200 baris pertama.
মুভির নাম:- Sankashta Kara Ganapathi (2018) অনুবাদক:- মাহির মুনিম
শিক্ষার্থী-স্বল্পতার কারণে কান্নাড়া মাধ্যমের অনেক স্কুল বন্ধ হয়ে যাচ্ছে...
...যা ঠেকাতে অনেক কান্নাড়া সমাজসেবী দল এখন সজাগ হয়ে উঠেছেন।
সরকার এই প্রতিবাদকারীদের প্রতি সাহায্যের কোনো হাত বাড়াচ্ছে না।
কী এসব?
কার্নাকাটাকার আচরণে মনে হচ্ছে কান্নাড়িগারা বাইরের কোনো এরিয়া।
কান্নাড়া স্কুল বন্ধ না করার জন্য আমরা চেঁচাচ্ছি...
কিন্তু ঐ রাজনীতিবিদদের সময় নেই আমাদেরকে সম্মান দেখিয়ে চিঠি গ্রহণ করার,
তাহলে তাদেরকে ভোটই বা দিলাম কেন?
ওরা তো কেবল নামে মাত্রই সরকারের লোক।
ওরা শুধুমাত্র নির্বাচনের সময় জনগণকে মনে রাখে।
অপেক্ষা করে দেখি হয়তো ওরা দুপুরের দিকে আসতে পারে।
আসতে দাও, আমিও প্রেস মিডিয়াকে ফোন করে ডেকে আনার ব্যবস্থা করছি।
ঐ সব মন্ত্রীদের শিক্ষা দিয়ে দেখিয়ে দিব আমাদের ক্ষমতা কতটুকু।
প্লাকার্ড লিখছে ছেলেটা কে?
তাৎক্ষণিক কাউকে পাইনি বলে, একজন কার্টুনিস্টকে ডেকেছিলাম।
ও যেকোনো স্থানে প্লাকার্ড লিখবে।
ওসব লোকদের পরোয়া কে করে?
দু-একদিন প্রতিবাদ করে নিজেরাই ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।
প্রতিবাদীদের প্রতি অবিচার করা হচ্ছে।
দয়া করে কান্নাড়া মাধ্যমের স্কুল বন্ধ না করাতে অটল থাকুন!
সকল কান্নাড়া স্কুলকে রক্ষা করুন।
এই প্রতিবাদের ব্যাপারে আপনার মতামত কী?
রাস্তা দিন, রাস্তা দিন।
লোকগুলো সকালবেলা থেকেই বর্বরতা করেই যাচ্ছে, এদের কোনো কাজকর্ম নেই?
ধর্মঘটের নেতা কারা? ওদেরকে ডাকুন তো।
এদিকে আসুন।
নমস্কার, স্যার।
সমস্যা কী আপনাদের?
শুধুই আমার সমস্যা নয়, স্যার এটা সমস্ত কান্নাড়িগারাদের আক্ষেপ।
স্যার, আমরা অনুরোধ করছি।
আসুন, কথা বলব।
চলো যাই...
আমরা ঘুমন্ত মানুষ জাগাতে পারি কিন্তু ভাণ করে ঘুমিয়ে থাকা মানুষকে জাগাতে পারি?
এখানে এক কার্টুনিস্ট রয়েছেন যিনি যা করছেন সব অযৌক্তিক।
উনি মন্ত্রীকে টিটকারি করে ট্রল বানাচ্ছেন যেমন খুশি তেমন।
এই কার্টুনিস্ট মন্ত্রীর অমনোযোগী কর্মকান্ড আর দায়িত্বহীন আচরণকে চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরছেন।
মন্ত্রীরা এই প্রতিবাদকারীদের সম্মুখীন হবেন কিনা দেখা যাক।
কুনথির সন্তানরা যেভাবে সাম্রাজ্য জিতেছিল, ঠিক সেইভাবে মন্ত্রীরা ৪ দিনের পর আমাদের অনুরোধ চিঠিটা গ্রহণ করেলেন।
এখন চিন্তার বিষয় না জানি কতদিন লাগাবেন আমাদের কথা রাখতে।
যাইহোক, উনি যে আমাদের আবেদন গ্রহণ করেছেন সেইটাই হচ্ছে মুখ্য বিষয়।
এসব কার্টুনিস্টের কারণে সম্ভব হয়েছে।
মিডিয়ার সামনে খামখা মন্ত্রীকে অপদস্থ হতে হলো।
মূর্তি, ছেলেটাকে ডাকো ওকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।
একটু এদিকে এসো।
সাবাস, নাম কি তোমার?
আমি গাণি।
গাণি?
জ্বী।
কোলার না বাল্লারির গাণি?
এই গাণিতে কোনো উপসর্গ বা প্রত্যয় নেই?
আমি গাণাপাতি।
গাণাপাতি! বেশভূষার সাথে নামটা তো একদমই যায় না।
এটা ক্লাব স্যান্ডউইচ র্যাগি বলস নামকরণের মতো।
সেদিক থেকে কাজে তুমি অনেক পটু।
তোমার ব্রাশের খাবলে মন্ত্রীর পাছার ছাল তুলে নিয়েছে।
তাহলে কান্নাড়া স্কুল বন্ধ হবে না?
ধুর, কয়লা ধৌত করলে ময়লা যায় নাকি! প্রতিবাদ ঠেকাতে তাদের স্বভাবগত চক্র আঁটবে।
তবে আমরা থামছি না, বারবার প্রতিবাদ করেই যাব।
প্রশ্নপত্র যদি না থাকে তাহলে যেটাই লিখবে সেটাই সঠিক উত্তর হবে।
ভুলে যাওয়ার আগে এটা নিয়ে নাও।
তোমার খাটুনি হিসাবে নয়, সমঝদারির উপহার হিসাবে নাও।
এই ৫ শত টাকাকে ভবিষ্যতে ৫ হাজার টাকা হবার সুযোগ দাও।
আমাদের সন্তানরা শুভেচ্ছা মেনে নিবে না, স্যার।
আপনি নিজেই ৫ হাজার টাকা দিতে পারেন, তাই না?
তামাশা করলাম, স্যার।
কথাবার্তাতে, আত্মীয়তাতে, ব্যবসায়ে হারিয়ে যাওয়া আমাদের কান্নাড়াকে,
আপনারা বাচ্চাদের পাঠ্যবইয়ে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেন।
যদি এই টাকাটা আপনার থেকে নেই তাহলে ৮ গণপিতার পুরস্কারকে অপমানিত করা হবে।
কার্নাটাকার প্রত্যেকটি গলি-গলিতে যেন কান্নাড়া পৌঁছায় সেটাই কামনা করুন।
এখন আসি, স্যার।
সকাল ১১ টা বাজে, মনে হচ্ছে বড় জলদি জলদি উঠে গেলাম।
এক বেকার ছুতারমিস্ত্রী তার ছেলের শরীরের আকৃতি আঁকছে মনে হচ্ছে।
সারাদিন এসব করে বেড়াবি নাকি একটা চাকরিবাকরি খুঁজবি?
কাজ করছি না?
এটা? এটা কাজ?
সারাটা দিন কার্টুন আঁকিঝুঁকি করতে হবে!
যেটাতে কোনো উপার্জন নেই সেটা কোনো চাকরি হলো নাকি?
সেলারির জন্য যে ব্যক্তি কাজ করে সে হবে গোলাম।
মর্জি মতো যে ব্যক্তি কাজ করে সে হবে অর্জনকারী।
ওটা কোথায় লিখা রয়েছে? এমবিএ অধ্যায়নরত অবস্থা চাকরি পেলি...
দুই বছর করে ওটা ছেড়েও দিলি।
অবসর নিয়ে ভালোই ছিলাম, এখন তুই হয়ে গিয়েছিস মাথা ব্যথা।
যেন উনি আর. কে. লাক্ষ্মান।
লেমন চালে লবন কমিয়ে দাও নয়তো আমার বিপি তোমার মতো হয়ে যাবে।
আগে ইস্ত্রি বন্ধ কর নয়তো গরমে প্যান্ট পুড়ে যাবে।
রাজশেখরের ছেলে হারিস, তোর পিইউ সহপাঠী সে ক্যাম্পাসে সিট পেয়েছিল।
জানিস ওর সেলারি কত?
হ্যাহ্, শুনতে পাইনি।
জানিস ওর সেলারি কত?
তার ভাই সুরেশ এসএসসি ফেইল মেরে, রিয়েল এস্টেট ঢুকে রাজাজিনাগারে ভবন নির্মাণ করছে।
এতে এত বলার কি আছে?
সকাল সকাল অন্যের গুণকীর্তন।
কার্টুন না আঁকার ব্যাপারে আমি তোকে কিছু বলেছি?
আঁক! তবে সেটা অফিস থেকে ফিরে অবসর সময় আঁকতে পারিস।
এটা রাঙ্গুলি নয় যে অবসর সময়ে আঁকব।
কার্টুনিস্ট পার্ট টাইম হতে পারে না, তাই আগের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি।
আর আমার নেশাটাকেই পেশা বানাব।
নিয়তি!
এখনো তৈরি হোসনি?
রবিন্দ্রের মেয়ের এনগ্যাজমেন্ট, আমাদের সপরিবারে দাওয়াত।
যা তৈরি হয়ে নে।
শুধু মেনে নাও তুমি কার চালাতে জানো না।
কারণ জানতে চেয়ো না...
শো-অফ করার জন্য নিজের কার কিনিনি।
সারাক্ষণ শুধু বিরক্তের উপর রাখে।
হ্যাঁ, রাস্তায় আছি ২০ মিনিটেই চলে আসব।
এইভাবে এনগ্যাজমেন্টে উপস্থিত হবি?
এনগ্যামেন্ট আমার নয় আমি অমনভাবেই যাব।
ঔষধ খেয়েছিস?
হ্যাঁ, খেয়েছি...
এমবিএ শেষ করে এমএনসি কোম্পানিতে কাজ করছসি বলব, ইজ্জৎ বাঁচায়ে আরকি।
এতে মিথ্যে বলব কেন? যেটা করি সেটাই বলব।
হ্যালো সুধাকর, কেমন আছ?
হ্যালো, নমস্কার।
কে?
আমার ছেলে।
কোথায় কাজ করো?
- এমবিএ শেষে করে সে... - একজন কার্টুনিস্ট হয়েছি।
সেটা ঠিক আছে, নিয়মিত কী কাজ করো?
যেমন বললাম আমি একজন কার্টুনিস্ট।
সুধাকর, আমার ছেলে নিচ্যাল।
কোর কোম্পানীতে অটোমটিভ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে জার্মানিতে কাজ করে।
ছুটিতে দেশে এসেছে।
শুভ কামনা রইল।
ধন্যবাদ।
অভিনন্দন।
উনি এনআরআই আমেরিকার স্থায়ী বাসিন্দা।
খুব ভালো মেয়ে-জামাই পেয়েছে আমাদের রবিন্দ্র।
লেনদেন কত হলো?
উনি টাকায় না ডলারে যৌতুক দিয়েছেন?
হ্যালো সুধাকর, অবসর নেয়ার পর দেখছি রোগা হয়ে গিয়েছ।
অমন নয় আসলে।
সুধাকরের কথা বলেছিলাম না? উনিই হচ্ছে সেই।
সুধাকর, কে ও?
ছেলে তোমার? কী করে?
কার্টুনিস্ট!
হ্যালো, প্রসাদ।
হ্যালো।
গতকাল ভিজায়ানগর তোমাকে দেখেছিলাম, পাশ দিয়েই গিয়েছিলে।
ও আমার ছেলে নিচ্যাল।
হ্যালো, আংকেল।
ও কী করে?
কোর কোম্পানীতে অটোমটিভ ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে জার্মানিতে কাজ করে।
ওহ, আমার মেয়ের সাথে পরিচয় করাতে ভুলে গিয়েছি।
হ্যালো।
চলো জুস খেতে খেতে কথা বলা যাক।
কোনো চাকরি নেই?
অমন মানুষের জন্য কিভাবে পাত্রী পাবে?
চাকরি নেই?
কার্টুনিস্টের কোনো মূল্য নেই।
তোমার চাকরি নেই তোমাকে কেউ পরোয়া করবে না।
একটু কাছাকাছি, লজ্জা পেয়ো না।
চলো একটা সেলফি নেই, একসাথে দুজনকে দারুণ মানিয়েছে না?
প্রসাদ, ওরা সুন্দর একটা জুড়িদার।
হ্যাঁ, সত্যিই।
কারো সাথে তোকে পরিচয় করাতে গেলে উলটো আমাকেই আরো অপমানিত হতে হয়।
কখনো ভেবেছিস তুই একজন কার্টুনিস্টের আচরণ কার্টুনের মতো হয়?
যেখানে মেয়ে ছেলেকে দামাদামি করে দেখা হয়, সেখানে আমাকে আনলে কেন?
আমি বরং বাড়িতেই থাকতে পারতাম।
ঐ মেয়েটি অনেক গুণী বলে আশা করেছিলাম একদিন সে তোর বউ হবে।
কিন্তু ঐ হতচ্ছাড়া ওর বিয়ে আমার চোখের সামনেই আয়োজন করল।
এই জগতে যদি ভালো মেয়ে পেতে চাও, তোমার ভালো বেতনের সাথে চাকরির প্রয়োজন।
দুটোই কী তোমার ছিল না? ভালো চাকরি, ভালো বেতন।
তাহলে মা তোমাকে ছেড়ে চলে গেলেন কেন?
ওরা তোকে এলিয়েনের মতো দেখছিল না?
ভেতরে গিয়েছিলি কেন? গাড়িতে বসে থাকতি,
তোর বাবা কোনোভাবে তোকে তাদের কাছে ড্রাইভার বিশ্বাস করিয়ে নিতেন।
ওভাবে অপমানিত হলে আমি তিনদিন মদ খেতাম না।
ওটা ইয়ার্কি নাকি? তোকে বলার কারণ তুই আমার একমাত্র বন্ধু।
বলাটলা বাদ দে, তোর এই মার্কামারা দুঃখের গল্প শোনার কারো সময় আছে।
ঐ বিয়ারের বোতল তুই কিনেছিল।
কি অবস্থা গাণি? শেষ করে ফেলেছ?
বিরক্তিকর, মালোই একখান।
ওর ছলাকলা দেখলে মনে হয় সাপ একটা কিছু খেয়ে হজম করতে পারেনি।
তাকে কৃষ্ণার ভূমিকা দেওয়া হয়েছে।
আমি বিগত ২ বছর ধরে বলেই যাচ্ছি হারামিরা প্রতিভার মূল্যই দিতে জানে না।
তার চেয়ে বড় কথা তোর মার্কামারা চেহারা ওরা যে থিয়েটারে নিয়েছে।
সেখানে আর কৃষ্ণের ভূমিকার কী দরকার?
এটা পেছনে কাঠি করার মতো লাগছে না?
দেখিস একদিন আমি থিয়েটার দল তৈরি করে নিজেই সরাসরি কৃষ্ণার ভূমিকায় অভিনয় করব।
ঐদিন আমার ফুল হাউজ থাকবে।
সেই সময় যখন আসবে আমি নিজেই ব্ল্যাক মার্কেটে টিকেট বিক্রি করব।
কেমন ওটা?
পিওর মাখন।
কী?
পেইন্টিং এর কথা বলেছি।
সত্যিই সুন্দর, তোর প্রতিভা আছে কিন্তু কার্টুনিস্ট হতে আর কতদিন সংগ্রাম করবি?
তুই নিজে নিজেই মার্কেটিং কর।
নিজেই নিজের ঢোল না পেঠালে তুই কিছুই বিক্রি করতে পারবি না।
তোর এমবিএ ডিগ্রি কোনো কাজের নাকি?
এই দুনিয়ার মানুষের জীবন এখন ইন্টার্নেটে,
ইউটিউব বা ফেসবুকে তোর কাজগুলো আপলোড করা উচিত।
এসব কাজে আসবে না।
ফেসবুকে মেয়েদের সাথে যারা চ্যাটিং করতে মত্ত, তাদের কাছে সময় আছে আমার এই কার্টুন দেখার।
সর্বোপরি, মানুষ ইউটিউবে বিভিন্ন ইতিহাস খুঁজে বেড়ায়।
তবুও আশা হারানো উচিত না।
একটা গাছের ঠিকভাবে পরিচর্যা করলে একদিন ঠিকই ফল দিবে।
এটাকে বিশ্বাস বলে।
তোকে উপদেশের বুলি দিতে গিয়ে আমি নিজেই বোকাচণ্ডী হয়ে যাব।
No comments yet. Be the first to leave one.