200 baris pertama.
অনুবাদে ও সম্পাদনায় Fax
আমি এখনি আসছি।
হেই! ডিজেল তেল ভরো।
- স্যার? - হ্যাঁ?
প্রভু আয়াপ্পা! তুমিই আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা! তুমিই আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা! তুমিই আশ্রয়!
পম্পার বাসিন্দা... তুমিই আশ্রয়!
পান্ডালমের রাজা... তুমিই আশ্রয়!
পাহাড়ের বাসিন্দা... তুমি আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা, তুমিই আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা, তুমিই আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা, তুমিই আশ্রয়!
প্রভু আয়াপ্পা... - তোমরা ধীর গতিতে যাও
তোমার মাথায় কি?
- প্রভুর জন্য নৈবেদ্য। - দুজনের জন্য মাত্র ১টি?
আপনার কিছু সন্দেহ হচ্ছে বলে মনে হয় ।
হ্যা হচ্ছে ।
তাহলে, আপনি একবারও দেখছেন না কেন?
- অরবিন্দন... দৌড়াও! - সে চলে যাচ্ছে, স্যার!
হেই! ওখানে দাড়াও।
আমি তোমাকে বলেছিলাম আমাদের আরও একটু অপেক্ষা করা উচিত ছিল!
এই পথে। এই দিকে এসো!
ওই যে নদী!
প্রভু আয়াপ্পা... - তুমিই আশ্রয়!
মনে হচ্ছে তারা চিমেনি থানার সীমানার দিকে যাচ্ছে।
- আচ্ছা, এখন এটা তাদের সমস্যা। - হ্যাঁ
এরা কে?
জানি না! আমি ভেবেছিলাম তারা আপনার লোক।
আমি ভেবেছিলাম তারা তোমার আত্মীয়।
- তুমি কে? - রাজীবন।
- এবং তুমি? - অরবিন্দন।
- তুমি এখানে কেন ? - তার জন্য চাকরি খুঁজছি।
সে কি ধরনের কাজ করে?
- সে কূপ খনন করতে পারে। - এবং তুমি?
আমি কোন কাজ জানি না।
- যদিও আমি তামিল ভালো বলতে পারি। - ভাগো!
আমি ছোট খাটো চোর ছিলাম....
কিন্তু আমি কিছুদিন আগে চুরি করা বন্ধ করে দিয়েছিলাম।
কথা দাও তুমি আর কখনো চুরি করবে না।
চিমেনি
আমাদের ডায়াপার ফুরিয়ে যাচ্ছে।
চালও।
যদি সে ঠিকভাবে খায় তবেই তার ডায়াপার লাগবে, তাই না?
তুমি কখন ফিরবে?
ভোরবেলা। তুমি ঘুমাতে যাও।
তুমি কোথায় যাচ্ছো?
সে আর ভালো হবে না!
চোর ! চোর ! দেখো!
চোর ! চোর !
কানন স্যার, আপনি অনেক 'লাইক' পাচ্ছেন।
- তোমার দেরী হল কেন? - "ঈশ্বরের বার্তাবাহকদের!" দোষারোপ কর
- যেতে পারলাম না! - আমি কি রাতের খাবার দেব?
আমি তাদের সঙ্গে খেয়েছি।
তুমি যদি "ঈশ্বরের বার্তাবাহকদের" এর সাথে বাইরে খেতে থাকো।
এখানে যা কিছু রান্না করা হয়েছে সেগুলো কি নষ্ট করব।
আমি আজ রাতে যা তৈরি করেছি তা আগামীকালের নাস্তা।
পিএ!
আজ রাতে এখানে ঘুমাও।
কাল নাস্তা করে চলে যাবে।
কেন নয়!
কোন শব্দ নেই কেন?
ওহ কৃষ্ণন... কি বোকাচোদা!
এটা টিভি নয়। এটা সিসিটিভি।
হেই... হেই! আমাকে ছেড়ে দাও!
চোর ! চোর !
-চোর ! চোর ! - কেউ তোমাকে ডাকছে।
চোর ! চোর !
মাফ করবেন, বোন।
- কি হচ্ছে? - এক চোর...
- উহ! - দেয়ালে লাফিয়ে পড়লে...
কুকুর তাকে পেয়ে কামড়েছে!
উহু! তারপর?
কিছুক্ষণ আগের ঘটনা। আমি এইমাত্র এখানে এসেছি।
- ওহ ঠিক আছে। - তখন লোকেরা তাকে ধরে ফেলে।
ওহ... ভাই, এটা ধর। মাফ করবেন।
তাকে শক্ত করে ধরে রাখো। তুমি একজন বিধায়কের বাড়িতে ভাঙচুর করছ?
ভাই আমার কথা শুনুন। আমি ডাকাতি করতে আসিনি।
তাহলে ওদের বেডরুমে উঁকি দিতে এসেছ? শালা কুত্তা!
- আরে, তাকে ধরে রাখো! - দয়া করে আমাকে মারবেন না...
আহ, পুলিশ এখানে আছে।
তার রক্ত বের হচ্ছে স্যার! আমাদের তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া উচিত।
আমার সাথে এসো।
- কি হয়েছে... কানন স্যার? - বিষয় হচ্ছে...
স্যার, আমাকে বলতে দিন।
মন্দির উৎসবে অনুষ্ঠান শেষে আমরা ফিরে এলাম।
আমরা আমাদের রুমে ছিলাম, ঘুমাতে যাচ্ছিলাম।
- তুমি এখানে থাকো? - না স্যার!
কিছু ডিনার বাকি ছিল।
তাই আমি তাদের সকালের নাস্তায় থাকতে বললাম।
- তারপর? - আমি যখন সিসিটিভি দেখলাম...
একটা ছায়া দেখলাম!
আমি যখন জানালা দিয়ে তাকালাম...
- ওই দেয়ালটা দেখেছো? - হ্যাঁ।
সে সেই দেয়ালের ওপরে উঠে লাফ দিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল...
গেটের দিকে দেয়াল ধরে লুকিয়ে ছিল।
তাই সে সেই জায়গায় ঢুকে গেল... সেখানে... দেয়াল ধরে লাফ দিল,
এবং গেটের দিকে লুকিয়ে গেল...
সম্ভাবনা আছে এভাবেই এটা ঘটেছে।
- স্যার... আমার বলা শেষ হয়নি। - ঠিক আছে তারপর?
ততক্ষণে আমি আর কৃষ্ণন দরজা খুলে বেরিয়ে এলাম
সে কিঙ্গিনির গলা চেপে ধরেছে
এবং পায়ের তলায় 'পেনকিলি' ধরে আছে।
- আপনার সন্তানরা? - না।
তারা আমাদের পোষা কুকুর। কিন্তু ওরা আমাদের সন্তানের মতো, স্যার।
রাকেশ ভালো আছে।
কিন্তু তারা কিঙ্গিনি ও পেইনকিলিতে অভ্যস্ত!
আপনি তাকে রাকেশ বলে ডাকতে পারেন। সে একজন কনস্টেবল মাত্র।
- তারপর কানন সাহেব? - তারপর ...
লোকজন জড়ো হয়ে তাকে ধরে ফেলে।
পিএ বেশি কিছু করেনি।
- কিন্তু তারা তাকে একবার মেরেছিল এবং সে পড়ে গিয়েছিল। - পিএ কে?
- আমি। - আমি।
- দুই পিএ? - স্যার, আমি স্যারের পিএ।
তিনি... পিএ কৃষ্ণান। P এবং A হল তার আদ্যক্ষর।
- রাকেশ... এটা নোট করো। - হ্যাঁ।
কানন সাহেব, আশা করি কিছুই চুরি হয়নি। সোনা বা গয়না কিছু ?
- না, না, তাই না? - না।
একটি অভিযোগ লিখুন... ফাঁকা কাগজে
অভিযোগের মতো করে এবং থানায় পাঠান।
- ঠিক আছে। - রাকেশ, খেয়াল রেখো।
- জী স্যার - ঠিক আছে।
হ্যালো, মাফ করবেন। চিন্তা করবে না, শুধু গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
বিধায়ক কুঞ্জিকান্নানের বাড়িতে ভাঙচুর ও ঢোকার জন্য...
এবং আইপিসি ধারা ৪৪৬ এবং ৩৯৩ অনুযায়ী ডাকাতির চেষ্টা করা
তোমাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে।
আদালতের মাধ্যমে জামিনের নেওয়ার অধিকার তোমার আছে।
এছাড়াও, আমাকে কর্তব্য অনুসারে, তোমার বন্ধু বা আত্মীয়কে জানাতে হবে।
- কাকে ডাকবো? - আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যান স্যার।
- আমি আর নিতে পারছি না স্যার! - আরে রাকেশ!
তুমি কি করছ?!
স্যার, এটা আমার প্রথম গ্রেফতার।
আমি সিআরপিসি ধারা ৫০ এবং ৫০ (এ) প্রণয়ন করছিলাম।
আমি সকালে একটি ওরাকল অনুষ্ঠানে যাব। এটা শেষ করো... দ্রুত!
ঠিক আছে।
ঠিক আছে, সবাই... এখন চলে যান।
আপনারা সবাই আমার কথা শুনতে পাচ্ছেন না? এখন যাও।
বাড়িতে যান, আপনারা।
তাড়াতাড়ি যাও।
তুমি কি মনে কর তুমি বাদ?
এখন যেহেতু আমরা তাকে আপনার জন্য ধরেছি, আপনি আমাদের বের করতে চান, হাহ!
আমরা এখনই তোমাকে কিভাবে পুরস্কার দেই দেখাচ্ছি?
চিৎকার বন্ধ কর!
আমি মনোযোগ দিতে পারছি না।
চুরি করার আগে দুবার ভাবা উচিত ছিল
নির্লজ্জভাবে কান্নার বদলে।
তোমার অর্ধেক পাছা গেছে, আমার জান।
এটাও কি?! এটা কি কুকুর নাকি সিংহ ছিল?!
আমার পুরো নার্সিং ক্যারিয়ারে এরকম দেখিনি।
আমাদের প্রতিদিন ড্রেসিং পরিবর্তন করতে হবে।
এবং কিছুদিনের জন্য কাজ করার কথা ভুলে যান।
তার কোনো চাকরি নেই।
যখনই তার মনে হয় একটা কিছু তুলে নেয়।
স্যার...
আমি তো চুরি করতে ঢুকছিলাম না!
মিঃ রাজীবন, আমি প্রতিদিন ৪ লিটার ভেষজ জল পান করি।
গরুর প্রস্রাব নয়।
তুমি কিছু যুক্তিসঙ্গত কথা বল?
যাইহোক... এটা আমার প্রথম গ্রেপ্তার।
এটা জটিল করবে না, দয়া করে!
স্যার... আমি কিছু চুরি করিনি।
আমার মায়ের কসম!
তোমার স্ত্রীর শপথ কর।
ওহ... আমরা বিয়ে করিনি।
আমরা শুধু প্রেমিক প্রেমিকা।
তাকে শপথ করতে বলবেন না। সে শুধু মিথ্যা শপথ করবে।
তোমাকে কতবার বলেছি...
কখনই ... চুরি করবে না!
তুমি শপথ করেছ... তুমি আর কখনো চুরি করবে না!
সেজন্য আমি বাচ্চা নিতে রাজি হয়েছিলাম!
তুমি আমাকে ঠকিয়েছ!
হাসপাতালে চিৎকার করবেন না, তাই না?
আমি বলতে যাচ্ছিলাম... কেঁদো না,মা!
কিন্তু আপনারা সবাই একই!
দেবী... বোকামি করো না!
ডায়াপার পরিবর্তন করার সময় বলতে চাচ্ছ? আমি জানি কিভাবে এটা করতে হয়।
বল।
আমি জামিন পেতে চাই স্যার।
পুলিশম্যান! পড়ুন।
শুক্রবার, ৭ই ডিসেম্বর, ২০১৮... মধ্যরাতের পরে এবং সূর্যোদয়ের আগে
পল্লীপাড়া স্কুলের বিপরীতে চিমেনি পঞ্চায়েতের একটি বাড়িতে...
অ্যাডভোকেট কৃষ্ণান... তুমি বল।
বিধায়কের বাড়িতে ডাকাতির চেষ্টা।
ধারা ৩৯৩ এবং ৪৪৬।
তবে কিছুই চুরি হয়নি অ্যাডভোকেট কৃষ্ণান স্যার।
কেউ আহত হয়নি। এবং সেখানে কোন অস্ত্রও পাওয়া যায়নি।
আমার আত্মরক্ষায়,
আমি কিঙ্গিনির গলা চেপে ধরেছিলাম। এই আমার বক্তব্য।
'কিঙ্গিনি'... একটা কুকুর স্যার।
দয়া করে তাকে জামিন দেবেন না। তাকে রিমান্ডে নিতে হবে।
স্যার... ৩৯৩ ধারা একটি মিথ্যা অভিযোগ মাত্র।
আসলে, আমি যে চুরি করেছি তার কোন শক্ত প্রমাণ নেই।
তুমি দণ্ডবিধির ধারাগুলো তো জানো তাই না!
যতদিন সে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে
তাতে তার ম্যাজিস্ট্রেটের অভিজ্ঞতা হয়েছে।
- সে একজন নিয়মিত যাতায়াতকারী অপরাধী। - কিসের অভ্যাস!
স্যার, আমি হাঁটতেও পারি না।
আমার অর্ধেক পাছা গেছে কুকুরের মুখে।
- তোমার কি উকিল আছে? - না, নেই স্যার।
- তুমি কি উকিল চাও? - না, আমি জামিন চাই।
No comments yet. Be the first to leave one.