200 baris pertama.
অনুবাদে - কুদরতে জাহান
বাংলায় সাবটাইটেলটি ভালো লাগলে গুড রেটিং দিতে ভুলবেন না।
চলো এবার সবকিছু ভিন্নভাবে করা যাক।
বেশ ভিন্নভাবে।
ওর নাম হলো মাইলস মোরালেস।
ওকে একটা তেজস্ক্রিয় মাকড়সা কামড় দিয়েছিল।
তবে ওকেই শুধু কামড় দিয়েছে ওটা এমন না।
ওর জীবনটা সবসময়ে সহজ ছিল না।
আর ওই এক ও অদ্বিতীয় নয়।
আর এখন ও একা।
আর ওই এক ও অদ্বিতীয় নয়।
হয়তো ভাবছ, বাকিটা জানা আছে তোমার।
আসলে নেই।
ভেবেছিলাম আমি বাকিটা জানি, কিন্তু...
আসলে জানি না।
আমি ওর ক্ষতি করতে চাইনি।
কিন্তু করেছি।
আর ওই একমাত্র না।
হেই! অ্যাই, ডেফ লেপার্ড!
গুয়েন!
গানটা কি শেষ?
মনে তো হচ্ছে। তুমি ঠিক আছ?
আমাদের সাথে ঘোরো না। কারো সাথে কথা বলতে চাও না।
নিজের অনুভূতি প্রকাশের জন্য তো ব্যান্ডে ঢুকিনি আমি।
আমি এই কারণেই ঢুকেছি। যাতে নিজের অনুভূতিগুলোকে
এই স্টিক দিয়ে মেরে সাইজ করতে পারি।
তোমার কী হচ্ছে তা যদি কাউকে না বলো তাহলে
- ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়বে তুমি। - আমি ভালো আছি।
যে ভালো আছে সে এইভাবে এই কথা বলে না।
তারা বলে, "আমি দারুণ আছি। তুমি কেমন আছ?"
- আমি দারুণ আছি। ধন্যবাদ। - আরে।
তুমি কেমন আছ?
দারুণ?
গুয়েন, আমি না তোমাকে একেবারেই বুঝি না।
ঠিকই বলেছ।
আমিও ড্রাম বাজাই।
একটা ব্যান্ডে ঢোকার ইচ্ছা সবসময়েই ছিল আমার।
কিন্তু কখনোই যোগ দেয়ার উপযুক্ত দল খুঁজে পাইনি।
এই টাইপের কাজে
সবসময়ে একাই চলা লাগে।
মাইলসের আগে ছিল পিটার,
- আমার মনে হয় তোমাকে দারুণ দেখাচ্ছে। - কী জানি।
এই কি সেই ভয়ানক হুমকি?
না, না, না। ওকে তো ভালো মানুষই মনে হচ্ছে।
কিছু লুকানোর না থাকলে মুখোশ পরে কে?
ঠিক আছে, ডিনার টেবিলে রাজনীতির আলাপ চলবে না।
ধন্যবাদ, মে।
কিন্তু ওরা আসলে আমাকে চেনে না।
আর আমিও ওকে ঠিকমতো চিনতাম না।
- নেড, ওকে আরেকবার ধরে দেখো। - গুয়েন, সমস্যা নেই।
খুব বেশি দেরি হবার আগে।
- হেই, গুয়েন। - হেই।
পিটার?
কী? না।
না, না, না, না, না, না, না। তুমি কী করেছ?
আমি বিশেষ একজন হবার চেষ্টা করেছিলাম।
ঠিক তোমার মতো...
গুয়েন।
- গুয়েন? - চিন্তা কোরো না।
গুয়েন কে?
সব ঠিক হয়ে যাবে।
একথা বলো না।
- সব ঠিক হয়ে যাবে। - যেও না।
ওহ, পিটার।
হেই, হেই! হেই!
পিটার?
এর পরে আর কোনো বন্ধু বানাতে পারিনি আমি।
একজন ছাড়া।
কিন্তু সে তো এখানে নেই।
আর এখানে আসার কোনো উপায় নেই।
চাপ বেড়ে গেছে, এখন ক্যাপ্টেন জর্জ স্ট্যাসি
স্পাইডার-ওম্যানকে ধরার জন্য অভিযান শুরু করেছেন।
সে কে? সে নিজের চেহারা দেখায় না কেন?
পিটার পার্কার, একজন নিরীহ মানুষ...
মেরি আর বেন পার্কারকে ১২ বছর ধরে চিনি আমি।
পিটার পার্কার আমার টেবিলে বসে খেয়েছে।
সে আমার মেয়ের বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল।
এই স্পাইডার-ওম্যানকে খুঁজে না বের করা পর্যন্ত থামব না আমি।
ওহ। হেই, হেই, হেই, হেই। ব্যান্ডের কী অবস্থা?
হ্যাঁ, দারুণ অবস্থা।
- আমি ছেড়ে দিয়েছি। খুব ভালো লাগছে। - ঠিক আছে।
স্পাইডার-ওম্যান কেসে একটা সূত্র পেয়েছি আমরা।
ওহ।
- তাহলে ভালো। - কাছাকাছি চলে এসেছি।
বললাম তো। আমি টের পাচ্ছি সেটা।
আমিও।
ব্যাপারটা আমাদের জন্য ভালো হবে।
এত নিশ্চিত হয়ো না।
- ও তোমার বন্ধুকে মেরেছে। - তুমি সেটা জানো না।
আমি সেটা জানি না?
অবশ্যই জানি। আমি ছিলাম সেখানে।
- ও ওখান থেকে পালাচ্ছিল। - হয়তো ওর অন্য কোনো উপায় ছিল না।
আমার কাজ আছে, গুয়েন।
এটা ওকে ফিরিয়ে আনবে না।
আমি এ নিয়ে তর্ক করতে চাই না।
ঠিক আছে?
হ্যাঁ, সেটা তো বুঝছিই।
ধরো..
...বাবাকে জড়িয়ে ধরা তোমার পাঙ্ক রক ব্যক্তিত্বের সাথে যায় না--
সব ইউনিটকে বলছি, অতিমানব সম্পর্কিত ঘটনা ঘটছে।
গাগেনহেইম মিউজিয়ামে।
ওহ। হেই, এই মনে হয় সেই ঘটনা। সন্দেহভাজনের নাম অ্যাড্রিয়ান টুমস।
- সে ভালচার নামেও পরিচিত। - পরে দেখা হবে?
আচ্ছা।
ঘটনাস্থলে ফায়ার ডিপার্টমেন্ট গেছে।
আমি ফোন করব।
আমি তোমাকে ভালোবাসি।
49-20, ঘটনাস্থলে।
সব রকমের সাহায্য লাগবে আমাদের।
এখানে মহা ভজঘট পাকিয়েছে।
ক্যাপ্টেন স্ট্যাসি। সব লোককে পাঠিয়েছি।
সবাই যথাসম্ভব চেষ্টা করো।
মেয়েটার দেখা দেয়ার সম্ভাবনা আছে।
ইউরি, আমাকে বোঝাও তো। ৪০ ফুট চওড়া একটা ডানা নিয়ে
এক লোক সবার চোখ এড়িয়ে মিউজিয়ামে ঢুকলো কী করে?
হেই, এটা নিউ ইয়র্ক। এখানে এরকম ঘটেই থাকে।
বিদায় জানাচ্ছি।
ও কী চায়, তা কি আমরা জানি? তুমি কি ইতালিয়ান বোঝো?
আমি তো আইরিশ পুলিশ।
হয়তো "পাস্তা পছন্দ করে" একথা বলছে।
সবাই আমার সংকেতের জন্য অপেক্ষা করো!
স্পাইডার-ওম্যান আসছে কি না দেখো সবাই!
হেই!
হ্যাঁ, আমরা সন্ধান পেয়ে গেছি।
আমাকে খোঁজাখুঁজি কেমন চলছে?
তোমাকে গ্রেপ্তার করা হলো!
জেনে ভালো লাগল।
ভালচার!
ওদের নাম ধরে ডাকলে কাজ হয় সাধারণত।
মনে হয় কাজ হয়েছে।
আমি হলাম ভালচার, মানবীয় প্রতিভার শীর্ষবিন্দু।
তুমি আমার ভালচার নও।
তুমি কি কাগজ দিয়ে বানানো নাকি?
কোন অভিশপ্ত পৃথিবীতে নিয়ে এলে আমাকে?
ঝিরঝির করছ, হাহ? আমিও এ অবস্থায় পড়েছিলাম।
বন্ধু, কোথা থেকে এসেছ তুমি?
আমি একজন শিল্পী, একজন ইঞ্জিনিয়ার।
ওহ, দারুণ, রেনেসাঁ যুগের মানুষ।
আন্দাজ করি দাঁড়াও।
তুমি নিশ্চয়ই প্রাচীন লিওনার্দো ডা ভিঞ্চি ডাইমেনশনে
বসে বসে এসপ্রেসো খাচ্ছিলে।
আর হঠাৎ করে একটা পোর্টাল দিয়ে এখানে চলে এসেছ।
- কাছাকাছি বলেছি? - হ্যাঁ, ব্যাপারটা মনে হয় সেটাই।
অকারণেই আর্ট মিউজিয়ামটা তছনছ করা
বন্ধ করলে ভালো হয়।
তোমরা এটাকে আর্ট বলো?
আমাদের এ নিয়ে কথা হয়েছিল না?
হাস্যকর।
ওহ, দারুণ।
আর্টের ব্যাপারে একধরনের মেটা কমেন্টারি বলা যায় একে।
কিন্তু এটাও আসলে আর্ট।
আরে সেই, তোমার কাজিন এসেছে।
আমি আগুন নিয়ে খেলি না মামা।
তুমি কাগজ দিয়ে বানানো।
হেই, মেয়ে।
ওহ, না।
আমি দুঃখিত। তুমি আসলে কে?
ব্যাপারটা গোপনীয়।
তুমি হলে ব্লু প্যান্থার।
- না। - কেপড ব্লুসেডার?
- না, আমি... - ডার্ক গ্যারফিল্ড।
- না। থামো তো। - মাচো লিবরে।
আমি অন্য ডাইমেনশন থেকে এসেছি।
তাই নাকি? সেই!
আসলে, আমি অবাক হইনি।
আমার নাম মিগেল ও'হারা।
আমি একটা ধুন্ধুমার স্ট্রাইক ফোর্সের অংশ,
আমাদের কাজ মাল্টিভার্সের নিরাপত্তা বজায় রাখা...
থাকগে, বাদ দাও।
তুমি কি ওই ঘড়িটা দিয়ে
যেকোনো জায়গায় যেতে পারো?
এটা ঘড়ির মতো সাধারণ জিনিস না।
ঠিক আছে। আঁতে ঘা লাগার মতো কিছু বলিনি।
দেখো, রেনেসাঁ যুগ থেকে একটা উড়ন্ত টার্কি ধেয়ে এসেছে,
তাকে আইনের হাতে তুলে দেয়া লাগবে, যদি কিছু মনে না করো...
- সমস্যা নেই, খুকি। - বাহ।
আমি এখন করছি যা করার।
ঠিক আছে, যা করবে করো।
এভাবে একথা বলছ কেন?
তুমি একটুও মজার না!
কী জানি।
তোমার বানানো জট খুলতে
অনেক মজা লেগেছে।
- কীসের জট? - কিংপিনের কলাইডার।
তোমরা কী বলছ এসব?
- এসবে তোমার মাথা ঘামানো লাগবে না। - চুপ করো তো।
আমরা মাল্টিভার্সকে বাঁচিয়েছি।
তুমি এত বড় একটা ফুটো খুলে রেখেছিলে যে,
ওর মতো লোকেরা যখন-তখন ভুল ডাইমেনশনে ঢুকে পড়ছে।
আর এখন সবাইকে ফেরাতে ফেরাতে অবস্থা খারাপ আমার,
ওদের জায়গামতো না ফেরালে স্থান-কাল বিচ্যুত হবে।
ডক্টর স্ট্রেঞ্জ আর আর্থ-১৯৯৯৯৯ এর
ঐ পিচ্চি আঁতেলের কথা বাদই দিলাম।
ডক্টর স্ট্রেঞ্জ কে?
শুনে মনে হচ্ছে, এ লোকের ডাক্তার হওয়া উচিত না।
দুঃখিত, ক্যাপ্টেন, আমি এখন কথা বলতে পারব না।
হেই। হেই!
আমি কি এখন এটা সামলাবো, নাকি...
হাহ। ঠিক আছে।
হায় খোদা! ও হ্যামারস্পেস ধরেছে!
No comments yet. Be the first to leave one.