200 baris pertama.
সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারদের সাদর আমন্ত্রণ আমাদের ফেসবুক পরিবারে “ব্লকবাস্টার সাউথ ইন্ডিয়ান মুভি লাভারস বাংলাদেশ গ্রুপ”
বিশেষ কৃতজ্ঞতা মাহমুদুল হাসান রিফাত ভাই যিনি না থাকলে মুভিটা অনলাইন থেকে নিশ্চিহ্নই হয়ে যেত।
Peralagan
অতিসুন্দর
অভিনয়ে সুরিয়া
অভিনয়ে জ্যোতিকা
অভিনয়ে বিবেক
অভিনয়ে মনোরমা
অভিনয়ে ববি (নবাগত)
অভিনয়ে মালবিকা
অভিনয়ে থালাইভাসাল ভিজেয় মনোবালা
অভিনয়ে দেবান মনিকা ভিনয়াগাম
বাংলা সাবটাইটেল ফিহাদ আর-রহমান
আমাকে ঠকানো? দেখাচ্ছি!
- বাবা, মন্ত্র বলো। - মন্ত্র।
- আরে ওভাবে না। - তাহলে কীভাবে বলব?
এত তাড়া কীসের? আগে কড়ি, পরে কথা।
বিয়েতে এত বড় আগুন ধরিয়েছেন কেন?
ফায়ার সার্ভিস ডাকতে হবে দেখছি!
বিয়ে থেকে বাচ্চা পয়দা, সব করে দেই!
ডাক্তার আর বিবাহ সংগঠকের পাওনা বাকি রাখবেন না।
বাবা, লগ্ন পার হওয়ার আগে বিয়েটা করে ফেলো। বাকিসব পরে দেখা যাবে।
পরে দেখা যাবে মানে?
যেটা আগে করার কথা সেটা করেননি, পরে কি ঘণ্টা করবেন?
বিয়ে তো আমি করবই না। আপনার সাথে আর কী কথা?
বিয়ের ঘোটককে ডাকুন, সব কথা তার সাথে হবে।
এসে গেছে হিরো!
এসে গেছি, বিয়ে থেমে আছে কেন?
৬০,০০০ পণ চেয়েছি, শুধু ৫০,০০০ দিয়েছে।
- দশ হাজার টাকা কম। - বাবাজি, মাত্র দশ হাজারই তো?
এইটুকুর জন্য একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করে দিও না।
আমার মধ্যে কোনো খারাপি আছে নাকি? দশ হাজার কম দিবে কেন?
তার মানে কোনো খারাপি থাকলে দশ হাজার টাকা কম দিলেও চলবে?
- আগে খারাপি খুঁজে বের করে দেখান। - এক্ষুণি বের করছি!
আমি পাথরের মতো শক্ত!
- এবার ভাঙ্গা বিয়ে জোড়া লাগাবে এই ইট। - কীভাবে?
- এক, দুই... - হায় হায়রে! - সুধীবৃন্দ...
ছেলে বলেছে তার মধ্যে কোনো খারাপি থাকলে তবেই সে বিয়ের পিঁড়িতে বসবে।
তার দুটো দাঁত ভেঙ্গে গেছে, এখন বলুন বিয়ে করতে।
বস পিঁড়িতে, মন্ত্র পড় কইতাছি!...
বন্ধুগণ, রণে-বনে-জলে-জঙ্গলে যখনই যৌতুকের খপ্পরে পড়বেন...
...আমার এই পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। বাজা রে ঢোল!
- অফিস ধুয়ে-মুছে ঝকঝকা করে রাখ। - পানি দিয়ে ধুবো, স্যার?
না, পেট্রোল দিয়ে ধো, গাঁধা!
- নেন, পরোটা খান। - পরোটা হয়েছে এটা?
এক বছর আগের তৈরি মনে হচ্ছে!
- আসো ঘোটক... - বলেছি না আমাকে ঘোটক বলবে না?
- আমি হলাম বিবাহ সংগঠক। ঝরঝরা এক কাপ জাট্টি দাও। - কি?
মানে চা দাও, মুখ ফসকে জাট্টি বলে ফেলেছি।
কুলেনথে, সকাল থেকে চিন্না তোমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে...
ওর দোকানটাও খোলেনি, কোথাও যাচ্ছ তোমরা?
তাতে তোমার কী? তুমি তোমার চায়ের দোকানে মন দাও।
চিন্নার জন্য পাত্রী দেখতে যাচ্ছ?
- নয়তো কি ওর দাদার জন্য দেখতে যাব? - আন্দিপাট্টিতে যে পাত্রী দেখে এলে তার কী হলো?
ওই মেয়েটার দুইটা পাকা চুল ছিল, তাই বাতিল।
- কারুমাথুরের মেয়েটা? - তার দুইটা বাঁকা দাঁত আছে, তাই ওটাও বাতিল।
- ভালায়াপাত্তির মাইয়াটা? - সে আগে থেকে দুই বাচ্চার মা!
- নিজের চরকায় তেল দে। - এত সময় নষ্ট করছো কেন?
চিন্নার জন্য মানানসই একটা মেয়েই আছে দুনিয়ায়।
- কে সেটা? - ঐশ্বরিয়া রাই!
এই! ইয়ার্কি মারছো? চিন্নার ভাগ্যে মেয়ে জুটবে না ভেবেছ?
চিন্না মদ-সিগারেট-পান-বিড়ি কিচ্ছু খায় না। তোমার দোকানের চা পর্যন্ত খায় না!
দিনরাত কষ্ট করে টাকা কামায়।
বউকে সোনার মতো আগলে রাখবে, জানো?
শোনো, বছর পেরোনোর আগেই যদি চিন্নার জন্য মেয়ে খুঁজে দিতে না পারি...
...তাহলে আমি বিবাহ সংগঠক কুলেনথেস্বামী না!
চিৎকার করবেন না, কাস্টমারের অসুবিধে হয় না?
কই? কাস্টমার কে? এই ব্যাটা?!
ডালের বাটিতে তেলাপোকা পড়ে আছে, তুলে ফেলে দে রে!
- অর্ধেক তেলাপোকা তোর পেটেই চলে গেছে! - আমার ব্যবসা লাটে ওঠালে গো!
এই! সাড়ে বারো টাকা দিয়ে তারপর যা।
যেমন কাস্টমার তেমনই দোকানদার! এই সুযোগে পকেট ভরিয়ে নেই!
- সাবধানে চালান, স্যার। - সাবধানেই চালাচ্ছি।
এই এলাকায় আমিই প্রথম গাড়ির মালিক।
গিরি, এখান থেকে গিয়ে অফিস আবার পরিস্কার করবি।
- আয় কুলেনথে! - পাটাম্মা, খেয়েদেয়ে একাদশী হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছ?
- চিন্না কোথায়? - ও নদীতে গোসল করতে গেছে।
ও গোসলও করে?!
নদীতে কেন গেল? এখানে পানি নেই?
এখানেও একবার গোসল করেছে।
তবুও নাকি রং খোলেনি। তাই ভরা নদীতে ডুব দিতে গেল।
সারাদিন নদীতে ডুবে থাকলেই যেন কমল হাসান হয়ে যাবে!
- বরং আরও সর্দি বাঁধিয়ে বসবে। - মারব থাপ্পড়!
মেয়ে দেখতে যাওয়ার আগে ও তিনবার করে গোসল করে জানিস না?
প্রত্যেকবার দুটো করে সাবান ক্ষয় করে ফেলে। এবার নাকি বলেছিস মেয়েটা একটু বেশি সুন্দরী?
- এই মিথ্যে কথা তো আমি সবাইকেই বলি। - ও তো সেটা বুঝে না।
ছয়টা লাইফবয় সাবান নিয়ে গোসল করতে গেছে।
ছয়টা লাইফবয়?! একটা লাইফবয় শেষ করতেই পুরো লাইফ চলে যায়।
ছয়টা কখন শেষ করবে? বিয়ে কখন হবে?!
এই চিন্না!
এ কী! নাকের বদলে নরুন দেখাচ্ছে কেন!
চিন্না, এসব করার কী দরকার?
পিঠে এতবড় কুঁজ নিয়ে সাঁতার কাটতে যাস কেন? কিছু যদি হয়ে যায়?
কিছু হবে কী করে? আমার হাত-পা নেই নাকি?
- সাবধানে রে! - বিশ বছর ধরে এখানেই গোসল করছি আমি।
অলিম্পিকে গেলে সাঁতারে সোনা পেতাম আমি!
যতই সাবধান করি, তুই তো কিছুই শুনবি না।
- ধর এটা। - দে।
কিউটি পাউডার... সিক্রেট অব মাই বিউটি!
এতটুকু পাউডারে কি কিছু হবে?
পুরো পিঠে এক বস্তা ইউরিয়া সার ঢালা লাগবে রে!
এসব বাড়িতে গিয়ে মাখতে পারিস না?
ভেজা শরীরে পাউডার বেশি কাজ করে!
সৌন্দর্য বাড়ায়!
- যেন প্রিতি জিনতাকে পটাতে যাচ্ছে! - কি?
দ্যাখ পানিতে যেন পিছলে না পড়িস।
কনেপক্ষ হয়তো ১০০ভরি ২০০ভরি সোনা দিতে চাইতে পারে...
খাট, ফার্নিচারও দিতে চাইবে... এসব কিছু লাগবে না বলে দিয়েছিস তো?
বলেছি রে, কোনো যৌতুক দিয়েন না...
জামাই বাড়িতে আসলে খেতে পর্যন্ত দিয়েন না।
শুধু বিয়ে করার জন্য মেয়েটাকে দিয়েন। তাছাড়া আর বলবটা কী?
বলিস ছেলের মধ্যে কোনো খুঁত নেই।
শুধু অন্যদের তুলনায় পিঠে একটু মাসেল বেশি আরকি!
আমি একটু ইঙ্গিত দিয়েছি শুধু।
বলেছি আইফেল টাওয়ার দেখতে চাইলে মেয়েকে ফ্রান্সে যেতে হবে না!
একটা কথা কান খুলে শোন, বর-বউ যখন একসাথে হাঁটব...
কেউ যেন দেখে নাক না ছিটকায়, বুঝেছিস?
তোদের দেখে বরং চোখের পানি ফেলবে! মানুষকে নিয়ে চিন্তা করিস না।
বেঁচে থাকতে তোর দিকে ফিরেও তাকাবে না কেউ, কিন্তু মরে গেলে কেঁদে-কেটে গাঁ মাথায় তুলবে! মানুষ এরকমই।
তুই কিচ্ছু ভাবিস না, দুমাসের মধ্যে তোর বিয়ে হয়ে যাবে!
- তুই কীভাবে জানিস? - আমি মানত করেছি।
বৈশাখের আগে তোর বিয়ে ঠিক হলে...
...তোকে কাঁধে তুলে...
...পূর্ণিমা রাতে মন্দিরের পাশে চক্কর দিব।
আমাকে নিয়ে সার্কাস দেখিয়ে পয়সা কামানোর ধান্দা করেছিস?
- একটা মারও মাটিতে পড়বে না! - এই আইডিয়াটাও খারাপ না!
একটা সাবান বাকি আছে। আরেকটা ডুব দিয়ে আসি?
পাত্রীকে বসিয়ে রেখে সারাদিন গোসলই করবি নাকি?
তুই সাবান শেষ করতে চাস তো? দে...
- সাবান কী করে শেষ হয় দ্যাখ। - কাজটা কিন্তু তুই ঠিক করলি না।
- নদীকে সাবান গিফট দিলাম। - ওদিকে যা, কাপড় বদলাব।
- আমার সামনে বদলালে কী সমস্যা? - আরে আমি নিচে কিছু পরিনি!
নদীর মাছও ভয় পেয়ে যাবে!
আজ ছুটির দিন।
তোর সাইনবোর্ড দেখে মনে হচ্ছে দোকান না যেন মস্ত বড় ফ্যাক্টরি!
মেয়ে দেখার ব্যাপার-স্যাপার না?
মেয়ে পছন্দ হয়ে গেলে এক সপ্তাহের ছুটি নিতে হবে, তারপর বিয়ে করতে হবে...
কমিশন পাওয়ার জন্য যে-সে মেয়েকে আমার ঘাড়ে তুলে দিচ্ছিস না তো?
তোর ঘাড়ে আর জায়গা কই? ওতকিছু ভাবিস না, আয় রে...
দেখে চল...
বিয়ের কথা শুনে আমার রূপ বেড়ে গেছে না?
হ্যাঁ হ্যাঁ, রূপের ভারে দিন দিন আরও নুয়ে পড়ছিস তুই!
রূপ না রে, বাড়ছে তোর এই কুঁজ।
ব্যায়াম করতে করতে পিঠের মাসেল ফুলে গেছে বলেছি না? বারবার একই কথা বলিস না।
আচ্ছা, তাই সই।
ছেঃ ছেঃ! একটা শুভ কাজে যাচ্ছি...
পথে যত অমঙ্গলের ছড়াছড়ি!
তুই নিজেই বা কম কিসে? ওইদিকে কই যাচ্ছিস?
হেঁটে হেঁটে যাবি নাকি? এদিকে আয়...
- থাম, পাত্রীটা কার? আমার না তোর? - তোর।
তাহলে তুই এত দামী কাপড় পরেছিস কেন?
এরপর থেকে কাপড়ই পরব না। এবারের মতো মাফ কর। আয়...
কুলেনথে, একটা বুদ্ধি বেড়িয়েছে! গাড়ি আমি চালাই। আমার গাড়ি চালানো দেখে মেয়ে একদম পটে যাবে।
আমার মতো লোকেরই কোনটা ব্রেক কোনটা এক্সেলারেটর সেটা বুঝে আসে না। আর তুই ট্যারাবাঁকা পা নিয়ে...
...কীভাবে চালাবি? চুপ করে পিছে গিয়ে বস।
কুঁজোর চিৎ হয়ে শোওয়ার শখ হয়েছে!
- কীরে? - এই গাড়ি এনেছিস কেন? - কেন?
আগেরবার এই গাড়িতে গেছিলাম, মেয়ে পছন্দ হয়নি। এক নাম্বারের অপয়া গাড়ি!
সত্যি করে বল তো, দোষটা গাড়ির?
গাড়িরই তো দোষ। নয় তো কি আমার দোষ?
এসবের সময় নেই এখন, ভেতরে যা...
দরজা কি তোর বাপ খুলে দিবে?
দরজা খুলতে পারিস না সেটা বললেই তো হয়। যা, ভেতরে যা...
পা মুড়িয়ে বসে পড়।
এরপর থেকে গাড়ির বদলে রিক্সা আনা লাগবে!
ধূর! গাড়িতে বসে বাইরের কিছু দেখতে পাচ্ছি না।
সোজা হয়ে বসলে সব দেখতে পাবি। তুই সোজা হয়ে বসতে না পারলে আমার দোষ?
গাড়িতে এসি নেই, রেডিও নেই, মান্ধাতা আমলের গাড়ি একটা!
এফএম রেডিওর মতো বকবক করতেই থাকে সবসময়!
- থাম, গাড়ি থামা! - কীরে? এখন আবার কী হলো?
সানগ্লাস আনতে ভুলে গেছি।
- সেটার কী দরকার? - স্টাইল রে বোকা!
হারামি! এমনিতেই মানুষ তোকে বেকুব বলে, কুঁজো বলে...
চশমা পরলে অন্ধও বলবে রে।
- তোর চশমাটা খুলে দে। - আমি তাহলে গাড়ি চালাব কী করে!
- চশমা না পরলে মেয়ে কি তোকে পছন্দ করবে না? - মেয়ে আমাকে পছন্দ করবে না?!
Am l not the moon? গানঃ Ambuli Mama গায়কঃ Karthik কথাঃ Pazhani Bharathi কম্পোজঃ Yuvan Shankar Raja
Making the moon my consort
l Grabbed her hand
The beauty queen St_ before me
And she has won over The MOST HANDSOME, me
Killed me so soRly
Am l not the moon?
Making the moon my consort
l grabbed her hand
Let us walk under one umbrella
ln hot sun and rain
Let us win the best couple award eveyday
Even when sleep closes the eyes
Let us open eyelids in dream
Let the nights be submerged in kisses
Let us bathe mice
Am l not the moon?
Making the moon my consort
l grabbed her hand
Shiva is one half and Uma the other half at the temple
He is one half and she the other half at home
Should help you while pouring rice tD the pot
Should stay near you when you deliver the child
Am l not the moon?
No comments yet. Be the first to leave one.