে যেতে রাজি করে।
হ্যাঁ, আজ রাতে পার্টি হবে! রেডি হয়ে নে।
এটা ছিল তোমার বাকি জীবনের পহেলা দিন।
না, না! ম্যাট! ম্যাট!
ঠিক আছে।
"পুলিশ"
তার বাবা-মাকে জড়িয়ে ধরে বলতে চাচ্ছিলে
যে তাদের ছেলেকে তুমি মারতে চাওনি।
- আর তাদের কষ্টটা তুমি বুঝো। - ড্যানি!
ড্যানি!
ওর নাম ছিল ড্যানি।
তোমাকে মজবুত থাকতে হবে।
আজও ওর নাম তোমার মুখে নিতে কষ্ট হয়।
আমি বাইরে বিয়ার নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, আর ও আমার কাছে আসে…
যেমনটা ভেবেছিলে ট্রায়ালে তেমন হয়নি।
পরে যেটা হয়, ওর বন্ধুরা…
সবাই যা দেখেছে তা হলো তুমি মারামারি করেছ
যার শেষে গিয়ে একটা ছেলে মারা যায়।
মাতেও ভিদাল রিভেরা, অসতর্কতায় হত্যার জন্য তোমাকে
৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে।
৪ বছরের কারাদণ্ড।
যা সর্বাধিক শাস্তি।
কিন্তু এটাই তোমার একমাত্র শাস্তি নয়।
না।
প্রথমবারের মতো বুঝতে পারো, ভয় আসলে কী।
ভেতরে, তোমাকে ভুলে যেতে হবে যা শিখেছ।
ক্লাসের সেরা হবার এখানে কোনো ফায়দা নেই।
রাস্তা থেকে সর, বাচ্চু।
নিজেকে জিজ্ঞেস করলে যদি সেই মেয়েটার সাথে দেখা না হতো আর পার্টিতে ফিরে না যেতে
তাহলে কী হতো।
যদি সেখান থেকে চলে যেতে।
তুমি মজবুত হয়ে উঠলে।
আর তোমাকে প্রস্তুত হতে হবে সেই জীবনের জন্য যেটা তোমার অপেক্ষা করছে।
আমরা বলতে চাচ্ছিলাম যে তুমি চাচ্চু হতে যাচ্ছ!
তোমার ভাই তোমাকে মনে করাতে থাকে পৃথিবীর বাইরে সবকিছু বদলাচ্ছে।
আর নিজেকে বুঝ দিতে থাকো যে একদিক তোমার জন্যও সেখানে জায়গা হবে।
কিন্তু জেলের একদিনের ছুটিটাও ছিল তোমার জীবনের আরেক দুঃখ ভরা দিন।
তোমার বাবা-মা এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়,
আর তাদের তোমার শহরে দাফন করা হয়,
যে শহরে তুমি নিজের ভবিষ্যত শুরু করতে যাচ্ছিলে।
মা ও বাবার নামে।
আর সেই জায়গা যেখানে তোমায়
- ফিরে যেতে হতো। - ওকে চিনিস?
ওর নাম অলিভিয়া কোস্তা, আর দুজনে একসাথে রাত কাটিয়েছ।
ওর সাথে মজা করেছ আর কথা দিয়েছ পরেরদিন দেখা করবার।
কিন্তু ওকে যা বলোনি
তা হলো তুমি ছুটিতে বাইরে এসেছ, তোমাকে আবার জেলে ফিরে যেতে হবে।
তুমি ওকে অপেক্ষারত অবস্থায় কল্পনা করো।
তুমি সেই ছবিটাকে মনে গেঁথে রাখতে চাও,
এই ভেবে যে সেটাই হবে তোমার কাছে তার শেষ স্মৃতি।
কিন্তু তুমি ভুল ছিলে।
কারণ জেল থেকে বের হবার ৩ মাস পর, ইসমা তোমাকে প্যারালিগাল হিসেবে তার ফার্মে চাকরি দেয়।
সে একটা কেসের জন্য তোমাকে ক্যান্ডিডেট সিলেক্ট করতে বলে।
আর ওর আবারও দেখা পাও।
- মিস কোস্তা… - দুই বছর পর,
তুমি কখনোই ওকে ভুলোনি।
আর সেও তোমাকে ভুলেনি।
অলিভিয়া বলে শেষের কয়টা বছর ওর কীভাবে কেটেছে।
তুমি ওকে এক গাদা মিথ্যা বলো ওকে বুঝানোর জন্য যে তুমি সেদিন কেন দেখা করোনি।
তুমি এই মিথ্যার মধ্যেই জীবন কাটিয়ে দিতে চাইলে।
ও তোমাকে ভবিষ্যতের আশা দেখায়।
অবশেষে তুমি ভাবো সব ঠিক হয়ে যাবে।
কিন্তু খুশি অস্থায়ী।
এক সকালে, অন্যান্য দিনের মতো, ইসমা কাজে যাচ্ছিল
যখন সে স্ট্রোক করে।
তোমার মনে হয় যেন জীবন তোমাকে শাস্তি দিচ্ছে,
কিন্তু তোমার নিজেকে মেনে নিতে হবে,
যদি নিজের অতীত এবং জেলে কাটানো সময়টা ছাড়তে চাও।
আর ওকে বলো যে যদি ও তোমার সাথে না থাকতে চায় তবে সমস্যা নেই।
কিন্তু ও তোমার সাথেই থাকে।
চার বছর পর…
আমি প্রেগন্যান্ট?
হ্যাঁ।
চার সপ্তাহ।
তো, এর পর?
আমরা আল্ট্রাসাউন্ড করে দেখব। যদি অলিভিয়ার এখানে করাতে কোনো আপত্তি না থাকে…
হ্যাঁ! আমার কোনো রেগুলার গাইনেকোলজিস্ট নেই…
- ঠিক আছে। - অবশ্যই।
রেকর্ডের জন্য আপনাকে কিছু প্রশ্ন করব।
- স্যরি, কলটা... - কল ধরো।
- নিশ্চিত তো? - একদম।
মিসেস আবেলিয়ান? হ্যালো।
জি। না, আপনি দ্রুত কথা বললে আমি বুঝি না।
না, আমার মনে হয় ফোরক্লোজের জন্য ওদের কয়েক মাস সময় লাগবে।
দেখুন, আমরা কাল আমার অফিসে কথা বলি, ঠিক আছে?
ঠিক আছে। না, চিন্তা করবেন না।
বাই।
৪৩০। অপারেটিং রুমে। আমি অফিসে থাকব।
এক্ষুনি আসছি।
"দুই মাস পর"
আপনার এলাকা পছন্দ হবে। জায়গাটা অনেক শান্ত।
- হ্যাঁ, আমরা জায়গাটা জানি। - দারুণ।
পুরো বাসায় সেন্ট্রাল এসি, দরজা জানালা সব অ্যালুমিনিয়ামের,
সাথে ডাবল গ্লেজিং এবং থার্মাল ব্রেকিং আছে।
চাইলে বাসাটা ঘুরে দেখতে পারেন। কোনো তাড়া নেই।
- ধন্যবাদ। - অনেক ধন্যবাদ।
- আমি রান্নাঘরে অপেক্ষা করছি। - আচ্ছা।
কী মনে হয় বাবুর পছন্দ হবে বাসাটা?
জানো আমার কী পছন্দ?
আমি।
বেশ, হ্যাঁ।
চলো বেডরুমটা দেখি।
এটা দারুণ। চারিদিকে আলো আসছে।
দেখো, সোনা, এখানে ওয়াক-ইন ক্লোজেটও বানানো যাবে।
আসো, দেখো।
ওখানে মারার বাসা।
বাবুর কাজিনেরা কাছেই আছে।
আমাদের পরিবারের জন্য এর চেয়ে ভালো জায়গা আর ভাবতে পারি না।
যদি আমরা এই বাসায় উঠি, তবে জলদি করতে হবে,
কারণ আমার পেট বড় হবে।
জানি না কে ফোন দিয়েছে।
- হ্যালো? - অলিভিয়া কোস্তা বলছেন?
হ্যাঁ, বলছি।
স্যরি, সোনা, অফিস থেকে।
হ্যাঁ, কথা বলো।
কী?
আমি এসে পড়ব।
- কখন ফিরবে? - শুক্রবার।
ইনেস এখনও আমার শিডিউল পাঠায়নি। কোথায় উঠব তাও জানি না।
ভাগ্য ভালো যে বার্লিন। এর চেয়েও খারাপ হতে পাড়ত।
- তোমার কি যেতেই হবে? - ছোট ফ্লাইট। আমার কিছু হবে না।
জার্মান কনসালট্যান্টিং ফার্ম আমাকে সেখানে চায়।
ম্যাট, কী ব্যাপার?
- আমাকে যেতে হবে, সোনা। - হ্যাঁ, জানি।
ব্যাপার সেটা না, আমি স্যরি।
আমি হিউগোকে দেখেছি,
যে ছেলে আমার ভাইয়ের সাথে মারামারি শুরু করেছিল।
সে ইভার সাথে ছিল।
যে মেয়ের কারণে পুরো কান্ডটা ঘটেছিল।
ওরা একসাথে আছে।
দেখলাম আমাদের পছন্দ করা বাসার সামনের রাস্তার অপর পাশেই ওরা থাকে।
কি কাকতালীয় ব্যাপার, তাই না?
- মেয়েটাকে নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই, কিন্তু হিউগো... - জান।
অদ্ভুত লাগলে ঠিক আছে।
আমরা অন্য বাসা দেখতে পারি।
আমি আর বাসা দেখতে চাই না।
আমার ওটা পছন্দ হয়েছে।
ঠিক আছে। আমি গোসল করতে করতে সুসি অর্ডার করবে কী?
ওহ, দাঁড়াও, খেতে পারব না! ভুলেই গেছিলাম। কাঁচা মাছ খাওয়া যাবে না।
"হ্যালো, ম্যাট"
"কাল দেখা করা যাবে?"
"যেখানে সচারাচর দেখা করি? তোমার সাথে দেখা করা খুব জরুরি।"
"হ্যাঁ, কাল দেখা হবে। বাই।"
- আশা করছি মিটিং ভালো হবে, আচ্ছা? - হ্যাঁ, ধন্যবাদ।
- পৌঁছে ফোন করব। - গিয়ে ফাটিয়ে দাও!
- আই লাভ ইউ। - আই লাভ ইউ টু।
হ্যাঁ?
No comments yet. Be the first to leave one.